প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে। এই বছর নিয়মিত এবং অনিয়মিত মিলিয়ে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে অংশগ্রহণ করার জন্য ১২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮৬ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছেন। তারা সারা দেশের দুই হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্রে অংশ নেবেন।
বোর্ডভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে রয়েছে। এখানে ৩১০টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিবেন তিন লাখ ৩৯৩ জন। রাজশাহী বোর্ডে ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এক লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ২১২টি কেন্দ্রে এক লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন এবং যশোর বোর্ডে ২৪০টি কেন্দ্রে এক লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবেন।
চট্টগ্রামের ১১৪টি কেন্দ্রে এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন, সিলেটের ৯৬টি কেন্দ্রে ৭১ হাজার ৭১১ জন, কুমিল্লার ১৯৩টি কেন্দ্রে ৯৪ হাজার ৮০২ জন, ময়মনসিংহের ১১১টি কেন্দ্রে ৭৩ হাজার ৩৭ জন এবং বরিশালের ১৪২টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী উপস্থিত থাকবে।
এছাড়া, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছর সারা দেশে ৪৬১টি পরীক্ষা কেন্দ্রে মোট ৯২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেবেন। আর কারিগরি বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এক লাখ সাত হাজার ৯৬৪ জন রয়েছে।
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্র পরিচালনা, প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থীদের প্রবেশ, কক্ষ ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে ডিজিটাল নজরদারি পর্যন্ত সকল বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডগুলি বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করেছে।
পরীক্ষার্থীরা সকাল সাড়ে ৮টায় কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে, তবে পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে সবাইকে নির্ধারিত কক্ষে প্রবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ পরিস্থিতিতে দেরিতে আসা শিক্ষার্থীদের তথ্য রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে প্রবেশের অনুমতি দিতে হবে।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রগুলোতে এবার প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে এবং ক্যামেরার আইডি, পাসওয়ার্ড, ব্র্যান্ড, ডিভাইস সিরিয়াল নম্বর এবং ডিভিআর/এনভিআর সংযোগের তথ্য শিক্ষা বোর্ডে জমা দিতে হবে।
সার্বক্ষণিক ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। কোনো কেন্দ্রে সিসিটিভি অকার্যকর হলে বা নিরাপত্তা ব্যবস্থায় শৈথিল্য ধরা পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রে অপ্রয়োজনীয় উপস্থিতি বন্ধ রাখা, টয়লেট তল্লাশি, প্রশ্ন ও উত্তরপত্র পরিবহনে পুলিশের সম্পৃক্ততা এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র আলাদাভাবে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন