ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মহাখালী বাস ডিপো স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত


মহাখালী বাস ডিপো স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত

রাজধানী ঢাকাতে যানজট নিরসনে সরকারের হাতে স্বল্প, মধ্যম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের একটি অংশ হিসেবে মহাখালী বাস টার্মিনালের বাসগুলোর ডিপো অস্থায়ীভাবে পূর্বাচলে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের বিষয় নিয়ে তৃতীয় সভা শেষে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামান এবং ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন।

ড. মো. হাদিউজ্জামান মন্তব্য করেন, যানজটের সমস্যা সমাধানের জন্য হকারদের বিকল্প কর্মসংস্থান এবং ফুটপাতকে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উপযোগী করা সম্পর্কেও আলোচনা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে মদ-বিয়ার ও ইয়াবা জব্দ, গ্রেপ্তার ৩

তিনি আরও জানান, বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাপক বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং জনগণকে অনেক দুর্ভোগ সহ্য করতে হয়েছে। যদি এই প্রকল্পটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়, তবে সেটি একটি নেতিবাচক দৃষ্টান্ত হবে। সুতরাং, প্রকল্পটিকে কীভাবে উন্নত করে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট করিডোর হিসেবে ব্যবহার করা যায় এবং জনগণের সর্বোচ্চ সুবিধা নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

আগামী সাত দিনের মধ্যে বিকল্প প্রস্তাবও উপস্থাপন করা হবে বলেও তিনি জানান।

ড. হাদিউজ্জামান আরও জানান, ঢাকা শহরের টার্মিনালকেন্দ্রিক যানজট সহনশীলভাবে কমাতে মহাখালী টার্মিনালের বাসগুলোর ডিপোর জন্য অস্থায়ীভাবে পূর্বাচলে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাসগুলো শুধুমাত্র যাত্রী নেওয়ার সময় টার্মিনালে যাবে।

একইভাবে, সায়েদাবাদ ও ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনালের জন্যও অস্থায়ী বিকল্প স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে কাজও চলছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

এছাড়াও, আগামী সপ্তাহে শাহবাগ এলাকায় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামান।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে একটি সুশৃঙ্খলার মধ্যে আনার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন। এছাড়া, কাঁচপুরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল দ্রুত বাস্তবায়নেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, গুলিস্তান থেকে টার্মিনাল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে। হকারদের উচ্ছেদ না করে আবার বিশৃঙ্খল অবস্থাতেও না রেখে কীভাবে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা যায়, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান উল্লেখ করেন, মহাখালী এলাকায় রাস্তার ওপর যাতে বাস দাঁড়িয়ে না থাকে, সেজন্য প্রাথমিকভাবে পূর্বাচলে বাস ডিপো স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ কাজে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে সিটি করপোরেশন।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : সড়কমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে : সড়কমন্ত্রী

সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা কমানোর লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী রবিউল আলম। তিনি সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এই তথ্য জানান।

এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। সংসদের টেবিলে প্রশ্নোত্তরটি সোমবার উপস্থাপিত হয়। রবিউল আলম বলেন, সড়ক-মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা হ্রাস করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৪-এর উপধারা (১) এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২-এর বিধি ১২৫ এর উপবিধি (৪)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ২০২৪ সালের ৭ মে সড়ক ও মহাসড়কে মোটরযানের সর্বোচ্চ গতিসীমা নির্ধারণ, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য ‘মোটরযান গতিসীমা নির্দেশিকা, ২০২৪’ জারি করে।

মন্ত্রী বলেন, সড়ক-মহাসড়কে গতিসীমা মনিটরিংয়ের জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে স্পিড লিমিট ও ট্রাফিক সাইন স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণের কাজ। এছাড়া, রাম্বল স্ট্রিপ, স্পিড কন্ট্রোল জোন, সার্ভিস লেন, মিডিয়ান ও চ্যানেলাইজেশনের মতো ট্রাফিক ক্যালমিং ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরো যোগ করেন, মহাসড়কে আইটিএস প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে গতিসীমা লঙ্ঘনকারী যানবাহন শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বিআরটিএ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে গতিসীমা বাস্তবায়নের কাজ চলমান আছে।

মন্ত্রী জানান, সড়কের ধরন ও এলাকার বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় উপযুক্ত গতিসীমা নির্ধারণে সুপারিশ দেওয়া হচ্ছে এবং রোড সেফটি অডিট ও ট্রাফিক মনিটরিংয়ের মাধ্যমে দুর্ঘটনাপ্রবণ স্থান শনাক্ত করা, অতিরিক্ত গতির কারণে ঝুঁকিপূর্ণ অংশ বিশ্লেষণ করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গির ওপর একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গির ওপর একটি স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা অপরিহার্য : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সোমবার রাজধানীর তথ্য ভবনের ডিএফপি সম্মেলন কক্ষে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) আয়োজিত ‘বাকশালী শাসনে সংবাদপত্র বন্ধের কালো দিবস’ স্মরণে এবং ‘ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় মিডিয়ার ব্যার্থতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, 'বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টিভঙ্গির ওপর দাঁড়িয়ে একটি স্বাধীন এবং দায়িত্বশীল গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা বর্তমান প্রেক্ষাপটে অপরিহার্য।'

তিনি বলেছিলেন, এই কমিশন মিডিয়ার প্রতিটি ক্ষেত্রে বিরাজমান সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের পথ বাতলে দেবে। এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এর দায়িত্বশীলতার সীমারেখাও নির্ধারণ করবে।

সেই সেমিনারে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বললে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বহুমতের সহবস্থানের কথা আসে। আবার গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতার কথা বললে গণমাধ্যমের জবাবদিহিতার কথাও চলে আসে। বস্তুনিষ্ঠ দৃষ্টি না থাকলে ভবিষ্যতে একটি স্বাধীন এবং দায়িত্বশীল কমিশন গঠন সম্ভব হবে না।’

তিনি অতীতে উদাহরণ টেনে বলেন, এক সংবাদপত্র পাঠক হিসেবে তার কাছে মনে হয়েছে অতীতে সব উদ্যোগ ছিল আংশিক। কারণ, তা কখনো পূর্ণাঙ্গতা পায়নি এবং কোনো কাঠামো তৈরি করেনি, ফলে বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়নি। এর দায় বিগত সরকারের।

তথ্যমন্ত্রী আরও জানান, অতীতে আতাউর রহমান খানের অধীনে একটি প্রেস কমিশন গঠন করা হয়েছিল, কিন্তু সেই কমিশনের রিপোর্ট ও সুপারিশ কখনো প্রকাশ পায়নি। তিনি সাবেক একজন বিজ্ঞ বিচারপতির নেতৃত্বে নতুন গণমাধ্যম কমিশন গঠনের আহ্বান জানান। এই কমিশনে তথ্য ও আইন মন্ত্রণালয়, ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল, সংবাদপত্রগুলোর ট্রেড ইউনিয়ন এবং জাতীয় প্রেস ক্লাবের প্রতিনিধি থাকতে পারে।

তিনি বলেন, এই নতুন কমিশন নীতি, আইন ও কাঠামো প্রণয়ন করবে। এটি গণমাধ্যমের পেশাগত ও বাণিজ্যিক উভয় দিকের বিকাশের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে এবং এথিক্যাল জার্নালিজমকে উত্সাহিত করবে।

উন্নত দেশগুলোর উদাহরণ দিয়ে তথ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেন, ব্রিটিশ ‘অফিস অব কমিউনিকেশন’ কিংবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন’ কিভাবে তাদের নীতি ও বিধিমালা সমৃদ্ধ করেছে, তা সকলকে মেনে চলতে বাধ্য করে। ফলে একদিকে তাদের স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়, অন্যদিকে স্বাধীনতাকে নৈরাজ্যের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য দায়িত্বশীলতার সীমারেখাও তৈরি হয়।

তিনি আরও জানান, জাতীয় সম্পাদক কাউন্সিল, মালিক সমিতি, সম্পাদকদের সংগঠন, সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে তিনি ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করছেন। লক্ষ্য ও কাঠামোর ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সব অংশীদারকে এক মঞ্চে রেখে ঐক্যমত তৈরি করতে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

সেমিনারে দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক ও ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক মারুফ কামাল খান সোহেল।

প্রধান প্রবন্ধে মারুফ কামাল খান সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে গণতন্ত্রের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন বাকশাল গঠনের পর দেশের সব সংবাদপত্রের ডিক্লারেশন বাতিল করা হয়। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেন।

সভাপতির বক্তব্যে মাহমুদুর রহমান বলেন, সত্যিকার অর্থে মিডিয়ার স্বাধীনতা মানে নিজের মত প্রকাশ করার অধিকার। যদি কেউ দ্বিমত পোষণ করে, তার প্রতিবাদ লেখার মাধ্যমে হবে, কিন্তু কোনো শক্তির মাধ্যমে কণ্ঠরোধ করা যাবে না।

তিনি যুক্ত করেন, যারা বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী ছিল এবং হত্যাকাণ্ডকে মিডিয়ায় জায়েজ করতে চেয়েছে, তাদের সঙ্গে কোনও আপস নেই। তাদের বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাতকে অভিযান চালিয়ে বিপুল ভারতীয় নিষিদ্ধ বিড়ি উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


ছাতকে অভিযান চালিয়ে বিপুল ভারতীয় নিষিদ্ধ বিড়ি উদ্ধার

 

সুনামগঞ্জের ছাতকে অভিযান পরিচালনা করে এক লাখ ২৬ হাজার শলাকা আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় ‘শেখ নাসিরুদ্দিন’ ব্র্যান্ডের বিড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পলাতক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে তথ্য মতে, রবিবার (১৪ জুন) ছাতক থানার এসআই মো. সাদেক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে থানার বিভিন্ন এলাকায় ওয়ারেন্ট তামিল ও বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিলেন। অভিযানের এক পর্যায়ে ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের আছাদনগর বেতুরা মাদরাসা সংলগ্ন খেয়াঘাট এলাকায় দুই ব্যক্তিকে একটি নৌকা থেকে কয়েকটি কার্টন নামাতে দেখা যায়। পুলিশ উপস্থিতি টের পেয়ে ওই দুই ব্যক্তি দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এসআই মো. সাদেক সঙ্গীয় ফোর্সসহ তাদের ধাওয়া করেন। কিন্তু স্থানীয় এলাকার মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ দিকে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে পলাতক ব্যক্তিদের ফেলে যাওয়া মোট ছয়টি কার্টন তল্লাশি করে ১ লাখ ২৬ হাজার শলাকা আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় ‘শেখ নাসিরুদ্দিন’ বিড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা বিড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিচার বিভাগে লিগ্যাল এইডে ৮২টি নতুন পদ অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


বিচার বিভাগে লিগ্যাল এইডে ৮২টি নতুন পদ অনুমোদন

বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিসে আইনগত সহায়তা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে সরকার রাজস্ব খাতে স্থায়ীভাবে ৮২টি নতুন লিগ্যাল এইড পদ সৃজন করেছে।

এ বিষয়ে সম্প্রতি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গ্রেড-৩ এ ৭২টি ‘চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার’ পদ সৃষ্টির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ পদগুলোর মধ্যে দেশের ৬৪টি জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে ৬৪টি পদ থাকবে এবং ঢাকা, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল মহানগর লিগ্যাল এইড অফিসে ৮টি পদ রাখা হবে।

এছাড়া, গ্রেড-৩ এ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের জন্য ২টি ‘লিগ্যাল এইড অফিসার (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ)’ পদ সৃজন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, গ্রেড-৪ এর আওতায় ৮টি ‘লিগ্যাল এইড অফিসার (সিনিয়র সহকারী জজ)’ পদ সৃজন হয়েছে।

এসব পদ দেশের ৮টি মহানগর লিগ্যাল এইড অফিসে কর্মরত থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্বে সৃজিত ‘সুপ্রিম কোর্ট লিগ্যাল এইড অফিসার (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ)’ পদের নাম পরিবর্তন করে ‘চিফ লিগ্যাল এইড অফিসার (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ), সুপ্রিম কোর্ট’ করা হয়েছে।

তবে এ পদের বেতন স্কেলে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

নতুন সৃষ্ট পদগুলোর ব্যয়ভার আইন ও বিচার বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদপ্তরের বরাদ্দকৃত বাজেট থেকে বহন করা হবে।

বিচারিক পদ সৃজন কমিটির সুপারিশ এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে পদগুলো সৃষ্টি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%