ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধৌত সম্পন্ন হলো পবিত্র কাবা শরিফ


ধৌত সম্পন্ন হলো পবিত্র কাবা শরিফ

ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র স্থাপনা কাবা শরিফের বার্ষিক ঐতিহ্যবাহী ধৌতকরণ অনুষ্ঠান, যা গুসলুল কাবা নামে পরিচিত, ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ফজরের নামাজের পর মসজিদুল হারামে এই আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামিক ইনফরমেশনের এক প্রতিবেদন থেকে এ বিষয়ে জানা যায়।

দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ-এর পক্ষে কাবা শরিফ ধৌত করার এই অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন প্রিন্স সৌদ বিন মিশআল বিন আবদুল আজিজ। প্রতিবছরের মতো এবারও নির্ধারিত আনুষ্ঠানিকতা ও সুগন্ধি সামগ্রী ব্যবহার করে কাবা শরিফের অভ্যন্তর পরিষ্কার ও সুগন্ধিমণ্ডিত করা হয়।

আরও পড়ুন: ফুলপুর হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঝটিকা পরিদর্শন, অব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ

প্রথম ধাপ: প্রস্তুতি

এই ধাপে ধৌতকরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। কাবার কিসওয়া রক্ষায় দরজার পর্দার নিচের অংশ সাময়িকভাবে উত্তোলন করা হয়। এ ধাপে প্রায় ২০ লিটার জমজম পানি এবং ৮০ মিলিলিটার বিশেষ উদ তেল ব্যবহার করা হয়।

দ্বিতীয় ধাপ: ধৌতকরণ

কাবার দেওয়াল, স্তম্ভ ও মেঝে জমজম পানি ও তায়েফের গোলাপজলে ভেজানো বিশেষ কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করা হয়। এতে ব্যবহৃত হয়- ১. ৫৪০ মিলিলিটার গোলাপজল ২. ১১ লিটার বিশেষ সুগন্ধি ৩. ৩ মিলিলিটার মৃগনাভি (মাস্ক)।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে ফের আগুন, সময়ের সঙ্গে বাড়ছে ভয়াবহতা

তৃতীয় ধাপ: সুগন্ধিকরণ

শেষ ধাপে কাবার অভ্যন্তরভাগ আতর ও বখুর ধূপ দিয়ে সুরভিত করা হয়। এতে ব্যবহার করা হয়- ১. ৫০০ মিলিলিটার আতর ২. ৫০০ গ্রাম প্রিমিয়াম বখুর।

ইসলামের ইতিহাসে কাবা শরিফ ধৌত করার এই ঐতিহ্য অত্যন্ত প্রাচীন। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, মুহাম্মদ (সা.) কাবা শরিফে প্রবেশ করে এর অভ্যন্তরে নামাজ আদায় করেছিলেন এবং তা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছিলেন। সেই সুন্নাহর ধারাবাহিকতায় যুগ যুগ ধরে সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রতিবছর নির্দিষ্ট সময়ে কাবা শরিফের বার্ষিক গোসলের আয়োজন করে আসছে।

বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের কাছে এই বার্ষিক গোসল অনুষ্ঠান গভীর ধর্মীয় তাৎপর্য বহন করে। এটি কাবা শরিফের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান, পরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতা রক্ষার এক অনন্য ঐতিহ্যের প্রতীক।

আরও পড়ুন: এ ইউ এম ফখরুদ্দীনের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


বাবাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মেহেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক গোলাম কবির মঙ্গলবার বিকালে সিফাত ফকির নামক একজনকে তার বাবাকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

সিফাত ফকিরের বিরুদ্ধে আদালতের এই রায় ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই বিষয়টি মাথা থেকে বিদায় নিতে পারছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল রাতে গাংনী উপজেলার নিজ বাড়িতে খুন হন মনির উদ্দীন। মনির উদ্দীন রাতের খাবার শেষে বাড়ির বারান্দায় ঘুমাচ্ছিলেন এবং রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে পরিবারের সদস্যরা তার চিৎকার শুনতে পান। তারা বাইরে এসে দেখেন, তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।

পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্ত্রী রোকেয়া বেগম এই ঘটনার পর গাংনী থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম চলাকালে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই এস এম বুলবুল আহাম্মেদ সিফাত ফকিরের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পান।

সিফাত ফকির আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন এবং পরে ২০১৯ সালের ৩০ জুন তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাড. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। যদিও শুনানির সময় আসামি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন, কিন্তু আদালত সাক্ষ্য-প্রমাণ, নথিপত্র এবং উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক মূল্যায়ন শেষে তাকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শালবাড়ীর পালপাড়ায় নেই আগের সেই মুখরতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


শালবাড়ীর পালপাড়ায় নেই আগের সেই মুখরতা

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের মানিকপাটন শালবাড়ীর পালপাড়ার একটি কুমার পরিবারে। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

শালবাড়ী একটি প্রাচীন জনপদ, যা মৃৎশিল্পের জন্য বিখ্যাত। নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার এই গ্রামে একটি কুমারপাড়া রয়েছে।

কয়েক শ বছর ধরে সেখানে তাদের বসতি রয়েছে। বসতির বয়স যত, মৃৎপণ্য প্রস্তুতের বয়সও তত।

একটা সময় ছিল, শালবাড়ীর কুমারপাড়া ছিল কুমারদের কর্মচাঞ্চল্যে মুখর। কিন্তু এখন সেই সময় আর নেই।

কালের বিবর্তনে এই শিল্পের চাহিদা কমে গেছে। এ কারণে বাঁচার তাগিদের টানে মৃৎশিল্পী বাপ-দাদার এই পেশা ত্যাগ করে অন্য পেশায় চলে গেছেন। কেউ কেউ এই পেশা ধরে রেখেছে, কিন্তু তারা নানা সমস্যায় জর্জরিত।

মৃৎশিল্পীরা জানান, কালের পরবিরর্তনের কারণে প্লাস্টিক পণ্যের সহজলভ্যতা এই শিল্পকে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকেই বংশপরম্পরায় এই পেশায় নিয়োজিত। তাদের হাতের ছোঁয়ায় নিমিষেই তৈরি হয় সুন্দর সব মাটির পণ্য। দৃষ্টিনন্দন ফুলদানি, তৈজসপত্র, সরা, মটকা, সুরাই, পেয়ালা, পশু-পাখি, মাটির ব্যাংক সহ বিভিন্ন পণ্য তৈরি করা হত। তবে এর পূর্বের সেই জৌলুসটা আর নেই।

সম্প্রতি সরেজমিনে নিয়ামতপুরের শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের মানিকপাটন শালবাড়ীর পালপাড়ায় দেখা যায়, বাড়িতে বাড়িতে কাঠের তৈরি বিশেষ চাক।

চাকে পা চালিয়ে মৃৎশিল্পীরা বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করছেন, যেমন পুতুল, ফুলের টব, হাঁড়ি, পাতিল।

পাড়ার মৃৎশিল্পী নিপেন চন্দ্র পাল বলেন, “ছোটবেলা থেকে বাপ-দাদাকে এ কাজ করতে দেখেছি। এ ব্যবসার মাধ্যমে সংসার চলত। কিন্তু এখন সংসার আর চলে না। কোনো রকম দিন চলে যায়।” তিনি জানান, “মাটি, বালু, খড় কিনতে হয়। এসব উপকরণের দাম এখন অনেক বেশি। তাই অধিকাংশ সময় দইয়ের পাতিলই তৈরি করে চলছি। বাজারে জিনিসপত্রের যে দাম, তাতে এই পেশায় থেকে সংসার চালানোই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।”

একই পাড়ায় ধীরেন চন্দ্র পাল বলেন, “চৈত্রের শুরুতে কাজের খুব ব্যস্ততা থাকে আমাদের। বাকি সময় টিলেঢালা। তবে আগে যেমন হাতি, ঘোড়া, পুতুলসহ বাহারি জিনিসপত্র বানাতাম, এখন তা আর বানানো হয় না। খরচ বেশি, বেচাবিক্রিও নেই। তাই এখন আমরা শুধু দইয়ের পাতিলই বেশি তৈরি করি। মাঝে মধ্যে অর্ডার পেলে অন্য জিনিসপত্র তৈরি করি।”

মৃৎশিল্পী স্বপ্না বলেন, “আমার বাবার বাড়িতেও এই মাটির কাজ হয়। শ্বশুরবাড়িতে এসেও এই কাজই করছি। আগে বেচাকেনা বেশি হতো, এখন আর হয় না। আগে আমি নিজেই হাঁট-বাজারে মাটির তৈরি জিনিস বিক্রি করতাম। এখন আর চাহিদা না থাকায় যাওয়া হয় না। এখন বাড়িতেই দইয়ের হাঁড়ি তৈরি করি। এ দিয়েই কোনো রকম দিন চালাচ্ছি।”

নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. মুর্শিদা খাতুন বলেন, “আমাদের অনেক পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী রয়েছে। কুমার সম্প্রদায় সেগুলোর একটি। প্লাস্টিকের এই যুগে তাদের উৎপাদন কমে গেছে। কেননা, মাটির পণ্যের প্রতি আধুনিক প্রজন্মের মানুষের আগ্রহ দিন দিন কমছে। তাদের বাঁচিয়ে রাখতে, ইতিহাস ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বিশেষ অনুদানের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। সুযোগ থাকলে স্থানীয়ভাবে আমি অবশ্যই তাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে কি মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৭ পি.এম


বিশ্বকাপে কি মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা?

 

বিশ্বকাপের মঞ্চে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিলের দ্বৈরথ অবশ্যই বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের হৃদয়ে টানটান উত্তেজনার জন্ম দেয়। এবারের আসরে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার ফর্ম অত্যন্ত দুর্দান্ত রয়েছে, যেখানে নিজেদের প্রথম ম্যাচের কিছুটা মন্থর শুরুর পর ক্রমেই চেনা ছন্দে ফিরে আসছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল।

দুই দলের বিশ্বকাপ যাত্রা যেভাবে এগিয়ে চলেছে, তাতে যদি জয়ের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে, তবে সেমিফাইনালের মঞ্চেই দেখা হয়ে যেতে পারে এই দুই পরাশক্তির। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচের আবহ তৈরি হওয়ার সাথে সাথে ফুটবলপ্রেমীদের মনে অতীত পরিসংখ্যানের খতিয়ান উঁকি দিচ্ছে। কার পাল্লা ভারী, কিংবা শেষবার কবে দেখা হয়েছিল, তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

ইতিহাসের পাতা হাতড়ে দেখা যায়, বিশ্বকাপের সুদীর্ঘ জার্নিতে মাঠের লড়াইয়ে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মাত্র চারবার মুখোমুখি হয়েছে। যেখানে পরিসংখ্যানের বিচারে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে সেলেসাওরাই। চারবারের দেখায় ব্রাজিলের দুটি জয়ের বিপরীতে আর্জেন্টিনার বিজয় মাত্র একটি, আর বাকি একটি ম্যাচ অমীমাংসিতভাবে ড্র হয়েছে। তবে মাঠের লড়াইয়ে সংখ্যায় ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও, বিশ্বমঞ্চে তাদের সর্বশেষ দেখায় আর্জেন্টিনাই শেষ হাসি হাসতে সক্ষম হয়েছিল।

বিশ্বকাপে এই দুই পরাশক্তির প্রথম দেখা হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। সেবার ব্রাজিল আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোল ব্যবধানে হারিয়েছিল। ম্যাচের ৩২তম মিনিটে রিভেলিনোর গোলে ব্রাজিল এগিয়ে যাওয়ার পর মিগুয়েল ব্রিনদিসির গোলে দ্রুতই সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। তবে ৪৯তম মিনিটে জাইরজিনহোর দুর্দান্ত গোলের মাধ্যমে ব্রাজিলের জয় নিশ্চিত হয়। এর ঠিক চার বছর পর, ১৯৭৮ সালের বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ডের গ্রুপ পর্বে আবারও মুখোমুখি হয় তারা। তবে ১৮ জুনের হাইভোল্টেজ ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্রতে নিষ্পত্তি হয়।

এর পর, ১৯৮২ সালের স্পেন বিশ্বকাপে তৃতীয়বারের মতো মুখোমুখি লড়াইয়ে নামে এই দুই দল। সেবার সেলেসাওরা আর্জেন্টিনাকে দাঁড়াতেই দেয়নি। ৩-১ গোলের বড় ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। তবে ঠিক পরের বিশ্বকাপে নিজেদের হিসাব চুকিয়ে দেয় আলবিসেলেস্তেরা। ১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপে শেষবারের মতো বিশ্বমঞ্চে একে অপরের মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। আগের দুই হারের প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আর্জেন্টিনা সেবার ব্রাজিলকে ১-০ গোলে স্তব্ধ করে দেয়। ক্লাউডিও কানিগিয়ার করা ঐতিহাসিক জয়সূচক গোলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছিল ব্রাজিল, আর আর্জেন্টিনা খেলেছিল ফাইনাল।

ইতালির সেই রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের পর দীর্ঘ ৩৬ বছর কেটে গেছে, তবে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে আর কখনো দেখা হয়নি এই দুই চিরশত্রুর। এবার আবারও সেদিনের মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় পুরো ফুটবল বিশ্ব। ভক্তদের মনে জমে থাকা ৩৬ বছরের সেই প্রতীক্ষা এবার সত্যি হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শ্রীমঙ্গলে উদযাপিত হলো সাঁওতাল বিদ্রোহের ১৭১তম বার্ষিকী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ পি.এম


শ্রীমঙ্গলে উদযাপিত হলো সাঁওতাল বিদ্রোহের ১৭১তম বার্ষিকী

 

‘হুল হুল হুলে হুল, ত্রিশে জুন হুলে হুল’—এই ঐতিহাসিক স্লোগানে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে ১৭১তম মহান সাঁওতাল বিদ্রোহ (হুল দিবস)।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবসটি উপলক্ষে জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মৌলভীবাজার জেলা সাঁওতাল সমাজ কল্যাণ পরিষদ।

এই অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করেছে সিলেট বিভাগীয় সাঁওতাল জনগোষ্ঠী।

দিবসের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর অডিটরিয়াম প্রাঙ্গণে স্থাপিত সাঁওতাল বিদ্রোহের নেতা সিধু মুর্মু ও কানু মুর্মুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এরপর একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহরের বিভিন্ন সড়কে প্রদক্ষিণ করে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয় বণিক, মৌলভীবাজার চা জনগোষ্ঠী আদিবাসী ফ্রন্টের নেতা পরিমল সিং বাড়াইক, কবি লুৎফর রহমান এবং সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তী ও ইসমাইল মাহমুদ।

সাঁওতাল সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি সুজিত সাঁওতালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন সুমন সাঁওতাল, জবা সাঁওতাল, রনজিত সাঁওতাল, সমর সাঁওতাল, দয়ামনি সাঁওতাল, নরেশ সাঁওতাল, প্রদীপ সাঁওতাল, কমল সাঁওতাল, রাঙাচরণ সাঁওতাল, শ্যামল সাঁওতাল ও বিষ্ণু সাঁওতাল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দুলাল সাঁওতাল ও স্বপন মুর্মু।

বক্তারা ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে এবং জমিদার-মহাজনদের শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে সাঁওতাল জনগণের ঐতিহাসিক বিদ্রোহের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

তারা বিদ্রোহের নেতা সিধু মুর্মু, কানু মুর্মু, চাঁদ মুর্মু, ভৈরব মুর্মু এবং নারী নেত্রী ফুলমনি ও ঝানুর আত্মত্যাগ ও অবদানের কথা স্মরণ করেন। বক্তারা এই সংগ্রামকে শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে এবং সাঁওতালদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন।

আলোচনা সভা শেষে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সাঁওতাল শিল্পীরা ঐতিহ্যবাহী পোশাকে নৃত্য ও সংগীত পরিবেশন করেন। তাদের এই পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে।

শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং সাঁওতাল জনগণের অধিকার, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের প্রত্যয় ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%