১২:০৩ পি.এম
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আসছে জুলাইয়ে মাদ্রাসাসহ বেতন বঞ্চিত শিক্ষকদের সমস্যার সমাধান হবে। পূর্বের বকেয়াসহ নিয়মিত বেতনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইআইবি) অধিভুক্ত ফাজিল ও কামিল স্তরের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অনন্য শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী মন্তব্য করেন, ইসলামি শিক্ষাকে কোনোভাবেই কোনো দল বা মতের হতে দেবে না সরকার। ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: বরগুনায় নিরাপদ সড়ক দিবসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ৫১ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পরপরই ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাত জন পদত্যাগ করলেন, অথচ অন্য কোথাও এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। খোঁজ নিয়ে দেখা গেল পদত্যাগকারীদের রাজনৈতিক ভিন্ন মতাদর্শ ছিল। যে লক্ষ্যে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে, সেটা করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রয়োজন মেনে ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হলেও বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী মন্তব্য করেন, এ ব্যর্থতা কোনোভাবেই ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেয়া সরকারের নয়।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ১৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে যা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। সরকার গঠনের পর ৫০১ কোটি টাকার প্রয়োজন দেখা গেল, কিন্তু সেটাও নেই। তবে জুলাই থেকে শিক্ষকরা বেতন পাবেন, এই আশ্বাস দেন তিনি।
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৯ কোটি টাকা প্রয়োজন বেতনের জন্য। যেদিক তাকাই সেদিকেই সমস্যা। শিক্ষামন্ত্রী এ কথাও উল্লেখ করেন। আবার কওমি শিক্ষা ব্যবস্থায় তাদের নিজেদের মতবিরোধের কারণে সরকার গুছিয়ে উঠতে পারছে না।
আরও পড়ুন: মণিরামপুরে ইনানীর অগ্নিকাণ্ডে নিহত একই পরিবারের ৪ সদস্যকে দাফন
মন্ত্রী বলেন, এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওর জন্য অনশন করছে। অথচ ৩৫ শতক জমিতে প্রতিষ্ঠান এবং এনটিআরসি থেকে শিক্ষক নিবন্ধনের শর্তে তাদের এমপিও পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে আওয়ামী সরকার ২৩ শতক জমিতে প্রতিষ্ঠান নির্মাণের শর্ত ঠিক করলো। এর পাশাপাশি ব্যানবেইস থেকে যে নম্বর দেয়া হয় সেগুলোর কোনো ইন্সপেকশন নেই। এখন সরকার গঠনের পরে এমন পরিস্থিতিতে আছি আমরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন