ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪১৯ জন, মামলা ৭১টি


ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪১৯ জন, মামলা ৭১টি

ঢাকা, ৩ আগস্ট, ২০২৬ : রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং একই সময়ে ৭১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আজ সোমবার, ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২৮ জন, লালবাগ বিভাগে ৪৩ জন, ওয়ারী বিভাগে ৪৬ জন, মতিঝিল বিভাগে ৩৯ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৬৬ জন, মিরপুর বিভাগে ৯৬ জন, গুলশান বিভাগে ৪৮ জন, উত্তরায় বিভাগে ৪৪ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন: জামায়াতের আইজিপির ক্রসফায়ার বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ

এসময় তাদের হেফাজত থেকে ২১টি মোবাইল ফোন, ১৪টি ল্যাপটপ, ২৮টি ভিওআইপি মেশিন, ৪৮৪৬টি বিভিন্ন কোম্পানির সিম, বিভিন্ন বৈদ্যতিক সরঞ্জামাদি, ৫২টি ক্যাবল কানেক্টর, ১৬টি ডাটা কানেক্টর মেশিন, ১টি পাওয়ার সাপ্লাই মেশিন, ১টি সিসি ক্যামেরা, ১২টি ল্যাপটপ চার্জার, ২৬ বোতল বিদেশি মদ, ১টি প্রাইভেটকার, নগদ ২ লক্ষ ৯ হাজার ৭০০ টাকা, ১৪ কেজি গাঁজা, ৯১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৩৫০.৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়, যেসব অভিযান চলাকালে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা যায়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাবানলে ওয়াশিংটনে জরুরি অবস্থা, পুড়েছে ৬০০ স্থাপনা নিরাপদ আশ্রয়ে ৬০ হাজার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৫ পি.এম


দাবানলে ওয়াশিংটনে জরুরি অবস্থা, পুড়েছে ৬০০ স্থাপনা নিরাপদ আশ্রয়ে ৬০ হাজার মানুষ

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ দাবানলের ফলে অন্তত ৬০০টি বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনা পুড়ে গেছে। দাবানলের দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে স্পোকেন এলাকার প্রায় ৬০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় গভর্নর বব ফার্গুসন অঙ্গরাজ্যজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শুষ্ক আবহাওয়া এবং প্রবল দমকা হাওয়ার কারণে দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। স্পোকেন, যেটি ওয়াশিংটনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর, সেখানে এবং আশেপাশের এলাকায় আগুনের তাণ্ডবে প্রায় ৮ দশমিক ২ বর্গমাইল (প্রায় ২১ বর্গকিলোমিটার) জায়গা পুড়ে গেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলের অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলোতেও একাধিক দাবানল জ্বলছে, যার নিয়ন্ত্রণে ফেডারেল, অঙ্গরাজ্য এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে কাজ করছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওয়াশিংটনজুড়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩৯০ বর্গমাইল এলাকাতে দাবানল ক্ষতি করেছে। স্পোকেনের দাবানলসহ কয়েকটি আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সরিয়ে নেওয়া মানুষের মধ্যে রয়েছেন স্পোকেন ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স হাসপাতালের রোগীরা।

স্থানীয় ভিডিওচিত্রে দেখা যাচ্ছে, বেশ কয়েকটি ভবন দাউ দাউ করে জ্বলছে, আবাসিক এলাকার ওপর ঘন কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে এবং অনেক বাড়ি পুরোপুরি পুড়ে গিয়ে শুধু চিমনি দাঁড়িয়ে রয়েছে। কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, সামনে কয়েক দিনেরও পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে না। সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন সিনেটর মারিয়া ক্যান্টওয়েল বলেন, "আমরা এখনও বিপদমুক্ত নই। আগামী কয়েক দিন খুবই কঠিন হবে।"

শুধুমাত্র স্পোকেন নয়, পশ্চিম আইডাহো এবং পূর্ব ওরেগনেও আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে, যেখানে টানা দশম দিনের মতো বুলডোজার এবং হেলিকপ্টারের সহায়তায় চেষ্টা চলছে। সেখানে প্রায় ৫২৫ বর্গমাইল (প্রায় ১ হাজার ৩৬০ বর্গকিলোমিটার) তৃণভূমি পুড়ে গেছে। গবাদিপশুর খামারের জন্য পরিচিত ওই অঞ্চলে ৬০০টিরও বেশি বাড়ি এবং প্রায় ৮০০টি স্থাপনা হুমকির মুখে রয়েছে।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, সপ্তাহজুড়ে সেখানে শুষ্ক এবং রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া বজায় থাকবে। বুধবার তাপমাত্রা ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস) অতিক্রম করতে পারে। কর্মকর্তাদের ধারনা, বজ্রপাত থেকেই দাবানলের শুরু হয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ পূর্ব ওয়াশিংটন, পূর্ব ওরেগন, পশ্চিম ও মধ্য আইডাহো এবং পশ্চিম মন্টানায় বায়ুদূষণের জন্য সতর্কতা জারি করেছে। পাশাপাশি উটাহ, মন্টানা এবং পশ্চিম নেব্রাস্কার কিছু এলাকায় দাবানলের উচ্চ ঝুঁকির সতর্কতা এবং অ্যারিজোনা, ক্যালিফোর্নিয়া, নেভাডার দক্ষিণাংশ ও উত্তর মন্টানায় তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বর্তমানে স্পোকেন এলাকায় ওল্ড ট্রেইলস ফায়ার, ফেয়ারভিউ ফায়ার এবং মেডোভিউ ফায়ার—এই তিনটি প্রধান দাবানল সক্রিয় রয়েছে। এরফলে পুরো অঙ্গরাজ্যে বায়ুর গুণগত মান নিয়েও সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে শনিবার গভর্নর বব ফার্গুসন জরুরি অবস্থার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে জাতীয় আবহাওয়া বিভাগ পূর্ব ওয়াশিংটন অঞ্চলের জন্য ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতি’ উল্লেখ করে বিশেষ দাবানল সতর্কতা জারি করেছে।

উচ্ছেদ হওয়া মানুষের জন্য স্পোকেনের প্রধান কনভেনশন সেন্টারে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। স্পোকেন কাউন্টির কমিশনার ক্রিস জর্ডান জানিয়েছেন, তার স্বজনদের বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মধ্যে রয়েছে। তবে এটা আগুনে টিকে আছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার ভাষায়, "তারা গাড়িতে করে এলাকা ছাড়ছিলেন। চারপাশে শুধু ধোঁয়া দেখা যাচ্ছিল। অনেক মানুষের জন্য এটি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ অভিজ্ঞতা।"

এদিকে স্থানীয় বিদ্যুৎ ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাভিস্তা করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিদার রোজেনস্ট্রেটার জানান, রবিবার পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার মানুষ বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিলেন। এর আগে ওই সংখ্যা ৩০ হাজারে পৌঁছেছিল। তিনি বলেন, "দুটি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে। ফলে আগামী কয়েক দিনে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে গেলে নতুন করে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিতে পারে।"

অন্যদিকে স্পোকেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের কম জনবসতিপূর্ণ এলাকাতেও একাধিক বড় দাবানল জ্বলছে। শহর থেকে প্রায় ৮০ মাইল দূরের একটি দাবানলে প্রায় ২১০ বর্গমাইল এলাকা পুড়ে গেছে। পূর্ব ওরেগনের স্টিংকিংওয়াটার পর্বতমালার আরেকটি দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৩৩৬ বর্গমাইল এলাকাও। পশ্চিম আইডাহো এবং পূর্ব ওরেগনের বিগ গ্রাস ফায়ার মোকাবিলায় নিয়োজিত ফেডারেল দলের মুখপাত্র কেইলা ভিজকারা বলেন, "এ মুহূর্তে পুরো উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলই ভয়াবহভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা সংকটে অস্ট্রেলিয়ার ২ কোটি ৫২ লাখ ডলার সহায়তা ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৬ পি.এম


রোহিঙ্গা সংকটে অস্ট্রেলিয়ার ২ কোটি ৫২ লাখ ডলার সহায়তা ঘোষণা

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবনরক্ষাকারী সহায়তা এবং সুরক্ষামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে অস্ট্রেলিয়া সরকার এবং জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ২ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার অনুদানের ঘোষণা করেছে।

আজ সোমবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব, শুল্ক ও বহুসংস্কৃতি সম্পর্কিত সহকারী মন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্পর্কিত সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিলের উপস্থিতিতে এ অনুদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার ২০২৬-২০২৮ মানবিক সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রদত্ত এই গুরুত্বপূর্ণ, নমনীয় এবং বহুবর্ষী অর্থায়ন বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ শরণার্থী জনগোষ্ঠী এবং তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগণের জন্য অপরিহার্য সেবা অব্যাহত রাখতে সহায়তা করবে।

এটি এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন বৈশ্বিক মানবিক সহায়তার অর্থায়ন অনিশ্চয়তা এবং ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এই সময়োপযোগী সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ এবং নির্ভরযোগ্য সহায়তার উৎস হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে ইউএনএইচসিআর এবং এর অংশীদাররা রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে সুরক্ষা কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং দুর্যোগপ্রবণ ও নাজুক পরিবেশে বসবাসরত শরণার্থীদের জন্য দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কার্যক্রমসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবাগুলি চালিয়ে যেতে সক্ষম হবে।

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব, শুল্ক ও বহুসংস্কৃতি এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্পর্কিত সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিল বলেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়া আমাদের অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকটগুলোর মধ্যে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে, যা আমাদের অঞ্চলকে আরো নিরাপদ, স্থিতিশীল এবং সহনশীল করে তুলছে। মিয়ানমার ও বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের মানবিক চাহিদা পূরণে সহায়তা অব্যাহত রাখতে অস্ট্রেলিয়া প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরতে চান, তবে তাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য মিয়ানমারে প্রয়োজনীয় পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। এই সংকটের মূল কারণগুলোর সমাধান ছাড়া তা সম্ভব নয়।’

বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিনিধি জুলিয়েট মুরেকেয়িসোনি বলেন, ‘প্রায় ৯ বছর পর নতুন নতুন মানবিক সংকট সামনে আসায় রোহিঙ্গা সংকটটি বৈশ্বিক মনোযোগ থেকে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ধারাবাহিক সহায়তা একটি শক্তিশালী বার্তা দেয় যে রোহিঙ্গাদের বিশ্ব ভুলে যায়নি। আমি যেসব শরণার্থীর সঙ্গে কথা বলি, প্রত্যেকেই তারা নিরাপদে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার আশা ব্যক্ত করেন, যেখানে তাদের অধিকার ও মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। মিয়ানমারে পূর্ণ নাগরিকত্বের নিশ্চয়তাসহ স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের অনুকূল পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে তাদের প্রতি অবিচল সমর্থন অব্যাহত রাখতে হবে।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল বলেছেন, ‘বাংলাদেশে রোহিঙ্গা এবং তাদের আশ্রয়দাতা জনগণের সহায়তা দিতে অস্ট্রেলিয়া প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইউএনএইচসিআরকে দেওয়া এই সর্বশেষ ২ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলারের সহায়তা নারী, কন্যাশিশু এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের জন্য অত্যাবশ্যক সেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।’

২০১৭ সালে ব্যাপক সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা নিরাপত্তার আশায় বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাস্তুচ্যুত অবস্থায় বসবাস করছেন, যাদের অধিকাংশ কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে অবস্থান করছেন। তাদের বেশিরভাগই দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে প্রায় সম্পূর্ণভাবে মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। দীর্ঘদিনের অর্থায়ন সংকট তাদের ঝুঁকি আরো বাড়িয়ে তুলেছে এবং অনেককে টিকে থাকার জন্য ক্ষতিকর বিকল্পের দিকে ঠেলে দিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে উন্নত জীবনের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রা।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগর পাড়ি দেওয়ার ঝুঁকিপূর্ণ চেষ্টার সময় প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা নিখোঁজ হন বা প্রাণ হারান। রোহিঙ্গা এবং আশ্রয়দাতাদের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার ধারাবাহিক সহায়তা সুরক্ষা ও অপরিহার্য সেবায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার মাধ্যমে নিরাপদ ও টেকসইভাবে সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা জোরদারে সহায়তা করবে।

অর্থায়নের ঘাটতির প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে নারী ও কন্যাশিশু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং বয়স্ক মানুষের ওপর। ২০২৪ সাল থেকে নতুন করে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা পালিয়ে ক্যাম্পে এসেছে। তাদের অনেকেই এখনো পর্যাপ্ত আশ্রয় এবং পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানিসহ মৌলিক সেবার পর্যাপ্ত সুবিধা থেকে বঞ্চিত।

বহু বছর ধরে বাস্তুচ্যুত থাকার কারণে অধিকাংশ রোহিঙ্গা শরণার্থী এখনও প্রায় সম্পূর্ণভাবে আন্তর্জাতিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। তাৎক্ষণিক মানবিক চাহিদা পূরণ জরুরি হলেও, শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণ সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাদের সক্ষমতা বাড়াতে এবং বাস্তুচ্যুতি-পরবর্তী ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হতে সহায়তা করবে।

দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই সমাধান বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সংহতি অব্যাহত রাখা অপরিহার্য। অস্ট্রেলিয়ার এই সহায়তা সেই সংহতিরের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ, যা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদাসহ বসবাস এবং তাদের জরুরি প্রয়োজনীয় সুরক্ষা, সহায়তা ও সুযোগ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওমান উপকূলের কাছে একটি ট্যাংকারের কাছাকাছি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৮ পি.এম


ওমান উপকূলের কাছে একটি ট্যাংকারের কাছাকাছি বিস্ফোরণের শব্দ শোনার দাবি

দুবাই, ৩ আগস্ট, ২০২৬ : ওমান উপকূলের কাছে অবস্থানরত একটি তেলবাহী ট্যাংকারের ক্যাপ্টেন জানিয়েছে যে জাহাজটির কাছাকাছি একটি বিস্ফোরণের শব্দ তিনি শুনেছেন। যুক্তরাজ্যের ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) সেন্টার রোববার এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

ইউকেএমটিও আরো জানায়, জাহাজটি এবং এর নাবিকরা সবাই সম্পূর্ণ নিরাপদে আছেন। উল্লেখ্য, একটি তেলবাহী ট্যাংকারের ক্যাপ্টেনই হলো সর্বোচ্চ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি।

সংস্থাটি এ বিষয়ে জানাচ্ছে যে, ঘটনাটি ওমানের খাসাব শহরের উত্তর-পূর্বের দিকে প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল দূরে ঘটেছে।

ইউকেএমটিও জাহাজগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি, যদি সন্দেহজনক কোনো তৎপরতা দেখা দেয় তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে বলেছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক উদ্যোগের সুযোগ দিতে বড় ধরনের হামলা স্থগিত করার ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইরান রোববার জানায়, হরমুজ প্রণালী দিয়ে নতুন একটি নৌপথ চালুর বিষয়ে তারা ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, প্রণালীটির অপর প্রান্তে থাকা ওমানের সঙ্গে নতুন নৌপথ চালুর বিষয়ে একটি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, এমন কোনো চুক্তি হলেও এর অর্থ এই নয় যে হরমুজ প্রণালী আবারও খুলে দেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্তিনেজকে আর দলে ভেড়াচ্ছে না জুভেন্টাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১৯ পি.এম


মার্তিনেজকে আর দলে ভেড়াচ্ছে না জুভেন্টাস

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে দলে ভেড়ানোর পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে ইতালির ক্লাব জুভেন্টাস।

আর্থিক দিক থেকে অ্যাস্টন ভিলার সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে না পারার কারণে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে তুরিনের ক্লাবটি। এমন তথ্য জানাচ্ছে টিওয়াইসি স্পোর্টস।

ফুটবল বিষয়ক নির্ভরযোগ্য সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানোর তথ্য অনুযায়ী, দুই ক্লাবের মধ্যে আলোচনা হলেও অ্যাস্টন ভিলার চাওয়া ট্রান্সফার ফি দিতে রাজি হয়নি জুভেন্টাস। ফলে, ২০২২ কাতার বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক আপাতত অ্যাস্টন ভিলাতেই থাকছেন।

মার্তিনেজের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুঞ্জন অবশ্য নতুন নয়। ২০২৫ সালের মে মাসে প্রিমিয়ার লিগের শেষ ম্যাচ শেষে মাঠ ছাড়ার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। সেই ঘটনাটি ঘটে যাওয়ার পর থেকেই ক্লাব ছাড়ার জল্পনা শুরু হয়। তবে, সময়ের সঙ্গে বিভিন্ন আলোচনা হলেও এমন কোনো প্রস্তাব আসেনি, যা ক্লাব ও খেলোয়াড়—উভয় পক্ষের কাছেই গ্রহণযোগ্য ছিল।

২০২০ সালে আর্সেনাল থেকে প্রায় ১৭ মিলিয়ন ইউরোতে অ্যাস্টন ভিলায় যোগ দেন মার্তিনেজ। এরপর থেকেই তিনি দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছেন এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে নিজেকে প্রিমিয়ার লিগের সেরা গোলরক্ষকদের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

প্রসঙ্গত, ট্রান্সফার নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন মার্তিনेज। সম্প্রতি তিনি স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছেন। ছুটি শেষে অ্যাস্টন ভিলার প্রাক-মৌসুম অনুশীলনে যোগ দেবেন, যেখানে এখনও তিনিই দলের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%