১১:৫৪ এম
চট্টগ্রাম-৪ আসনে জয়ী প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় সেখানে কি আবার নির্বাচন হবে নাকি দ্বিতীয় অবস্থানের প্রার্থী জয়ী হবেন- এরকম প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় না দেখা পর্যন্ত এর কনসিকোয়েন্স কী হবে তা বলা উচিত নয়। আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, যিনি প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছেন সেই ব্যক্তি একটি আইনি প্রক্রিয়ার কারণে জনগণের মতামত সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হয়নি। আমি আশা রাখি, জনগণ আবার তাদের মতামত প্রকাশ করার জন্য একটি সুযোগ পাবেন।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে তিনি নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, এ রায়ের ফলে আসলাম চৌধুরী যে বৈধ প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন, সেটি আপাত দৃষ্টিতে আর অব্যাহত থাকলো না। আদালত যে সংক্ষিপ্ত আদেশ দিয়েছেন, এর সঙ্গে কিছু কনসিকুয়েন্সিয়াল অর্ডার থাকতে পারে। আদালত বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ রায়ে অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হবে। এখন অপেক্ষা করার ছাড়া কোনো উপায় নেই। আসলাম চৌধুরীর আইনজীবীরা সম্ভবত পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।
আরও পড়ুন: সড়ক-ফুটপাতে হকার বসলেই মামলা ও মালামাল ক্রোক: ডিএসসিসি প্রশাসক
এছাড়া, উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম-৪ আসনে সাংসদ হিসেবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছে আপিল বিভাগ, ফলে তার ফলাফল প্রকাশ সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে আইনজীবীগণ। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির একটি বেঞ্চ, যার নেতৃত্বে ছিলেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী, এই রায় প্রদান করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন