০৭:৪৭ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধুমাস জ্যৈষ্ঠের আমেজে দেশীয় ফলের ঘ্রাণ আর আন্তরিক সম্পর্কের উষ্ণতায় মুখর হয়ে উঠেছিল এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি ভৈরব শাখা। ব্যাংক ও গ্রাহকের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে ব্যতিক্রমী আয়োজন হিসেবে শাখাটিতে অনুষ্ঠিত হয় “সামার ফ্রুট ফেস্টিভাল”।
উৎসবে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, ডেওয়া, লটকন ও জামরুলসহ বিভিন্ন মৌসুমি ও দেশীয় ফল দিয়ে আপ্যায়ন করা হয় গ্রাহক, শুভানুধ্যায়ী ও অতিথিদের। দিনব্যাপী আয়োজনে শতাধিক গ্রাহক ও শুভাকাঙ্ক্ষী অংশগ্রহণ করেন।
শাখার অপারেশন ম্যানেজার সাজন খান বলেন, “ব্যাংক কেবল একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি সম্পর্কেরও একটি জায়গা। গ্রাহকদের সঙ্গে পারিবারিক বন্ধনের আবহ তৈরি করতেই এই আয়োজন করা হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া গ্রাহক ফখরুল ইসলাম, ফুরকান মিয়া, সিদ্দিকুর রহমান, তানভীর আহমেদ নাগিব, আহসানুল হক পিন্টু, আরমান হোসেন চঞ্চল ও মেহেদী পারভেজসহ অনেকে বলেন, ব্যাংকে এমন আন্তরিক আতিথেয়তা ও দেশীয় ফলের স্বাদ গ্রহণের সুযোগ তাদের জন্য ছিল এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
ব্যাংকের জিবি কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, ক্যাশ কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি এবং ক্রেডিট কর্মকর্তা এমদাদুল হক জানান, প্রতিদিনের ব্যস্ত ব্যাংকিং কার্যক্রমের মাঝেও গ্রাহকদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ পেয়ে তারা আনন্দিত। তাদের মতে, ব্যবসায়িক সম্পর্কের পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক বন্ধন গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ভৈরব মহিলা কলেজের শিক্ষক শাহ এমএস বাবুল এবং সংস্কৃতিজন খাইরুল ইসলাম সবুজ বলেন, এটি শুধু একটি কর্পোরেট অনুষ্ঠান নয়, বরং সংস্কৃতি ও অর্থনীতির এক সুন্দর মেলবন্ধন। এমন আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ফল ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করার পাশাপাশি সামাজিক মূল্যবোধও জাগ্রত করে।
শাখা ব্যবস্থাপক রকিবুল হাসান সবুজ বলেন, “একটি ব্যাংকের সবচেয়ে বড় শক্তি তার গ্রাহকদের আস্থা। মধুমাসের এই ফল উৎসবের মাধ্যমে সেই আস্থার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার চেষ্টা করেছি। উৎসব শেষে গ্রাহকদের হাসিমুখই আমাদের আগামী দিনের প্রেরণা।”
ব্যতিক্রমী এ আয়োজনের মাধ্যমে এনআরবিসি ব্যাংক ভৈরব শাখা কর্পোরেট পরিবেশে দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরার একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে উপস্থিত অতিথিরা অভিমত ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সোসাইটি অব প্লাস্টিক সার্জনস অব বাংলাদেশের নির্বাচনে সভাপতি পদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন।
শনিবার, ১৩ জুন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারির সোসাইটি কনফারেন্স রুমে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে নাসির-আনোয়ার-ইমরান পরিষদের সভাপতি পদপ্রার্থী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন ৯৭ ভোট পেয়ে জয়যুক্ত হন।
এছাড়া, কোষাধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক ডা. ইমরান চৌধুরী ১০০ ভোট পেয়ে জয়যুক্ত হন। ডা. মোস্তাফা আমিন খান ১৩০ ভোট পেয়ে যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন। ডা. অভিজিত সরকার ৯৬ ভোট পেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ডা. শাওন বিন রহমান ১১১ ভোট পেয়ে দফতর সম্পাদক নির্বাচিত হন।
এছাড়া, প্যানেলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সহ-সভাপতি ডা. সালেক বিন ইসলাম, কার্যকরি সদস্য ডা. ইকবাল আহমেদ এবং ডা. মো. মিসকাতুজ্জামান।
নির্বাচনে মোট ১৯১ জন ভোটারের মধ্যে ১৬৮ জন ভোট দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভোলার বোরহানউদ্দিনে ব্রাজিলের শোভাযাত্রায় অংশ নিতে আসার পথে মো. ইসমাইল নামের এক সমর্থক মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে মারা গেছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হযেছেন সবুজ নামে আরেক পধচারী।
শনিবার বিকেল সোয়া ৫টায় বোনহানউদ্দিন উপজেলার দৌলতখান রাস্তার মাথায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহত ইসমাইল বোরহানউদ্দিন উপজেলার চকঢোষ গ্রামের চোকিদার বাড়ির মো. মাকসুদের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, বোরহানউদ্দিনে বব্রাজিল সমর্থকদের উদ্যোগে বিকেল ৪ টায় আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। ওই শোভাযাত্রায় অংশ নিতে কাচিয়া ইউনিয়নের চকঢোষ থেকে মোটরসাইকেলে বোরহানউদ্দিনের দিকে রওয়ানা দেয় মো. ইসমাইল। দৌলতখান রাস্তার মাথা এলাকায় পৌঁছার পর বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সবুজ নামে এক পথচারীকে চাপা দিয়ে রাস্তার পাশে ডোবায় পড়ে যায়।
স্থানীয়রা দ্রুত ইসমাইলকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সবুজকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর বিষয়টি মেডিকেল অফিসার ডা. রাফসানা নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে, আয়োজকরা শোভাযাত্রাটি সাময়িক স্থগিত করে দিয়েছেন।
বোরহানউদ্দিন থানার এসআই আবু জাফর জানান, তাদের কাছে ঘটনা শুনে হাসপাতালে এসেছেন। তারা খোঁজখবর নিয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। মরদেহ পরিবারের স্বজনেরা বাড়িতে নিয়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শনিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘জিটিভি’ (গাজী টেলিভিশন)-এর ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বক্তব্য দেন।
তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী মন্তব্য করেন যে, বস্তুনিষ্ঠ ও সৎ সাংবাদিকতা দেশের উন্নয়ন এবং অগ্রযাত্রাকে বেগবান করে।
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "জিটিভির ১৫ বছর পূর্তির আনন্দঘন ক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য কেক কাটেন। সেখানকার কর্মকর্তারা, কলাকুশলীরা এবং দর্শকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।"
প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করে জানায়, "সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তবে এই স্বাধীনতার সাথে দায়বদ্ধতাও জড়িয়ে রয়েছে।"
তিনি বলেন, "দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় গণমাধ্যমকে আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।"
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে কোন ধরনের সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতার পাশে থাকার দৃঢ ঘোষণা দিয়েছেন। যারা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা করেন, সরকার সবসময় তাদের পাশে থাকবে। অপসাংবাদিকতা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে দেশের কল্যাণে সাংবাদিকদের নির্ভীক ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিটিভির সাংবাদিক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের সুধীজন।
বক্তারা গত ১৫ বছরে দেশের তথ্য-বিনোদন ও সংবাদ প্রকাশে জিটিভির ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনগুলোতে চ্যানেলটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ