বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৫৩ পি.এম
শ্রীলঙ্কায় ২০১৯ সালের ইস্টার সানডের বোমা হামলার মামলায় আদালত ১৫ জনকে ২০০ থেকে ২৬০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন। মঙ্গলবার এই রায়ে তাদের সব স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। হামলায় ২৭০ জন নিহত এবং ৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে নওফার মৌলভীও রয়েছেন, যাকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এ মামলায় আরো নয়জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। হামলায় অংশগ্রহণকারী সব আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী বিস্ফোরণে নিহত হয়। তদন্তকারীরা পূর্বে এই হামলার জন্য ইসলামপন্থী চরমপন্থীদের দায়ী করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত ২৫ জনই শ্রীলঙ্কার মুসলিম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন হেফাজতে থাকা অবস্থায় মারা যান।
২০১৯ সালের ইস্টার সানডেতে শ্রীলঙ্কার তিনটি গির্জা ও তিনটি বিলাসবহুল হোটেলে একযোগে বোমা হামলা হয়। এটি ২০০৯ সালে গৃহযুদ্ধের সমাপ্তির পর শ্রীলঙ্কার অন্যতম ভয়াবহ হামলা হিসেবে বিবেচিত। নিহতদের মধ্যে ৪৫ জন বিদেশি নাগরিক ছিলেন। ২৩ হাজারের বেশি অভিযোগে অভিযুক্ত আসামিদের জোড়ায় জোড়ায় হাতকড়া পরিয়ে দুটি প্রিজন বাসে করে আদালতে আনা হয়। হামলায় নিহতদের অধিকাংশই শ্রীলঙ্কার নাগরিক ছিলেন, এবং নিহতদের মধ্যে অনেক শিশু ছিল।
নিহতদের মধ্যে শ্রীলঙ্কার জনপ্রিয় শেফ শান্তা মায়াদুন্নে ও তার মেয়ে অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। হামলায় পাঁচ সদস্যের একটি তরুণ পরিবারও প্রাণ হারিয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া হোটেলগুলোর অন্তত আটজন কর্মী এবং নেগোম্বো শহরের একই পরিবারের পাঁচ সদস্যও নিহত হন। নিহত বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ১১ জন ভারতীয়, আটজন ব্রিটিশ এবং পাঁচজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন।
এছাড়া অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, চীন, ডেনমার্ক, জাপান, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও তুরস্কের নাগরিকরাও হামলায় নিহত হন। শাংরি-লা হোটেলে হামলার সময় ডেনিশ ধনকুবের অ্যান্ডার্স হোলচ পভলসেনের তিন সন্তানও প্রাণ হারান। হামলার সময় পরিবারটি শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাচ্ছিল।
‘গোয়েন্দা ব্যর্থতা’ নিয়ে প্রশ্ন
ইস্টার সানডের বোমা হামলার পর শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ ঘটনাটিকে গুরুতর গোয়েন্দা ব্যর্থতা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। দেশটির সংসদে জানানো হয়, হামলার বিষয়ে ভারত থেকে পাওয়া একটি গোপন সতর্কবার্তা যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়নি। ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার সুপ্রিম কোর্ট সাবেক প্রেসিডেন্ট মৈত্রীপালা সিরিসেনাকে হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের কয়েক মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। আদালত জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থতার বিষয়টিও তুলে ধরেন।
গত মাসে হামলার ঘটনায় ফৌজদারি অবহেলার দায়ে দুই সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে শ্রীলঙ্কায় কয়েক দশক ধরে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না হওয়ায় সাধারণত এই সাজা পরে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করা হয়।
ইস্টার সানডের বোমা হামলার শিকারদের ন্যায়বিচারের দাবিতে শ্রীলঙ্কায় কয়েক বছর ধরে নিয়মিত বিক্ষোভ চলছে। নতুন এই রায় এমন সময়ে এসেছে, যখন দেশটির সাবেক গোয়েন্দা প্রধান সুরেশ সাল্লের বিরুদ্ধে পৃথক একটি তদন্ত চলছে। তার বিরুদ্ধে ইসলামপন্থী চরমপন্থীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে বোমা হামলার পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
২০২৩ সালে ব্রিটিশ সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল ৪-এর একটি তথ্যচিত্রে একই ধরনের অভিযোগ তোলা হয়। সেখানে কয়েকজন তথ্য ফাঁসকারীর বক্তব্য তুলে ধরা হয়। তাদের দাবি, শ্রীলঙ্কার রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী রাজাপাকসা পরিবারের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই হামলাগুলো ঘটতে দেওয়া হয়েছিল। তবে ফেব্রুয়ারিতে গ্রেপ্তার হওয়া সুরেশ সাল্লে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসাও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
২০১৯ সালের হামলার কয়েক মাস পর ইসলামপন্থী চরমপন্থার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন। বর্তমানে রাজাপাকসার দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। চলমান তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত সম্ভাব্য গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি আদালতের কাছে আবেদন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : শেয়ারবাজারে কারসাজি, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেছে ঢাকার একটি আদালত।
আজ ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ শাহজাহান কবিরের আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন মামলার তদন্ত সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রতিবেদন দাখিল না করায় বিচারক নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজী ফুয়াদ হাসান, কাজী ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম।
২০২৪ সালের ১৭ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/১২০(বি)/১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আসামিরা নিজেদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিও অ্যাকাউন্টে অবৈধভাবে সিরিজ ট্রানজেকশন, প্রতারণামূলক একটিভ ট্রেডিং, গেম্বলিং ও স্পেকুলেশনের মাধ্যমে শেয়ারবাজারে কৃত্রিমভাবে নির্দিষ্ট কিছু শেয়ারের দাম বাড়িয়ে কারসাজি করেন। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত হয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ হারান। এই পদ্ধতিতে সর্বমোট ২৫৬ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার ৩০৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়, যা ‘অপরাধলব্ধ অর্থ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত।
এর মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত আবুল খায়ের (হিরু) তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসানের সহায়তায় ২৯ কোটি ৯৪ লাখ ৪২ হাজার ১৮৫ টাকার উৎস গোপন করে বিভিন্ন খাতে স্থানান্তর করেন। এছাড়া তার নামে থাকা ১৭টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ৫৪২ কোটি ৩১ লাখ ৫১ হাজার ৯৮২ টাকার অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, আসামি মো. আবুল খায়ের (হিরু)’র শেয়ারবাজারে কারসাজি করা প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স লি., ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স লি. ও সোনালী পেপারস লি.-এর শেয়ারে সাকিব আল হাসান বিনিয়োগ করেন। এতে সাকিব মার্কেট ম্যানুপুলেশনে সরাসরি সহায়তা করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ কোটি ৯৫ লাখ ২ হাজার ৯১৫ টাকা রিয়ালাইজড ক্যাপিটাল গেইনের নামে শেয়ারবাজার থেকে আত্মসাৎ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘মেঘদল’-এর গিটারিস্ট ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার রাশিদ শরীফ শোয়েব বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে ভুগছেন। অসুস্থতার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের বকেয়া পারিশ্রমিক না পাওয়ার কারণে তিনি আর্থিক সংকটে পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসার খরচ চালাতে মায়ের সঞ্চয়পত্র ভেঙে ব্যবহার করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
শোয়েব সম্প্রতি তার ফেসবুক পোস্টে এই বিষয়গুলো তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত সাত দিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ডেঙ্গুর পাশাপাশি তার ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে। নিজের শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘অবস্থা ভয়ানক। জানি না কবে বাসায় যেতে পারবো। দোয়া রাইখেন।’
অসুস্থতার মধ্যেও শোয়েব দীর্ঘদিনের বকেয়া পারিশ্রমিক নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তার দাবি, ২০১১ সালে নিকেতনে মিউজিশিয়ান ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ শুরু করার পর থেকে তিনি নিয়মিতভাবে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। সময়ের সঙ্গে তার কাজের পরিমাণ ও পরিধিও বেড়েছে। তবে সময়মতো পারিশ্রমিক পাওয়ার ক্ষেত্রে তার সরলতার সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন পরিচালক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কাছে তার বকেয়া অর্থ জমতে থাকে।
শোয়েবের দাবি, ২০১২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিজ্ঞাপনচিত্র, টিভিসি, ওভিসি, ওয়েব সিরিজ এবং সিনেমার সাউন্ড ও সংগীতের কাজের পারিশ্রমিক মিলিয়ে তার পাওনা অর্থের পরিমাণ ৫০ লাখ টাকার কম নয়।
বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে শিল্পীদের অসহায় অবস্থার কথাও বলেছেন এই গিটারিস্ট। তিনি আক্ষেপ করে লেখেন, ‘কিছুদিন আগে আমার স্টুডিও আপগ্রেড, এখন আমার চিকিৎসা ব্যয়ের খরচ চালাতে হচ্ছে মায়ের জমানো টাকা দিয়ে। কী বীভৎস বাস্তবতা! এই ইন্ডাস্ট্রি তার ট্যালেন্টদের যে জায়গায় রাখে, এই হচ্ছে তার নমুনা।’
বকেয়া পারিশ্রমিক পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্টদের শোয়েব শেষবারের মতো সময় দিয়েছেন। তবে তিনি পোস্টে এখনই কারও নাম উল্লেখ করেননি। অক্টোবরের শুরু পর্যন্ত সময় দিয়ে তিনি লেখেন, ‘আমি এই পোস্টে এখনই কাউকে মেনশন করছি না। এই মাসটা সময় দিচ্ছি আপনাদের। ধুলো পড়া ফাইলগুলো বের করে হালনাগাদ করে অক্টোবরের শুরুতে স্টুডিওতে চা খেয়ে যান। আর টাকাগুলো সসম্মানে পরিশোধ করে যান।’
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাওনা পরিশোধ না হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন শোয়েব। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আমার দীর্ঘ লেখা পড়ার পরেও যদি আপনাদের টনক না নড়ে, তাহলে আরকি, নিজেদের ইমেজের যে রঙিন লুঙ্গি সেটা ত্যানা বানিয়ে দিব। খোদার কসম! পারলে সামলায়েন।’
উল্লেখ্য, ‘হাওয়া’, ‘স্বপ্নজাল’ ও ‘রইদ’-এর মতো আলোচিত সিনেমার সাউন্ড ও সংগীতের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন রাশিদ শরীফ শোয়েব। তিনি সংগীতচর্চার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেও কাজ করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিরাইয়ে, সুনামগঞ্জের উপজেলা, পৌর ও সরকারি কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন এবং তরুণ সমাজের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট তাহির রায়হান চৌধুরী পাবেল।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের নেতা ও দিরাই উপজেলা বিএনপির ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক মঈন উদ্দিন চৌধুরী মাসুক।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব এবং রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণের উপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস ও একটি কাভার ভ্যান জব্দ করেছে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)। জব্দ করা মালামালের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৫৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজিবি জানায়, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনা করে আসছে বিজিবি। এরই ধারাবাহিকতায় ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ভারতীয় বিভিন্ন ধরনের শাড়ি, থ্রি-পিস ও একটি কাভার ভ্যান জব্দ করা হয়।
জব্দ করা মালামালের মোট মূল্য ১ কোটি ৫৩ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। এসব মালামাল পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় কাস্টমস অফিসে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানের বিস্তার রোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিহত, সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি সর্বদা সজাগ, সতর্ক ও তৎপর রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির এ ধরনের অভিযান ও কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ