ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৭৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন, এপ্রিলে কমলাপুর পর্যন্ত চলবে মেট্রোরেল


৭৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন, এপ্রিলে কমলাপুর পর্যন্ত চলবে মেট্রোরেল

মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের বর্ধিতাংশ চলতি বছরের এপ্রিল মাসে চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্পের কর্মকর্তাগণ। ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-৬) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আবদুল ওহাব জানান, আগামী বছরের এপ্রিলে বাণিজ্যিকভাবে মেট্রোরেল চলাচল শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে জানুয়ারী থেকে ট্রেন চালিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি বলেন, নিয়মিত যাত্রীসেবার সময় পার হওয়ার পর রাতে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পুরো রুটজুড়ে পরীক্ষামূলক চলাচল পরিচালনা করা হবে। উল্লেখ্য, এটি দেশের প্রথম মেট্রোরেল রুট, যেটিকে লাইন-৬ বলা হয়।

প্রকল্প কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে ১ দশমিক ১৬ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট, একটি স্টেশন ও রেল ট্র্যাক নির্মাণসহ সম্প্রসারণ কাজের প্রায় ৭৭ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে স্টেশনের স্থাপত্য এবং প্রবেশ-বাহির পথের কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: সাইবার সুরক্ষা আইন সরকারের জন্য আত্মঘাতী হবে: ড. ইফতেখারুজ্জামান

কর্মকর্তারা আরও জানান, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত কমলাপুর স্টেশনের সাথে সমস্ত পাইল, পাইল ক্যাপ, পিয়ার, স্টেশন কলাম, প্রিকাস্ট, কনকোর্স ছাদ, প্ল্যাটফর্ম স্ল্যাব, ট্র্যাক স্ল্যাব, প্যারাপেট ওয়াল এবং স্টিলের ছাদ তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, কমলাপুর স্টেশনের জন্য স্বয়ংক্রিয় দরজা, সিগন্যালিং সিস্টেম এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি শিগগিরই স্থাপনের জন্য আনা হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ট্র্যাক স্থাপনের কাজ সম্পন্ন হবে বলে তারা আশা করছেন।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, স্টেশনের প্রবেশ-বাহির পথ, অভ্যন্তরীণ দেয়ালের টাইলস, স্থায়ী জানালার গ্লাস স্থাপন এবং অভ্যন্তরীণ ও বাইরের অংশের রঙের কাজ চলছে। উল্লেখ করতে গিয়ে বলা হয়, উত্তরা কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে ২৯৮টি প্রিকাস্ট সেগমেন্টের মধ্যে ১০০টি প্রিকাস্ট সেগমেন্টের কাস্টিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। উত্তরা উত্তর থেকে কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত লাইন-৬ এর মোট দৈর্ঘ্য ২১ দশমিক ২৬ কিলোমিটার।

এর আগে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয়েছিল।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সাংগঠনিক সভায় অংশগ্রহণ করবেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গরমে স্ক্যাল্পের সমস্যা প্রতিরোধ করতে যা করা উচিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ এম


গরমে স্ক্যাল্পের সমস্যা প্রতিরোধ করতে যা করা উচিত

গরমকাল শুরু হওয়ার পর থেকে অনেকের মাথার ত্বকে (স্ক্যাল্প) বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। এতে মাথা খুশকানো, চুল দ্রুত তেলতেলে হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত খুশকি এবং ছোট ছোট ফুসকুড়ি হওয়া এসব নিয়মিত সমস্যা। চিকিৎসকরা জানান, গরমে অতিরিক্ত ঘাম এবং বাতাসের আর্দ্রতার ফলে এসব সমস্যা বেড়ে যায়। মাথার ত্বকে ঘাম, ধুলাবালি এবং তেল জমে এমন পরিবেশ তৈরি হয় যেখানে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস জন্মায়। তাই এই সময় চুলের পাশাপাশি মাথার ত্বকের জন্য আলাদা যত্ন নেওয়া অপরিহার্য। কিছু সহজ নিয়ম অনুসরণ করলে গরমে স্ক্যাল্প পরিষ্কার এবং স্বাস্থ্যকর রাখা সম্ভব। চলুন, জেনে নেওয়া যাক।

সপ্তাহে তিন দিন শ্যাম্পু ও হালকা হেয়ার প্রডাক্ট-

গরমে মাথা পরিষ্কার রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু এই সময়ে ঘাম বেশি হয়, তাই সপ্তাহে অন্তত দুই থেকে তিনবার শ্যাম্পু করা উচিত। এর ফলে স্ক্যাল্পে জমে থাকা ময়লা এবং অতিরিক্ত তেল পরিষ্কার হয়ে যায়। তবে চুলের ক্ষতি এড়াতে কড়া শ্যাম্পুর বদলে মাইল্ড বা হালকা শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিৎ। যাদের মাথা বেশি তেলতেলে হয়, তারা অয়েল কন্ট্রোল বা অ্যান্টি-ড্যান্ড্রাফ শ্যাম্পু বেছে নিতে পারেন। এ ছাড়া গরমে চুলে অতিরিক্ত তেল, জেল বা হেয়ার ওয়্যাক্স ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এই পণ্যগুলো মাথার ত্বকে ধুলো এবং ঘাম আটকে রাখে, ফলে স্ক্যাল্প আরো আঠালো এবং অপরিষ্কার হয়ে যায়।

নিমের ডাল দিয়ে দাঁত মাজলে কি হয়

ভেজা চুল বাঁধবেন না এবং রোদ থেকে বাঁচুন-

বাইরে থেকে ঘেমে এসে কিংবা চুল ধোয়ার পর ভেজা অবস্থায় চুল শক্ত করে বাঁধা একদম উচিত নয়। এতে মাথার ত্বকে বাতাস ঢুকতে পারে না, যা চুলকানি, দুর্গন্ধ এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ায়। সুতরাং, চুল ঘেমে গেলে বা ভিজলে আগে তা ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি কড়া রোদ থেকেও মাথার ত্বককে সুরক্ষা প্রদান করতে হবে। দীর্ঘ সময় রোদে থাকলে স্ক্যাল্পে জ্বালাপোড়া এবং চুল পড়ার সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই বাইরে যাওয়ার সময় ছাতা, টুপি বা স্কার্ফ ব্যবহার করা উচিৎ।

খাবারদাবারে পরিবর্তন-

আমাদের খাদ্যাভ্যাসের উপরও ত্বকের স্বাস্থ্য নির্ভর করে। গরমে বেশি তেল-মসলাযুক্ত খাবার খেলে শরীরে তেলের উৎপাদন বাড়ে, যা স্ক্যাল্পকে আর তেলতেলে করে তোলে। তাই এই সময় শরীর ঠাণ্ডা রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি, তাজা ফলমূল এবং হালকা খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন।

জরুরি পরামর্শ-

সাধারণ কিছু নিয়ম অনুসরণ করার পরেও যদি মাথার চুলকানি কমে না, খুশকি বেড়ে যায় অথবা স্ক্যাল্পে লালচে দাগ ও ফুসকুড়ি দেখা দেয়, তাহলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ। কারণ এটি সাধারণ কোনো সমস্যা নয় বরং ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা অন্য কোনো ত্বকের রোগ হতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ এম


জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য একাদশ

ওয়ানডে ফরম্যাটে বাংলাদেশ দলের ফর্ম বেশ ভালো। সর্বশেষ চারটি সিরিজ জিতে এবার টাইগাররা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামতে প্রস্তুত। পূর্ণশক্তির দল নিয়েই জিম্বাবুয়ের মোকাবিলায় নামার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বাংলাদেশ সময় সোমবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে খেলাটি শুরু হবে।

বাংলাদেশ একমাত্র টেস্ট ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ইনিংস ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল। কিন্তু এবার ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামবে টাইগাররা। লিটন দাস, নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমানদের নিয়ে বাংলাদেশ শক্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত। প্রথম ওয়ানডেতে লিটন খেলবেন কিনা তা নিয়ে কিছু শঙ্কা আছে। তিনি যদি শেষ পর্যন্ত না খেলেন, তাহলে আন্তঃদলে নুরুল হাসান সোহানের খেলার সম্ভাবনাই বেশি। ওপেনিংয়ে তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গে জুটি বাঁধতে পারেন সাইফ হাসান অথবা সৌম্য সরকার। সাইফ দীর্ঘ সময় ধরে ফর্ম হারানোর পর নতুন করে সুযোগ পাবেন কিনা, তা নিশ্চিত নয়।

সাইফের খেলা না হলে, 그리고 ডানহাতি-বাঁহাতি কৌশল থেকে বেরিয়ে আসলে সৌম্যর দিকে নজর দিতে পারেন টাইগার টিম ম্যানেজমেন্ট। তিন নম্বরে নাজমুল হোসেন শান্ত এবং চার নম্বরে তাওহিদ হৃদয় খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। পাঁচে লিটন যদি না খেলেন, তাহলে সোহান। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ফিরে আসা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ছয়ে এবং অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ সাতে খেলবেন।

বোলিং বিভাগে তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান এবং নাহিদ রানার খেলা প্রায় নিশ্চিত। বিশেষজ্ঞ স্পিনার হিসেবে তানভীর ইসলাম একাদশে আসার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। বাংলাদেশের বোলিং ইউনিট নিয়ে খুব চিন্তার কিছু নেই। ঘরের মাঠে গত কয়েকটি সিরিজে টাইগার পেসাররা দারুণ ফর্মে আছেন। যেই কিংবা যেই পেসার খেলছেন, তারা নিজেদের প্রমাণ করে চলেছেন। টাইগার বোলিং ইউনিটে স্পিনার এবং পেসার সব দিকেই ভালো ভারসাম্য রয়েছে।

তবে চিন্তার জায়গা একটি আছে - ব্যাটিং। সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ব্যাটাররা অসাধারণ পারফরমেন্স দেখালেও সেই আলো দ্রুত নিভে যেতে পারে। জিম্বাবুয়ের কন্ডিশনে বড় রান তুলে ম্যাচ জেতার জন্য ব্যাটসম্যানদের দায়িত্ব নিয়ে খেলতে হবে। তাই, ব্যাটিংয়ে বড় রান পেতে হবে।

জিম্বাবুয়ে টেস্টে বাংলাদেশকে হারানোর পর ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে। তারা ওয়ানডেতেও বাংলাদেশকে হারাতে চাইবে। বাংলাদেশ যদি নিজেদের হারানোর সুযোগ না দেয়, তাহলে ভালো হবে।

দুই দলের সম্ভাব্য একাদশ:

জিম্বাবুয়ে: ব্রায়ান বেনেট, বেন কারান/ইনোসেন্ট কাইয়া, ব্রেন্ডন টেইলর, ক্রেইগ আরভিন, সিকান্দার রাজা, রায়ান বার্ল, ক্লিভ মাদান্দে (উইকেটরক্ষক), ব্র্যাড ইভান্স, রিচার্ড এনগারাভা (অধিনায়ক), ব্লেসিং মুজারাবানি এবং এরনেস্ট মাসুকু।

বাংলাদেশ: তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান/সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, নুরুল হাসান সোহান (উইকেটরক্ষক), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, মেহেদী হাসান মিরাজ, তানভীর ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
থমকে মাছ শিকার

বৈরী আবহাওয়ায় উত্তাল সমুদ্র, সংকটে হাজারো জেলে পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ এম


বৈরী আবহাওয়ায় উত্তাল সমুদ্র, সংকটে হাজারো জেলে পরিবার

বৈরী আবহাওয়ার কারণে উত্তাল হয়ে উঠেছে বঙ্গোপসাগর। বড় বড় ঢেউয়ের কারণে গভীর সমুদ্রে টিকতে না পেরে উপকূলে ফিরে এসেছে শত শত মাছ ধরার ট্রলার। এর ফলে টানা চার দিন ধরে সমুদ্রে যেতে পারেননি পটুয়াখালীর জেলেরা। জীবিকার তাগিদে যারা ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রে গেছেন, তারাও ফিরেছেন প্রায় খালি হাতে। একের পর এক সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন উপকূলের হাজারো জেলে পরিবার।

টানা চার দিন ধরে বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে। গভীর সমুদ্রে হঠাৎ হঠাৎ বিশাল ঢেউ তৈরি হচ্ছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে সেই ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে মাছ ধরা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। বহু জেলে জাল গুটিয়ে খালি হাতে ফিরে এসেছেন। শত শত মাছ ধরার ট্রলার এখন উপকূলে নিরাপদে নোঙর করে রয়েছে অনুকূল আবহাওয়ার অপেক্ষায়।

জেলেরা জানিয়েছেন, সাগরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে জাল ফেলাও সম্ভব হচ্ছে না, আবার টেনে তোলাও সংকটজনক হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কয়েকদিন মাছ ধরার সুযোগ পাওয়ার পর আবার ঝড় শুরু হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে তীরে ফিরে আসতে হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে।

৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে গত ১২ জুন থেকে সমুদ্রে মাছ ধরা কার্যক্রম শুরু হলেও জেলেদের জীবনে কোনো স্বস্তি ফিরে আসেনি। এক মাসও পেরোতে না পেরোতেই বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়া শুরু হয়। ফলে অনেকেই সমুদ্রে যেতে পারেননি। যারা ঝুঁকি নিয়ে গেছেন, তারাও উত্তাল সাগরে সঠিকভাবে জাল ফেলতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরেছেন।

জেলেদের অভিযোগ, বছরের বেশিরভাগ সময়ই কোন না কোন কারণে মাছ ধরা বন্ধ থাকে। কখনও সরকারি নিষেধাজ্ঞা, কখনও নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড় বা বৈরী আবহাওয়া। ধারদেনা করে সংসার চালাতে গিয়ে অনেক পরিবার এখন চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে।

মৎস্য কর্মকর্তারা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে এলে জেলেরা পর্যাপ্ত মাছ পাবেন। পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিজন কুমার নন্দী জানান, জেলেরা যেভাবে সরকারি আইন মেনে মাছ ধরছেন, তাতে আবহাওয়া অনুকূলে এলে তারা পর্যাপ্ত ইলিশসহ অন্যান্য মাছ ধরার সুযোগ পাবেন এবং তাদের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

মা ইলিশ সংরক্ষণ, জাটকা রক্ষা এবং সামুদ্রিক মাছের প্রজনন বৃদ্ধির জন্য সরকারের বিভিন্ন সময়ে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকে। পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানা কারণে পটুয়াখালীর উপকূলে বছরে প্রায় ২৫০ থেকে ২৭০ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এর ফলে একদিন মাছ ধরতে না পারলেই যেসব জেলে পরিবারের চুলায় আগুন জ্বালে না, সেই পরিবারগুলো এখন বছরের অধিকাংশ সময় কর্মহীন অবস্থায় রয়েছে। একদিকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা, অন্যদিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ; সব মিলিয়ে জীবিকার অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছে উপকূলের হাজারো জেলে পরিবারের সদস্যরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গরমে শরীর ঠিক রাখে যেসব খাবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ এম


গরমে শরীর ঠিক রাখে যেসব খাবার

 

গরম এখন শুধু ঋতু নয়, বরং এটা সহনশীলতার একটি পরীক্ষা। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই এবং এর সঙ্গে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতির মধ্যে জীবনযাত্রায় কিছু ছোট ছোট পরিবর্তন বড় ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে।

পোশাকে আনুন স্মার্ট পরিবর্তন। গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার প্রথম ধাপ হলো সঠিক পোশাক। হালকা রঙের সুতি বা লিনেন কাপড় বেছে নিন। ঢিলেঢালা পোশাকের কারণে বাতাস চলাচল সহজ হয়ে যায়, ফলে ঘাম কম হয় এবং শরীর আরও আরাম পায়।

শরীরকে রাখুন হাইড্রেটেড। গরমে শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। তাই নিয়মিত পানি পান করা খুব জরুরি। ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ফলের রস ভালো বিকল্প। তরমুজ, শসা, কমলার মতো পানিযুক্ত ফল ধীরে ধীরে খাবারে রাখুন। চিনি বেশি থাকা সফট ড্রিংক এড়িয়ে চলা ভালো।

কাজের মাঝে নিন বিরতি। অতিরিক্ত গরমে একটানা কাজ করার ফলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিন, বিশেষ করে ছায়াযুক্ত জায়গায়। বাইরে কাজ করলে নিয়মিত পানি পান করুন।

ঘর রাখুন ঠান্ডা। ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। দিনে পর্দা টেনে রাখুন এবং রাতে জানালা খুলে দিন। ফ্যান এমনভাবে রাখুন যেন বাতাস ঠিকভাবে ঘুরে বেড়ায়।

শরীর ঠান্ডা রাখুন নিয়মিত। গরমে দিনে একাধিকবার গোসল করলে খুব আরাম পাওয়া যায়। বাইরে থাকলে ভেজা রুমাল বা পানি স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।

রোদ এড়িয়ে চলুন। দুপুরের তীব্র রোদ এড়িয়ে চলা সবার জন্য সবচেয়ে ভালো। প্রয়োজনে বাইরে গেলে ছাতা, টুপি এবং পানির বোতল সঙ্গে রাখুন।

হালকা খাবার বেছে নিন। গরমে ভারী ও মশলাদার খাবার শরীরের অস্বস্তি বাড়ায়। তাই সালাদ, ফল, শাকসবজি ও হালকা খাবার বেশি খান। রাস্তার খোলা খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এতে পেটের রোগের ঝুঁকি বাড়ে। গরম থামানো যাবে না কিন্তু সঠিক অভ্যাসে শরীরকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। ছোট ছোট সচেতনতাই আপনাকে বড় অসুস্থতা থেকে বাঁচাতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%