ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ চমক দেখানো কেপ ভার্দে


নকআউটে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ চমক দেখানো কেপ ভার্দে

কেপ ভার্দে, যাদের জনসংখ্যা পাঁচ লাখেরও কম, প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেয়েছে। ফুটবলের সেরা দলের এই মহাযজ্ঞে অংশগ্রহণ করা দ্বীপরাষ্ট্রটির জন্য একটি বিশাল ঘটনা, বিশেষভাবে যখন তাদের গ্রুপে রয়েছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন এবং উরুগুয়ে, আর গত বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারানো সৌদি আরবও। ফলে, কেপ ভার্দে গ্রুপ পর্বে কত গোল খাবে সেটিই ছিল দেখার বিষয়। কিন্তু বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে এসে তারা চমক সৃষ্টি করেছে। কেপ ভার্দে এখন নকআউট পর্বে প্রবেশ করেছে।

শনিবার (২৭ জুন) হিউস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সৌদি আরবের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে নবাগত কেপ ভার্দে। এই ড্রয়ের মাধ্যমে পশ্চিম আফ্রিকার দলটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তারা টানা তিনটি ড্রয়ের মাধ্যমে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়েকে পিছনে ফেলে শেষ ৩২–এ জায়গা করে নিয়েছে। দিনের অপর ম্যাচে স্পেন ১-০ গোলে উরুগুকে পরাজিত করে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় দিয়েছে।

স্পেন ও উরুগুয়ের বিপরীতে সৌদি আরবের সঙ্গে ড্র করে কেপ ভার্দে ৩ পয়েন্ট অর্জন করেছে, যা যথেষ্ট ছিল ২ পয়েন্ট পাওয়া উরুগুয়েকে টপকাতে এবং বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্থান অর্জন করতে। শেষ ম্যাচে স্পেনের জয় নিশ্চিত হয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি সনিকের ব্যবহার শুরু

গ্রুপ এইচে রানার্স আপ হিসেবে কেপ ভার্দে এখন রাউন্ড অব ৩২–এ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে খেলবে।

অন্যদিকে গ্রুপ জে'তে এখনও একটি রাউন্ড বাকি থাকলেও, গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে গেছে আর্জেন্টিনার। টুর্নামেন্টের সূচি অনুযায়ী, তারা এইচ গ্রুপের রানার্স আপের সঙ্গে মুখোমুখি হবে গ্রুপ জে'র চ্যাম্পিয়ন দলের। সেই হিসেবে অপেক্ষাকৃত সহজ প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দেকে পাচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।

স্পেনের গ্রুপ চাম্পিয়ন হওয়ার পর তাদের প্রতিপক্ষ হতে পারে অস্ট্রিয়া বা আলজেরিয়ার মধ্যে যেকোনো এক দল। আগামীকাল (২৮ জুন) এই দুই দলের মধ্যে লড়াই হবে এবং যারা রানার্স আপ হবে, সেই দলই হবে স্পেনের প্রতিপক্ষ। অন্যদিকে গ্রুপ পর্বে শতভাগ জয় নিশ্চিত করতে আর্জেন্টিনা জর্ডানের মুখোমুখি হবে।

আরও পড়ুন: তৃতীয় টার্মিনাল ঘিরে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে শুরু হলো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ এম


ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু ঘটেছে। রাজধানী ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার মামলায় কারাবন্দি মো. আব্দুল মান্নান (৪২) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মারা গেছেন। তিনি ঢাকার নবাবগঞ্জ থানার বালুখণ্ড গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

শনিবার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, সকালে অসুস্থ অবস্থায় মো. আব্দুল মান্নানকে কারারক্ষী বিপ্লবসহ কয়েকজন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) থেকে সকাল পৌনে ৮টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। চিকিৎসকরা তাকে পরীক্ষা নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করেন।

মো. ফারুক বলেন, নবাবগঞ্জ থানার চলতি বছরের একটি মামলায় কারাবন্দি ছিলেন মান্নান। মামলাটি এখন বিচারাধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০.৭ শতাংশে নিতে চায় এনবিআর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ এম


রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০.৭ শতাংশে নিতে চায় এনবিআর

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দেশের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ১০.৭ শতাংশে উন্নীত করার প্রত্যাশা করছে। সরকার পরিচালিত ‘মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতি ২০২৬-২৭ থেকে ২০২৮-২৯’ শীর্ষক অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় এ প্রক্ষেপণ ও আশাবাদ তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ এবং জরুরি পূর্বশর্ত হচ্ছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতিশীলতা ধরে রাখতে রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি। এ লক্ষ্য অর্জনের লক্ষ্যে আগামী কয়েক বছরে রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ধাপে ধাপে বাড়বে।

অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতিতে দেখা যাচ্ছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট রাজস্ব জিডিপির ৮.৩ শতাংশ থাকলেও সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা কিছুটা কমে ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলাদেশের রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত এখনও সমপর্যায়ের অন্যান্য অর্থনীতির তুলনায় নিম্ন পর্যায়ে রয়েছে।

কর আহরণে কাঠামোগত দুর্বলতা, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কর অব্যাহতি এবং বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে আমদানি-সংশ্লিষ্ট রাজস্ব প্রাপ্তি কমে যাওয়াকে এই সাময়িক হ্রাসের প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

তবে সরকারী প্রক্ষেপণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, মধ্যমেয়াদে এ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে। প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, সামগ্রিক রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১০.২ শতাংশ, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ১০.৫ শতাংশ এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ১০.৭ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।

এনবিআর-এর নিজস্ব কর রাজস্ব আহরণ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপির ৬.৭ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৮.৮ শতাংশ, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৯.১ শতাংশ এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৯.৩ শতাংশে পৌঁছাবে, এ বিষয়ে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে এনবিআর-বহির্ভূত কর রাজস্ব জিডিপির প্রায় শূন্য দশমিক ৩ থেকে শূন্য দশমিক ৪ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মধ্যমেয়াদে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ১০ শতাংশে এবং দীর্ঘমেয়াদে ২০৩৫ সালের মধ্যে তা ১৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া।

মন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় একটি ন্যায্য, প্রযুক্তিনির্ভর, সর্বজনীন ও পূর্বানুমানযোগ্য রাজস্ব কাঠামো গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে। তিনি জানান, সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির পাশাপাশি বিনিয়োগ, উৎপাদন, কর্মসংস্থান, ভোগ এবং কর আদায়ের চক্রকে আরও গতিশীল করতে বদ্ধপরিকর। এজন্য কর ব্যবস্থার পূর্ণ ডিজিটালাইজেশন এবং করদাতাদের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠনের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ রাজস্ব প্রশাসন গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

মধ্যমেয়াদি নীতি বিবৃতি প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ হয়েছে, দেশের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, মূল্যের স্থিতিশীলতা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক সহনশীলতা বজায় রাখতে উপযুক্ত মাত্রার সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি লক্ষ্যভিত্তিক সরবরাহ ব্যবস্থা সংক্রান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে।

অর্থ বিভাগের এই মধ্যমেয়াদি বিশ্লেষণে সামগ্রিক রাজস্ব খাতের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি জানানো হয়েছে, মোট রাজস্বের হিসাবের মধ্যে আন্তর্জাতিক অনুদানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্প বৃদ্ধি বিশ্ববাসীর জন্য সতর্কবার্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:০৬ এম


ভূমিকম্প বৃদ্ধি বিশ্ববাসীর জন্য সতর্কবার্তা

প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে ভূমিকম্প অন্যতম ভয়াবহ একটি ঘটনা। এটি মুহূর্তের মধ্যেই জনপদ ধ্বংস করে দিতে সক্ষম হয়ে উঠে, হাজারো মানুষের জীবনকে বিপন্ন করে তোলে এবং মানবতার অসহায়ত্বকে প্রকট করে তোলে।

ইসলাম ভূমিকম্পকে শুধু একটি প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে নয়, বরং আল্লাহ তাআলার মহাশক্তির নিদর্শন এবং মানুষের জন্য একটি শিক্ষা হিসেবে বিবেচনা করে। মানুষ যত উন্নত প্রযুক্তির মালিকই হোক না কেন, মহান আল্লাহ তাআলার শাস্তির মুখোমুখি হলে তারা অসহায় হয়ে পড়ে। উন্নত দেশগুলোতে ভূমিকম্পের সময় দেখা যায়, তাদের উন্নত দালানকোঠা পর্যন্ত মাটির তলে ধসে যায়। সেই ক্ষেত্রে অসহায় মানুষগুলোর কাছে আল্লাহর দয়া ছাড়া প্রযুক্তির কোনো মূল্য থাকেনা।

মানুষের দুর্বলতা ও অসহায়ত্বের কথা স্মরণ করাতে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘তোমরা কি তোমাদের নিরাপদ মনে করে নিয়েছ যে যিনি আকাশে আছেন, তিনি তোমাদের জমিনে বিধ্বস্ত করে দেবেন না, যখন তা হঠাৎ থরথর করে কাঁপতে থাকবে?’ (সুরা : মুলক, আয়াত : ১৬)। এই আয়াতের মাধ্যমে আমাদের মনে করিয়ে দেওয়া হয় যে পৃথিবীর স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা একেবারে আল্লাহর ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। এগুলো আল্লাহর প্রবল শক্তির নিদর্শন। এই নিদর্শনের মাধ্যমে অতীতে অনেক জাতিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আবার কখনো কখনো শুধুমাত্র সতর্ক করা হয়েছে।

আলোচনা করা যেতে পারে যে মহান আল্লাহ এসব নিদর্শন দিয়ে তাঁর বান্দাদের সতর্ক করে দেন, যাতে তারা নিজেদের পাপের পথ থেকে ফিরে আসে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘মানুষের কৃতকর্মের দরুন স্থলে ও সমুদ্রে ফাসাদ প্রকাশ পায়। যার ফলে আল্লাহ তাদের কতিপয় কৃতকর্মের স্বাদ তাদেরকে আস্বাদন করান, যাতে তারা ফিরে আসে।’ (সুরা : রুম, আয়াত : ৪১)। এই আয়াতের মাধ্যমে বোঝা যায়, প্রাকৃতিক বিপর্যয় কখনো কখনো সতর্ক করার জন্য প্রেরিত হয়, যাতে মানুষ নিজেদের ভুলত্রুটি উপলব্ধি করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে। তবে কোনো নির্দিষ্ট ভূমিকম্প বা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগকে আল্লাহর শাস্তি বলা যায় না।

কিন্তু, কারণ কোনো দুর্যোগ কারো জন্য পরীক্ষা, কারো জন্য সতর্কবার্তা এবং কারো জন্য মর্যাদা বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। এই উদ্দেশ্য কাকে দেওয়া হয়েছে, সেটি একমাত্র আল্লাহই জানেন। তবে ভূমিকম্পের প্রবণতা বাড়তে থাকা হাদিস শরিফে কিয়ামতের পূর্বাভাস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামত কায়েম হবে না, যে পর্যন্ত না ইলম (জ্ঞান) উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। হারজ মানে হলো খুনখারাবি। তোমাদের ধনসম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে উপচে পড়বে।’ (বুখারি, হাদিস : ১০৩৬)

অতএব মুমিনের উচিত, সর্বাবস্থায় আল্লাহর কাছে তাওবা-ইস্তিগফার করা। বিশেষ করে যখন ভূমিকম্প বা অন্য কোনো দুর্যোগ দেখা দেয়, তখন দ্রুত আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করা উচিত। নিজেদের গুনাহ থেকে বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা করা প্রয়োজন। কারণ গুনাহ আল্লাহকে ক্রোধান্বিত করে এবং তাওবা আল্লাহর রহমত লাভে সাহায্য করে। আল্লাহর দয়া ও রহমত ছাড়া মানুষ অসহায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমবাজার ঘিরে যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৯:১০ এম


আমবাজার ঘিরে যেসব এলাকায় ব্যাংক খোলা আজ

রাজশাহী বিভাগের আমবাজার সংলগ্ন ব্যাংকের শাখাগুলো আজ (শনিবার, ২৭ জুন) সীমিত পরিসরে খোলা রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট এন্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে। এতে বলা হয়, চলমান আমের মৌসুমে বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ (শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলা), নওগাঁ (সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলা), রাজশাহী ও নাটোর জেলার বিভিন্ন উপজেলায় গড়ে ওঠেছে স্থায়ীও অস্থায়ী আমের বাজার। এসব বাজার সংলগ্ন তফসিলি ব্যাংকের শাখাগুলোতে নগদ অর্থের পর্যাপ্ত সরবরাহ বা জমা নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থ সংরক্ষণজনিত ঝুঁকি নিরসনের লক্ষ্যে আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত সাপ্তাহিক ছুটির দিন প্রতি শনিবার পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে ব্যাংকের স্বীয় বিবেচনায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকের শাখা বা উপশাখা খোলা রাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ দেয়ার প্রয়োজন রয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%