ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনে বাজেটে বরাদ্দের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর


নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনে বাজেটে বরাদ্দের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

অতীতে রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনের জন্য বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেছেন, বিগত ১৭ বছরে আমাদের তৃণমূলের হাজার হাজার নেতাকর্মী, যারা গ্রামের গরিব নেতা হিসেবে নির্যাতিত হয়েছে, তাদের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা প্রয়োজন। এই নেতাকর্মীরা এখনো ছিন্নমূল অবস্থায় রয়েছে এবং তাদের পরিস্থিতি আমাদের ভেবে দেখতে হবে।

রবিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এই কথাগুলি বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। শামা ওবায়েদ আইনের মাধ্যমে বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট কোনো ‘দিবাস্বপ্ন’ নয়। এটি একটি বাস্তবভিত্তিক, জনবান্ধব, অন্তর্ভুক্তিমূলক, এবং প্রগতিশীল বাজেট, যা বর্তমান সরকার সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবে।

শামা ওবায়েদ আরও বলেন, বাজেট শুধুমাত্র আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং এটি সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের প্রতিফলন। তার ভাষায়, এ বাজেট মানবিক, উদ্ভাবনী, অন্তর্ভুক্তিমূলক, প্রগতিশীল, এবং নারীবান্ধব হিসেবে বিবেচিত। এছাড়া, তিনি উল্লেখ করেন, বাজেটে বিনিয়োগকেন্দ্রিক প্রবৃদ্ধি, ওয়ান স্টপ সার্ভিস, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ, এবং যুব ও নারী উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রস্তাবিত বাজেটে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের দর্শন প্রতিফলিত হয়েছে : হুইপ দুলু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


প্রস্তাবিত বাজেটে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের দর্শন প্রতিফলিত হয়েছে : হুইপ দুলু

জাতীয় সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু উল্লেখ করেছেন যে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট কেবল সরকারের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব নয়, বরং এটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন এবং জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার স্পষ্ট দর্শনের প্রতিফলন।

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশগ্রহণ করে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হুইপ বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গৃহীত প্রথম বাজেট দেশের উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য একটি নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে। প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, মালয়েশিয়া ও চীন সফর সফলভাবে সম্পন্ন করার ফলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি এও বলেন, বাজেটের মাধ্যমে সরকারের অর্থনৈতিক দর্শনের প্রতিফলন ঘটে। এবারের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রাষ্ট্রীয় সম্পদের সুষম বণ্টন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সামাজিক অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে সাবেক অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমানের অবদান ছিল ঐতিহাসিক। তিনি ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি, বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থা, বেসরকারি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন। এই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও দেশীয় সম্পদের ওপর নির্ভরশীল একটি শক্তিশালী অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে যে পরিকল্পনার কথা বলেছেন, বর্তমান বাজেট সেটির বাস্তব প্রতিফলন। সরকার জনগণের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও টেকসই উন্নয়নকে সামনে রেখে অর্থনীতি পরিচালনার জন্য কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

হুইপ আরও বলছেন, প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বিদায় হজের বক্তৃতায় বর্ণিত সাম্য, মানবাধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, নারীর মর্যাদা, শ্রমিকের অধিকার, অর্থনৈতিক সুবিচার এবং প্রতিহিংসামুক্ত রাজনীতির আদর্শ অনুসরণের অঙ্গীকার করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এসব মূল্যবোধ বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি মানবিক এবং কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি আশা প্রকাশ করছেন, প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রস্তাবিত বাজেট সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে এবং সরকারের পক্ষ থেকে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সম্প্রসারিত বিশ্বকাপে আফ্রিকার সাফল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০০ পি.এম


সম্প্রসারিত বিশ্বকাপে আফ্রিকার সাফল্য

এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে আফ্রিকান দেশগুলোর জয়জয়কার সকলের নজরে এসেছে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলতে আসা কেপ ভার্ডের থেকে শুরু করে আফ্রিকার প্রতিনিধি হিসাবে অন্যান্য দলগুলোর পারফরমেন্সের প্রশংসা হচ্ছে সর্বত্র।

প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের বর্ধিত কলেবরের এবারের বিশ্বকাপে রেকর্ড ১০টি আফ্রিকান দল অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র তিউনিশিয়া বাদে বাকি ৯টি দলই নক আউট পর্বে উঠে হইচই ফেলে দিয়েছে।

ফেবারিটের তকমা গায়ে বিশ্বকাপে খেলতে আসা স্পেন, ইংল্যান্ড, পর্তুগাল ও ব্রাজিলের মতো দলগুলো গ্রুপ পর্বে আফ্রিকান প্রতিপক্ষের সাথে পেরে উঠেনি।

আলজেরিয়ার তারকা রিয়াদ মাহারেজ বলেছেন, ‘আফ্রিকান ফুটবলের গুনগত মান এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ১০ দলের মধ্যে ৯টি দলই পরের রাউন্ডে যাওয়ার অর্থ অবশ্যই বিশেষ কিছু।’

কেপ ভার্ডের বিশ্বকাপে খেলার স্বপ্ন বাস্তবে রূপ পায় ফিফার ৩২ দলের পরিবর্তে ৪৮ দল নিয়ে টুর্ণামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। সমালোচকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার জন্য রেকর্ড পরিমাণ আয় নিশ্চিত করা।

মাত্র পাঁচ লাখের কিছু বেশি জনসংখ্যার দ্বীপপুঞ্জের দেশ কেপ ভার্ডে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠা ইতিহাসের সবচেয়ে ছোট দেশ। টুর্নামেন্টে নিজেদের অভিষেক ম্যাচেই তারা শক্তিশালী স্পেনকে রোখে দিয়ে ড্র আদায় করে নেয়।

৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে মুহূর্তেই ইন্টারনেট সেনসেশনে পরিণত হন। এর ফল হিসেবে বর্তমানে তার ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখে।

এরপর দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে এবং ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজক সৌদি আরবের বিপক্ষে ড্র করে কেপ ভার্ডে। ফলে তাদের পেছনে ফেলে এই দুই দলই বিদায় নেয়।

গত বিশ্বকাপের তুলনায় এবার আফ্রিকার জন্য বরাদ্দকৃত দলের সংখ্যা দ্বিগুণ করা হয়েছিল। তিন ম্যাচে ১২ গোল হজম করে বিদায় নেওয়া তিউনিসিয়া ছাড়া বাকি আফ্রিকান দলগুলো প্রমাণ করেছে, বিশ্বমঞ্চে আরও বেশি প্রতিনিধিত্ব পাওয়ার যোগ্য তারা।

ডিআর কঙ্গোর কোচ সেবাস্তিয়ান দেসাব্রে বলেন, "আমি ১৫ বছর ধরে আফ্রিকা মহাদেশে কাজ করছি। আমি দেখছি, ফুটবল ফেডারেশনগুলো আরও ভালোভাবে সংগঠিত হচ্ছে, কোচদের মান উন্নত হচ্ছে এবং খেলোয়াড়রাও আরও ভালো হচ্ছে। আফ্রিকার ফুটবল ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, "আমার বিশ্বাস এই অগ্রগতি থামবে না, কারণ এখনও উন্নতির অনেক সুযোগ রয়েছে। আমি মনে করি এবং আশা করি, এ বছর অথবা আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই কোনো আফ্রিকান দল বিশ্বকাপ জিতবে। আমার কাছে এটা শুধু সময়ের অপেক্ষা।"

চার বছর আগে প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা মরক্কো মহাদেশের অন্য দেশগুলোর জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। এবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের বিপক্ষে ১-১ ড্রয়ে দীর্ঘ সময় আধিপত্য দেখিয়েছে ‘এ্যাটলাস লায়ন্স’। শেষ ৩২-এ নেদারল্যান্ডসের মতো কঠিন প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার আগে তারা আত্মবিশ্বাসে ভরপুর।

মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি বলেন, "বিশ্বকাপ জয়ের এই লক্ষ্যকে আমাদের বিশ্বাস করতে হবে। মরক্কো এখন সম্পূর্ণ নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে। খেলোয়াড় ও সমর্থকরা নিজেদের দলের ওপর বিশ্বাস রাখে, আর প্রতিপক্ষরাও আমাদের দলকে সম্মান করে।"

ক্যারিবীয় অঞ্চলের ছোট্ট দ্বীপদেশ কুরাসাও ইকুয়েডরের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে বিশ্বকাপে নিজেদের গৌরবময় মুহূর্ত তৈরি করেছে। তবে শেষ পর্যন্ত কুরাসাও, হাইতি ও পানামা- তিন দলই বিদায় নেয়। সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা বাছাইপর্বে না থাকায় অপেক্ষাকৃত দুর্বল কনকাকাফ অঞ্চলের এই তিন প্রতিনিধি একটি ম্যাচও জিততে পারেনি, এমনকি কোনো পয়েন্টও অর্জন করতে পারেনি।

অন্যদিকে আফ্রিকার উত্থানের বিপরীতে এশিয়ান দলগুলো অংশগ্রহণকারী সংখ্যা বাড়ার যথার্থতা প্রমাণ করতে পারেনি। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) নয়টি প্রতিনিধির মধ্যে কেবল জাপান ও অস্ট্রেলিয়াই নকআউট পর্বে উঠে যেতে পেরেছে।

অভিষেক বিশ্বকাপে জর্ডান ও উজবেকিস্তান কোনো পয়েন্টই অর্জন করতে পারেনি। আর ফ্রান্স, সেনেগাল ও নরওয়ের মতো কঠিন প্রতিপক্ষের গ্রুপে পড়ায় ইরাক তিন ম্যাচে মোট ১২ গোল হজম করেছে।

গোলে ভরা এই বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পে, ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও আর্লিং হালান্ডের মতো তারকারা গোলের দুর্দান্ত দক্ষতা দেখিয়েছেন।

তবে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপে দলের সংখ্যা ৬৪-তে উন্নীত করার আলোচনা চললেও, এবারের টুর্নামেন্টে এমন অনেক প্রমাণও মিলেছে যে দল বাড়ানোর ফলে প্রতিযোগিতার সামগ্রিক মান কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

গ্রুপপর্বে এবার চার বা তার বেশি গোলের ব্যবধানে মোট আটটি ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে, যা আগের তিনটি বিশ্বকাপ মিলেয়ে এমন ম্যাচের সংখ্যার চেয়ে মাত্র একটি কম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহ নগরীতে ২৩৮ কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


ময়মনসিংহ নগরীতে ২৩৮ কেন্দ্রে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

আজ ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) আওতায় জেলায় ২৩৮টি কেন্দ্রে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আজ রোববার, দিনব্যাপী, এইসব কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী ৯ হাজার ৫২২ জন শিশু এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি ৫৮ হাজার ৯৬০ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হচ্ছে।

রোববার সকালে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মসিক-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সুমনা আল মজিদ, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এইচ কে দেবনাথ, নগর পরিকল্পনাবিদ মানস বিশ্বাস সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের (মসিক) প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন জানান, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকায় রেলওয়ে স্টেশন, জেলখানা, এতিমখানা ও বস্তিসহ ৩৩টি ওয়ার্ডের ২৩৮টি কেন্দ্রে ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন চলছে।

এইসব কেন্দ্রে ৩৩ জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধানে ৪৭৬ জন স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের ১৮ কোটি মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের অগ্রাধিকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২৮শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


দেশের ১৮ কোটি মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের অগ্রাধিকার : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, সরকারের কাছে বাংলাদেশের, দেশের ১৮ কোটি মানুষের জীবন এবং স্বাস্থ্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অবহেলা, গাফিলতি কিংবা দায়িত্বহীনতার জন্য একটিও স্থান থাকতে পারে না। আদ্-দ্বীন হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর একটি ঘটনা ঘটার প্রমাণ পাওয়ার পর, এটি মানবিক ভুল এবং চরম অবহেলার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকার হাসপাতালটির লাইসেন্স স্থগিত করেছে এবং ঘটনার জন্য দোষীদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা উপস্থাপন করেন। বাজেট নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি গভীর শোক প্রকাশ করেন আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ঘটানো মর্মান্তিক ঘটনায় নিহত ছয় নবজাতকের পরিবারগুলোর প্রতি। তিনি বলেন, সরকারের দায়িত্ব শুধুমাত্র সমবেদনা জানাতে শেষ হয় না; মানুষের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়াটাও সরকারের কর্তব্য।

মন্ত্রী যোগ করেন, সবার আগে বাংলাদেশ। আমাদের দেশের ১৮ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য এবং মূল্যবোধের দিকে নজর দিতে হবে। আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ঘটনা সাধারণ দুর্ঘটনা নয়, বরং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সময় নবজাতকদের রাখা কক্ষে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) বন্ধ ছিল, অথচ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কক্ষটি সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল, জানালা না থাকায় সেখানে পর্যাপ্ত অক্সিজেন প্রবাহের ব্যবস্থা ছিল না। এ কারণেই শিশুরা কার্বন ডাই-অক্সাইডের কারণে শ্বাসরোধজনিত অবস্থায় মারা গেছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৬-১৭ জন মা আতঙ্কিত হয়ে সাহায্যের জন্য ছুটাছুটি করেছিলেন, কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের দ্রুত সেখানে উপস্থিতি দেখা যায়নি। পরে তিনি নিজেই সেখানে গিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং তারা স্বীকার করেন যে, অক্সিজেনের অভাব এবং অবহেলার কারণে শিশুদের মৃত্যু ঘটেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, 'আমরা কি বসে থাকব? আমরা এর পরে দেশের সব হাসপাতালকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে চাই। মানুষের জীবন নিয়ে অবহেলা বরদাশত করা হবে না।' তিনি উল্লেখ করেন, অনেকে অতীতের হাসপাতাল দুর্ঘটনার উদাহরণ টেনে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ঘটনার সঙ্গে তুলনা করছেন। কিন্তু তিনি বলেন, ইউনাইটেড হাসপাতাল কিংবা বার্ন ইউনিটের দুর্ঘটনা বিদ্যুৎ শিখার অগ্নিকাণ্ডজনিত, অন্যদিকে আদ্-দ্বীনের ঘটনা সম্পূর্ণ মানবিক অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার ফলস্বরূপ।

মন্ত্রী আদ্-দ্বীন হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে দেখতে পান, হাসপাতাল ভবনের ভেতরেই একটি বেকারি পরিচালিত হচ্ছিল। সেখানে প্লাস্টিক বর্জ্যের স্তূপ ছিল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং অগ্নি-নিরাপত্তার চরম ঝুঁকি ছিল। এভাবে আগুন লাগলে কোথাও রোগী, স্বজন বা স্বাস্থ্যকর্মীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হতো না। তিনি অভিযোগ করেন যে, ঘটনার পর হাসপাতালের মালিক ঘটনাস্থলে যাননি। বরং প্রশাসনিক দায়িত্বে পরিবর্তন এনে নিজের স্ত্রীকে প্রধান নির্বাহী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। নিহত শিশুদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের ঘোষণা জানানো হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, 'আমরা মাথা কাটতে বলিনি, আমরা শুধু লাইসেন্স স্থগিত করেছি। তদন্ত চলছে, সরকার সবকিছু নজর রাখবে। তবে এ ঘটনাকে রাজনৈতিক বিষয় বানানো উচিত নয়।' বাজেট প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে মানুষের কল্যাণের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয়েছে। চিকিৎসা সেবা আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে একাধিক যুগান্তকারী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, বাজেটে ‘হেলথ কার্ড’ চালুর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনা হবে। এছাড়াও ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, চিকিৎসা ব্যয় কমাতে ওষুধ উৎপাদনের জন্য কাঁচামালের ওপর শুল্ক কমানো হয়েছে বিশেষ করে অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস (এপিআই)-এর ওপর। ক্যান্সার চিকিৎসা এবং কিডনি ডায়ালাইসিসসহ বিভিন্ন ব্যয়বহুল চিকিৎসা-উপকরণের ওপর কর হ্রাস করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের ‘আউট অব পকেট এক্সপেন্স’ বা চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

মন্ত্রী বলেন, এই বাজেট শুধুমাত্র সংখ্যার বাজেট নয়; এটি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটি গুণগত বাজেট। তিনি আরও বলেন, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে সরকার সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখে। ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিটি শিশুকে একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করা সহায়ক হবে।

সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্য রক্ষার প্রশ্নে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কারণ, জনগণের নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিত করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%