ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংযুক্ত আরব আমিরাতের উত্তরের সব সৈকত বন্ধ, নেপথ্যে তেলের ছড়ানো


সংযুক্ত আরব আমিরাতের উত্তরের সব সৈকত বন্ধ, নেপথ্যে তেলের ছড়ানো

সংযুক্ত আরব আমিরাতের উত্তরের রাস আল খাইমাহ আমিরাতের সব সৈকত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপটি সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়ার ঘটনার একদিন পর কার্যকর হয়েছে।

আরব নিউজের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিবেশী উম্ম আল কুয়াইন ও শারজাহতে সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়ার কারণে সৈকত বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং রাস আল খাইমাহ কর্তৃপক্ষও একই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

রাস আল খাইমাহ পুলিশের জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সের মাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আমিরাতটির জনসেবা বিভাগ সৈকত বন্ধের ঘোষণা করেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের কারণ সম্পর্কে বিবৃতিতে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হয়নি।

আরও পড়ুন: শামা ওবায়েদের স্পেন ও ইইউর সহযোগিতার প্রশংসা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জামায়াত এমপির হোয়াটসঅ্যাপে সাংবাদিকের কাছে টাকা দাবি, পরে জানা গেল অ্যাকাউন্ট হ্যাকড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


জামায়াত এমপির হোয়াটসঅ্যাপে সাংবাদিকের কাছে টাকা দাবি, পরে জানা গেল অ্যাকাউন্ট হ্যাকড

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য (এমপি) মুজিবুর রহমানের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরটি সম্প্রতি হ্যাকড হয়েছে।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে দলটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপির হোয়াটসঅ্যাপ আইডিটি একটি দুর্বৃত্ত চক্রের দ্বারা হ্যাক করা হয়েছে। এই ঘটনায় তার শুভাকাঙ্ক্ষী ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ওই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার পাশাপাশি সার্বিক বিষয়ে সতর্ক থাকার আহবান জানানো হয়েছে।

এর আগে শনিবার সকালে এক সাংবাদিকের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে মুজিবুর রহমানের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে একটি মেসেজ প্রেরিত হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ‘জরুরি বিকাশে ৩৫ হাজার টাকা দেয়া যাবে এখন আমি রাতে টাকা দিয়ে দিবনি’। পরে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে বিকাশ নম্বর চাওয়ার পর 01878314263 নম্বরে টাকা পাঠাতে বলা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু নিপীড়ন অগ্রহণযোগ্য, হেফাজতে ইসলামের বিবৃতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু নিপীড়ন অগ্রহণযোগ্য, হেফাজতে ইসলামের বিবৃতি

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ জানিয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেকোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন গ্রহণযোগ্য নয়। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিবৃতিতে সংগঠনটি এই বিষয়টি তুলে ধরে।

বিবৃতিতে সংগঠনের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান উল্লেখ করেন, সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কিছু শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগ উঠেছে। তারা বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যে কোনো অনৈতিক আচরণ বা শিশু নিপীড়ন যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি আইন হাতে তুলে নেওয়াও সমর্থনযোগ্য নয়।

তাদের মতে, যে কোনো ঘটনার ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে অত্যন্ত জরুরি।

হেফাজতের দুই শীর্ষ নেতা বিবৃতিতে বলেন, শিশু যৌন নির্যাতনের সমস্যা একটি পুরনো অভ্যন্তরীণ সামাজিক সমস্যা। এটি শুধুমাত্র কোনো একটি কমিউনিটিকেন্দ্রিক সমস্যা নয়। স্কুল, মাদরাসা, এমনকি অন্যান্য পরিসরেও এই সমস্যাটি কম-বেশি বিদ্যমান।

তারা জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সকল ধরনের শিক্ষার্থী নিপীড়ন রোধের লক্ষ্যে চলতি বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ দেশের ছয়টি কওমি মাদরাসা বোর্ড এবং এর আওতাভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় প্রতিটি মাদরাসায় ‘শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি’ গঠন বা সচল করার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষার্থী নিপীড়ন বা অনৈতিক আচরণের যে কোনো অভিযোগ সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মাদরাসা বোর্ডগুলোকে শক্তিশালী মনিটরিং সেল এবং অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন চালু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সতর্কতা হিসেবে জানানো হয়েছে যে, কোনো মাদরাসায় ‘শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি’ না থাকলে, কমিটি নিষ্ক্রিয় থাকলে, অথবা কোনো অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে সেটির অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিল করা হতে পারে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা এবং মানসিক স্বস্তি সর্বদা অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে তারা বলেন, এ ক্ষেত্রে স্কুল ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষকে কঠোর নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে। সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।

হেফাজতের নেতারা সকল স্কুল-মাদরাসাকে সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেকোনো নৈতিক পদস্খলনের জন্য দোষী ব্যক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত উভয় শাস্তি ভোগ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো শিথিলতা বা আপস চলবে না।

শৈশব ও কৈশোরের সুশিক্ষা এবং নিরাপদ বেড়ে ওঠার দায়িত্বে কোনো ছাড় নেই বলে জানিয়েছে হেফাজত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমনে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


পার্বত্য চট্টগ্রামে সন্ত্রাস দমনে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি খেলাফত মজলিসের

খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনা এবং সেনা-পুলিশের ওপর সশস্ত্র হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে খেলাফত মজলিস। একইসঙ্গে, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ এবং সংবিধান সংস্কার বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি করেছে দলটি।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খেলাফত মজলিসের ত্রৈমাসিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে এসব দাবি উত্থাপন করা হয়। বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ। বৈঠকটি পরিচালনা করেন দলের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের।

বৈঠকে নেতারা অভিযোগ করেন, গত কয়েক দিন ধরে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি অঞ্চলের পর্যটনকেন্দ্র সাজেকে প্রায় তিন হাজার পর্যটককে অবরুদ্ধ করে পাহাড়ি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো উত্তেজনা ও সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। পর্যটকদের উদ্ধারে গেলে গত বৃহস্পতিবার সেনাসদস্য ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে সেনাসদস্য ও পুলিশ সদস্যসহ অন্তত নয়জন আহত হন বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে নেতারা পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাস দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবি জানান।

বৈঠকে জ্বালানি তেল, সিলিন্ডার গ্যাস এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। নেতারা অবিলম্বে এসব পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনার দাবি জানান।

সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে নেতারা বলেন, তাদের মতে, বিগত গণভোটে জনগণের সুস্পষ্ট রায় ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে উপেক্ষা করে একতরফাভাবে ‘সংবিধান সংশোধন কমিটি’র মাধ্যমে ১৯৭২ সালের সংবিধান বহাল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তারা অবিলম্বে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সব রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন এবং গণরায় অনুযায়ী সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা বাস্তবায়নের দাবি জানান।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, অধ্যাপক আবদুল্লাহ ফরিদ ও অধ্যাপক সিরাজুল হক। এছাড়া যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, এবিএম সিরাজুল মামুন, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল, ডা. এ এ তাওসিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে পরিকল্পিত সাংস্কৃতিক আগ্রাসন করছে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি : রুহুল কবির রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:৪৭ পি.এম


বাংলাদেশে পরিকল্পিত সাংস্কৃতিক আগ্রাসন করছে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি : রুহুল কবির রিজভী

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশে সূক্ষ্ম ও পরিকল্পিতভাবে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চলছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাম্রাজ্যবাদী শক্তির এই চক্রান্তের মাধ্যমে ভাষার মূল রূপ পরিবর্তনের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু যতই চক্রান্ত হোক, দেশের মানুষের মধ্যে যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধের ক্ষমতা বিদ্যমান।

আজ রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার হলে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক ঐক্যের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতির সংকট : স্বরূপ সন্ধান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্যে পরিকল্পিতভাবে কিছু নতুন শব্দ ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত শব্দগুলোকে বাদ দিয়ে নতুন রূপ চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা সাম্রাজ্যবাদী তৎপরতারই অংশ। তিনি খুন, রক্ত এবং লাশের মতো সুপ্রতিষ্ঠিত শব্দগুলোর পরিবর্তে অন্য শব্দ বসানোর সূক্ষ্ম চেষ্টা লক্ষ্য করছেন।

তিনি বলেন, এই জাতির সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে, ভাষার জন্য রক্ত দেওয়ার ইতিহাসও আছে। তাই যেকোনো সাংস্কৃতিক আগ্রাসন প্রতিহত করার এক অদৃশ্য অভ্যন্তরীণ ক্ষমতা এই জনগণের রক্তে নিহিত।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও জাতীয়তাবাদের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, উনিশ শতকের তথাকথিত ‘বেঙ্গল রেনেসাঁ’ মোটেও পূর্ণাঙ্গ রেনেসাঁ ছিল না। এটি মূলত হিন্দু পুনরুত্থানবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল, যেখানে তৎকালীন সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম কৃষক সমাজের শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের বিষয়টি সম্পূর্ণ উপেক্ষিত ছিল। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার প্রবাহ এবং ৪৭ ও ৭১-এর সংগ্রামের মধ্য দিয়েই এ দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক আত্মপরিচয় বা ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’ গড়ে উঠেছে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, ইতিহাসের প্রতিটি সংকটকালে একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবী ফ্যাসিবাদের প্রতি তোষামোদ করেছেন। অতীতে হিটলারের পেছনে অনেক নামজাদা বুদ্ধিজীবী দাঁড়িয়েছিলেন, আমাদের দেশেও ফ্যাসিবাদের সময়ে তা দেখা গেছে। তারা নিখোঁজ, গুম বা ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলেননি। অথচ দেশপ্রেমিক বুদ্ধিজীবীরা চিরকাল মাটির মানুষের পাশে থাকেন এবং সত্য কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের একত্র হয়ে দেশীয় সংস্কৃতি, জাতীয় পরিচয় ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা করা একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় সংস্কৃতির চর্চা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের স্বাতন্ত্র্য রক্ষার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় অধ্যাপক ড. মাহবুবউল্লাহ।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক ঐক্যের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ, বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক চিত্রনায়ক আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, একুশে পদকপ্রাপ্ত ছড়াকার আবু সালেহ এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আব্দুল লতিফ মাসুম।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত গবেষক ড. মুস্তাফা মজিদ।

এ ছাড়া আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, চিত্রনায়ক হেলাল খান, বরেণ্য সাংবাদিক গাজীউল হাসান খান, সংগীত পরিচালক ইথুন বাবু, মো. আবু হোরায়রা ও পারভীন সুলতানা রাব্বী।

সেমিনারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, লেখক, গবেষক, চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%