রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৯ পি.এম
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে একটি পাথরবাহী ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার কারণে ঢাকা-গফরগাঁও-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ১০ মিনিটের দিকে মশাখালী রেলস্টেশন সংলগ্ন লংগাইর ইউনিয়নের গোলাবাড়ীতে এই ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পরপরই গুরুত্বপূর্ণ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ঢাকা ও ময়মনসিংহমুখী বেশ কয়েকটি আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়ে। দীর্ঘ সময় ট্রেন থেমে থাকায় শত শত যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছেন।
গফরগাঁও রেলস্টেশন সূত্রে জানা যায়, পাথরবাহী ট্রেনটি গাজীপুর জেলার রাজেন্দ্রপুর রেলস্টেশন থেকে গফরগাঁওয়ের দিকে আসছিল। মশাখালী রেলস্টেশন সংলগ্ন গোলাবাড়ী এলাকায় পৌঁছানোর পর ট্রেনটির দুটি বগি হঠাৎ রেললাইন থেকে ছিটকে যায়। এর ফলে লাইনটি ট্রেন চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
গফরগাঁও রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার মো. হানিফ আলী জানান, পাথরবাহী ট্রেনের দুটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার পর ওই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। দ্রুত রেলপথ সচল করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য ঢাকা থেকে উদ্ধারকারী ক্রেন পাঠানো হয়েছে। ক্রেন পৌঁছানোর পর লাইনচ্যুত বগি সরানোর কাজ শুরু হবে। বগি দুটি সরিয়ে রেললাইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর ট্রেন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। এদিকে আকস্মিকভাবে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন গন্তব্যের যাত্রীরা বিপাকে পড়েছেন। কেউ ঢাকা, কেউ ময়মনসিংহ আবার কেউ মাঝপথের বিভিন্ন স্টেশনে আটকা পড়েছেন। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের ভোগান্তি বেশি হচ্ছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গফরগাঁও-জয়দেবপুর এবং গফরগাঁও-ময়মনসিংহ অংশের রেলপথের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে। কোথাও রেললাইনের নিচে পর্যাপ্ত পাথর নেই, আবার কোথাও স্লিপারের অবস্থাও দুর্বল। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই এই রুটে বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে বলে তাদের দাবি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এ রেলপথ দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী যাতায়াত করেন। ঢাকা ও ময়মনসিংহের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হওয়ায় সামান্য দুর্ঘটনাতেই কয়েকটি জেলার যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এর আগে গত ৭ই আগস্ট গফরগাঁও রেলস্টেশনের পয়েন্ট এলাকায় একটি যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছিল। সেই ঘটনার প্রায় এক মাসের মাথায় আবারও একই রুটে ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় রেললাইনের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। বারবার ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় রেলপথের ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা।
তাদের মতে, শুধু দুর্ঘটনার পর বগি উদ্ধার ও লাইন সচল করলেই হবে না; স্থায়ীভাবে নিরাপদ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করতে রেললাইন, স্লিপার ও পাথরের অবস্থা নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত লাইনচ্যুত বগি উদ্ধারের প্রস্তুতি চলছিল। উদ্ধারকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা-গফরগাঁও-ময়মনসিংহ রুটে স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল শুরু হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ ফরিদগঞ্জের গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি ও নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতাকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারটি ঘটেছে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) তারিখে।
পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নুরুজ্জামান সোহাগ (২৭) এবং যুবলীগ নেতা আহাদ খাঁন জুয়েল (৩৫)কে আজ (রোববার) আটক করা হয়। পরে ছাত্রলীগের সভাপতি সোহাগকে বিএনপির অফিস ভাঙচুরের মামলায় এবং ইউপি সদস্য জুয়েলকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বিকালে চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়।
এদিকে, ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাদের গ্রেফতারের পর বিএনপির নামধারী কিছু ব্যক্তি তাদের জন্য তদবির করার চেষ্টা করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এই সংবাদে উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা থানার সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। প্রতিবাদ চলাকালীন তারা সটকে পড়েন।
এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের নেতা আশিকুর রহমান মন্তব্য করেন, "নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকে আটক করার ঘটনায় আমাদের দলের সাবেক নেতা কিভাবে তার পক্ষে তদবির করতে আসে? যা দুঃখজনক।" তিনি আরও জানান, প্রতিবাদ জানাতে থানার সামনে আসার পর ওই নেতাসহ তার সঙ্গে থাকা লোকজন কৌশলে সটকে পড়েন।
ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এরশাদ উল্ল্যাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, "নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ যদি রিপাবলিকানদের হাতে আসে, তাহলে প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিকদের প্রত্যেককে ৫ হাজার ডলার করে ‘ডিভিডেন্ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা সহজ হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তবে রিপাবলিকানরা যদি জয়ী হয়, তাহলে ৫ হাজার ডলার করে দেওয়ার জন্য অর্থ সংগ্রহ করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সহজ হবে।
ট্রাম্পের ভাষায়, “আমি জানি না। তবে রিপাবলিকানরা জয়ী হলে এটা সহজ। দেশের সব প্রাপ্তবয়স্ককে ৫ হাজার ডলার দেওয়া হবে। আমরা সহজেই তা সামলাতে পারব, কারণ আমরা বেশি অর্থ আয় করছি।”
ডেমোক্র্যাটরা এমন প্রতিশ্রুতি দিতে পারবে না বলেও মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় এলে ‘সবকিছু ভেঙে পড়বে’ এবং দেশ অর্থনৈতিক মন্দায় চলে যাবে।”
ট্রাম্প আরও বলেন, “আমি এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আর আমি সব সময় আমার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করি।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো এক দিনের সফরে মঙ্গলবার সিলেটে আসছেন। রাষ্ট্রপতির এই সফরের প্রেক্ষিতে সিলেট নগরজুড়ে সৌন্দর্যবর্ধনের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির যাতায়াতের পথ এবং কর্মসূচির স্থানগুলোতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। সড়কের ডিভাইডার, কিন ব্রিজ, সার্কিট হাউসসহ বিভিন্ন স্থাপনায় নতুন করে রং করা হচ্ছে এবং হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে রাষ্ট্রপতি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন। সেখানে তিনি সার্কিট হাউসে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন এবং পরে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরানের (রহ.) মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর বিকাল সাড়ে ৩টায় সিলেট সিটি করপোরেশনের আয়োজনে নাগরিক সংবর্ধনায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন।
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন, সংবর্ধনার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং ঐতিহাসিক এই সফরকে কেন্দ্র করে নগরবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে সফরকে কেন্দ্র করে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) একটি সমন্বয় সভা করেছে। এসএমপি কমিশনার মো. সারোয়ার মুর্শেদ শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), পিজিএর, গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির সফরকে ঘিরে নগরে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ডিউটি মোতায়েনসহ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সফর শেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি সিলেট ত্যাগ করবেন ঢাকার উদ্দেশ্যে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের কৃষি ও খাদ্যপণ্যের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের তাগিদ দিয়েছেন, যেসব কৃষিপণ্য দেশে উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে, সেগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য। প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন, “দেশের মানুষের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল ও লাভজনক করতে হবে।”
আরো পড়ুন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৪ দিনের ছুটির সুযোগ
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর ২৬) বিকেলে সচিবালয়ের নিজ কার্যালয় থেকে পায়ে হেটে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়ি বেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকের সময় কৃষি খাতের সার্বিক অবস্থা, মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত তথ্যে জানানো হয়, ভোজ্যতেলের আমদানিনির্ভরতা কমাতে সরিষার উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশে সরিষার উৎপাদন ছিল ৮ দশমিক ২৪ লাখ মেট্রিক টন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এটি বেড়ে ১৫ দশমিক ৩৪ লাখ টন এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১৫ দশমিক ৪১ লাখ টনে পৌঁছেছে।
পেঁয়াজের উৎপাদন ও সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগের কথাও বৈঠকে আলোচনা করা হয়। কৃষকের পর্যায়ে পেঁয়াজ সংরক্ষণে এয়ার-ফ্লো প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের জাত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া লবণাক্ততা, খরা ও জলাবদ্ধতাসহিষ্ণু নতুন ফসলের জাত মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার কার্যক্রম চলছে।
কৃষি গবেষণার অগ্রগতি তুলে ধরে মন্ত্রণালয় জানায়, বিভিন্ন ফসলের মোট ১ হাজার ৯০টি জাত উদ্ভাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ধানের জাত ১৫৫টি। এক হাজারের বেশি কৃষিপ্রযুক্তি উদ্ভাবনের তথ্যও বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। কৃষি উৎপাদনে শ্রম ও ব্যয় কমানোর পাশাপাশি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কৃষিযান্ত্রিকীকরণে আরও গুরুত্ব দেওয়ার কথা উঠে আসে বৈঠকে। দেশীয় কৃষিযন্ত্র উদ্ভাবন ও উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার, রাইস ট্রান্সপ্লান্টারসহ বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র কৃষকের কাছে সুলভমূল্যে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে।
একই সঙ্গে কৃষিতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণের উদ্যোগও বৈঠকে তুলে ধরা হয়। দেশে মোট ২ হাজার ৬১৭টি সৌর সেচব্যবস্থা, নবায়নযোগ্য জ্বালানিনির্ভর সেচ বাড়ানো গেলে কৃষকের সেচব্যয় ও প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব বলে আলোচনা হয়।
কৃষকদের সরকারি সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দিতে কৃষক কার্ড কর্মসূচিও বৈঠকে গুরুত্ব পায়। কৃষি মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪৩ লাখ কৃষককে কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়েছে। প্রথম ধাপে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার কৃষককে কার্ড দেওয়ার প্রস্তুতির কথাও জানানো হয়েছে।
বৈঠকে কৃষিযান্ত্রিকীকরণ, সৌর সেচ, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ এবং কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ও বিপণন নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দিকে নজর দিতে বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে উৎপাদন করা সম্ভব—এমন কৃষি ও খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রে আমদানির ওপর নির্ভরতা ধীরে ধীরে কমাতে হবে। এ জন্য গবেষণা, উন্নত জাত, আধুনিক প্রযুক্তি, সেচ ও যান্ত্রিকীকরণের সুবিধা দ্রুত কৃষকের কাছে পৌঁছে দিয়ে দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধিতে আরো জোর দিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ