প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গরম এখন শুধু ঋতু নয়, বরং এটা সহনশীলতার একটি পরীক্ষা। তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছুঁইছুঁই এবং এর সঙ্গে আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতির মধ্যে জীবনযাত্রায় কিছু ছোট ছোট পরিবর্তন বড় ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে।
পোশাকে আনুন স্মার্ট পরিবর্তন। গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার প্রথম ধাপ হলো সঠিক পোশাক। হালকা রঙের সুতি বা লিনেন কাপড় বেছে নিন। ঢিলেঢালা পোশাকের কারণে বাতাস চলাচল সহজ হয়ে যায়, ফলে ঘাম কম হয় এবং শরীর আরও আরাম পায়।
শরীরকে রাখুন হাইড্রেটেড। গরমে শরীর থেকে প্রচুর পানি বের হয়ে যায়। তাই নিয়মিত পানি পান করা খুব জরুরি। ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ফলের রস ভালো বিকল্প। তরমুজ, শসা, কমলার মতো পানিযুক্ত ফল ধীরে ধীরে খাবারে রাখুন। চিনি বেশি থাকা সফট ড্রিংক এড়িয়ে চলা ভালো।
কাজের মাঝে নিন বিরতি। অতিরিক্ত গরমে একটানা কাজ করার ফলে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই কাজের ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিন, বিশেষ করে ছায়াযুক্ত জায়গায়। বাইরে কাজ করলে নিয়মিত পানি পান করুন।
ঘর রাখুন ঠান্ডা। ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। দিনে পর্দা টেনে রাখুন এবং রাতে জানালা খুলে দিন। ফ্যান এমনভাবে রাখুন যেন বাতাস ঠিকভাবে ঘুরে বেড়ায়।
শরীর ঠান্ডা রাখুন নিয়মিত। গরমে দিনে একাধিকবার গোসল করলে খুব আরাম পাওয়া যায়। বাইরে থাকলে ভেজা রুমাল বা পানি স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন।
রোদ এড়িয়ে চলুন। দুপুরের তীব্র রোদ এড়িয়ে চলা সবার জন্য সবচেয়ে ভালো। প্রয়োজনে বাইরে গেলে ছাতা, টুপি এবং পানির বোতল সঙ্গে রাখুন।
হালকা খাবার বেছে নিন। গরমে ভারী ও মশলাদার খাবার শরীরের অস্বস্তি বাড়ায়। তাই সালাদ, ফল, শাকসবজি ও হালকা খাবার বেশি খান। রাস্তার খোলা খাবার এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এতে পেটের রোগের ঝুঁকি বাড়ে। গরম থামানো যাবে না কিন্তু সঠিক অভ্যাসে শরীরকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। ছোট ছোট সচেতনতাই আপনাকে বড় অসুস্থতা থেকে বাঁচাতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন