ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাবা ভাঙ্গার ৫ ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্যে মিলে গেছে ২টি


বাবা ভাঙ্গার ৫ ভবিষ্যদ্বাণীর মধ্যে মিলে গেছে ২টি

বাবা ভাঙ্গার ২০২৬ সালকে ঘিরে কথিত ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে আবার শুরু হয়েছে আলোচনা। এই অন্ধ বুলগেরীয় নারীর অনুসারীদের দাবি, চলতি বছরের জন্য তার করা পাঁচটি পূর্বাভাসের মধ্যে দুটি ইতোমধ্যে বাস্তব ঘটনার সঙ্গে মিলে গেছে। অন্যদিকে, বাকি তিনটি পূর্বাভাসের ব্যাপারে চলছে নানা জল্পনা।

যে দুটি ভবিষ্যদ্বাণী সত্যি হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তার মধ্যে প্রথমটির সম্পর্ক রয়েছে বিশ্বের ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের। গত মার্চ মাসে মিয়ানমারে আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পের সঙ্গে ভক্তরা একে মিলিয়ে দেখছেন। এই ভূমিকম্পে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। এছাড়া, স্পেন, পর্তুগাল, গ্রিস এবং ইতালির দাবানল ও তাপদাহ, পাশাপাশি এশিয়ার বন্যা ও আমেরিকার ভয়াবহ ঝড়ের ঘটনাকেও তারা এর প্রমাণ হিসেবে দেখছেন।

কিন্তু সমালোচকদের মতে, এই পূর্বাভাসে কখন এবং কোথায় এসব দুর্যোগ ঘটবে তার কোনও স্পষ্ট বিবরণ ছিল না। কারণ, প্রতি বছরই ভূমিকম্প, বন্যা এবং ঝড় হয়, যা একটি অস্পষ্ট ধারণাকে যেকোনও ঘটনার সঙ্গে মেলানো সহজ করে তোলে।

আরও পড়ুন: কানাডায় অভিবাসন জালিয়াতির অভিযোগে পাঁচ বাংলাদেশির বিরুদ্ধে মামলা

দ্বিতীয় দাবিটি কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে। ভক্তদের মতে, যন্ত্র মানুষকে ব্যাপকভাবে প্রতিস্থাপন করবে বলেই বার্তা দিয়েছিলেন baba ভাঙ্গা। তবে এআই কয়েক দশক ধরেই বিকশিত হচ্ছে এবং তিনি ঠিক কখন বা কী বলেছিলেন, তার কোনো নির্ভরযোগ্য রেকর্ড নেই।

আরও পড়ুন। ক্যানসারের উচ্চ ঝুঁকিতে ইসরায়েলিরা। নভেম্বরে বিশাল মহাকাশযান ও এলিয়েনদের সঙ্গে যোগাযোগ।

বাকি তিনটি দাবির মধ্যে একটি ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন সম্পর্কিত। কথিত ভবিষ্যদ্বাণীর ব্যাখ্যা ছাড়া, বলা হচ্ছে, বায়ুমণ্ডলে একটি ‘বৃহৎ মহাকাশযান’ প্রবেশ করলেই মানবজাতি এলিয়েনদের মুখোমুখি হবে। আগামী নভেম্বর মাসকে সুনির্দিষ্ট সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এ বিষয়ে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে ইউএফও সম্পর্কিত গোপন নথি প্রকাশের পর এসব দাবি নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে। গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) এমন একটি ফাইল প্রকাশ করা হয়েছে। তবে বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা না পাওয়ার অর্থ এই নয় যে সেগুলো ভিনগ্রহের যান, পরে সেগুলো ড্রোন, বেলুন বা আবহাওয়া সংক্রান্ত বিষয় হিসেবেও প্রমাণিত হতে পারে।

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বাভাসের মধ্যে রয়েছে ২০২৬ সালেই শুরু হতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, যেখানে চীন তাইওয়ান দখলের চেষ্টা করবে এবং রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা প্রত্যক্ষ যুদ্ধে রূপ নেবে। তবে ৭ আগস্ট পর্যন্ত এর কোনটিই ঘটেনি। তাইওয়ান এখনও স্বায়ত্তশাসিত রয়েছে এবং রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি।

আরও পড়ুন: জার্মান ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কফলার আগামীকাল ঢাকায় আসছেন

শেষ প্রধান পূর্বাভাসটি রাশিয়ার সাথে সম্পর্কিত। ভক্তদের দাবি, ২০২৬ সালের শেষ হওয়ার আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্ষমতা হারাবেন এবং নতুন একজন নেতা তার স্থলাভিষিক্ত হবেন। পুতিনের সরে দাঁড়ানোর এখনও কোনও প্রকাশ্য ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

অবশেষে, বাবা ভাঙ্গা ১৯১১ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১২ বছর বয়সে একটি টর্নেডোর কবলে পড়ে দৃষ্টিশক্তি হারান। তার সমর্থকরা দাবি করেন, ৯/১১ হামলা, চর্নোবিল দুর্যোগ, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু, ২০০৪ সালের সুনামির মতো ঘটনার ভবিষ্যদ্বাণী তিনি করেছিলেন। যদিও তার ৮৫ শতাংশ পূর্বাভাস মিলে যাওয়ার দাবি করা হয়, এর কোনও স্বাধীন সত্যতা মেলেনি।

বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাসের কোনও লিখিত রেকর্ড না থাকায়, বর্তমানের এসব দাবি সত্যিই তার ছিল কি না তা নিশ্চিত করার কোন উপায় নেই। আপাতত ২০২৬ সালের এই দাবিগুলো অবিশ্বস্ত ও অপ্রমাণিত ধারণা হিসাবেই রয়ে গেছে।

সূত্র: উইয়ন নিউজ

আরও পড়ুন: ঢাকা সাংবাদিক সমবায় সমিতির নির্বাচনে রানা-বারী পরিষদের পূর্ণ প্যানেলের জয়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


চট্টগ্রামে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম, ৮ আগস্ট, ২০২৬ : পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেল উদ্যোগে ‘নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক আইন: বাংলাদেশের বাস্তবতা এবং টেকসই সমাধান’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শনিবার, সকাল ১০টায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের সমন্বয়ক মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এম এ আমিন এবং মোনতাহিনা জান্নাত স্বর্ণা।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৈয়ব চৌধুরী। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পাঠশালা সিএইচটি রিসার্চ সেলের উপদেষ্টা তৌহিদুল ইসলাম।

ড. মাহফুজ পারভেজ বক্তব্যে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভৌগোলিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। এখানে বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং বাঙালি জনগোষ্ঠী বসবাস করছে। এই অঞ্চলের শান্তি, উন্নয়ন এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার জন্য সব জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত করা আবশ্যক।

তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের ইতিহাস, জনগোষ্ঠীর পরিচয়, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রসঙ্গ নিয়ে গঠনমূলক আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ কাউছার উল্লাহ বলেছেন, ‘উপজাতি’ এবং ‘আদিবাসী’ শব্দ দুটি একই রকমের নয়। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) কনভেনশন-১০৭ ও ১৬৯-এ উপজাতি ও আদিবাসী জনগণের জন্য পৃথক সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি এভাবেও বলেন, ১৯৯৭ সালের চুক্তির কারণে পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি জনগণ শিক্ষা, চাকরি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মারাত্মক বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। তাই টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য চুক্তির বিভিন্ন দিক পুনর্মূল্যায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে।

সেমিনারে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার প্রতিনিধিরা, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে তথ্যভিত্তিক গবেষণা, দায়িত্বশীল আলোচনা এবং সব জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বার্থকে বিবেচনায় নেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএসসি পরীক্ষার ফল জানতে এসএমএসে যুক্ত হলো নতুন নম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২২ পি.এম


এসএসসি পরীক্ষার ফল জানতে এসএমএসে যুক্ত হলো নতুন নম্বর

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে আগামী সোমবার (১০ আগস্ট)। এবার মোবাইল ফোনের মেসেজের মাধ্যমে এই ফল জানার জন্য আগে থেকে চালু থাকা ১৬২২২ নম্বরের পাশাপাশি নতুন একটি নম্বর যুক্ত করা হয়েছে। এই নতুন নম্বর হলো— ১৬১৪০।

শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ১০টায় ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এসএমএসের শিক্ষার্থীরা ফল দেখতে পারবেন। মোবাইলে ফল দেখার জন্য শিক্ষার্থীদের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC <স্পেস> বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> পরীক্ষার বছর লিখে ১৬২২২ অথবা ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।

উদাহরণস্বরূপ, SSC DHA 113456 2026 লিখে পাঠাতে হবে 16222 অথবা 16140 নম্বরে।

এছাড়া, শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ বোর্ডের ফল সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে দেখতে পারবে। এ ছাড়াও দুটি অভিন্ন ওয়েবসাইট eduboardresult.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd থেকেও ফলাফল জানা যাবে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল সাধারণত লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল, তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর শিক্ষা বোর্ডগুলো এবার এসএসসির ফল প্রকাশ করতে চলেছে।

এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছে। এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে এসএসসিতে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যে পরাশক্তি হওয়ার সক্ষমতা ইসরায়েলের নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩১ পি.এম


মধ্যপ্রাচ্যে পরাশক্তি হওয়ার সক্ষমতা ইসরায়েলের নেই

গাজার, লেবাননের, সিরিয়ার এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের বিরুদ্ধে একের পর এক কথিত কৌশলগত বিজয় অর্জন করলেও, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল তার কাঙ্ক্ষিত নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। বিখ্যাত দার্শনিক আন্তোনিও গ্রামসির তত্ত্বের আলোকে বিচার করলে দেখা যায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ এবং বলপ্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করার ক্ষমতাকে আধিপত্য বলা হলেও, তা কখনোই প্রকৃত নেতৃত্ব বা সম্মতিভিত্তিক দীর্ঘস্থায়ী কতৃত্ব তৈরি করতে সক্ষম নয়। সামরিক শক্তির মাধ্যমে ধ্বংস বা দমন করা সম্ভব হলেও, তা দিয়ে মানুষের মন জয় করা বা কোনো স্থিতিশীল ব্যবস্থা নির্মাণ করা যায় না।

ইসরায়েলের বর্তমান অবস্থাকে বিচার করতে গেলে দেখা যায় তারা সামরিক শক্তিতে চরম শিখরে পৌঁছেছে। হামাসের সামরিক অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দেওয়া, হিজবুল্লাহর শীর্ষ নেতৃত্বকে খতম করা কিংবা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচিতে বড় ধরনের আঘাত হানার ঘটনা প্রকাশ করে তাদের সামরিক শক্তির প্রদর্শন। তবে, এই আপাত সাফল্যগুলো মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের স্থায়ী আধিপত্য বা সুদৃঢ় কাঠামোগত প্রভাব তৈরি করতে পারেনি। বরং এটি উন্মোচন করে দিয়েছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ছত্রচ্ছায়া ছাড়া এই শক্তির কোনো স্বাধীন স্থায়িত্ব নেই।

বিশ্ব অর্থনীতি এবং প্রযুক্তি খাতের মাপকাঠিতেও ইসরায়েলের এই সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাদের হাই-টেক খাত এবং সাইবার সিকিউরিটি ইন্ডাস্ট্রি বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হলেও, এগুলো মূলত বৃহত্তর মার্কিন ইকোসিস্টেমের ওপর নির্ভরশীল। তেল আবিবের স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে শুরু করে দেশটির মুদ্রানীতি—সবকিছুই বৈশ্বিক অর্থনীতির বৃহত্তর স্রোতের ওপর নির্ভরশীল। এর পাশাপাশি, দেশের দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা পুরোপুরি মার্কিন সহায়তার ওপর টিকে রয়েছে, যা ইসরায়েলকে একটি কাঠামোগতভাবে নির্ভরশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।

অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সাফল্যের আড়ালে, ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হচ্ছে তাদের মানবসম্পদের সংকট। বিচার বিভাগীয় সংস্কার নিয়ে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট এবং দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের কারণে গত বছরগুলোতে হাজার হাজার পেশাদার ও দক্ষ ইসরায়েলি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। দেশটির নিজস্ব উদ্ভাবন কর্তৃপক্ষ সেখানে গবেষণা এবং উন্নয়নের সাথে যুক্ত জনবলের ঘাটতি নিয়ে বারবার সতর্কবার্তা দিয়েছে। ফলে, দেশটির অর্থনীতি কেবল একটি নির্দিষ্ট খাতের ওপর নির্ভর করে টিকে রয়েছে, যার নিজস্ব ভিত্তি দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

সামরিক শক্তির পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ইসরায়েলের বৈধতাও মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গেনোসাইডের অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখোমুখি হওয়া ইসরায়েলের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষের মনোভাবের ক্ষেত্রেও বিশাল পরিবর্তন এসেছে, যেখানে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জরিপে দেশটির প্রতি নেতিবাচক মনোভাব রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। ঐতিহ্যগত মিত্র দেশগুলোতেও ইসরায়েলের সরকারি নীতি নিয়ে জনমত এখন বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

আঞ্চলিক কূটনীতিতে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করলেও, ইসরায়েল আজ ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছে। সৌদি আরব ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট পথ ছাড়া স্বাভাবিকীকরণে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে, এবং আঞ্চলিক কূটনীতিতে মিসর, কাতার, তুরস্ক ও জর্ডানের মতো দেশগুলোর ভূমিকা অনেক বেশি জোরালো হয়ে উঠেছে। ইসরায়েল আজকের দিনে চাইলেও মধ্যপ্রাচ্যের নতুন আঞ্চলিক বাণিজ্যের বা নিরাপত্তার নিয়মকানুন একা নির্ধারণ করতে পারছে না। তারা কেবল বাধা সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখলেও, নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে।

শক্তি প্রদর্শন এবং বৈধতার এই সংকটের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশগুলো এখন ইসরায়েলকে পাশ কেটে নিজেদের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদার করার নতুন পথ খুঁজছে। গ্যাস সরবরাহ থেকে শুরু করে আঞ্চলিক যোগাযোগ করিডোর; সবক্ষেত্রেই বিকল্প রুট এবং নেটওয়ার্ক তৈরি হচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলি ইসরায়েলকে এক অপরিহার্য অংশীদার থেকে সরিয়ে একটি এড়ানো সম্ভবপর বাধায় পরিণত করছে। মার্কিন সমর্থন বা বাহ্যিক শক্তি দুর্বল হলে পুরো কাঠামোর অস্থিতিশীলতা আরও প্রকট হয়ে উঠবে।

সামরিকভাবে পরাক্রমশালী হওয়া এবং রাজনৈতিকভাবে নেতৃত্ব দেওয়া এক জিনিস নয়। ইসরায়েল সামরিক শক্তি দিয়ে হয়তো দীর্ঘকাল টিকে থাকতে পারবে, কিন্তু তা দিয়ে অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদী শান্তি বা সম্মতিভিত্তিক নেতৃত্ব তৈরি করা সম্ভব নয়। মার্কিন নিরাপত্তার ছাতা বা সামরিক শক্তির জোরে সাময়িক প্রাধান্য বজায় রাখা গেলেও, বৈধতার এই গভীর সংকট এবং আঞ্চলিক দেশগুলোর বিকল্প নেটওয়ার্ক নির্মাণের প্রচেষ্টা মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ মানচিত্রকে ইসরায়েলের পরিবর্তে অন্য কোনো কাঠামোর দিকেই ধাবিত করছে।

মিডলইস্ট আইয়ের বিশ্লেষণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইমরান খানের কোনো আপডেট নেই ছেলেদের কাছে, কী ঘটেছে তাঁর সঙ্গে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


ইমরান খানের কোনো আপডেট নেই ছেলেদের কাছে, কী ঘটেছে তাঁর সঙ্গে?

পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বেঁচে থাকা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। উক্ত বিষয়ে তার বর্তমান অবস্থার সম্পর্কে কোনও নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই বলে দাবি করেছেন তার ছেলে কাসিম ও সুলাইমান।

তারা জানিয়েছেন, গত সাত মাস ধরে চিকিৎসক, পরিবার এবং আইনজীবীদের কেউই ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না।

কাসিম ও সুলাইমান বলেন, 'আমাদের কাছে বাবার কোনো আপডেট নেই। কারণ, গত সাত মাস ধরে পরিবার, চিকিৎসক ও আইনজীবীদেরকে তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি।' খবর সিএনএনের।

এমন পরিস্থিতিতে ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) হাজারো নেতাকর্মী। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে সাবেক ক্রিকেটার ও রাজনীতিক ইমরান খান এবং তার স্ত্রী বুশরা বিবির মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে।

২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইমরান খান পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০২২ সালে পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটে তার সরকারের পতন ঘটে। এরপর ২০২৩ সালে বিভিন্ন অভিযোগে তার সাজা হয়। তবে ইমরান খান এবং তার সমর্থকেরা এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছেন। তারা বলছেন, বর্তমান সরকারের বিরোধিতা করার কারণে এসব মামলা করা হয়েছে।

ইমরান খানের দুই ছেলে, কাসিম ও সুলাইমান বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বসবাস করছেন। ২০০৪ সালে তাদের মা জেমিমা গোল্ডস্মিথের সঙ্গে ইমরান খানের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে, এরপর থেকে তারা লন্ডনে আছেন। বাবার কারাবন্দিত্বের পর থেকে তারা তার মুক্তির দাবিতে সোচ্চার। কাসিম ও সুলাইমান অভিযোগ করেছেন, গণমাধ্যমে বাবার বিষয়ে কথা বলার পর পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ তাদের ইমরানের সঙ্গে দেখা করার ক্ষেত্রে নতুন নতুন বাধা তৈরি করে। কখনও তাদের ভিসা দিতে দেরি হচ্ছে, আবার কখনও বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তাদের আটক রাখা হচ্ছে।

কাসিম বলেন, 'আমরা চেষ্টা করছি, আমরা যেতে চাই। কিন্তু কিছুই হচ্ছে না। আমাদের ভিসা না দেওয়ার কোনো কারণ নেই।'

তবে পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় কাসিম ও সুলাইমানের অভিযোগকে বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের কাছে ওভারসিজ পাকিস্তানিজদের জন্য ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড আছে। এই কার্ডের মাধ্যমে পাকিস্তানে প্রবেশের জন্য তাদের ভিসার দরকার নেই।

কিন্তু কাসিম ও সুলাইমানের দাবি, তাদের ওই কার্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং সেগুলো নবায়ন করা হয়নি। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় তাদের এই দাবির কোনো জবাব দেয়নি।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালও ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির পরিবারের সদস্য এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার অধিকার পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি বলেছে, 'ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে পর্যাপ্ত চিকিৎসাসেবা দিতে হবে। একইসঙ্গে তাদের একাকী বন্দিত্বও অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।' সংস্থাটির মতে, এ ধরনের একাকী বন্দিত্ব আইনসম্মত নয়।

এদিকে, পাকিস্তান সরকার অভিযোগ করেছে যে ইমরান খানকে সাত মাস ধরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, সরকার দাবি করেছে, ইমরান খান তার পরিবার ও অন্যান্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের সুযোগ পাচ্ছেন। সরকারের মতে, ২০২৬ সালের ২১ মার্চ ইমরান তার এক ছেলের সাথে সর্বশেষ ফোনে কথা বলেছেন। এই ফোনকল প্রমাণ করে যে ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করা হয়নি। বরং পাকিস্তানের কারাগারের নিয়ম, আদালতের নির্দেশ এবং একজন গুরুত্বপূর্ণ বন্দির নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে তার যোগাযোগ নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

পাকিস্তান সরকার ইমরান খানের শারীরিক অবস্থাকেও বোঝাতে চেষ্টা করেছে। ইসলামাবাদের দাবি, ইমরান খানের অবস্থা বর্তমানে সচেতন ও স্থিতিশীল। তার শারীরিক অবস্থায় কোনো গুরুতর অবনতি হয়নি। সরকার বলছে, ইমরান নিয়মিত চিকিৎসা, ওষুধ ও চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছেন। কারাগারের নিয়ম ও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তার চিকিৎসা সম্পন্ন হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।

ইমরান কারাগারে কী ধরনের পরিবেশে আছেন, তারও বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে একটি বিশেষ সাত কক্ষের কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। সেখানে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন বন্দির জন্য ব্যবস্থা আছে। ৫৭ ফুট বাই ১৪ ফুটের একটি করিডর এবং ৩৫ ফুট বাই ৩৭ ফুটের একটি লন রয়েছে। সেখানে একটি বিছানা, গদি, বালিশ, কম্বল, টেবিল, chairs, স্যানিটেশন সুবিধা এবং ব্যায়ামের সরঞ্জামও আছে।

পাকিস্তান সরকারের দাবি, ইমরানের থাকার এই ব্যবস্থা তাকে বিচ্ছিন্ন বা অবহেলিতভাবে রাখা হয়েছে—এমন অভিযোগের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মেলে না। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলো পাকিস্তান সরকারের এই বক্তব্যে সন্তুষ্ট হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এর আগে ইমরানের দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা ও সমর্থকদের ব্যাপক গ্রেপ্তারকে ইচ্ছামতো আটক হিসেবে বর্ণনা করেছে। অ্যামনেস্টির তথ্য অনুযায়ী, ইমরান খানের দলের অনেক নেতাকর্মীরা এখনও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আটক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮৫ জনকে সামরিক আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

ইমরান খানের দুই ছেলে পাকিস্তান সরকারের বক্তব্য নিয়ে সন্তুষ্ট নন। কাসিম জানান, তাদের বাবার কোনো স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দেখানো হচ্ছে না। ফলে কারাগারে থাকার সময় ইমরানের শারীরিক অবস্থার কতটা অবনতি হয়েছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত হতে পারছেন না। তিনি বলেন, 'তারা আমাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দেখাতে অস্বীকার করছে। তাই তার স্বাস্থ্য উল্লেখযোগ্যভাবে খারাপ হয়ে থাকতে পারে।'

কাসিম ইমরানের দলের নেতাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, 'পিটিআইয়ের অনেক নেতা-কর্মী এখনও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আটক রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৮৫ জন সামরিক আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে।'

ইমরান খান পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক সমঝোতায় যাবেন কি না—এমন প্রসঙ্গে তার দুই ছেলে জানিয়েছেন। সুলাইমান বলেছেন, 'তার বাবা কোনো সমঝোতায় রাজি হবেন না, যার ফলে অন্যান্য রাজনৈতিক বন্দিরা কারাগারেই থাকবে।' অন্য রাজনৈতিক বন্দিদের ক্ষেত্রেও যদি কোনো সমস্যার সমাধান না হয়, তবে ইমরান এককভাবে সরকারের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে যাবেন না বলে মনে করেন তিনি।

কাসিমও মনে করেন, ইমরানের সঙ্গে সরকারের সমঝোতার সম্ভাবনা কম। তবে তিনি বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা কঠিন।

ইমরানের দুই ছেলে শুধু তাদের বাবার মুক্তির জন্য উদ্বিগ্ন নন, জনসাধারণের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কাসিম বলছেন, 'আমি জানি, অনেক কিছুই ঘটছে। কিন্তু এটি সবচেয়ে হতাশাজনক বিষয়গুলোর একটি। শুধু ছেলে হিসেবে নয়, পুরো দেশের জন্য এটি হতাশাজনক।'

তিনি আরও বলেন, '৩৫ কোটি মানুষ ইমরান খানকে ভোট দিয়েছেন, তাকে সমর্থন করেন এবং চান তিনি দেশ পরিচালনা করুন। অথচ তাদের পছন্দের সেই ব্যক্তিকে দূরে সরিয়ে রাখা হয়েছে এবং কোনো ভালো কারণ ছাড়াই তিনি কারাগারের পেছনে রয়েছেন।'

ইমরান খানের দুই ছেলের এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার প্রতি উদ্বেগ বেড়েছে। অন্যদিকে, তার কারাবন্দিত্ব, পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ এবং পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%