ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নোয়াখালীতে পুকুরে পড়ে শিশুর মৃত্যু


নোয়াখালীতে পুকুরে পড়ে শিশুর মৃত্যু

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় পুকুরে পড়ে আরাফাত হোসেন (৫) নামের এক শিশু মারা গেছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেল ৩টার সময় উপজেলার ৩ নম্বর ডমুরুয়া ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামে এটি ঘটে।

নিহত শিশু আরাফাত হোসেন ওই গ্রামের ফরহাদ হোসেনের পুত্র।

আরও পড়ুন: ইমদাদুল হক মিলন উদ্বোধন করলেন সেরাদেশ ওয়েব পোর্টাল

স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, পরিবারের সদস্যদের অগোচরে বাড়ির পাশে পুকুরে পড়ে যায় আরাফাত। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির কাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে পুকুরের পানিতে ভাসতে দেখে পরিবারের লোকজন তাকে পানির মধ্যে থেকে উদ্ধার করে দ্রুত সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।

সেনবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রসুল আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। পরে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে প্রাণ ফিরেছে, গুগল-মেটা-টিকটকের বিনিয়োগ প্রস্তাব: আইসিটি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে প্রাণ ফিরেছে, গুগল-মেটা-টিকটকের বিনিয়োগ প্রস্তাব: আইসিটি মন্ত্রী

গাজীপুর, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে জীবন ফিরেছে। পাশাপাশি গুগল-মেটা ও টিকটকের কাছ থেকেও বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে।

আজ (শনিবার) গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। দেশের প্রথম এই হাই-টেক পার্কে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশের সম্ভাবনা, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির চ্যালেঞ্জ সরেজমিনে দেখতে মন্ত্রী সেখানে যান।

এই পরিদর্শন সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতির একটি অংশ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে আইসিটি খাতে সফটওয়্যার, অ্যাপ ও হার্ডওয়্যার শিল্পে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশীয় পণ্যকে বিশ্ববাজারের জন্য প্রতিযোগিতামূলক করার অঙ্গীকার রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জানান, নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে ‘ন্যাশনাল গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পলিসি’ বাস্তবায়ন ও এআই হাব এবং সফটওয়্যার-অ্যাপ-হার্ডওয়্যার উৎপাদনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের জন্য ফিসকাল ও নন-ফিসকাল প্রণোদনার প্রস্তাবনাও প্রস্তুত করা হচ্ছে।

মাহবুব আনাম স্মরণ করিয়ে দেন, ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর দেশে প্রথম ‘আইসিটি পলিসি-২০০২’ প্রণয়নের ধারাবাহিকতায় ২০০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি কালিয়াকৈরে ২৩১.৬৫ একর জমিতে হাই-টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে ২০১৬ সালে আরও ৯৭.৩৩ একর জমি যুক্ত করা হয়। বর্তমানে পার্কের মোট আয়তন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৭১ একরে।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী আরও বলেন, মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নের পর দেশি ও বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য জমি ও রেডি স্পেস বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সফটওয়্যার, অ্যাপ, হার্ডওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের বিকাশ, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তিনি জানান, কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে এ পর্যন্ত মোট ৮৫টি প্রতিষ্ঠানকে জমি বা স্পেস বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে বিদেশি প্রতিষ্ঠান ৭টি। ইতোমধ্যে ৪০টি প্রতিষ্ঠান ব্যবসা বা উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে, ২৮টি নির্মাণাধীন এবং ১৭টির শিগগিরই নির্মাণকাজ শুরু হবে।

পার্কে মোট বিনিয়োগ প্রস্তাবের পরিমাণ প্রায় ১.৬৩৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এখন পর্যন্ত বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ২৮৩ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা)। আর এই পরিমাণে সরকার মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করেছে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বেশি। ব্যবসায়িক ইকোসিস্টেম যথাযথভাবে গড়ে তোলা গেলে পার্কটি থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলেও মন্ত্রী জানান।

বিদেশি বিনিয়োগ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, চীন, জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ৭টি প্রতিষ্ঠান থেকে মোট প্রায় ৬২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে। ফলে কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্ক কেবল দেশীয় প্রযুক্তি উৎপাদনের কেন্দ্র হিসেবেই নয়, বরং ভবিষ্যতে বিদেশি প্রযুক্তি কোম্পানির উৎপাদন, সংযোজন, গবেষণা-উন্নয়ন ও রপ্তানির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ও হাব হিসেবে গড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে পার্কটিতে ৩টি মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী (অনর, শাওমী ইত্যাদি), ২টি ল্যাপটপ উৎপাদনকারী, ১টি এটিএম ও ক্যাশ রিসাইকেলার মেশিন উৎপাদনকারী, ৬টি ফাইবার অপটিক্যাল কেবল উৎপাদনকারী এবং ৩টি গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান (হুন্দাইসহ) কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এ ছাড়া আইওটি ডিভাইস, রাউটার, সুইচ, সিসিটিভি, এসি, রেফ্রিজারেটর, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন, কিওস্ক ও এটিএম মেশিনসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদিত হচ্ছে।

ডেটা সেন্টার স্থাপনের কাজ করছে ২টি কোম্পানি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি কোম্পানির প্রস্তাবিত এআই ডেটা সেন্টার প্রকল্পে গুগল, মেটা (ফেসবুক) ও টিকটকসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে, যা বর্তমানে নির্মাণাধীন।

বিনিয়োগবান্ধব নীতির প্রণয়নের প্রশ্নে মাহবুব আনাম জানান, হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগ আরও বাড়াতে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক-কর সুবিধা, বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ প্রয়োজনীয় সেবায় ভ্যাট সুবিধা, হাই-টেক পণ্যের তালিকা সম্প্রসারণ এবং ম্যানুফেকশ্চারের পাশাপাশি অ্যাসেম্বলরদেরও সুবিধার আওতায় আনার প্রস্তাব রয়েছে।

একইসঙ্গে স্থানীয় বাজারে পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে কাঁচামালের শুল্ক-কর রেয়াত, স্থিতিশীল আয়কর সুবিধা এবং ইভি ব্যাটারি, সোলার ব্যাটারি, ইউপিএস ব্যাটারি, ই-বাইকের মতো নতুন প্রযুক্তি খাতের জন্য পৃথক প্রণোদনা কাঠামো তৈরির প্রস্তাবও তৈরি করা হচ্ছে।

অবকাঠামোগত সক্ষমতা ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ও পূর্বানুমেয় নীতিগত সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগের গতি আরো বাড়তে পারে। এর মাধ্যমে দেশে প্রযুক্তিপণ্যের স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, আমদানিনির্ভরতা হ্রাস, রপ্তানি সম্প্রসারণ এবং উচ্চ দক্ষতার কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে বলেও তিনি মনে করেন।

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর এই পরিদর্শন দেশের হাই-টেক শিল্পের বর্তমান অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ, উৎপাদন ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের সম্ভাবনাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

এ সময় কালিয়াকৈর হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফজলুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে কালিয়াকৈরে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি, বাংলাদেশ (ইউএফটিবি)-এ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন মন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবা ভাঙ্গার ৫ ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্যে মিলে গেছে ২টি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


বাবা ভাঙ্গার ৫ ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্যে মিলে গেছে ২টি

বাবা ভাঙ্গার ২০২৬ সালকে ঘিরে কথিত ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে আবার শুরু হয়েছে আলোচনা। এই অন্ধ বুলগেরীয় নারীর অনুসারীদের দাবি, চলতি বছরের জন্য তার করা পাঁচটি পূর্বাভাসের মধ্যে দুটি ইতোমধ্যে বাস্তব ঘটনার সঙ্গে মিলে গেছে। অন্যদিকে, বাকি তিনটি পূর্বাভাসের ব্যাপারে চলছে নানা জল্পনা।

যে দুটি ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তার মধ্যে প্রথমটির সম্পর্ক রয়েছে বিশ্বের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের। গত মার্চ মাসে মিয়ানমারে আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের সঙ্গে ভক্তরা একে মিলিয়ে দেখছেন। এই ভূমিকম্পে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। এছাড়া, স্পেন, পর্তুগাল, গ্রিস এবং ইতালির দাবানল ও তাপদাহ, পাশাপাশি এশিয়ার বন্যা ও আমেরিকার ভয়াবহ ঝড়ের ঘটনাকেও তারা এর প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।

কিন্তু সমালোচকদের মতে, এই পূর্বাভাসে কখন এবং কোথায় এসব দুর্যোগ ঘটবে তার কোনও স্পষ্ট বিবরণ ছিল না। কারণ, প্রতি বছরই ভূমিকম্প, বন্যা এবং ঝড় হয়, যা একটি অস্পষ্ট ধারণাকে যেকোনও ঘটনার সঙ্গে মেলানো সহজ করে তোলে।

দ্বিতীয় দাবিটি কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে। ভক্তদের মতে, যন্ত্র মানুষকে ব্যাপকভাবে প্রতিস্থাপন করবে বলেই বার্তা দিয়েছিলেন baba ভাঙ্গা। তবে এআই কয়েক দশক ধরেই বিকশিত হচ্ছে এবং তিনি ঠিক কখন বা কী বলেছিলেন, তার কোনো নির্ভরযোগ্য রেকর্ড নেই।

আরও পড়ুন। ক্যানসারের উচ্চ ঝুঁকিতে ইসরায়েলিরা। নভেম্বরে বিশাল মহাকাশযান ও এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ।

বাকি তিনটি দাবির মধ্যে একটি ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন সম্পর্কিত। কথিত ভবিষ্যদ্বাণীর ব্যাখ্যা ছাড়া, বলা হচ্ছে, বায়ুমণ্ডলে একটি ‘বৃহৎ মহাকাশযান’ প্রবেশ করলেই মানবজাতি এলিয়েনদের মুখোমুখি হবে। আগামী নভেম্বর মাসকে সুনির্দিষ্ট সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এ বিষয়ে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ইউএফও সম্পর্কিত গোপন নথি প্রকাশের পর এসব দাবি নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে। গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) এমন একটি ফাইল প্রকাশ করা হয়েছে। তবে বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা না পাওয়ার অর্থ এই নয় যে সেগুলো ভিনগ্রহের যান, পরে সেগুলো ড্রোন, বেলুন বা আবহাওয়া সংক্রান্ত বিষয় হিসেবেও প্রমাণিত হতে পারে।

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বাভাসের মধ্যে রয়েছে ২০২৬ সালেই শুরু হতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যেখানে চীন তাইওয়ান দখলের চেষ্টা করবে এবং রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা প্রত্যক্ষ যুদ্ধে রূপ নেবে। তবে ৭ আগস্ট পর্যন্ত এর কোনটিই ঘটেনি। তাইওয়ান এখনও স্বায়ত্তশাসিত রয়েছে এবং রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি।

শেষ প্রধান পূর্বাভাসটি রাশিয়ার সাথে সম্পর্কিত। ভক্তদের দাবি, ২০২৬ সালের শেষ হওয়ার আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্ষমতা হারাবেন এবং নতুন একজন নেতা তার স্থলাভিষিক্ত হবেন। পুতিনের সরে দাঁড়ানোর এখনও কোনও প্রকাশ্য ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

অবশেষে, বাবা ভাঙ্গা ১৯১১ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২ বছর বয়সে একটি টর্নেডোর কবলে পড়ে দৃষ্টিশক্তি হারান। তার সমর্থকরা দাবি করেন, ৯/১১ হামলা, চর্নোবিল দুর্যোগ, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু, ২০০৪ সালের সুনামির মতো ঘটনার ভবিষ্যদ্বাণী তিনি করেছিলেন। যদিও তার ৮৫ শতাংশ পূর্বাভাস মিলে যাওয়ার দাবি করা হয়, এর কোনও স্বাধীন সত্যতা মেলেনি।

বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাসের কোনও লিখিত রেকর্ড না থাকায়, বর্তমানের এসব দাবি সত্যিই তার ছিল কি না তা নিশ্চিত করার কোন উপায় নেই। আপাতত ২০২৬ সালের এই দাবিগুলো অবিশ্বস্ত ও অপ্রমাণিত ধারণা হিসাবেই রয়ে গেছে।

সূত্র: উইয়ন নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


চট্টগ্রামে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেল উদ্যোগে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন: বাংলাদেশের বাস্তবতা এবং টেকসই সমাধান’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার, সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের সমন্বয়ক মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এম এ আমিন এবং মোনতাহিনা জান্নাত স্বর্ণা।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের উপদেষ্টা তৌহিদুল ইসলাম।

ড. মাহফুজ পারভেজ বক্তব্যে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভৌগোলিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এখানে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং বাঙালি জনগোষ্ঠী বসবাস করছে। এই অঞ্চলের শান্তি, উন্নয়ন এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য সব জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত করা আবশ্যক।

তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইতিহাস, জনগোষ্ঠীর পরিচয়, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রসঙ্গ নিয়ে গঠনমূলক আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ বলেছেন, ‘উপজাতি’ এবং ‘আদিবাসী’ শব্দ দুটি একই রকমের নয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন-১০৭ ও ১৬৯-এ উপজাতি ও আদিবাসী জনগণের জন্য পৃথক সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি এভাবেও বলেন, ১৯৯৭ সালের চুক্তির কারণে পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি জনগণ শিক্ষা, চাকরি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মারাত্মক বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। তাই টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য চুক্তির বিভিন্ন দিক পুনর্মূল্যায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে।

সেমিনারে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিরা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তথ্যভিত্তিক গবেষণা, দায়িত্বশীল আলোচনা এবং সব জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বার্থকে বিবেচনায় নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএসসি পরীক্ষার ফল জানতে এসএমএসে যুক্ত হলো নতুন নম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২২ পি.এম


এসএসসি পরীক্ষার ফল জানতে এসএমএসে যুক্ত হলো নতুন নম্বর

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে আগামী সোমবার (১০ আগস্ট)। এবার মোবাইল ফোনের মেসেজের মাধ্যমে এই ফল জানার জন্য আগে থেকে চালু থাকা ১৬২২২ নম্বরের পাশাপাশি নতুন একটি নম্বর যুক্ত করা হয়েছে। এই নতুন নম্বর হলো— ১৬১৪০।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এসএমএসের শিক্ষার্থীরা ফল দেখতে পারবেন। মোবাইলে ফল দেখার জন্য শিক্ষার্থীদের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> পরীক্ষার বছর লিখে ১৬২২২ অথবা ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ, SSC DHA 113456 2026 লিখে পাঠাতে হবে 16222 অথবা 16140 নম্বরে।

এছাড়া, শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ বোর্ডের ফল সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেখতে পারবে। এ ছাড়াও দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট eduboardresult.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd থেকেও ফলাফল জানা যাবে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল, তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর শিক্ষা বোর্ডগুলো এবার এসএসসির ফল প্রকাশ করতে চলেছে।

এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%