ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ঢাবিতে নারী হেনস্তার বিচার দাবিতে স্মারকলিপি


ঢাবিতে নারী হেনস্তার বিচার দাবিতে স্মারকলিপি

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে সাবেক শিক্ষার্থী দম্পতিসহ ছয়জনকে হেনস্তা করার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ক্যাম্পাসে নারীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর তিন দফা দাবি সংবলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুন) সকালে ১১টায় প্রক্টর কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা একটি সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলন করেন।

আরও পড়ুন: আর্টিলারি রেজিমেন্টের অধিনায়ক সম্মেলনে অংশ নিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

সংবাদ সম্মেলনে কবি সুফিয়া কামাল হল ছাত্র সংসদের ভিপি সানজানা চৌধুরী রাত্রি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রমাগত নারীবিদ্বেষী যে কর্মকাণ্ডগুলো শিক্ষার্থীদের দ্বারা হচ্ছে, সেটির প্রতিবাদে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলে বিভিন্ন হলের নারী শিক্ষার্থীরা মিলে খেলা দেখেছি এবং খেলা শেষে প্রক্টর স্যারের কাছে আমাদের বেশ কিছু দাবি পেশ করেছি।’

এতে আরো জানা যায় যে, ‘আমরা মনে করি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন আর নারীবান্ধব নেই। নারীদের বিচরণ ও চলাফেরাকে সীমাবদ্ধ করার জন্য এবং তাদের অংশগ্রহণ সংকুচিত করার জন্য একটি গোষ্ঠী বিভিন্ন পাঁয়তারা করছে।

প্রক্টর স্যার আমাদের কাছে কিছু সময় চেয়েছেন এবং বলেছেন তিনি বিষয়টি দেখবেন। আমরা বলেছি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আমরা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

ডাকসু কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য হেমা চাকমা বলেন, ‘দুই দিন ধরে নারী হেনস্তার ঘটনা নিয়ে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখালেখি করছি। গতকাল রাতে আমাদের কর্মসূচি ঘোষণা হয়েছে, কিন্তু ডাকসু ভিপিকে এ বিষয়ে কোনো ধরনের স্টান্ড আমরা এখন পর্যন্ত দেখতে পাইনি।

আরও পড়ুন: কিউএস এশিয়া র‌্যাঙ্কিংয়ে ৪৩ ধাপ এগিয়ে যবিপ্রবি ৬৪৪তম অবস্থানে

বরং যারা এই হ্যারেসমেন্টগুলো করেছে, তাদের সঙ্গে ডাকসু ভিপির খুব কাছের ছবি আমরা দেখতে পেয়েছি। সুতরাং তাদের কাছে আমাদের কোনো প্রত্যাশা নেই। আমরা নিজেরাই নিজেদের নিরাপত্তার জন্য দাঁড়িয়েছি। আশা করি, প্রশাসন অভিযুক্তদের আইনের আওতায় নিয়ে বিচারের ব্যবস্থা করবে।’

ডাকসুর সমন্বয়হীনতার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরেও অনেক ঘটনা ঘটে, যেখানে ডাকসুর স্টেটমেন্ট আসে কিন্তু হল সংসদের প্রতিনিধি যখন এমন মন্তব্য বা হ্যারেসমেন্ট করে তখন ডাকসুর কোনো স্টেটমেন্ট আসে না।

আমি নিজেও ডাকসুর একজন সদস্য কিন্তু ডাকসুর স্টেটমেন্টের ব্যাপারে হয়তো একজন বা দুজন জানে। ডাকসুর এই সমন্বয়হীনতা প্রমাণ করে যে তারা কোনো কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে না, বরং এটা একপাক্ষিক এবং যারা সর্বাধিক ভোটে জয়ী হয়েছে তাদের দ্বারাই পরিচালিত হয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের তিনটি দাবি হলো– নারী হেনস্তার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া, ক্যাম্পাসে নারী হয়রানি, অনলাইন হেনস্তা, গোপনে ভিডিও ধারণ এবং মব সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সব প্রশাসনিক ও আবাসিক পরিসরে নারীদের প্রতি বৈষম্য সৃষ্টি করে বা তাদের চলাচল ও অংশগ্রহণকে সংকুচিত করে—এমন যেকোনো আচরণ বা সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকা।

আরও পড়ুন: পরীমনির বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ হলে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে গিয়ে মার্কেটিং বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শাওন-নুসরাত দম্পতিসহ ছয়জন সাবেক শিক্ষার্থী হেনস্তার শিকার হন। অভিযোগ রয়েছে, হল সংসদের সমাজসেবা সম্পাদক ও শিবিরের কর্মী মো. সাজু মিয়াসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের হল থেকে জোরপূর্বক বের করে দেন। এ ঘটনার পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফরমে তুমুল সমালোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি ইরানের কড়া সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৫ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতি ইরানের কড়া সতর্কবার্তা

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।

কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে এই যৌথ অভিযান চালায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। সম্প্রতি ইরানি ভূখণ্ডে মার্কিন হামলার জবাবে রবিবার (২৮ জুন) ভোরে তারা এই পাল্টা আঘাত হানে।

আইআরজিসি-র নৌবাহিনী এক কঠোর বিবৃতিতে জানান, মার্কিন হামলা হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করতে পারবে না। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, আগামী দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো নরকীয় পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে।

এ ছাড়া ওয়াশিংটনের যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দেওয়া হবে বলেও তারা ঘোষণা করেছে।

এই ঘটনার পর দুই সপ্তাহের মাথায় দুই দেশের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তেহরানকে সতর্ক করেছেন যে, নতুন করে সংঘাত বাড়লে ইরানের অস্তিত্ব চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে।

ইরানের আইআরজিসি জানিয়েছে, শনিবার (২৭ জুন) হরমুজ প্রণালির কাছে সিরিক দ্বীপে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুতকেন্দ্র এবং রাডার সাইটে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ হিসেবেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে। অন্যদিকে ওয়াশিংটনের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে ২০ লাখ ব্যারেল তেলবাহী একটি বাণিজ্যিক ট্যাঙ্কারে ইরানের ড্রোন হামলার জবাবেই তারা এই সামরিক অ্যাকশন নিয়েছিল।

কুয়েতের সেনাবাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে প্রতিহত করছে। তবে মার্কিন ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের পরিমাণ এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে লেখেন, ‘যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের দায়ে মার্কিন বিমানগুলো আবারও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সাইটগুলোতে হামলা চালিয়েছে।

এমন একটা সময় আসতে পারে যখন আমরা আর যুক্তিসঙ্গত থাকতে পারব না এবং সামরিকভাবে কাজটি পুরোপুরি শেষ করতে বাধ্য হব। আর তেমনটা হলে, ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের আর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না!’ বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের এই ধারাবাহিক পাল্টাপাল্টি হামলা মধ্যপ্রাচ্যকে এক দীর্ঘস্থায়ী ও ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২১ ঘণ্টা পর রেজুখালে মিলল নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


২১ ঘণ্টা পর রেজুখালে মিলল নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ

কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক মোহাম্মদ সায়েমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে ২১ ঘণ্টা পর।

রোববার (২৮ জুন) সকালে সাড়ে ৯টায় উখিয়ার রেজুখালে ভাসমান অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে বিচ কর্মী, ফায়ার সার্ভিস, টুরিস্ট পুলিশ ও কোস্টগার্ড।

এর আগে শনিবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হন মোহাম্মদ সায়েম (২২), যিনি চট্টগ্রামের হাটহাজারী এলাকার মোহাম্মদ ইকবালের ছেলে।

সায়েমের বন্ধু মো. আরমান জানান, তারা দুই বন্ধু শনিবার সকালে বান্দরবান থেকে কক্সবাজার শহরে আসেন। এরপর মোটরসাইকেল নিয়ে দুজন কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ ঘুরতে যান। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ইনানী সৈকতের দক্ষিণ পাশে জেটিঘাট সংলগ্ন (পালংকী রেস্তোরাঁর সামনে) সৈকতে গোসলে নামেন। হঠাৎ বড় একটি ঢেউয়ের ধাক্কায় তার বন্ধু সায়েম গভীর সাগরের দিকে ভেসে যান। নির্জন সৈকতে তখন লাইফগার্ড, পুলিশ কিংবা লোকজনের তেমন উপস্থিতি ছিল না। পরে তিনি চিৎকার ও কান্নাকাটি শুরু করলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন। এরপর স্থানীয় জেলে, বিচ কর্মী এবং পরে দমকল বাহিনীর একটি ইউনিট এসে তল্লাশি শুরু করে।

ইনানীস্থ টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক গাজী আতাউর রহমান বলেন, সায়েম ও আরমান দুই বন্ধু সকালে বান্দরবান থেকে কক্সবাজার পৌঁছান। দুপুরে মোটরসাইকেল নিয়ে দুই বন্ধু ইনানী সৈকতে পৌঁছে জেটিঘাট এলাকায় গোসলে নামেন। এ সময় সায়েম নিখোঁজ হলেও অপর বন্ধু আরমান প্রাণে রক্ষা পান। এরপর ফায়ার বাহিনী, বিচ কর্মী, লাইফগার্ড, কোস্টগার্ড, টুরিস্ট পুলিশ ও জেলেদের সহযোগিতায় কয়েকটি ইঞ্জিন নৌকা নিয়ে সাগরে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত সায়েমের খোঁজ মেলেনি। গোসলের সময় সাগরে ভাটা চলছিল।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের বিচ কর্মীদের ইনচার্জ বেলাল উদ্দিন জানান, সারারাত সায়েমের বাবা মোহাম্মদ ইকবালকে অনেক খোঁজাখুঁজি করা হয়নি। পরে সকালে একসঙ্গে কোস্টগার্ড, টুরিস্ট পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস তল্লাশি কার্যক্রম আবারও শুরু করেন। পরে রেজুখালে একটি মরদেহ ভাসছে খবর পেয়ে সবাই দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখানে মরদেহটি দেখে এটি সায়েমের বলে শনাক্ত করে তাঁর বাবা মোহাম্মদ ইকবাল। মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ৩১ মে কক্সবাজার শহরের সিগাল সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ হন মো. আবির (১৮) নামের একজন পর্যটক। ওই দিন দুপুরে আট বন্ধুর সঙ্গে তিনি সমুদ্রে গোসলে নেমেছিলেন। আবির রাজধানীর পুরান ঢাকার বাসিন্দা ইলিয়াস মুন্সির ছেলে। পরের দিন ১ জুন ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে দুই কিলোমিটার উত্তরে নাজিরারটেক সৈকতে আবিরের মরদেহ ভেসে আসে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবেশ রক্ষায় কক্সবাজারে ১ হাজার চারা রোপণ আর্জেন্টিনা সমর্থকদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ পি.এম


পরিবেশ রক্ষায় কক্সবাজারে ১ হাজার চারা রোপণ আর্জেন্টিনা সমর্থকদের

পরিবেশ সংরক্ষণে ফুটবলপ্রেমীদের সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ‘আর্জেন্টিনা ফ্যানস ফর নেচার’। এই সংগঠনটির উদ্যোগে কক্সবাজারে এক হাজার দেশীয় ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে কক্সবাজারের গোল চত্বর মাঠে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। স্থানীয় সহযোগী হিসেবে ছিল আর্জেন্টিনা ফ্যান বেইজ কক্সবাজার এবং সার্বিক সহযোগিতা করেছে চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশন।

কর্মসূচির শুরুতেই গোল চত্বর মাঠে একটি স্মারক বৃক্ষ রোপণ করা হয়। এরপর শতাধিক ফুটবল সমর্থকের মধ্যে জনপ্রতি সর্বোচ্চ ১০টি করে দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়। বিতরণে চারার মধ্যে ছিল আম, জাম, কাঁঠাল, নারকেল, বেল, আমলকী, নিম, শজনে, জারুল, কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, অর্জুন, বহেরা, মহুয়া সহ প্রায় ৩০ প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ।

সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টিনা ফ্যানস ফর নেচার-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশনের সভাপতি শাখাওয়াত উল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টিনা ফ্যান বেইজ কক্সবাজারের সংগঠক এহসান আল কতুবি, মোরশেদ আলম, অনিক, রবিন, আহসান সুমন, ফারুক, ইনজামামসহ চন্দ্রকলি ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা, পরিবেশপ্রেমী ও অসংখ্য ফুটবল সমর্থক।

আয়োজকরা জানান, বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে তরুণদের উচ্ছ্বাসকে পরিবেশ সংরক্ষণের ইতিবাচক উদ্যোগে যুক্ত করা এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। তাই খেলার প্রতি ভালোবাসাকে প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ববোধে রূপান্তর করতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তারা আরও জানান, দেশব্যাপী চলমান কর্মসূচির আওতায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলায় ৪ হাজার গাছের চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি রোপণ করা চারাগুলোর আগামী দুই বছর নিয়মিত পরিচর্যার ব্যবস্থা করা হবে।

অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনা ফ্যানস ফর নেচার-এর প্রতিষ্ঠাতা শাখাওয়াত উল্লাহ ঘোষণা দেন, আর্জেন্টিনা এবারের বিশ্বকাপ শিরোপা জিতলে দেশজুড়ে আরও ৪০ হাজার গাছের চারা রোপণ করবে সংগঠনটি।

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সচেতনতা বৃদ্ধিতে ফুটবলপ্রেমীদের এমন উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার হামলায় কিয়েভে আহত কমপক্ষে দুইজন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৯ পি.এম


রাশিয়ার হামলায় কিয়েভে আহত কমপক্ষে দুইজন

ঢাকা, ২৮ জুন, ২০২৬ : ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার হামলায় অন্তত দুই জন আহত হয়েছেন। রোববার, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের সতর্কতা জারির পরপরই এ হামলা চালানো হয়।

এ তথ্য কিয়েভের শহরটির সামরিক প্রশাসন জানিয়েছে।

এএফপি’র সাংবাদিকরা কিয়েভে বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। আকাশে আলোর ঝলকানিও দেখা গেছে।

কিয়েভ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

স্থানীয় সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টেলিগ্রামে এক পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘এখন পর্যন্ত রাতের হামলায় আহতের সংখ্যা বেড়ে দুই জনে দাঁড়িয়েছে।’

এর আগে, তকাচেঙ্কো জানিয়েছেন, হামলার ফলে দারনিতস্কি জেলায় কয়েকটি স্থানে আগুন ধরে যায়।

তিনি আরও বলেন, ‘একটি আবাসিক ভবনের কাছে আগুন ধরে গেছে। অন্য স্থানে একটি যানবাহন সার্ভিস স্টেশনে আগুন জ্বলছে। একটি অনাবাসিক ভবনেও আগুন লেগেছে।’

তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

এর একদিন আগে, মধ্য-পূর্ব ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চল ও উত্তরের সুমি অঞ্চলে রাশিয়ার হামলায় দুই জন নিহত হন।

এ হামলার আগে ইউক্রেন রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ভলগোগ্রাদ ও বেলগোরোদ এবং মস্কোর নিয়ন্ত্রণাধীন ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের হরলিভকায় হামলা চালায়।

আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব হামলায় তিন জন নিহত হয়েছেন।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেনও রাশিয়া ও মস্কোর দখলে থাকা ভূখণ্ডে হামলা জোরদার করেছে। কিয়েভ এসব হামলাকে রাশিয়ার আক্রমণের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করছে।

২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার হামলা শুরুর পর থেকে, রাশিয়া প্রায় প্রতিদিনই দেশটিতে হামলা চালিয়ে আসছে।

এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%