শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৫৯ এম
মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট লাগানোর জন্য সময়সীমা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ১৫ নভেম্বরের মধ্যে নম্বরপ্লেট লাগানোর নির্ধারিত সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর করার প্রস্তাব দিয়েছে।
এটি জানা গেছে যে, বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট যুক্ত করার বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সময় বাড়ানোর আবেদন করা হয়েছে।
বিআরটিএ চেয়ারম্যানের পাঠানো বিবেচ্যপত্র অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত মোটরযানের সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ, যার মধ্যে প্রায় ৭৪ শতাংশ বা প্রায় ৫০ লাখ মোটরসাইকেল। এত বিশাল পরিমাণ মোটরসাইকেলের সামনে স্বল্প সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট সংযোজন করা প্রায় অসম্ভব একটি কাজ।
বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মোটরসাইকেল চালক ও মালিকদের বিভিন্ন মতামত ও আলোচনা উঠে এসেছে। এসব দিক বিবেচনায় নিয়েই সময়সীমা বাড়ানোর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে বিআরটিএ-এর পক্ষ থেকে এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল যে, ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট যুক্ত করে প্রদর্শন করতে হবে।
সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ ও সড়ক পরিবহন বিধিমালা-২০২২ অনুযায়ী, বাইকের পেছনে আগেই আরএফআইডি সংবলিত উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব প্লেটে নম্বর প্রদর্শনের নিয়ম রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় এখন সামনেও নম্বরপ্লেট লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুযায়ী—
স্কুটারের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার।
অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার।
উভয় ক্ষেত্রেই অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা অন্তত ২০ মিলিমিটার হতে হবে।
নম্বরপ্লেট হতে হবে স্টেইনলেস স্টিল বা অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি।
সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর কালো রঙে বাংলা হরফ ও সংখ্যা লিখতে হবে, যাতে কোনো ধরনের অতিরিক্ত নকশা বা শোভাবর্ধক উপাদান ব্যবহার করা যাবে না।
স্কুটার বাদে সাধারণ বাইকের ক্ষেত্রে নম্বরটি সোজাসুজি এক লাইনে বসানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।
প্রাথমিক অবস্থায় বাইক মালিকদের নিজ দায়িত্বে এসব শর্ত মেনে সামনের নম্বরপ্লেট লাগানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে এই কাজ সম্পন্ন না করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। তবে বর্তমান বাস্তবতায় সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ) বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত তিন বছরের সময় প্রদান করেছে। ফলে এলডিসি থেকে উত্তরণের নতুন সময়সীমা ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পূর্বে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর ছিল।
গতকাল বৃহস্পতিবার উরুগুয়ের উত্থাপিত প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এই বাড়তি সময় বাংলাদেশকে কাঠামোগত দুর্বলতা দূরীকরণ, রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সুবিধার পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সুযোগ প্রদান করবে। জাতিসংঘ একই সঙ্গে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া এবং প্রতিবছর অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
বৈশ্বিক অর্থনীতির অনিশ্চয়তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, জ্বালানি ও সরবরাহব্যবস্থার ঝুঁকি এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সরকার ইউএন-সিডিপির কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন করে। পরে ইউএন-সিডিপি আবেদনটি ইতিবাচকভাবে বিবেচনার সুপারিশ করে। গত ২১ জুলাই জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুপারিশ পাঠায়।
বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালের ডিসেম্বরে এলডিসি তালিকাভুক্ত হয়। ২০১৮ ও ২০২১ সালের পর পর দুটি পর্যালোচনায় মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা—এই তিনটি মানদণ্ড পূরণ করে দেশটি। ২০২১ সালে উত্তরণের সুপারিশ অনুমোদনের পর কোভিডের প্রভাবের কারণে বাংলাদেশকে পাঁচ বছরের প্রস্তুতির সময় দেওয়া হয়েছিল।
এলডিসি থেকে উত্তরণের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, কানাডা ও জাপানসহ বিভিন্ন বাজারে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা পরিবর্তিত হতে পারে। এতে বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমার আশঙ্কা রয়েছে।
বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলনের (আঙ্কটাড) ২০২৫ সালের এক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে, বাণিজ্য সুবিধা হারালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি প্রায় ৩২ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে বজ্রপাত বা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, আজ ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে। আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া, দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আজ সকাল ৬টায় ঢাকার তাপমাত্রা ছিল ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ৬৬ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে ৫টা ২১ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ৬টা ৩ মিনিটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে—এমন ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে দেশটির সাম্প্রতিক সামরিক কার্যক্রম থেকে। ওয়াশিংটন ইসরাইলের দুটি বিমানঘাঁটিতে ১০টি সামরিক কার্গো বিমান পাঠিয়েছে। একই সময়ে, জর্ডান, সৌদি আরব ও কাতারের সামরিক ঘাঁটিতেও যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি বিমান পাঠানো হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান জেনারেল ব্র্যাড কুপার ইরানে সম্ভাব্য হামলার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে ব্রিফ করেছেন।
এই তথ্যটি ইসরাইলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম কান (কেএএন) এবং মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানায়। বৃহস্পতিবার কানের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ১০টি সামরিক কার্গো বিমান ইসরাইলের ওভদা ও নেভাতিম বিমানঘাঁটিতে অবতরণ করেছে। বিমানগুলো টেক্সাসের ফোর্ট ব্লিস সামরিক ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করেছিল।
ফোর্ট ব্লিস যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ আকাশ প্রতিরক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেখানে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার ব্যবস্থা এবং আকাশ প্রতিরক্ষার বিভিন্ন সরঞ্জাম রয়েছে। তবে ইসরাইলে পাঠানো কার্গো বিমানগুলোতে কী ধরনের সামরিক সরঞ্জাম ছিল, সে সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য জানা যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নিশ্চিত বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ইরানে হামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ওয়াশিংটন নিয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।
ইসরাইলের এক কর্মকর্তা কানকে জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় চলছে। তিনি বলেন, ‘ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে সিদ্ধান্তই নিন না কেন, তার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
তবে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বা কখন সিদ্ধান্ত আসতে পারে, সে বিষয়ে ওই কর্মকর্তা বিস্তারিত কিছু জানাননি।
উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। চলতি সপ্তাহের শুরুতে কান জানিয়েছিল, ইরানে স্বল্পমেয়াদি ও সীমিত সামরিক হামলার আশঙ্কার কথা জানিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোকে প্রস্তুত থাকতে বলেছে ওয়াশিংটন। একই প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করতে টেক্সাস থেকে একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠানো হয়েছে।
সম্ভাব্য সামরিক উত্তেজনার মধ্যে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে থাকা সেনাদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে কান। পাশাপাশি ওই অঞ্চলে অস্ত্রের মজুত বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।
নভেম্বরে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত একটি বিমানবাহী রণতরি এবং মেরিন কোরের একটি ইউনিট পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এগুলো সেখানে আগে থেকেই মোতায়েন থাকা যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২০টি যুদ্ধজাহাজের সঙ্গে যুক্ত হবে।
এদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে সম্ভাব্য হামলার বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পকে বিস্তারিত জানিয়েছেন সেন্টকমের প্রধান জেনারেল ব্র্যাড কুপার। পত্রিকাটির মতে, সামরিক বাহিনীর এই ব্রিফিংয়ের মধ্য দিয়ে ইরানে বড় ধরনের হামলা চালানোর সিদ্ধান্তের আরো কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে ওয়াশিংটন।
মার্কিন আইনপ্রণেতাদেরও ইরানে সম্ভাব্য হামলা নিয়ে ব্রিফ করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনেটর ক্রিস মারফি জানিয়েছেন, তাকে এবং আরো কয়েকজন সিনেটরকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে। এসব পরিকল্পনাকে ‘পাগলামি’ বলে অভিহিত করেছেন তিনি।
মারফি সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের সামরিক পদক্ষেপ ভয়াবহ সংঘাতের জন্ম দিতে পারে। একই সঙ্গে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। জবাবে ইরানও পাল্টা হামলা চালায়। পরে এপ্রিলে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়।
এরপর জুনে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করে। তবে প্রণালিটির নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশের মতপার্থক্যের কারণে সেটির বাস্তবায়ন থমকে আছে।
এমন পরিস্থিতিতে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কার্গো বিমান পাঠানো, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার এবং অতিরিক্ত সেনা ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের প্রস্তুতি সেই আশঙ্কাকে আরো সামনে নিয়ে এসেছে।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর রামপুরা থানাধীন রামপুরা ব্রিজের ওপর রাস্তা পারাপারের সময় একটি দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় শহীদুল্লাহ (৩৭) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত সোয়া ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় শহীদুল্লাহকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত পৌনে ১১টার সময় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত শহীদুল্লাহ ডেমরা নড়াইবাগ এলাকার বাসিন্দা হারুন অর-রশিদের ছেলে।
হাসপাতালে শহীদুল্লাহকে নিয়ে আসা জুয়েল রানা নামের একজন ব্যক্তি জানান, রামপুরা ব্রিজের ওপর রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগামী গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন শহীদুল্লাহ। প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে, তার অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক হাবিবুর রহমান চিকিৎসকের বরাত দিয়ে শহীদুল্লাহর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ