ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

“মেঘনার ‘মিনি কক্সবাজারে’ অবৈধ দখলে তোলপাড়”


“মেঘনার ‘মিনি কক্সবাজারে’ অবৈধ দখলে তোলপাড়”

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মিনি কক্সবাজার খ্যাত আলেকজান্ডার মেঘনা তীরে গড়ে উঠেছে বহু অবৈধ স্থাপনা। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে ২০০ গজ হেঁটে গেলেই রয়েছে মেঘনা নদী। নদীর তীর ব্লক দিয়ে বাঁধাই করে সেখানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে জায়গাটি তখন বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়।

সমুদ্র সৈকতের রূপ পাওয়ায় এটি একসময় পরিচিতি পায় মিনি কক্সবাজার হিসেবে।

আরও পড়ুন: দাবি-দাওয়ার টানাপোড়েনে সাজেক, ভুগছে সাধারণ মানুষ

মিনি কক্সবাজারের জায়গাটি মূলত লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার মেঘনাতীর। বেড়াতে আসা হাজারো দর্শনার্থীদের মুখরিত এ জায়গাটিতে একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা। এতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে ঘরতে আসা মানুষদের।

সম্প্রতি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মেঘনা নদীর তীরে নির্মিত বেড়িবাঁধ ঘিরে অবৈধভাবে দোকানপাট নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব দোকানের কারণে দর্শনার্থীদের চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। বেড়িবাঁধের ঢালু অংশ ঘেঁষে অবাধে গড়ে তোলা হয়েছে চটপটি, ফুসকা, চা ও খেলনার অসংখ্য স্থায়ী দোকান।

নদীতীরে চোখে পড়ে বাগানবাড়ী ফুড কর্নার, বিসমিল্লাহ চটপটি অ্যান্ড ফুচকা হাউজ, হিমেল হাওয়া চটপটি অ্যান্ড ফুচকা হাউজ, আলাউদ্দিন চটপটিসহ বিভিন্ন দোকানপাট।

এখানে রয়েছেন চায়ের দোকান, খাবারের হোটেল ও খেলনার দোকানসহ দুই শতাধিক দোকানপাট।

আরও পড়ুন: কাউখালীতে ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’ প্রতিপাদ্যে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত: ইউএনও’র হাত ধোয়ার প্র্যাকটিক্যাল শিক্ষা

দর্শনার্থীরা জানান, তীরে হাঁটাচলার জায়গায় এসব দোকানপাট নির্মাণ করায় তাদের চলাচল মারাত্মক বিঘ্নিত হচ্ছে। চলাচলের জায়গা না থাকায়, নদীর তীর ঘেঁষে ব্লকের ওপর চলাচল করতে হয় তাদের। এর ফলে নদীতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শিশুদের নিয়ে তারা চরম বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতীরবর্তী ও উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও এখানে তা মানা হয়নি। এর পাশাপাশি প্রশাসনের তদারকিও নেই। ফলে দখলবাজরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে, বিনোদন কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ডাস্টবিনের অভাবে দোকানগুলোর বর্জ্য সরাসরি মেঘনা নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে ওই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

দর্শনার্থী ও এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, কক্সবাজার বা নারায়ণগঞ্জের মেঘনাপারের মতো আলেকজান্ডার ‘মিনি কক্সবাজার’ অবৈধ দখলমুক্ত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো প্রয়োজন। স্থানীয়রা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পর্যটন স্পটটির সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়মিত প্রশাসনিক তদারকি ও স্থায়ী উচ্ছেদ অভিযানের দাবি জানিয়ে আসছেন।

আরও পড়ুন: কবি রাধারমণ দত্তের গ্রামে গানবাজনা বন্ধের আবেদন জমা

নাজমুন নাহার নামের এক দর্শনার্থী বলেন, চলাচলের জায়গায় দোকান বসেছে। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এখানে আসা পর আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। ব্লকের ওপর বাচ্চারা ছিটকে পড়লে সোজা মেঘনা নদীতে পড়ে যাবে।

আইরিন সুলতানা নামের আরেক পর্যটক বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো তদারকি নেই। নইলে এই জায়গায় এত দোকান কীভাবে বসবে।’

দর্শনার্থী শরীফ হোসেন বলেন, ‘মানুষের চলাচলের পথ বন্ধ করে দোকান বসানো হয়েছে। এগুলো দেখতে খুব খারাপ লাগছে, পরিবেশ অসুন্দর হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের উচিত এখনি এসব দোকানপাট সরিয়ে দেওয়া।’

দোকানদার আলাউদ্দিন ও জুয়েল হোসেন দুধা বলেন, ‘এখানে একটি চক্র রয়েছে। তাদের ‘ম্যানেজ’ করেই সবাই দোকান নির্মাণ করেছেন। এখন প্রশাসন সরিয়ে দিলে কিছুই করার নেই।’

আরও পড়ুন: মেহেরপুরে নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, ‘দর্শনার্থীদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়, এমন কোনো প্রতিবন্ধকতা নদীতীরে রাখা যাবে না। চলাচলের জায়গায় গড়ে তোলা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হলিউডের অভিনেত্রী ডেভেই চেজ মৃত্যুবরণ করেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


হলিউডের অভিনেত্রী ডেভেই চেজ মৃত্যুবরণ করেছেন

হলিউডের একসময়ের জনপ্রিয় শিশুশিল্পী ডেভেই চেজ মৃত্যুবরণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটেছে। মৃত্যুর পূর্বে তিনি অপুষ্টিজনিত সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বলেও জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, ডেভেই চেজ জনপ্রিয় হরর সিনেমা ‘দ্য রিং’-এ ভয়ংকর চরিত্র সামারা মর্গান চরিত্রে শিশুশিল্পি হিসেবে অভিনয় করে অসাধারণ প্রশংসা অর্জন করেছিলেন। এছাড়াও, ২০০২ সালে ডিজনির অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’-এ লিলো চরিত্রে কণ্ঠ দেয়ার জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন। ডেভেই চেজ খুব অল্প বয়সেই অভিনয় শুরু করেন। মাত্র চার বছর বয়সে তিনি বিজ্ঞাপন ও ভয়েসওভার কাজের মাধ্যমে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেন। সাত বছর বয়সে তিনি প্রথমবার হলিউডে টেলিভিশনে কাজ পান। পরে, তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় টিভি সিরিজে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন, যার মধ্যে ‘সাবরিনা দ্য টিনেজ উইচ’, ‘ইআর’ এবং ‘চার্মড’ উল্লেখযোগ্য।

২০০১ সালে ‘ডনি ডার্কো’ সিনেমায় স্যামান্থা ডার্কো চরিত্রে অভিনয় করার মাধ্যমে ডেভেই চেজ আলোচনায় আসেন। পরবর্তীতে, ২০০২ সালে তিনি ‘দ্য রিং’ সিনেমায় সামারা চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন। একই বছর তিনি ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’-এ লিলো চরিত্রে কণ্ঠ দিয়ে অ্যানিমেশন জগতে বড় সাফল্য অর্জন করেন এবং পুরস্কারও পান।

২০০০-এর দশকে তিনি জনপ্রিয় সিরিজ ‘বিগ লাভ’-এও কাজ করেন। তবে, পরবর্তীতে তিনি ধীরে ধীরে অভিনয় জগৎ থেকে দূরে সরে যান এবং ২০১৫ সালের পর পর্দায় অনিয়মিত হয়ে যান। তার মৃত্যুর সংবাদে হলিউডের অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সুত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

বাংলাদেশে ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

আজকের দিনে রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি) প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী ফল মেলার উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জন্য এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, প্রতিবছর ফল নিয়ে মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, এবং বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে। তিনি এ কথা বলেন যে, মেলা ঘুরলে নিশ্চয় বোঝা যাবে। বিলুপ্ত প্রজাতির দেশীয় ফলসমূহকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। বিদেশি ফলগুলোও আমরা দেশেই উৎপাদন করছি, সেগুলোও মেলায় প্রদর্শিত হয়েছে। বিদেশি ফলের উৎপাদনের কারণে দেশে আমদানি কমেছে। ভবিষ্যতে আর আমদানি করতে হবে না।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আম, আনারস এবং কাঁঠালের রপ্তানি শুরু হয়েছে। এ বছর কাঁঠালের রপ্তানি আরও বৃদ্ধি পাবে। ফলের রপ্তানি বাড়াতে আগামী দিনে আমরা বিদেশেও মেলার আয়োজন করবো।’

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ দেশের ড্রাগন ফলের উৎপাদন সম্পর্কেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে ড্রাগন ফল আমদানি করতে হতো। এখন আমরা স্বপ্ন দেখছি ড্রাগন ফল রপ্তানির। আমাদের দেশের আবহাওয়ার কারণে আমরা এ সাহস পাচ্ছি। কারণ, বাইরের দেশের ড্রাগন এত সুস্বাদু নয়।’

পরে কৃষিমন্ত্রী ফল মেলা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন। কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এতে সভাপতিত্ব করেন।

বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, দেশে ফল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, লিচু, আনারস, ড্রাগন ফলসহ বিভিন্ন ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশের ফলের চাহিদা বাড়ছে।

তিনি বলেন, নিরাপদ এবং মানসম্মত ফল উৎপাদন, আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

মন্ত্রী আরও বলেন, ফল মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কৃষকের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ফলের অপচয় রোধ এবং বছরের প্রতিটি সময় সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সাথে প্রতিটি পরিবারকে ফলের গাছ রোপণে এবং নিয়মিত দেশীয় ফল গ্রহণে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১ জন হাসপাতালে ভর্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৬ পি.এম


দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১ জন হাসপাতালে ভর্তি

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ১০১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

আজ বৃহষ্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ছয়জন এবং খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২০ জন রয়েছেন।

এই সময়ে ১২৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৩৩ জন।

চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৬০০ জন। এর মধ্যে ৬৩ দশমিক ১ শতাংশ পুরুষ ও ৩৬ দশমিক ৯ শতাংশ নারী। এই বছর সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

২০২৪ সালে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“ভারি বৃষ্টিতে আবারও পানিতে তলিয়ে গেল খুলনা শহর”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


“ভারি বৃষ্টিতে আবারও পানিতে তলিয়ে গেল খুলনা শহর”

 

‘শহরে থাকাকালীন আকাশে মেঘ দেখলে এখন মনে ভয় কাজ করে। একটু ভারী বৃষ্টি হলেই রাস্তাগুলো ডুবতে শুরু করে, আর ঘরে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

আমার ফার্নিচার, ইলেকট্রিক জিনিসপত্র সকলই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে আবার ডুবতে হলো।’ এইভাবে নিজের কষ্টের কথা ব্যক্ত করছিলেন খুলনার বাগমারা এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান।

শুধু মোস্তাফিজুর রহমানই নন, খুলনায় যখনই মেঘ দেখা দেয়, আতঙ্কে ভুগছেন রূপসা, মুজগুন্নি, টুটপাড়া, বানিয়াখামার, নিরালা আবাসিক এলাকা, সোনাডাঙা আবাসিক, শিপইয়ার্ড, নতুন বাজারসহ খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানার নিচু এলাকার বাসিন্দারা।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার প্রায় সাড়ে তিনঘন্টার ব্যবধানে মহানগরী খুলনা ফের ডুবেছে। বৃষ্টিতে রয়েল মোড়, শান্তিধাম মোড়, পিটিআই মোড়, পিকচার প্যালেস, সিমেট্রি রোড, স্যার ইকবাল রোড, টিবি বাউন্ডারি রোড, দোলখোলাসহ প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে ইজিবাইক, রিকশা, মাহেন্দ্র, সিএনজি, মোটরসাইকেল বিকল হয়ে গেছে। সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে এই জলাবদ্ধতায় বিপাকে পড়েছেন কর্মজীবী মানুষও।

আকস্মিকভাবে রিকশা, ইজিবাইক ও যানবাহনের ভাড়া কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় হতাশা ও বিপাকে পড়েছেন।

বেসরকারি খুলনা ওয়েদার ফোরকাস্ট টিম (কেডব্লিউএফটি)’র প্রদান করা তথ্য অনুযায়ী, খুলনায় দুই ঘন্টায় ৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের রেকর্ড করা হয়েছে। টিম জানিয়েছে, রেইন গেজেট অনুযায়ী খুলনায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে, যার ফলে নগরীর প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।

খুলনা সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার স্থায়ী উন্নয়নে ৮২৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি মেগা প্রকল্প শেষ হওয়ার পথে রয়েছে।

এই প্রকল্পের অধীনে প্রায় ১৫৮ কিলোমিটার ড্রেন নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে এবং ময়ূর নদসহ গুরুত্বপূর্ণ ১২টি খালের পুনঃখনন ও সংস্কার করার কাজ হবে। চলতি বছরেই প্রকল্পটি শেষ হওয়ার দিন নির্ধারিত রয়েছে। তবে জলাবদ্ধতার কোন পরিবর্তন এখনও ঘটেনি।

খুলনা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার মন্তব্য করেছেন, ‘সামান্য বৃষ্টি হলেই নগরীতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। অথচ জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশন ৮২৩ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। অপরিকল্পিত উন্নয়ন, সমন্বয়হীনতা, নদী-খাল দখলের কারণে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না। তাই মেঘ দেখলে মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার অবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে।’

খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানান, ‘করপোরেশন জলাবদ্ধতা নিরসন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে নিরলস কাজ করছে। বিগত সময়ে ড্রেনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাম্প হাউজ, স্লুইজগেটগুলো কার্যকর নয়। এর জন্য নগরীর পানি নামতে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। প্রতিদিনই রেডিমাটি অপসারণ ও বর্জ্য নিষ্কাশনে কাজ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নগরীর ১৭, ১৮ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ড পরিদর্শন করে এসব কাজের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%