বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫০ পি.এম
বাংলাদেশ ১-৬ ইন্দোনেশিয়া (প্রথমার্ধ শেষে)
আজ দেশের ফুটবলের প্রধান তারকা হামজা চৌধুরীর জন্মদিন। সতীর্থরা বিশেষ এই দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে দারুণ ফুটবল খেলার আশা করেছিলেন হামজা।
কিন্তু বাংলাদেশ দলের বর্তমান পরিস্থিতি এমন যে, হামজা সম্ভবত আজকের দিনটি দ্রুত ভুলে যেতে চাইবেন। ফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই ৬ গোল খেয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে বিরতির আগে এতগুলো গোল হজম করার ঘটনা বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটল।
বিরতির পর বাংলাদেশ দল নিজেদের সবচেয়ে বড় পরাজয় এড়ানোর চেষ্টা করবে। বাংলাদেশের ফুটবলে সবচেয়ে বড় হার ছিল ১৯৭৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে এবং ১৯৮২ সালে ইরানের বিরুদ্ধে। উভয় ম্যাচেই বাংলাদেশ ৯-০ গোলে পরাজিত হয়েছিল। এছাড়া ১৯৭৫ সালে হংকংয়ের কাছে ৯-১ গোলে হারতে হয়েছিল।
জার্কাতার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে ইন্দোনেশিয়ার ৬ গোলের মধ্যে ৪টি করেছেন মিচেল লি বেকার। বাংলাদেশের পক্ষে এক গোল শোধ করেছেন শাহরিয়ার ইমন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কার্যক্রমকে সহজ করার লক্ষ্যে প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং সমন্বিত সেবা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বাণিজ্যমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ব্যবসার প্রক্রিয়া সহজীকরণ’ বিষয়ক একটি বৈঠকে এই তাগিদ দেন।
এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এতে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর (আরজেএসসি) এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটির (আইবিএ) কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠকে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ব্যবসা নিবন্ধন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সেবা পাওয়ার বিদ্যমান প্রক্রিয়াগুলো পর্যালোচনা করা। একই সঙ্গে উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমাতে অনাবশ্যক ধাপ ও সময় কিভাবে কমানো যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা হ্রাস পেলে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে উৎসাহিত হবে।
তিনি সেবা প্রদান ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও ব্যবহারবান্ধব করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর আহ্বান জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ব্যবসা ও বিনিয়োগসংক্রান্ত সব সেবা পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল এবং একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা প্রয়োজন। এর মাধ্যমে সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা, গতিশীলতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
বৈঠকে ব্যবসাপ্রক্রিয়া সহজীকরণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর বর্তমান কার্যক্রম, বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা এবং সেবা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে করণীয় বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের জটিলতা কাটিয়ে আগামীকাল শুক্রবার দেশে আসছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুকেন্দ্রের জ্বালানি। ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রাশিয়া থেকে বিশেষ কার্গো উড়োজাহাজে এই জ্বালানি শুক্রবার দুপুরের মধ্যে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবে। এরপর শনিবার কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় এটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে।
এ বিষয়ে প্রকল্পসংশ্লিষ্ট এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন। কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, পারমাণবিক জ্বালানি পরিবহনে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো জটিলতা দেখা দেয়নি। আজ বৃহস্পতিবার জ্বালানি দেশে পৌঁছানোর কথা ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে ফ্লাইটটি বাতিল করা হয়। ফলে এক দিন পিছিয়ে শুক্রবার নতুন করে জ্বালানি পরিবহনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, স্পর্শকাতর এই পারমাণবিক জ্বালানি বিশেষ কার্গো বিমানে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্য দিয়ে দেশে আনা হচ্ছে। বিমানটি যেসব দেশের আকাশসীমা ব্যবহার করবে, সেসব দেশের কাছ থেকে আগাম অনুমতিও নিতে হয়। বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও বাংলাদেশ এ বিষয়ে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করলেও পাকিস্তান তাদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় নির্ধারিত ফ্লাইট বাতিল করতে হয়।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি কার্গো এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য দুটি কার্গোতে মোট ৯টি চালানে পারমাণবিক জ্বালানি দেশে আনা হবে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন (রসাটম) আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো জ্বালানি সরবরাহ শেষ করার কথা জানিয়েছে।
এদিকে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কমিশনিং কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। গতকাল বুধবার সকালে ১৬ মেগাপাসকেল উচ্চচাপে প্রেসার-অপারেটেড রিলিফ ভাল্ভের পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা রোসাটম এক বার্তায় জানায়, ত্রুটি সারিয়ে মঙ্গলবার রাতে শুরু হওয়া পরীক্ষা বুধবার সকালে সফলভাবে শেষ হয়। প্রধান নিয়ন্ত্রণকক্ষ ও জরুরি নিয়ন্ত্রণকক্ষ, উভয় জায়গা থেকেই পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়। এতে নিয়ন্ত্রণ ভাল্বগুলোর কার্যকারিতা যাচাইয়ের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রধান নিরাপত্তা ভাল্বের কার্যক্রম ও প্রতিক্রিয়াও পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার সময় ভাল্বের খোলা ও বন্ধ হওয়ার কার্যক্রম, অ্যালার্ম এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কারিগরি বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হয়। অনুমোদিত পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা শর্ত মেনে পুরো পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছে।
জানা গেছে, রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় রসাটম ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান মন্তব্য করেছেন যে, দেশের চলমান উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করার জন্য অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, "দেশ যখন সামনে এগিয়ে যাচ্ছে, তখনই একটি মহল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মাধ্যমে দেশকে পেছনের দিকে নেওয়ার চেষ্টা করছে।"
এ কথা তিনি বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলা অডিটরিয়ামে কৃষক কার্ড ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছেন।
আমানউল্লাহ আরও বলেন, "জনগণের আস্থা ছিল বিএনপির প্রতি। সেই আস্থার প্রতিফলন ঘটাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিগত ১৭ বছরে যেসব উন্নয়নকাজ হয়নি, সেসব কাজ নতুন করে শুরু হয়েছে।"
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, বর্তমানে স্কুল, কলেজ, মসজিদ-মাদরাসা, মন্দির, সড়ক, সেতু ও কালভার্টসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়নকাজ শুরু হয়েছে। তিনি জানান, পাশাপাশি মানবসেবায় নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন কার্যক্রম দেখে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আমান বলেন, "হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র ধরে রাখতে হবে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখতে সবাইকে সচেতন ও সজাগ থাকতে হবে।" তিনি বলেন, পাড়া-মহল্লা, গ্রাম, হাটবাজার, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে, যাতে কেউ অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে।
অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহুয়া শারমিন মুনমুনসহ বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ