বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৭ পি.এম
ক্রিকেট মাঠে ব্যাটে বল লেগেছে কিনা, তা নিয়ে আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে অনেক সময় বিতর্ক সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি সেই বিতর্ক কমানোর চেষ্টা করলেও তা সম্পূর্ণভাবে সমাধান করতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেটে নতুন প্রযুক্তি আসছে—সনিক।
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের চলমান সিরিজে প্রথমবারের মতো এই প্রযুক্তিটি ব্যবহার করা হচ্ছে। শব্দ বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যাটে বল লাগার বিষয়টি চিহ্নিত করতে তৃতীয় আম্পায়ারকে সহায়তা করবে সনিক।
নতুন এই প্রযুক্তিটি নিউজিল্যান্ডে তৈরি করা হয়েছে। এর পরীক্ষা ও কার্যকারিতা যাচাই ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সঙ্গে আলোচনা করে এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এ কাজে সহায়তা করেছে।
ভারত ও নিউজিল্যান্ডের টি টোয়েন্টি ম্যাচের পর পাঁচটি ওয়ানডে ও দুটি টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে, এই সিরিজেই প্রথমবারের মতো সনিক ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
কীভাবে কাজ করবে সনিক?
ব্যাটে বল লাগলে যে শব্দ উৎপন্ন হয়, তা বিশ্লেষণ করে সম্ভাব্য সংযোগ শনাক্ত করবে সনিক। বিশেষ করে বল ব্যাটে লেগে উইকেটকিপার বা ফিল্ডারের হাতে যাওয়ার আগে আম্পায়ারের চোখে ধরা না পড়লে, সিদ্ধান্ত পর্যালোচনায় প্রযুক্তিটি কার্যকর হবে।
ডিআরএসের মাধ্যমে কোনো সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার সময় সনিকের বিশ্লেষণ থেকে পাওয়া তথ্য তৃতীয় আম্পায়ার বিবেচনা করতে পারবেন। তবে প্রযুক্তিটি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিকল্প নয়; বরং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাড়তি তথ্য দিয়ে তাকে সহায়তা করবে।
সনিক যুক্ত হচ্ছে ভার্চ্যুয়াল আইয়ের সরবরাহ করা ডিআরএস ব্যবস্থার সঙ্গে। বল ট্র্যাকিং প্রযুক্তির জন্য ২০০৮ সালে আইসিসির স্বীকৃতি পেয়েছে এই প্রতিষ্ঠান।
তবে আপাতত শুধুমাত্র ভারত-নিউজিল্যান্ড সিরিজেই প্রযুক্তিটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে আইসিসি। ভবিষ্যতে অন্য সিরিজে সনিক ব্যবহার করতে নতুন করে আইসিসির অনুমোদন নিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমতলীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইমরান পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে অন্তত ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সকালে বরিশাল–কুয়াকাটা মহাসড়কের আমতলী উপজেলার বান্দ্রা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের উদ্ধার করে আমতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত ৪–৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে চালকের পরিবর্তে বাসটির হেলপার গাড়ি চালাচ্ছিলেন বলে জানতে পেরেছে ফায়ার সার্ভিস। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বুধবার রাতে কুয়াকাটার উদ্দেশে ছেড়ে আসে ইমরান পরিবহনের বাসটি। বৃহস্পতিবার সকালে বাসটি আমতলী উপজেলার বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগের একটি স্টপেজে চালক নেমে যান বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এরপর বাসটি চালাচ্ছিলেন হেলপার। একপর্যায়ে মহাসড়কের একটি বাঁক ঘুরতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।এতে বাসটির বিভিন্ন অংশ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং বেশ কয়েকজন যাত্রী আহত হন।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁরা বাসের ভেতরে আটকে পড়া ও আহত যাত্রীদের উদ্ধার করেন। পরে আহতদের অ্যাম্বুলেন্সসহ প্রয়োজনীয় পরিবহনের মাধ্যমে আমতলী ও কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। গুরুতর আহত কয়েকজনের শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে তাঁদের বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার মো. মাহবুবুর আলম বলেন, সকালে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন। তাঁদের আমতলী ও কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বান্দ্রা বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগের একটি স্টপেজে বাসটির চালক নেমে যান। এরপর হেলপার বাসটি চালাচ্ছিলেন। সড়কের একটি বাঁক ঘুরতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: ইয়াকুব হোসেন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।বাসটির চালক ও হেলপার ঘটনাস্থলে না থাকায় তাঁদের আটক করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমীরে হিযবুল্লাহ আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- নিয়ত বা অন্তরের সংকল্পের ওপরই ইবাদতের আসল মূল্য ও কবুলিয়ত নির্ভর করে। নিয়ত যদি খাঁটি ও একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে না হয়, তবে তা ইবাদতের প্রকৃত শিক্ষা ও রুহানি উপকারিতা প্রদান করতে পারে না।
২১ অক্টোবর, বুধবার নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানাধীন মিরকুন্ডী দারুসসুন্নাত ছালেহীয়া দীনিয়া কমপ্লেক্স ও ডাঃ ইয়াসির হাসান শেখ হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ছারছীনা দরবার শরীফের আলা হযরত পীর সাহেব কেবলার শুভাগমণ উপলক্ষে মিরকুন্ডী কবরস্থান সংলগ্ন ঈদগাহ ময়দানে অত্র গ্রামের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে ইছালে ছওয়াব ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, যেকোনো নেক আমলের প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো ইখলাস বা নিয়তের বিশুদ্ধতা। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, আমলের প্রতিদান নিয়তের ওপর নির্ভরশীল। ইবাদতে যদি লোকদেখানো মনোভাব (রিয়া), দুনিয়াবী নাম-ডাকের ইচ্ছা কিংবা অহংকার প্রবেশ করে, তবে বাহ্যিক কষ্ট স্বীকার সত্ত্বেও সেই ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না। ফলে মানুষ ইবাদতের আসল শিক্ষা অর্থাৎ তাকওয়া, আত্মশুদ্ধি ও চরিত্রগঠন থেকে বঞ্চিত হয়।”
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সময়ে মানুষ আমলের বাহ্যিক রুপের প্রতি যতটা মনোযোগী, অন্তরের বিশুদ্ধতার প্রতি ততটা যত্নবান নয়। হাসাদ (হিংসা), ক্বিবর (অহংকার) ও রিয়া থেকে অন্তরকে মুক্ত না রাখলে ইবাদত কেবল প্রথাগত অনুশীলনে পরিণত হয়, যা ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে না। তাই যেকোনো ভালো কাজ শুরুর পূর্বেই নিয়তকে খাঁটি করে নিতে হবে।”
বাদ আসর থেকে শুরু হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত চলমান মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্চুন্নাত জামেয়ায়ে নেছারীয়া দীনিয়ার নায়েবে মুদীর মাওলানা মোঃ মামুনুল হক, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ।
মাহফিল শেষে সমগ্র মুসলিম উম্মাহর হেদায়েত, ঐক্য এবং দেশ ও জাতির সার্বিক শান্তি-কল্যাণ কামনা করে হযরত পীর ছাহেব কেবলা আভেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পৃথক দুটি বিশেষ অভিযানে চারটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, একটি বিদেশি রিভলবার, ১২ রাউন্ড গুলি ও কার্তুজ এবং অস্ত্র বিক্রির নগদ ৩০ হাজার টাকাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। এ ঘটনায় আরও একজন পলাতক রয়েছেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ও বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে পাবনা সদর, আমিনপুর ও সুজানগর থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের চরঘোষপুর গ্রামের আনসার শেখের ছেলে আলাল শেখ (৫২), আমিনপুর থানার ভাটিকয়া গ্রামের হাশেম কাজীর ছেলে জনি কাজী (২৮), ঢালারচর ইউনিয়নের রামনারায়ণপুর গ্রামের মৃত ঝড়ু মন্ডলের ছেলে জলিল মন্ডল (২৮) এবং একই ইউনিয়নের মিরপুর গ্রামের জসিম মন্ডলের ছেলে বাবলু মন্ডল (২৬)।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৮টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর ইউনিয়নের চরঘোষপুর এলাকায় প্রথম অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় আলাল শেখ ও জনি কাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান, একটি .২২ বোরের আট চেম্বারবিশিষ্ট বিদেশি রিভলবার, ১০ রাউন্ড তাজা গুলি এবং অস্ত্র বিক্রির নগদ ৩০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
অপরদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আমিনপুর থানার ঢালারচর ইউনিয়নের রামনারায়ণপুর ও সুজানগর থানার নাজিরগঞ্জ বাজার এলাকায় দ্বিতীয় অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ অভিযানে জলিল মন্ডল ও বাবলু মন্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে দুটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আরও একজন পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আগেও অস্ত্র আইনে মামলা রয়েছে। পলাতক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার এবং আরও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার চারজনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(এফ)/১৯-এ ধারায় পৃথক নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের শাহপরান থানার খাদিমপাড়া ইউনিয়নের একটি রাবার বাগান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দুটি এয়ারগান। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে। তবে এই ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বুধবার (২১ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে পশ্চিম দলুইপাড়ার ওই রাবার বাগানে অভিযান পরিচালনা করে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম দলুইপাড়ার একটি রাবার বাগানে কয়েকজন মাদকদ্রব্য কেনাবেচার জন্য অবস্থান করছেন—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় বাগানে তল্লাশি চালিয়ে ঝোপঝাড়ের মধ্যে প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো অবস্থায় একটি পুরনো বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দুটি এয়ারগান পাওয়া যায়।
এসআরবি সিলেট-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও গণমাধ্যম কর্মকর্তা কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শাহপরান (রহ.) থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ