মোঃ রাসেল সরকার ( স্টাফ রিপোর্টার)
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:১৫ পি.এম
বাংলার আবহমান, গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও রোমাঞ্চকর জলক্রীড়ার অনন্য মেলবন্ধন নিয়ে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর বাঘাবাড়িতে "মোজো" পানসি নৌকা বাইচ উৎসব ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড.এম এ মুহিত এমপি। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে শাহজাদপুর উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায়, বাংলাদেশ নৌকা বাইচ ঐতিহ্য ফোরামের সার্বিক ব্যবস্থাপনায়, বাঘাবাড়ি নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালনায় শাহজাদপুর বাঘাবাড়ির প্রমন্তা বড়াল নদীর বুকে জাঁকজমকপূর্ণ লোকজ উৎসব ও প্রতিযোগিতা পানসি নৌকা বাইচ উৎসবের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড.এম এ মুহিত এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন, সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ফরিদুল ইসলাম, শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম, শাহজাদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ ইকবাল হোসেন হিরু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আরিফুজ্জামান আরিফ প্রমুখ।
মোঃ রাসেল সরকার
শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ
মোবা: ০১৭২৯-১৪৮৮৮৪
তারিখ :২০.১০.২৬খ্রি:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন, ‘এ দেশ, এ মাটি সবার। আমরা কেউ বাইরে থেকে আসিনি। আপনার রক্ত লাল, আমার রক্তও লাল। আপনার একটি ভোট, আমারও একটি ভোট। আপনার অধিকার যেমন সমান, আমার অধিকারও তেমন সমান।’
তিনি মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলিতে শারদীয় দুর্গাপূজার বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন, আমি মন্ত্রী হয়েছি, সংসদ সদস্য হয়েছি; কিন্তু আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আইন সবার জন্য সমান। হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ—ধর্মীয় পরিচয় ভিন্ন হলেও সবাই এ দেশের নাগরিক এবং সবার অধিকার সমান।
তিনি উল্লেখ করেন, কোনো ধর্মই অন্যায়কে সমর্থন করে না। সব ধর্মেই অন্যায় থেকে বিরত থাকার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। তাই অন্যায়কে অন্যায় বলতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া যাবে না।
অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও সমান অধিকার নিশ্চিত করা গেলে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। ধর্মীয় পরিচয়ের ভিন্নতা যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
এ সময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনের আহ্বান জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ৪ হাজার ২৯১টি নতুন চাকরির সুযোগ প্রকাশ করা হয়েছে। এই নিয়োগ দেশের ২০টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে বিভিন্ন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট পদে কর্মী নিয়োগের জন্য হবে। চলতি বছর নিয়োগ, চাকরির নিশ্চয়তা, প্রশিক্ষণ চুক্তি এবং নতুন শূন্য পদ মিলিয়ে মোট সুযোগের সংখ্যা ১৯ হাজার ৬১০ এ পৌঁছেছে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন হেলথ হোল্ডিং কোম্পানি জানায়, এই বিশাল সংখ্যক নতুন শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে দেশের ২০টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে। এসব পদে নিয়োগ পাবেন বিভিন্ন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা-সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। সরকারের এই উদ্যোগ সৌদি পেশাজীবীদের আকৃষ্ট করা, জনবলের চাহিদা পূরণ এবং উন্নত মানের সেবা প্রদানে স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ইতোমধ্যে ১২ হাজার ৯১৪ জন সৌদি নাগরিককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে আরও ২ হাজার ৪০৫টি প্রশিক্ষণ চুক্তি অনুমোদন করা হয়েছে।
নতুন ঘোষিত ৪ হাজার ২৯১টি শূন্যপদ যুক্ত হওয়ায় মোট সংখ্যা ১৯ হাজার ৬১০টিতে দাঁড়িয়েছে। তবে এই সংখ্যার মধ্যে ইতোমধ্যে সম্পন্ন হওয়া নিয়োগ, অনুমোদিত প্রশিক্ষণ চুক্তি এবং বর্তমানে আবেদন করা যাচ্ছে এমন শূন্যপদও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অঞ্চলের নিয়োগ পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন। আবেদন করার আগে তারা কাঙ্ক্ষিত পদ, যোগ্যতার শর্ত এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।
প্রতিটি স্বাস্থ্য অঞ্চলে শূন্যপদ ঘোষণার তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। কোম্পানিটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ২০টি স্বাস্থ্য অঞ্চলের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করে, ফলে প্রার্থীরা তাদের নিজ নিজ অঞ্চলে চাকরির সুযোগ খুঁজতে পারবেন।
বাংলাদেশিরা আবেদনের সুযোগ পাবেন?
সৌদি সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের এই বৃহৎ নিয়োগের মূল লক্ষ্য হলো যোগ্য সৌদি নাগরিকদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা। তাই নতুন ঘোষিত ৪ হাজার ২৯১টি পদ বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত, এমন দাবি করা সম্ভব নয়।
তবে সৌদি আরবে বিদেশি চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পৃথক নিয়োগের সুযোগ থাকতে পারে। সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পদের যোগ্যতা, পেশাগত নিবন্ধন এবং কর্মানুমতির শর্ত পূরণ করতে হয়।
বাংলাদেশি প্রার্থীরা এই নির্দিষ্ট নিয়োগে আবেদন করতে পারবেন কি না, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অঞ্চলের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি যাচাই করতে হবে।
সূত্র: গালফ নিউজ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চীনে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৮ স্কুল বিশ্বকাপে গোলের ঝড় তুলছে বেনিন। গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতকে ২৭-০ গোলে পরাজিত করেছে আফ্রিকার দেশটির যুব দল। তাদের প্রথম ম্যাচে কাতারকে ৭-০ গোলে হারানোর পর এই জয় এসেছে।
দুই ম্যাচে বেনিনের মোট গোলসংখ্যা এখন ৩৪, এবং তারা এখনও পর্যন্ত কোনো গোল হজম করেনি। টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগে তারা শেষ ষোলোতে নিজেদের স্থান নিশ্চিত করেছে।
ভারতের বিরুদ্ধে পুরো ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রদর্শন করেছে বেনিনের তরুণ খেলোয়াড়রা। একের পর এক গোল করে তারা ম্যাচটিকে একতরফা করে তোলে। শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ২৭-০ দাঁড়ায়, যা এবারের প্রতিযোগিতার অন্যতম বড় জয় হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
গ্রুপ ‘বি’-তে বেনিনের শেষ ম্যাচটি চীনের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হবে। স্বাগতিকদের বিরুদ্ধে জয়ের ধারাকে অব্যাহত রেখে গ্রুপ পর্ব নিখুঁতভাবে শেষ করার সুযোগ রয়েছে তাদের। তবে চীনের বিপক্ষে ম্যাচটি আগের দুই ম্যাচের তুলনায় বেনিনের তরুণদের জন্য বড় পরীক্ষা হতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমীরে হিযবুল্লাহ আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- “ইবাদত কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য হওয়া উচিত। কোনো আমল মানুষের প্রশংসা, সম্মান কিংবা বাহবা পাওয়ার উদ্দেশ্যে করা উচিত নয়। লোকদেখানো ইবাদত মানুষের আমলের প্রকৃত উদ্দেশ্যকে ব্যাহত করে। তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত নিয়তের বিশুদ্ধতা রক্ষা করা এবং সব ধরনের আমল একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সম্পাদন করা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মানুষের বাহ্যিক আচরণ ও আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে অন্তরের একনিষ্ঠতা, তাকওয়া এবং আমলের বিশুদ্ধতা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। ইবাদতের ক্ষেত্রে আত্মপ্রচার ও লোকদেখানো মনোভাব পরিহার করে কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। ব্যক্তিজীবন, পরিবার ও সমাজে ইসলামের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।
১৯ অক্টোবর, সোমবার নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকায় ঘারমোড়া কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ছারছীনা দরবার শরীফের পীর ছাহেবের কেবলার শুভাগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর বন্দর থানা শাখা এবং অঙ্গসংগঠন আইম্মায়ে হিযবুল্লাহ, যুব হিযবুল্লাহ ও ছাত্র হিযবুল্লাহ কর্তৃক আয়োজিত ঈছালে ছওয়াব, ওয়াজ ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্চুন্নাত জামেয়ায়ে নেছারীয়া দীনিয়ার নায়েবে মুদীর মাওলানা মোঃ মামুনুল হক, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।
মাহফিলে স্থানীয় আলেম-ওলামা, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ, যুব হিযবুল্লাহ ও ছাত্র হিযবুল্লাহর নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে হযরত পীর ছাহেব কেবলা আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ