ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাংলাদেশকে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট


বাংলাদেশকে নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে বাংলাদেশের নতুন করে ১১টি বিমান কেনার চুক্তি সই হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে বিশেষ পোস্ট দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দেওয়া ওই পোস্টে বাংলাদেশ ও তুরস্কের সাথে হওয়া এই বিমান ক্রয় চুক্তিকে বোয়িং কোম্পানির জন্য একটি ‘ঐতিহাসিক’ দিন হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি। একই সাথে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ও অভ্যন্তরীণ কর্মসংস্থানের জন্যও একে এক বিশাল সাফল্য বলে অভিহিত করেছেন মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সাথে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার সম্পূরক চুক্তি সই করে বাংলাদেশ। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ বিমান পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ মডেলের উড়োজাহাজ সংগ্রহ করবে। এই বিশাল বাণিজ্যিক চুক্তি প্রসঙ্গে ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প উল্লেখ করেন, মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সহায়তায় বাংলাদেশ ও তুরস্ক একত্রে মোট ১১১টি বোয়িং বিমান কেনার ঘোষণা দিয়েছে, যার সাথে আরও ৫০টি বিমান কেনার অতিরিক্ত বিকল্প সুযোগও রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: গুয়াতেমালায় ক্রীড়া কমপ্লেক্সে দুর্নীতিবিরোধী সাবেক কৌঁসুলিকে হত্যা

হাজার হাজার কোটি ডলারের এই বিশাল রপ্তানি চুক্তি আমেরিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, এই চুক্তি দেশজুড়ে হাজার হাজার মার্কিন নাগরিকের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। মার্কিন উৎপাদন খাত ও শ্রমিকদের সমর্থনের ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও বলেন, বোয়িং এবং তিনি যা শুরু করেছন, বাজার আজ সেটাই স্বীকৃতি দিচ্ছে। আমেরিকায় তৈরি ও মার্কিন শ্রমিকদের কাজের সুযোগ করে দিলে যেকোনো প্রতিষ্ঠান আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে ধাত্রীসেবা জোরদারের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৫ এম


মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে ধাত্রীসেবা জোরদারের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে দক্ষ ধাত্রীসেবা বা মিডওয়াইফারির কার্যকর সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু রোধে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও কার্যকর পদক্ষেপ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের এক সাইড ইভেন্টে তুলে ধরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুম-৭-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় এই সাইড ইভেন্টটি।

‘অঙ্গীকার থেকে কার্যকর পদক্ষেপ: প্রতিরোধযোগ্য মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু বন্ধে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় ধাত্রীসেবার (মিডওয়াইফারি) সমন্বয়’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে দক্ষ ধাত্রীসেবার কার্যকর সমন্বয় এবং প্রতিরোধযোগ্য মাতৃ ও নবজাতকের মৃত্যু রোধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হয়।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের অংশ হিসেবে আয়োজিত এই উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন অঙ্গীকারকে বাস্তব পদক্ষেপে রূপ দেওয়ার বিভিন্ন দিক নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘের শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ৫ প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ এম


জাতিসংঘের শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ৫ প্রস্তাব

জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে জাতীয় নেতৃত্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ জোরদারে পাঁচটি প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ‘ন্যাশনাল ওনারশিপ ইন প্র্যাকটিস: স্ট্রেনদেনিং ইনক্লুসিভ স্টেট ইনস্টিটিউশনস থ্রু ইন্টারন্যাশনাল পিসবিল্ডিং সাপোর্ট’ শীর্ষক বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত দুই দশকে স্থানীয় জনগোষ্ঠী, জাতীয় সরকার ও জাতিসংঘের যৌথ প্রচেষ্টায় সহিংসতা প্রতিরোধ ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ তৈরি হয়েছে। শান্তি বিনির্মাণ কমিশনকে এসব অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে কাজ আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি।

হুমায়ুন কবির বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব তিন দশকের বেশি সময়ের। বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে বৈশ্বিক সম্মান অর্জন করেছে।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক সুশাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক সংহতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।

বাংলাদেশের পাঁচ প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে—স্থানীয় শিল্পকে বৈশ্বিক মূল্য শৃঙ্খলের সঙ্গে যুক্ত করে নারী ও যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শান্তিরক্ষা থেকে শান্তি বিনির্মাণে রূপান্তরে পিবিসির পরামর্শমূলক ভূমিকা জোরদার, নারী-শান্তি-নিরাপত্তা ও যুব-শান্তি-নিরাপত্তা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা, ২০২৫ সালের শান্তি বিনির্মাণ কাঠামো পর্যালোচনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা এবং টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করা।

বক্তব্যের শেষে তিনি জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কার্যক্রম আরও কার্যকর করতে বাংলাদেশের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর উন্নয়নে বাংলাদেশের ৬ প্রস্তাব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ এম


স্বল্পোন্নত দেশগুলোর উন্নয়নে বাংলাদেশের ৬ প্রস্তাব

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) উন্নয়ন ও উত্তরণ প্রক্রিয়া জোরদারে ছয়টি অগ্রাধিকার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘে এলডিসি দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বার্ষিক বৈঠকে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর নতুন ম্যান্ডেট নিয়ে বাংলাদেশ ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন (থ্রি আর)’ কৌশলের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তুলতে কাজ করছে।

হুমায়ুন কবির এলডিসি চেয়ার হিসেবে নেপালের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দেশটির প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

একই সঙ্গে নতুন এলডিসি চেয়ার হিসেবে গাম্বিয়াকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, দোহা কর্মসূচি গ্রহণের পর বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে।

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ঋণ সংকট, উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) কমে যাওয়া, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা এবং জলবায়ু সংকট এলডিসি দেশগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এলডিসি দেশগুলোর প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম উল্লেখ করে তিনি অনলাইন ইউনিভার্সিটি, খাদ্য মজুত ব্যবস্থা, টেকসই উত্তরণ সহায়তা তহবিল, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সহায়তা কেন্দ্র ও স্থিতিস্থাপকতা উন্নয়ন ব্যবস্থার অগ্রগতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এলডিসি থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জন্য অতিরিক্ত প্রস্তুতি সময়ের গুরুত্ব তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, এটি একটি মসৃণ, টেকসই ও অপরিবর্তনীয় উত্তরণ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

তিনি যে ছয়টি অগ্রাধিকার প্রস্তাব দেন, সেগুলো হলো—

১. উন্নয়ন সহায়তার (ওডিএ) ঘাটতি পূরণ, প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং সহজ শর্তের অর্থায়ন ও বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি।

২. বাজারে প্রবেশাধিকার, স্বচ্ছ উৎপত্তি বিধি ও বাণিজ্য সুবিধা বাড়িয়ে এলডিসি বাণিজ্য সম্প্রসারণ।

৩. জলবায়ু অভিযোজন ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সহজলভ্য ও পূর্বানুমানযোগ্য জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা।

৪. অবৈধ আর্থিক প্রবাহ বন্ধ ও পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার।

৫. শিল্পায়ন, প্রযুক্তি স্থানান্তর, মূল্য সংযোজন ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে কাঠামোগত রূপান্তর।

৬. জাতিসংঘের সংস্কার উদ্যোগ ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে এলডিসির জন্য আরও কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে তোলা।

বক্তব্যের শেষে তিনি এলডিসি মন্ত্রী পর্যায়ের ঘোষণাপত্র গ্রহণের প্রত্যাশা করেন।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে ওআইসির সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ এম


রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে ওআইসির সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) সদস্য দেশগুলোর সক্রিয় সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে গাম্বিয়ার আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে চলমান মামলার আইনি তহবিল ও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বার্ষিক সমন্বয় বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এসব কথা বলেন।

তিনি তুরস্কের নেতৃত্বের প্রশংসা এবং নতুন ওআইসি মহাসচিব ও আগামী চেয়ার হিসেবে ইরাককে স্বাগত জানান।

হুমায়ুন কবির বলেন, সংঘাত, দখল, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা বৈশ্বিক শান্তি ও মানবিক মর্যাদাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। এসব মোকাবিলায় ওআইসির ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি ওআইসি দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে জ্বালানি, নবায়নযোগ্য শক্তি, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।

প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ ইসলামি ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) বাজেট ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ ওআইসির ২০২৬-২০৩৫ কর্মপরিকল্পনায় খাদ্য নিরাপত্তা, ডিজিটাল রূপান্তর, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান ও ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের সহযোগিতার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে মত দেয়।

বক্তব্যে তিনি ইসলামোফোবিয়া ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য মোকাবিলায় ওআইসির ইসলামোফোবিয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থার ভূমিকা জোরদারের আহ্বান জানান।

ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমারেখার ভিত্তিতে আল-কুদস আল-শরিফকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে।

তিনি ওআইসি সনদের প্রতি বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধির জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%