প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে লক্ষ্য করে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বড় সামরিক হামলার পরিকল্পনা গভীরভাবে ভাবছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যে হামলার হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) যদি মার্কিন বাহিনী তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে দেয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওসের সাথে কথোপকথনে ট্রাম্প বলেছেন, এখনও পর্যন্ত তেহরান যথেষ্ট মূল্য চোকাতে পারেনি। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আমি আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ হামলার পরিকল্পনার কথা ভাবছি। তিনি আরও জানান, সিদ্ধান্তের খুব কাছাকাছি রয়েছি এবং আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত। ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তের বড় পরিণতি সম্পর্কে অবগত আছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে, তিনি এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি এবং সময়সীমা নির্ধারণ করেও নেই।
ইসরায়েল সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট মন্তব্য করেছেন, যদি আমি বলি তাহলে ইসরায়েল দুই মিনিটের মধ্যে সম্পৃক্ত হয়ে যাবে, যদিও আমাদের কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই। কিন্তু তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে, ইসরায়েল এ হামলায় জড়ালে তাদেরও (ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা) পরিণতির শিকার হতে হবে। ট্রাম্পের দাবি, ইরানি কর্মকর্তারা আলোচনা করতে চাইলেও তারা এখনও কোনো চুক্তিতে আসার জন্য প্রস্তুত নয়।
এদিকে, বৃহস্পতিবার ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানায়, আইআরজিসি যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটিগুলোতে হামলার হুমকি দিয়েছে। তারা স্পষ্টভাবে জানায়, ইরানের মাটিতে হামলার জন্য ব্যবহৃত যেকোনো ঘাঁটি বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ধরা হবে।
আইআরজিসির দাবি, ভারত মহাসাগরে মার্কিন জাহাজগুলোর থেকে ক্রুজ মিসাইলের মজুত কমে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এখন যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটি থেকে ‘বি-১ ল্যান্সার’ যুদ্ধবিমান উড়াচ্ছে। আইআরজিসি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের ঐতিহাসিক এবং সর্বোচ্চ সম্পৃক্ততা সম্পর্কে অভিযোগ তুলেছে এবং সতর্ক করেছে যে, যুক্তরাজ্য যেন তাদের 'অপরাধের খাতা' আরো ভারী না করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন