ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশের অগ্রযাত্রাকে বেগবান করে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী


বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশের অগ্রযাত্রাকে বেগবান করে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

শনিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ‘জিটিভি’ (গাজী টেলিভিশন)-এর ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বক্তব্য দেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী মন্তব্য করেন যে, বস্তুনিষ্ঠ ও সৎ সাংবাদিকতা দেশের উন্নয়ন এবং অগ্রযাত্রাকে বেগবান করে।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, "জিটিভির ১৫ বছর পূর্তির আনন্দঘন ক্ষণকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য কেক কাটেন। সেখানকার কর্মকর্তারা, কলাকুশলীরা এবং দর্শকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।"

আরও পড়ুন: জামায়াতের দাবি, আইজিপির বক্তব্য সংবিধান ও আইনের শাসনের পরিপন্থী

প্রতিমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করে জানায়, "সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। তবে এই স্বাধীনতার সাথে দায়বদ্ধতাও জড়িয়ে রয়েছে।"

তিনি বলেন, "দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় গণমাধ্যমকে আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।"

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে কোন ধরনের সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতার পাশে থাকার দৃঢ ঘোষণা দিয়েছেন। যারা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চা করেন, সরকার সবসময় তাদের পাশে থাকবে। অপসাংবাদিকতা ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে দেশের কল্যাণে সাংবাদিকদের নির্ভীক ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জিটিভির সাংবাদিক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের সুধীজন।

আরও পড়ুন: ক্রসফায়ারের চিন্তা পুলিশের ব্যর্থতা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রকাশ: আমীনের উদ্বেগ

বক্তারা গত ১৫ বছরে দেশের তথ্য-বিনোদন ও সংবাদ প্রকাশে জিটিভির ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনগুলোতে চ্যানেলটির উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: ফকির মাহবুব আনাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই গড়বে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: ফকির মাহবুব আনাম

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, আগামী দিনের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়বে প্রযুক্তিদক্ষ তরুণরাই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রোগ্রামিং এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা অতি জরুরি। এই লক্ষ্য অর্জনের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হলো জাতীয় হাই স্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা।

আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্স-এ অনুষ্ঠিত জাতীয় হাই স্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠান প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।

 মন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই সময়ে প্রোগ্রামিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির বিশাল ভূমিকা রয়েছে একটি দেশের উন্নয়নে। তরুণ শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতার মাধ্যমে যে সম্ভাবনার পরিচয় দিয়েছে, তা বাংলাদেশের প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বিশ্ব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগে প্রবেশ করছে এবং মেধাবীদের জন্য বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বিভিন্ন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে আধুনিক প্রযুক্তি, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। তাই, ভবিষ্যতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সফল হতে প্রযুক্তিগত দক্ষতার কোনও বিকল্প নেই।

মন্ত্রী সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করে বলেন, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষাগত দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে সংযুক্তকরণ এবং মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘প্রতিটি উদ্ভাবন একটি ছোট প্রশ্ন থেকে শুরু হয়। তাই প্রশ্ন করতে শিখো, পর্যবেক্ষণ করতে শিখো, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে শিখো এবং ব্যর্থতাকে ভয় না পেয়ে নতুন কিছু উদ্ভাবনের সাহস অর্জন করো।’

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই প্রতিযোগিতা থেকে উঠে আসা শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে প্রযুক্তি উদ্ভাবন, গবেষণা এবং বিশ্বমানের সফটওয়্যার উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের সুনাম বিশ্বদরবারে আরও উজ্জ্বল করবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা বলেন, দেশের তরুণরাই আগামী দিনের প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে বিকশিত করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি শিক্ষার্থীই মূল্যবান অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের তরুণরা প্রোগ্রামিং, রোবটিক্স ও সাইবার সিকিউরিটিতে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছে, যা দেশের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)-এর বাস্তবায়নে আয়োজিত জাতীয় হাই স্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা-২০২৬-এ এ বছর কুইজ ও প্রোগ্রামিং মিলিয়ে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে মোট ১৭ হাজার ৮৩৯ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করে। আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে প্রোগ্রামিং ও কুইজ বিভাগে মোট ৮৩২ জন প্রতিযোগী জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করে।

জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন গ্রুপে বিজয়ীদের মধ্যে ল্যাপটপ, ট্যাবলেট, স্মার্টফোনসহ বিভিন্ন পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি, বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬-এর বিজয়ীদের জন্যও পুরস্কার তুলে দেন মন্ত্রী।

এটি হচ্ছে একটি জমকালো অনুষ্ঠান, যেখানে সভাপতিত্ব করেন এ টি এম জিয়াউল ইসলাম। এছাড়া, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমান এবং বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, বিচারক, শিক্ষক, অভিভাবক এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রতিযোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
‘ঢাকা দক্ষিণে ছাদ কৃষি উৎসাহিত করতে প্রতি বছর প্রথম ১০ জনকে পুরস্কৃত করা হবে’

ঢাকা বাঁচাতে অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে: আবদুস সালাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০০ পি.এম


ঢাকা বাঁচাতে অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে: আবদুস সালাম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ২০২৬-এর উদ্বোধন করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম, যিনি ডিএসসিসির প্রশাসক।

শনিবার গুলিস্তানের শহীদ মতিউর রহমান পার্কে তিনিই বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে একযোগে ডিএসসিসির ১০টি অঞ্চলে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডিএসসিসি এলাকায় ২০২৬ থেকে ২০৩০ পর্যন্ত ৫ বছরের মধ্যে মোট তিন লাখ বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই পরিকল্পনার আওতায় আজ উদ্বোধনী দিনে ডিএসসিসির ১০টি এলাকায় পাঁচশ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, “১৯৭১ সালে আমরা যেভাবে অস্ত্র হাতে শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশ স্বাধীন করেছিলাম, দেশ গড়ার এই দ্বিতীয় পর্যায়ে আমাদের লড়াই জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে এবং ঢাকাকে বাঁচানোর লড়াই।” তিনি আরও বলেন, “ঢাকাকে বাঁচাতে হলে আমাদের অধিক হারে বৃক্ষরোপণ করতে হবে এবং রোপণ করা গাছের সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রশাসক বলেন, “৫ বছরে ২৫ কোটি জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ঘোষণা করায় একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি বৃক্ষরোপণকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।” কারণ, “জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এর বিকল্প কিছুই নেই।”

ঢাকা শহরের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার এবং মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রশাসক বলেন, “কংক্রিটের আধিক্যের কারণে বৃষ্টির পানি মাটির নিচে যেতে পারছে না।” তাই নতুন ভবন নির্মাণের সময় কিছু অংশ কংক্রিটমুক্ত রেখে ঘাস বা দূর্বা রাখার জন্য নগরবাসীকে আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি।

শহরের সবুজায়ন নিশ্চিত করতে ছাদ কৃষকদের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে প্রশাসক জানিয়েছেন যে, “ঢাকায় যারা ছাদ কৃষি করছেন, তাদের উৎসাহিত করতে প্রতি বছর ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রথম ১০ জনকে পুরস্কৃত করা হবে।” বললেন, “পরবর্তীতে ছাদ কৃষকদের হোল্ডিং ট্যাক্স রিবেট (ট্যাক্স ছাড়) দেওয়ার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

অনুষ্ঠানে জানানো হয়েছে যে, ডিএসসিসির জিরো ওয়েস্ট কার্যক্রমের আওতায় ইতিমধ্যে রোড মিডিয়ান ও ট্রাফিক আইল্যান্ডে ১৮ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে। এছাড়া, ওসমানী উদ্যানে একটি কেন্দ্রীয় নার্সারির গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখান থেকে নাগরিকদের গাছ উপহার দেওয়া হবে।

প্রশাসক নগরীর পরিবেশ রক্ষায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যাদের পার্ক বা উন্মুক্ত স্থান ইজারা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোনো বাণিজ্যিক বা অস্থায়ী স্থাপনা রাখা যাবে না।” শর্ত ভঙ্গ করলে লিজ বাতিল করা হবে। এছাড়া, “অবৈধ দখল, লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা এবং হকার নিয়ন্ত্রণে প্রতি শনিবার ১০টি অঞ্চলেই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।” ঢাকাকে একটি সুন্দর, গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন মেগাসিটিতে রূপান্তর করতে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা জরুরি।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাফিনিয়ার সাফল্যের পেছনে যিনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


রাফিনিয়ার সাফল্যের পেছনে যিনি

বিশ্বকাপের মঞ্চে যখন ব্রাজিলের প্রত্যাশা রাফিনিয়ার কাঁধে, তখন তার সাফল্যের মূল অনুপ্রেরণা হিসেবে সাথে আছেন স্ত্রী নাতালিয়া রদ্রিগেজ বেলোলি। মাঠে রাফিনিয়ার দুর্দান্ত গতি ও ক্ষিপ্রতা যখন ভক্তদের হৃদয়ে ঝড় তোলে, তখন তার বাইরের জীবনের স্থিরতা হয়ে পাশে রয়েছেন নাতালিয়া।

তাদের এই প্রেমের গল্প কোনো সাধারণ গল্প নয়, বরং এটি দীর্ঘদিনের এক বন্ধুত্বের ফসল যার ফলে গড়িয়েছে পরিণয়ে। ব্রাজিলের পোর্তো আলেগ্রেতে বেড়ে ওঠা রাফিনিয়া যখন সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে ক্লাবগুলোর মধ্যে পর্তুগাল, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড থেকে বার্সেলোনার মতো স্থানে পৌঁছেছেন, তখন নাতালিয়া সর্বদা তার ছায়ার মতো সঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

২০২১ সালে কানকুনের এক ভ্রমণে তাদের সম্পর্কের সমীকরণ বদলে যায়। সেই বছরেই রাফিনিয়া একটি রোমান্টিক আয়োজনে নাতালিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ২০২২ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং পরের বছর তাদের কোলজুড়ে আসে পুত্র সন্তান গায়েল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় নাতালিয়া একজন প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব এবং মডেল হিসেবে পরিচিত। রাফিনিয়ার মাঠের আগ্রাসী চরিত্রের বিপরীতে, নাতালিয়া তার ‘শান্তির’ পরিচয়ে নিজেদের প্রতি সুবিচার করেন।

নাতালিয়া একবার ব্যক্তিগত রসায়ন নিয়ে লিখেছেন যে, তিনি নিজেই ঝড়ের মতো, আর রাফিনিয়া তার শান্ত আশ্রয়। তিনি বলেছেন যে চিৎকার বা কঠোরতা নয়, বরং ভালোবাসা দিয়ে যে কোনো সমস্যা সমাধান করা সম্ভব, তা তিনি রাফিনিয়ার কাছ থেকেই শিখেছেন।

বার্সেলোনার ম্যাচে গ্যালারিতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত উপস্থিত থাকা নাতালিয়া এখন শুধুমাত্র রাফিনিয়ার স্ত্রী নন, বরং ব্রাজিল দলের অন্যতম বড় সমর্থক এবং অনুপ্রেরণা।

বিশ্বকাপের এই বিশাল কর্মযজ্ঞে রাফিনিয়ার জীবনের এই স্থিতিশীলতা এবং তাদের পারিবারিক বন্ধন ভক্তদের কাছে একটি অনন্য অনুপ্রেরণার নাম হয়ে উঠেছে। এটি মনে করিয়ে দেয় যে ফুটবলারের সাফল্যের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের এক অটুট বিশ্বাস ও ভালোবাসার ভিত্তি।

সূত্র: মার্কা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিলপ্রেমে বিভেদ ভুলে এক কাতারে অপু-বুবলী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ পি.এম


ব্রাজিলপ্রেমে বিভেদ ভুলে এক কাতারে অপু-বুবলী

বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে যখন সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে, তখন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী নিজের অকুণ্ঠ সমর্থনের কথা জানালেন ব্রাজিলের প্রতি। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘ফল যা-ই হোক, তার সমর্থন থাকবে সেলেসাওদের পক্ষেই।’May be an image of text that says 'DDA7II 購 7 IDD FIFA WORLD CUP FIFAWORLDCUP2026" 2026T™ BUBLY 10 BRASIL 10 पमती DEM DEMEPROGRESSO PRO GRESS WORLD CUP HCBE CBF UMA NAÇÃO. UMANAÇÃO.UMSONHO. UM SONHO. BUBLY R FIFA WORLD WORLDCUP CUP 2026'

বুবলী শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে ব্রাজিলের জার্সি পরা একটি পোস্টার শেয়ার করেছেন। হলুদ-সবুজ রঙের সেই জার্সিতে ধরা দেওয়া অভিনেত্রীর ছবিটি প্রকাশের পর ভক্তদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি হয়। ছবির ক্যাপশনে তিনি উল্লেখ করেন, ‘জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল।’

শুধু প্রিয় দলের প্রতি সমর্থন জানানোই নয়, ছোটবেলার ফুটবল আবেগের কথাও স্মরণ করেছেন এই অভিনেত্রী। ব্রাজিলের কিংবদন্তি কয়েকজন ফুটবলারের নাম উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, ‘আহা! সেই ছোট্টবেলার ইমোশন (রোনালদো, কাকা, রবিনহো, রোনালদিনহো)।’

বিশ্বকাপ উপলক্ষে ব্রাজিলের প্রতি সমর্থন জানানো তারকাদের তালিকায় রয়েছেন আরেক ঢাকাই চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসও। তিনি নিজের প্রিয় দল সম্পর্কে বলেন, ‘যারা খেলা বোঝে তারা ব্রাজিল করে। ব্রাজিলের খেলোয়াড়দের খেলায় আলাদা একটা ছন্দ আছে।’মা ব্রাজিল, ছেলে কেন আর্জেন্টিনা | প্রথম আলো

এদিকে, বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে নিজেদের অভিযান শুরু করতে রবিবার (১৪ জুন) ভোর ৪টায় মাঠে নামবে ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে। প্রথম রাউন্ডে দলটির সামনে রয়েছে আরো দুটি ম্যাচ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%