প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশে ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
আজকের দিনে রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি) প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী ফল মেলার উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জন্য এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, প্রতিবছর ফল নিয়ে মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, এবং বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে। তিনি এ কথা বলেন যে, মেলা ঘুরলে নিশ্চয় বোঝা যাবে। বিলুপ্ত প্রজাতির দেশীয় ফলসমূহকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। বিদেশি ফলগুলোও আমরা দেশেই উৎপাদন করছি, সেগুলোও মেলায় প্রদর্শিত হয়েছে। বিদেশি ফলের উৎপাদনের কারণে দেশে আমদানি কমেছে। ভবিষ্যতে আর আমদানি করতে হবে না।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আম, আনারস এবং কাঁঠালের রপ্তানি শুরু হয়েছে। এ বছর কাঁঠালের রপ্তানি আরও বৃদ্ধি পাবে। ফলের রপ্তানি বাড়াতে আগামী দিনে আমরা বিদেশেও মেলার আয়োজন করবো।’
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ দেশের ড্রাগন ফলের উৎপাদন সম্পর্কেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে ড্রাগন ফল আমদানি করতে হতো। এখন আমরা স্বপ্ন দেখছি ড্রাগন ফল রপ্তানির। আমাদের দেশের আবহাওয়ার কারণে আমরা এ সাহস পাচ্ছি। কারণ, বাইরের দেশের ড্রাগন এত সুস্বাদু নয়।’
পরে কৃষিমন্ত্রী ফল মেলা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন। কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এতে সভাপতিত্ব করেন।
বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, দেশে ফল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, লিচু, আনারস, ড্রাগন ফলসহ বিভিন্ন ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশের ফলের চাহিদা বাড়ছে।
তিনি বলেন, নিরাপদ এবং মানসম্মত ফল উৎপাদন, আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
মন্ত্রী আরও বলেন, ফল মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কৃষকের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ফলের অপচয় রোধ এবং বছরের প্রতিটি সময় সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সাথে প্রতিটি পরিবারকে ফলের গাছ রোপণে এবং নিয়মিত দেশীয় ফল গ্রহণে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন