০৮:৫১ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশের একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, বিশ্বকাপে লিওনেল মেসিকে মারার জন্য এক ব্যক্তি আত্মঘাতী বোমা হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) এবং আন্তর্জাতিক পুলিশ সহযোগিতা কেন্দ্র (আইপিসিসি) যেসব নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলা করে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করে।
শুধু একটি নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মেসিকে মারার জন্য বেশ কয়েকটি হুমকি পায়। সেগুলোর বিস্তারিতও প্রকাশ পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনা ও জর্ডানের মধ্যকার ম্যাচের আগে এক ব্যক্তি ডালাস বিমানবন্দরে ফোন করে হুমকি দেন যে, সে আরও দুই ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে হাতে তৈরি বোমা ও একটি এআর-১৫ রাইফেল নিয়ে স্টেডিয়ামে হামলা চালাবেন। মেসিকে হত্যার উদ্দেশ্যেও তার হুমকিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল।
আর্জেন্টিনা ও মিশরের শেষ ষোলোর ম্যাচের আগেও একই ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। সন্দেহভাজনদের একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘আমি আটলান্টা স্টেডিয়ামে ঢুকে শরীরে চারটি বোমা বেঁধে মেসিকে উড়িয়ে দেব।’
আরও পড়ুন: ভারতীয় পর্যটকেরা বলছেন, ভারতের চেয়ে বাংলাদেশে পূজার পরিবেশ ভালো: রিজভী
ওই ম্যাচ চলাকালীন পুলিশ আরও একটি ফোন পায়। সেখানে দাবি করা হয় যে, গ্যালারির কয়েকটি ময়লার বাক্সের মধ্যে তিনটি বোমা রাখা হয়েছে। পরে পুরো স্টেডিয়াম বিস্ফোরক শনাক্তকারী কুকুর দিয়ে তল্লাশি করার পর জানা যায় যে, এটি ছিল সম্পূর্ণ ভুয়া সতর্কবার্তা।
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও পর্তুগাল দলের হোটেলে একটি নিরাপত্তাজনিত ঘটনার শিকার হন। পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ফিফা এফবিআইকে জানায় যে, একজন সন্দেহজনক ব্যক্তি রোনালদোর থাকার জায়গা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়েছিলেন। দুই দিন পর হিউস্টন পুলিশ ওই ব্যক্তিকে পর্তুগাল জাতীয় দলের অবস্থান করা একই হোটেলের ভেতর থেকে শনাক্ত করে এবং গ্রেফতার করে।
এ ধরনের আরেকটি ঘটনায় টরন্টোতে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়। ওই ব্যক্তি রোনালদোর সঙ্গে লিফটে ঢোকার চেষ্টা করছিলেন এবং দাবি করছিলেন যে, তিনি শুধু রোনালদোর সঙ্গে একটি সেলফি তুলতে চেয়েছিলেন।
আরও পড়ুন: ভোটের পাঁচ দিন আগে বাইশিমাস নির্বাচন স্থগিত, প্রার্থীদের প্রতিবাদ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন