ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুন্সীগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেফতার ২


মুন্সীগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেফতার ২

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পৃথক অভিযানের মাধ্যমে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ১০ কেজি গাঁজা এবং ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে গ্রেফতার করেছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে গজারিয়া উপজেলার লস্করদী মধ্যপাড়া ও পোড়াচক বাউশিয়া এলাকায় অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএমের কঠোর তদারকিতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান চলছিল। এরই অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ ইশতিয়াক আশফাক রাসেলের তত্ত্বাবধানে এসআই (নি.) পলাশ কান্তি রায় সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যদের নিয়ে গজারিয়ার লস্করদী মধ্যপাড়ায় অভিযান চালান।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে কুমারী পূজা পরিদর্শনে কায়সার কামাল, দিলেন সম্প্রীতি ও শিক্ষার বার্তা

এই অভিযান চলাকালীন পুলিশ আক্তার হোসেনের জায়গায় ভাড়াটিয়া মো. সাকিবুল হাসানের ভাড়া গ্যারেজের সামনের ফাঁকা জায়গা থেকে সাকিবুল হাসানকে (২৭) গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে ১০ কেজি গাঁজা ও ৮০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতার সাকিবুল হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পোড়াচক বাউশিয়া এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনের পশ্চিম পাশে সালমানের দোকানের সামনে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। সেখান থেকে মো. মতিন (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। তার কাছ থেকে ১ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মতিনের বিরুদ্ধে এর আগে তিনটি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

গ্রেফতার সাকিবুল হাসান গজারিয়ার লস্করদী মধ্যপাড়ার মো. মনির হোসেনের ছেলে। অপর আসামি মতিন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার দক্ষিণ সতান্দী এলাকার মৃত ধনু মিয়া বেপারীর ছেলে।

ডিবি পুলিশ জানায়, অভিযানে মোট ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা ও ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

আরও পড়ুন: আবু তাহের তালুকদারের নেতৃত্বে পূর্বধলায় ৬৬ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, আর্থিক সহায়তা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধে পিছু হটছে ট্রাম্প প্রশাসন? ভ্যান্সের বক্তব্যে নতুন ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


ইরান যুদ্ধে পিছু হটছে ট্রাম্প প্রশাসন? ভ্যান্সের বক্তব্যে নতুন ইঙ্গিত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজতে গিয়ে একের পর এক নিজেদের ঘোষিত লক্ষ্য শিথিল করছে। যুদ্ধের শুরুতে ইরানের ‘পূর্ণ আত্মসমর্পণ’, সরকার পরিবর্তন, দেশটির পরমাণু অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস এবং হিজবুল্লাহর মতো মধ্যপ্রাচ্যের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করার মতো কঠোর লক্ষ্য সামনে রেখেছিল ওয়াশিংটন। কিন্তু যুদ্ধ গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই তালিকা ক্রমেই ছোট ও নমনীয় হয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সাম্প্রতিক বক্তব্যে এই পরিবর্তনের বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। বৃহস্পতিবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুদ্ধ কীভাবে শেষ হতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি মাত্র দুটি লক্ষ্য তুলে ধরেন। ভ্যান্স বলেন, প্রথম লক্ষ্য হলো উপসাগরীয় দেশগুলো যেন বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাস সরবরাহ অব্যাহত রাখতে পারে এবং এর মাধ্যমে জ্বালানির দামে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে। তার ভাষায়, "লক্ষ্য নম্বর এক- আমেরিকার সর্বত্র তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখা।" এরপর দ্বিতীয় লক্ষ্য হিসেবে তিনি বলেন, "নিশ্চিত করা যে, ইরান যেন কখনওই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।" ভ্যান্সের এই বক্তব্যে বিশেষ করে দুটি বিষয় তাৎপর্যপূর্ণ। প্রথমত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার বিষয়টি এখন আর একমাত্র বা প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছে না। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি মূল্যকে যুদ্ধের লক্ষ্য হিসেবে প্রকাশ্যে সামনে আনা হয়েছে- যা যুদ্ধের শুরুতে প্রশাসনের ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল না। শুক্রবার ভ্যান্সের বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে দুটি লক্ষ্যই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তবে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার বিষয়টি এত দিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এমনকি যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মূল্যের বিষয়টি ট্রাম্প নিজেই গুরুত্বহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। মে মাসে যুদ্ধের সমাধানের ক্ষেত্রে আমেরিকানদের আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করা হচ্ছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, "একটুও না।" সে সময় ট্রাম্পের অবস্থান ছিল, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঠেকানো এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, এর সঙ্গে অন্য কোনও অর্থনৈতিক বিষয়কে সমীকরণে আনা হবে না। শুক্রবারও তিনি বলেন, ইরান ইস্যুতে ঝুঁকি এত বেশি যে, আমেরিকানদের জ্বালানির জন্য কিছুটা বেশি অর্থ দিতে হলেও তিনি এর জন্য ‘কখনও ক্ষমা চাইবেন না।’ যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে শুরু থেকেই অস্পষ্টতা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের লক্ষ্য নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থানে অবশ্য শুরু থেকেই কিছুটা অসামঞ্জস্য ছিল। মার্চে প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তার বক্তব্য বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছিল, যুদ্ধের জন্য প্রায়ই চারটি প্রধান লক্ষ্য তুলে ধরা হচ্ছে। কিন্তু কে বক্তব্য দিচ্ছেন, তার ওপর নির্ভর করে সেই চারটি লক্ষ্যও বদলে যাচ্ছিল। কোনও কোনও তালিকায় ইরানের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর অর্থায়ন বন্ধ করার বিষয়টি ছিল। আবার অন্য তালিকায় তা অনুপস্থিত ছিল। কোথাও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো ধ্বংসের কথা বলা হয়েছে, কোথাও তা উল্লেখ করা হয়নি। কোনও কোনও কর্মকর্তা ইরানের বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনী ধ্বংসের কথা বলেছেন; আবার কেউ কেউ শুধু নৌবাহিনীর কথা বলেছেন। অর্থাৎ যুদ্ধ চলার সময়ই যেন প্রশাসন নিজেদের লক্ষ্য নির্ধারণ ও পুনর্নির্ধারণ করে যাচ্ছিল। তবে একটি বিষয় ছিল প্রায় সব ক্ষেত্রেই অভিন্ন- যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে তেল ও গ্যাসের দাম কম রাখা কখনওই যুদ্ধের ঘোষিত লক্ষ্য ছিল না। ‘পুরোনো অবস্থায়’ ফিরলেই কি যুদ্ধের সাফল্য? ভ্যান্সের বক্তব্যের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, তিনি তেল ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার বিষয়টিকে যুদ্ধের ‘প্রথম লক্ষ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অথচ যুদ্ধ শুরুর আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিকভাবেই চলছিল। ফলে যুদ্ধের লক্ষ্য যদি উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা হয়, তাহলে সেটি মূলত যুদ্ধ-পূর্ব পরিস্থিতিতে ফিরে যাওয়ার লক্ষ্য। এর বিপরীতে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা হবে এমন একটি লক্ষ্য, যা যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থার তুলনায় নতুন কোনও অর্জন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। এ কারণে প্রশাসনের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির বক্তব্যে জ্বালানির দামকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রবণতা যুদ্ধের লক্ষ্য শিথিল করার সর্বশেষ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এটি এমন এক সমাপ্তির প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিতে পারে, যেখানে ট্রাম্প প্রশাসন যুদ্ধের শুরুতে যে উচ্চাভিলাষী ও কঠোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল, তার তুলনায় অনেক কম অর্জন নিয়েই সংঘাত শেষ করতে চাইছে। পরমাণু কর্মসূচি নিয়েও কি অবস্থান নরম হচ্ছে? গত কয়েক মাসে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়েও ট্রাম্পের বক্তব্যে পরিবর্তনের আভাস পাওয়া গেছে। প্রশাসন আগে ইরানকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে বাধ্য করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বলেছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে ট্রাম্প এমন বক্তব্য দিয়েছেন, যাতে মনে হয়েছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় যথেষ্ট ক্ষতি হয়েছে এবং দেশটির পারমাণবিক উপাদান এত গভীরে পুঁতে রাখা হয়েছে যে, সেগুলো সহজে উদ্ধার করা সম্ভব নয়। তিনি এমন সম্ভাবনার কথাও বলেছেন যে, ইরান মাটির নিচে থাকা ওই উপাদান উদ্ধারের চেষ্টা করছে কি না, তা যুক্তরাষ্ট্র মহাকাশ থেকে নজরদারি করে দেখতে পারে। এমনকি এক পর্যায়ে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান ইতোমধ্যে ‘পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত’ হয়ে গেছে। এসব বক্তব্য থেকে such ধারণা তৈরি হয়েছে যে, ট্রাম্প প্রশাসন হয়তো বুঝতে পারছে- ইরানকে এমন একটি কঠোর ও ব্যাপক পরমাণু চুক্তি মেনে নিতে বাধ্য করা সম্ভব নাও হতে পারে, যা যুদ্ধের শুরুতে ওয়াশিংটন চেয়েছিল। যুদ্ধের ছয় মাসে লক্ষ্য কতটা বদলেছে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ এখন ষষ্ঠ মাসে গড়িয়েছে। এই দীর্ঘ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত লক্ষ্যগুলো ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়েছে। মে মাসের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যায়, মার্কিন প্রশাসন আগের কিছু লক্ষ্যকে আর আগের মতো গুরুত্ব দিচ্ছে না। জুনে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকে পৌঁছায়, যেখানে যুদ্ধের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত অনেক লক্ষ্যই প্রায় অনুপস্থিত ছিল। এরপর গত দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে ট্রাম্পের বক্তব্যেও পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আগের কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এখন ভ্যান্সের বক্তব্যে তেল ও গ্যাসের দামকে ‘এক নম্বর লক্ষ্য’ হিসেবে তুলে ধরা সেই ধারাবাহিকতারই আরেকটি ধাপ বলে মনে হচ্ছে। অর্থাৎ যুদ্ধের শুরুতে যে লক্ষ্য ছিল ইরানকে কঠোরভাবে চাপে ফেলে তার সামরিক, পারমাণবিক ও আঞ্চলিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে সীমিত করা, এখন সেই অবস্থান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ধীরে ধীরে এমন একটি সমাপ্তির দিকে এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে, যেখানে যুদ্ধ-পূর্ব পরিস্থিতির কাছাকাছি ফিরে যাওয়াকেও সাফল্য হিসেবে দেখানো হতে পারে। আর যদি সত্যিই যুদ্ধের প্রধান লক্ষ্য এখন যুদ্ধ-পূর্ব তেল ও গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা হয়ে থাকে, তাহলে তা ইরান যুদ্ধ থেকে ট্রাম্প প্রশাসন আসলে কতটা অর্জন করতে পেরেছে- সে প্রশ্নই আরও জোরালো করে তোলে। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেরোবি শিক্ষকের নামে ফেসবুকে ফেক আইডি, থানায় জিডি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বেরোবি প্রতিনিধি

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ এম


বেরোবি শিক্ষকের নামে ফেসবুকে ফেক আইডি, থানায় জিডি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের এক শিক্ষকের নাম ও ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে ভুয়া (ফেক) আইডি খোলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাজহাট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ওই শিক্ষক।

জিডি সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ ইউসুফ তাঁর নাম ও ছবি ব্যবহার করে ‘Yousf From BRUR’ নামে একটি ফেসবুক আইডি খোলার বিষয়টি দেখতে পান। আইডিটিতে তাঁর বিভিন্ন ছবি ব্যবহার করা হয়েছে বলে জিডিতে উল্লেখ করেন তিনি।

জিডিতে শিক্ষক মোঃ ইউসুফ অভিযোগ করেন, তাঁর অনুমতি ছাড়াই নাম ও ছবি ব্যবহার করে ওই ফেসবুক আইডি খোলা হয়েছে। এর মাধ্যমে তাঁকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এ ঘটনায় তিনি গত ১৫ আগস্ট ২০২৬ তাজহাট থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুয়া আইডি পরিচালনাকারী ব্যক্তির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্ত না থাকায় আপাতত বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

এ বিষয়ে জিডিতে সংশ্লিষ্ট ফেসবুক আইডির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তাজহাট থানার জিডি অনুযায়ী, বিষয়টি সাধারণ ডায়েরি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হঠাৎ মেজাজ হারালেন সমু চৌধুরী, কী হয়েছিল?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ এম


হঠাৎ মেজাজ হারালেন সমু চৌধুরী, কী হয়েছিল?

ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেতা সমু চৌধুরীর একটি ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে তাকে একজন ব্যক্তির সঙ্গে আক্রমণাত্মক আচরণ করতে দেখা যায়।

এই সময় পুলিশ তাকে সামলানোর চেষ্টা করে। তবে সেই সময় ওই ব্যক্তিও আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার সংলগ্ন এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। সমু চৌধুরী এই বিষয়ে নিজেই গণমাধ্যমে তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে তিনি এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত কিছু জানাননি।

সিলেটের কোতোয়ালি থানার ওসি খান মোহাম্মদ মাইনুল জাকির জানিয়েছেন, সমু চৌধুরী এক সাংবাদিকের ওপর হামলা করেছিলেন। তিনি মনে করেন, উনি মানসিকভাবে অসুস্থ। কথাবার্তার দরুণ হয়তো রাগ উঠে গিয়েছে।

তবে পুলিশ পরিস্থিতিটি মধ্যস্থতা করেই সমাধান করেছে।

যদিও সমু চৌধুরী ভিডিও ধারণের কারণে মেজাজ হারিয়েছিলেন কিনা, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাংবাদিকরা তো ভিডিও করেনই। এছাড়া, আজ মাজারে দানবাক্স খোলা হয়েছে। দানবাক্সের টাকা গোনা হচ্ছে। এ কারণে সকাল থেকে সাংবাদিকদের ভিড় ছিল, ঠিক তখনই ঘটনাটি ঘটে।

গত বছরের ১২ জুন, সমু চৌধুরীকে ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁকে নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়। ওই সময়ের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ড

শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


শেখ হাসিনাসহ ৪১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ

রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার মামলা অনুসারে শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানির ক্ষেত্রে একটি শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

রবিবার (১৬ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেলে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে, যার সভাপতিত্ব করবেন বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী। এই ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এর আগে, ২৭ জুলাই তারিখে এই শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই অভিযোগটি দাখিল করেছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

এছাড়া, আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু, সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, বেনজীর আহমেদ, গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, একাত্তর টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল বাবু এবং সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%