বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:৫৯ পি.এম
আবারও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। বৃহস্পতিবার পিয়ংইয়ং পূর্ব উপকূলীয় জলসীমার দিকে একটি স্বল্পপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। চলতি বছর উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিক অস্ত্র পরীক্ষার এটি সর্বশেষ ঘটনা।
দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস) এক বিবৃতিতে জানায়, স্থানীয় সময় বিকাল প্রায় পাঁচটার দিকে উত্তর কোরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় শহর ওনসান এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রটি উৎক্ষেপণ করা হয়।
উৎক্ষেপণের পর দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী নজরদারি ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া সম্ভবত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্রটি জাপানের ভূখণ্ড বা জলসীমায় কোনো প্রভাব ফেলেনি।
পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে জোর
২০১৯ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিম জং উনের উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ভেস্তে যাওয়ার পরে উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সম্প্রসারণে আরও মনোযোগী হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কিম জং উন আন্তর্জাতিক পরিসরে উত্তর কোরিয়াকে একটি স্বীকৃত পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান। যাতে তিনি দেশটির ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি আরও জোরালোভাবে তুলতে পারেন।
গত মাসে কিম জং উন একটি নতুন পাঁচ হাজার টন ওজনের ডেস্ট্রয়ারে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য অস্ত্রের পরীক্ষা তদারকি করেন। দীর্ঘদিন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়ার পর সাম্প্রতিক সময়ে তিনি নৌ সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। এর অংশ হিসেবে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন নির্মাণ কর্মসূচিও এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
পানির নিচ থেকে আইসিবিএম উৎক্ষেপণের লক্ষ্য
গত ফেব্রুয়ারিতে ওয়ার্কার্স পার্টির কংগ্রেসে ঘোষণা করা পাঁচ বছর মেয়াদি সামরিক পরিকল্পনায় কিম জং উন পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (আইসিবিএম) তৈরির আহ্বান জানান। এই লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কও জোরদার করেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রের দাবি, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সহায়তা করতে পিয়ংইয়ং প্রচলিত অস্ত্র এবং সেনাসদস্য সরবরাহ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা, নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতা পূর্ব এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। ফলে কোরীয় উপদ্বীপ এবং বৃহত্তর এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা নতুন করে সামনে এসেছে।
সূত্র: রয়টার্স, নিক্কেই এশিয়া, ফ্রান্স২৪
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ আগস্ট ২০২৬ : তিন বছরের দীর্ঘ সময় ও আটটি ম্যাচ পরে পাকিস্তান বিদেশের মাটিতে টেস্ট জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজ সমতায় শেষ করল।
গত রাতে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিনে পাকিস্তান ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে পরাজিত করে। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে পাকিস্তান সর্বশেষ বিদেশের মাটিতে টেস্ট জিতেছিল। সেই ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষে কলম্বোতে তারা ইনিংস ও ২২২ রানে জয়লাভ করে।
পাকিস্তান ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ৯০ রানে হেরে ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে জয় পাওয়ার মাধ্যমে তারা টেস্ট সিরিজ ১-১ করে ফেলে। বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দলের জন্য এটি বড় একটি সাফল্য। উল্লেখ্য, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যের সর্বশেষ দুই টেস্ট সিরিজও ১-১ সমাপ্ত হয়েছে।
পোর্ট অব স্পেনে টেস্টের তৃতীয় দিন শেষ হওয়ার পরে পাকিস্তান জয়ের ঘ্রাণ পাচ্ছিল। প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানে পিছিয়ে থেকে তারা দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করে এবং তৃতীয় দিন শেষে ৬ উইকেটে ১০৩ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর ফলে ক্যারিবীয়রা মাত্র ৪ উইকেট হাতে রেখে ৬০ রানে এগিয়ে ছিল।
চতুর্থ দিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাকী ৪ উইকেটের মধ্যে তিন ব্যাটসম্যান মাঠে নামেন, কিন্তু তারা ১৪ রানের বেশি যোগ করতে পারেননি। ফলে তারা ১১৭ রানে অলআউট হয়। উল্লেখ্য, ইনজুরির কারণে ব্র্যান্ডন কিং ব্যাট করতে পারেননি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের দলের জাস্টিন গ্রেভস ১ রানে ব্যাটিং করে ৩ রানে আউট হন। এছাড়া কেমার রোচ শূন্য রানে এবং শামার জোসেফ ৯ রানে আউট হন। জোমেল ওয়ারিকান ২ রানে অপরাজিত থাকেন।
পাকিস্তানের দুই স্পিনার আল উসমান এবং সাজিদ খান ৪টি করে উইকেট নেন।
জয়ের জন্য ৭৫ রানের যে লক্ষ্য ছিল, সেটি ২ উইকেট হারিয়ে ২৩.৩ ওভারের মধ্যে পাকিস্তান ছুঁয়ে ফেলে। দুই ওপেনার আজান আওয়াইস ১৮ রানে এবং ইমাম উল হক ৯ রানে আউট হন।
৪২ রানে দুই ওপেনারের আউট হওয়ার পর তৃতীয় উইকেটে আব্দুল্লাহ শফিক ও অধিনায়ক বাবর আজম ৩৫ রানের জুটি গড়েন, যার মাধ্যমে পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত হয়। শফিক ও বাবর সমান ২৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন।
প্রথম ইনিংসে ১৬০ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪ রানের অসাধারণ ইনিংসের কারণে ম্যাচ সেরার সম্মান পান শফিক। সিরিজে ১৯৩ রান করে সিরিজ সেরা হন বাবর।
এই ম্যাচ জয় পাওয়ার মাধ্যমে পাকিস্তান আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে নয় দলের পয়েন্ট টেবিলে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে। পাকিস্তানের পয়েন্ট ২২.২২ শতাংশ, কারণ তারা ৬ ম্যাচে ২ জয় ও ৪ হারে রয়েছে। অপরদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১২ ম্যাচে ২ জয় ও ৮ হার নিয়ে টেবিলের নিচে নেমে গেল।
টেবিলের প্রথম দু’টি স্থানে রয়েছে যথাক্রমে অস্ট্রেলিয়া (৮৭.৫০ শতাংশ পয়েন্ট) এবং দক্ষিণ আফ্রিকা (৭৫.০০ শতাংশ পয়েন্ট)।
৪ ম্যাচে ২ জয় ও ১টি করে হার-ড্র’তে ৫৮.৩৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশ টেবিলের চতুর্থ স্থানে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার সাত কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলি করা হয়। বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- পরিবহন বিভাগের মুশফিকুর রহমান তুষারকে চকবাজার জোনে বদলি করা হয়েছে, ট্রাফিক-পল্লবী জোনের তানিয়া সুলতানাকে উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে, প্রকিউরমেন্ট বিভাগের শেখ সুরাইয়া ঊর্মিকে পিওএম-পশ্চিমে বদলি করা হয়েছে, চকবাজার জোনের মো. মাহফুজার রহমানকে বঙ্গভবন-নিরাপত্তা-১ এ বদলি করা হয়েছে, নুসরাত ইয়াছমিন তিসাকে ট্রাফিক-পল্লবী জোনে বদলি করা হয়েছে, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে পেট্রোল-ক্যান্টনমেন্টে বদলি করা হয়েছে এবং মো. সাকিলুর রহমানকে গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইমের উত্তর বিভাগে বদলি করা হয়েছে। আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের ৬ আগস্টের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যার ফলে গৃহহীন হয়ে পড়া ১০০টি পরিবারকে নতুন ঘর প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামী ৯ আগস্ট, রবিবার প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সফরের সময় বাঁশখালীতে আয়োজিত একটি সমাবেশের মঞ্চে এইসব ঘরের চাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়টি চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন নিশ্চিত করেছেন।
বন্যার পানির তোড়ে গৃহহারা হয়ে পড়া পরিবারগুলো যখন সবকিছু হারিয়ে অসহায় অবস্থায় ছিল, ঠিক সেই সময়ে সরকারি ঘর দেওয়ার উদ্যোগ তাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তারা সরকারের তরফ থেকে নির্মিত তাদের ভিটায় ভেঙে যাওয়া বাড়ির জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে নতুন ঘরর চাবি গ্রহণ করতে উত্তেজিত।
তারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন যে প্রধানমন্ত্রী তাদের সামনে এসে নতুন ঘরের চাবি বুঝিয়ে দেবেন এবং সেই সঙ্গে তাকে কাছ থেকে এক নজর দেখা উপলব্ধি হবে।
জেলা প্রশাসনের সূত্র জানাচ্ছে, বাঁশখালী পৌরসভা এবং ৯টি ইউনিয়নের প্রত্যেকটিতে ১০ জন করে মোট ১০০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকারি খরচে তাদের বাড়ি নতুন করে নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বিশেষ করে বন্যার বিষয়টি মাথা থেকে বাদ না দিয়ে বাড়ি নির্মাণে আরসিসি পিলার, কাঠ এবং টিন ব্যবহৃত হচ্ছে। টিনের ঘেরা ও ছাউনি দেওয়া এসব বাড়িকে ‘দুর্যোগ সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। ১৮ ফুট দৈর্ঘ্যে ও ১২ ফুট প্রস্থের প্রতিটি টিনের ঘরে দুটি করে কক্ষ থাকবে এবং এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার থাকবে।
বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র কামরুল ইসলাম হোসাইনী বলেন, ‘বন্যার কারণে বাড়িঘর ভেঙে যাওয়া যে পরিবারগুলোর নতুন বাড়ি করার মতো সামর্থ্য নেই তাদেরকেই প্রধানমন্ত্রীর বাইরের ঘর দেওয়ার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।’
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শরীফ উদ্দিন আজ বাসস’কে জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী আগামী রবিবার চট্টগ্রামের তিনটি উপজেলার সফর করবেন। এর মধ্যে বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১০০টি পরিবারকে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেবেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে ইতোমধ্যে বাড়িগুলোর নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে।’
এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন বাঁশখালী সফর এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য নির্মাণাধীন ঘরের কাজ পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন অনুষ্ঠানস্থল ও নির্মাণাধীন ঘরগুলো ঘুরে দেখেন।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি নিয়ে বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থলে প্রস্তুতি চলছে। জেলা প্রশাসক সেখানে মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা, অতিথিদের বসার স্থান এবং অনুষ্ঠানস্থলের সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা আজ বাসসকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে চলছে। আমি বাঁশখালীর বাহারছড়ায় অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেছি। তিনি অনুষ্ঠানের সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজনের জন্য প্রতিটি বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেন।
ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি দেওয়ার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘নির্মাণাধীন ঘরগুলোর কাঠামোগত স্থায়িত্ব ও কাজের মান নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিষয়টি বিবেচনা করে নতুন বাড়ি নির্মাণে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার করা হচ্ছে। আশাবাদী যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাড়িগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের মাদারগঞ্জে রাজনীতি ছেড়ে কোরআন সুন্নাহ মোতাবেক চলতে চান বলে মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী নামে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক এক নেতা ঘোষণা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে এই ঘোষণা তিনি দেন। গোলাম রব্বানী পৌর শহরের বালিজুড়ী পূর্বপাড়ার বাসিন্দা এবং তিনি আব্দুল আলীম মির্জা কাশেম কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক। জানা গেছে, গোলাম রব্বানী আশির দশক থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগে সম্পৃক্ত হওয়ার মাধ্যমে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হন। পরে, তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের ৩ বারের সভাপতি ছিলেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য এবং সর্বশেষ জেলা আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক পদের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে, তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটিতে নেই। মোহাম্মদ গোলাম রব্বানীর সঙ্গে পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি ২০১৮ সালে পবিত্র হজ পালনের সময় কাবাঘর ছুঁয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম রাজনীতি থেকে বিদায় নেব। তিনি আরও বলেন, কেননা, রাজনীতি আমার জন্য নয়। এতদিন পদত্যাগ না করতে পারলেও আজ করলাম। আমি আওয়ামী লীগের আমলেও অআনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিদায় নিয়েছি। গোলাম রব্বানী জানিয়েছেন, সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকে না। এতদিন আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিতে পারিনি। এখন সুযোগ হয়েছে, তাই রাজনীতি থেকে বিদায় নিলাম। তিনি বলেন, বাকি জীবন আমি কোরআন-সুন্নাহ মোতাবেক চলতে চাই। এ নিয়ে কেউ অহেতুক বিভ্রান্ত হবেন না। আমি যা করেছি, সজ্ঞানে করেছি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ