প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনার সুজানগরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনার পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১১ জন নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
গতকাল শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিবাগত মধ্যরাত থেকে আজ শনিবার ভোর পর্যন্ত অভিযানের মাধ্যমে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কর্তৃক ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এই বিষয়ে ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন। তবে আটকদের নাম পরিচয় এখনো তার কাছে জানা যায়নি।
এছাড়াও, গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) রাতে সুজানগর থানায় উপজেলা ও জেলা শাখাসহ অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ দুটি মামলা দায়ের করেছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ভোর রাতে অভিযানে গিয়ে পুলিশ মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে হামলার শিকার হয় এবং গাড়ি ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এই হামলায় সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাফফর হোসেন ও কনস্টেবল সবুজ হোসেন আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতরভাবে আহত ওয়াসি মোজাফফর হোসেনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা, গাড়ি ভাঙচুর ও হত্যার উদ্দেশ্যে পুলিশকে মারধরের অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুল ওহাবকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিনুজ্জামান শাহিন, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সভাপতি আমিরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এসএম সোহাগসহ ৫৫ জনকে নামীয় আসামি করা হয়েছে।
একই দিনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ। ওই মামলায়ও প্রধান আসামি আব্দুল ওহাব। এতে দলটির জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল আহাদ বাবু ও ছাত্রলীগের সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি আমিরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক এসএম সোহাগসহ নামীয় ৫৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলাটি দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পরিকল্পনা ও এসব কাজে সহযোগিতার অভিযোগে দায়ের করা হয়েছে। উভয় মামলাতেই ২৫০-৩০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
পাবনা ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাশিদুল ইসলাম জানান, মামলার পর শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শনিবার ভোর অবধি সুজানগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয় এবং এক নারীসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে এজাহারনামীয় ও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা আসামি রয়েছে। তিনি আরো জানান, আজ বিকেলে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন