ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
লাল কার্ড ইস্যু

ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ ও ফিফার ক্ষমা: তবে কি ‘বলির পাঁঠা’ হলেন বালোগান


ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ ও ফিফার ক্ষমা: তবে কি ‘বলির পাঁঠা’ হলেন বালোগান

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর নকআউট পর্বে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বেলজিয়ামের কাছে ৪-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়ে বিদায় নিয়েছে। তবে মাঠের হারের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে স্ট্রাইকার ফোলারিন বালোগানের লাল কার্ডের নিষেধাজ্ঞা বাতিলের নজিরবিহীন বিতর্ক।

বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে ম্যাচে লাল কার্ড পাওয়া বালোগানকে খেলাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিফাপ্রধান জান্নি ইনফান্তিনোকে ফোন করেন, যার ফলে ফিফা নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে। কিন্তু ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম বিতর্কিত এই সিদ্ধান্তের পর মাঠে গিয়ে তিনি নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন। মোনাকোর এই তারকা স্ট্রাইকার ম্যাচ শেষে বিদায়ের গ্লানি এবং তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে বলেছেন, এই অতিরিক্ত ক্ষমা বা আইনি মারপ্যাঁচ আসলে তার নিজের ওপর মানসিক চাপ বৃদ্ধি করেছে।

বিতর্ক প্রসঙ্গে বালোগান বলেন, “যখন এই ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত উল্টে দেওয়া হয়, তখন বিতর্ক হওয়াটাই স্বাভাবিক।” বিখ্যাত খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে দায়িত্ব পালন করা তার মূল কাজ ছিল। তিনি জানিয়েছেন, লাল কার্ড পাওয়ার পর তিনি শাস্তি মেনে নিয়েছেন, তেমনি খেলার অনুমতি পাওয়ার পর তা গ্রহণ করেছেন। তবে পুরো প্রক্রিয়ার পেছনে কোনো রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ প্রভাব ছিল কি না, তা নিয়ে তার কোনো মাথাব্যথা ছিল না। মাঠের খেলায় দেখা গেছে, টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত খেলা এই ফরোয়ার্ড বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ও নিষ্প্রভ ছিলেন।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

ম্যাচ শেষে বেলজিয়ামের কোচ রুডি গার্সিয়া মার্কিন স্ট্রাইকারের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে বলেন, “ম্যাচ শেষে বালোগান ব্যক্তিগতভাবে আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিল।” গার্সিয়া বলেছেন, এই বিতর্কের পেছনে বালোগানের কোনো দোষ নেই এবং তাকে বলির পাঁঠা বানানো মোটেও উচিত নয়।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কোচ মরিসিও পচেত্তিনো পুরো ঘটনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাজনৈতিক আবহ ও ঘৃণা ছড়ানোর তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ফেডারেশন নিয়ম মেনে তাদের খেলোয়াড়কে দলে পাওয়ার চেষ্টা করেছে। ফিফা যখন তাকে খেলার অনুমতি দেয়, তখন কোচ হিসেবে তাকে খেলানোই তার দায়িত্ব। এতে রাজনীতি, অনৈতিকতা বা সততা নিয়ে এত আলোচনা হতাশাজনক। পচেত্তিনো অকপটে স্বীকার করেছেন, মাঠের বাইরে কী ঘটেছে তার জন্য নয়, বরং বেলজিয়ামের বিপক্ষে তারা স্রেফ দল হিসেবে বাজে খেলেছেন বলেই বিশ্বকাপ থেকে তারা বাদ পড়েছেন।

সূত্র: মার্কা

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

দেশে বার্ষিক তরল দুধ উৎপাদনের সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন, এবং বার্ষিক তরল দুধের চাহিদা ১ কোটি ৬২ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন (২০২৪-২৫ অর্থবছর) বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

আজ জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালাম (কুমিল্লা-৯)-এর তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণকে চাহিদা অনুযায়ী খাঁটি, নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

তিনি জানান, প্রাণিজাত পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্বীকৃত (আইএসও সনদপ্রাপ্ত) একটি অ্যাক্রেডিটেড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ভেজালমুক্ত, নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুধ সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা উন্নত করতে ৪০টি চিলিং প্লান্ট, এবং দেশের ৪৬৬টি উপজেলায় একটি করে মোট ৪৬৬টি মিল্ক অ্যানালাইজার সরবরাহ করা হয়েছে। এসব যন্ত্রের মাধ্যমে তরল দুধের বিশুদ্ধতা ও গুণগত মান দ্রুত ও নির্ভুলভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ম্যাচিং গ্রান্ট কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ১৫টি ডেইরি হাব, ৩০০টি ভিলেজ মিল্ক কালেকশন সেন্টার, এবং ১৮৬টি ক্ষুদ্রাকারের মিল্ক প্রসেসিং প্লান্ট স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের ফলে নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের জনগণের দুধের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করলেন দুই প্রযোজক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করলেন দুই প্রযোজক

দীর্ঘ সাত বছর পর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে জটিলতা দেখা দিয়েছে নতুন করে।

বৈধ প্রার্থীর তালিকা থেকে সভাপতি পদপ্রার্থী হিসেবে খোরশেদ আলম খসরু এবং সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী শামসুল আলমের নাম বাদ পড়ার পর তারা নির্বাচন আপিল বোর্ডের দ্বারস্থ হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) তারা মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়ে আপিল করেন।

তাদের দাবি, যে বিধান দেখিয়ে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, সেটি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ সংশ্লিষ্ট বিধানটি পরবর্তী সময়ে কার্যকর হয়েছে। তাই তারা বিষয়টি আদালতেও চ্যালেঞ্জ করেছেন।

আপিল আবেদনে খোরশেদ আলম খসরু বলেন, 'বিগত ২০২২ সালের ১ মার্চ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ২০২২-২০২৪ এর নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিলে ঘোষিত ১৮ এপ্রিল, ২০২২ তারিখের মধ্যেই আমি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আমার মনোনয়নপত্র দাখিল করি। নির্বাচনী তফসিলের সকল শর্ত প্রতিপালন পূর্বক আমার মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলেও বিগত ২০ এপ্রিল ২০২২ নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ স্বাক্ষরিত পত্রে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সংঘবিধির ৫(৫) বিধির বিধান উল্লেখ পূর্বক আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। যা অযৌক্তিক।'

এর আগে গত ৫ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের জন্য ৪০ জন বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকায় খোরশেদ আলম খসরু ও শামসুল আলমের নাম না থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিলের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালের ২৭ জুলাই। এরপর আইনি জটিলতা, ভোটার তালিকা নিয়ে বিরোধ এবং প্রশাসনিক কারণে দীর্ঘ সাত বছর নতুন নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি।

এবার সেই অচলাবস্থা কাটিয়ে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও মনোনয়ন বাতিলকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ না জিতলেও যে কারণে রোনালদো এখনও কিংবদন্তিই আছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩১ পি.এম


বিশ্বকাপ না জিতলেও যে কারণে রোনালদো এখনও কিংবদন্তিই আছেন

ক্যারিয়ার শেষের সময়ে এসে যদি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে পারতেন, তাহলে তার ফুটবল ক্যারিয়ারে হয়তো একটি জাদুকরি পূর্ণতা আসতো। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে স্পেনের কাছে পরাজিত হয়ে পর্তুগালের বিদায়ের ফলে সেই স্বপ্ন অবান্তরই থেকে গেল। মাঠে যখন পর্তুগিজরা হেরে যাচ্ছিল, তখন স্প্যানিশ বদলি খেলোয়াড় মিকেল মেরিনোর নাটকীয় গোলে তারা ১-০ ব্যবধানে হার মানে।

৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা অশ্রুসিক্ত চোখ নিয়ে যখন শেষবারের মতো বিশ্বকাপ মাঠ ছাড়তে যাচ্ছিলেন, তখন তার নামের পাশে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জন্য করা সব সাফল্য উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। একটি মাত্র ট্রফি না পাওয়ার আফসোস পর্তুগিজ ফুটবলে রোনালদোর বিশাল অবদানকে কোনভাবেই আড়াল করতে পারে না।

২০০৩ সালে জাতীয় দলে রোনালদো অভিষেকের আগে পর্তুগাল ফুটবলের ইতিহাস ছিল একেবারেই সাধারণ এবং বড় কোনো আন্তর্জাতিক ট্রফি জয়ের স্বাদ তারা তখনো পায়নি। সময়কালটি ছিল তাদের জন্য এক অন্ধকার। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান লাভ এবং ২০০০ সালের ইউরো সেমিফাইনালে ওঠা ছিল তাদের ইতিহাসের অন্যতম প্রধান অর্জন। তবে, সেই সময়ে দলে প্রতিভাবান খেলোয়াড় থাকলেও বড় মঞ্চে ধারাবাহিকভাবে নিজেদের পড়ানোর মতো মানসিকতার অভাব ছিল। ঠিক সেই অবস্থায় পর্তুগিজ ফুটবলের ত্রাতা হিসেবে হাজির হন রোনালদো। তিনি পরবর্তী দুই দশকে দলের কাঠামোকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের একটি শক্তিশালী দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম প্রধান পরাশক্তিতে পরিণত করেন।

রোনালদোর হাত ধরে শুরু হয়েছিল পর্তুগিজ ফুটবলের সবচেয়ে সফল এবং সোনালি অধ্যায়। ২০০৪ সালের ইউরো ফাইনালে গ্রিসের কাছে পরাজিত হওয়ার পর দিলেন হৃদয়ভাঙা হলেও সেটি ছিল একটি নতুন যুগের সূচনা। এরপর ২০০৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল এবং অবশেষে ২০১৬ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রফি হিসেবে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জেতা পর্তুগালের জন্য ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সাফল্যের এই ধারা এখানেই থেমে থাকেনি। ২০১৮-১৯ মৌসুমে উদ্বোধনী উয়েফা নেশনস লিগ জয়ের পর ২০২৫ সালেও তারা এই শিরোপা পুনরায় নিজের করতে সক্ষম হয়, যা দলটিকে বিশ্ব ফুটবলের এলিট শ্রেণিতে পাকাপোক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করে।

দলীয় সাফল্যের পাশাপাশি রোনালদোর ব্যক্তিগত অর্জনগুলো ফুটবল ইতিহাসের পাতায় একটি রূপকথার মতো। আন্তর্জাতিক ফুটবলে পুরুষ ফুটবলারদের মধ্যে তিনি সর্বোচ্চ ১৪৬টি গোল করেছেন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করে রেকর্ড ২৩৩টি ম্যাচ খেলেছেন ক্যারিয়ারজুড়ে। ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে তার আধিপত্য ছিল একেবারে ব্যতিক্রমী; যেখানে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সর্বাধিক ১৪টি গোল, সর্বাধিক ৩০টি ম্যাচ খেলা এবং রেকর্ড ছয়টি ভিন্ন আসরে খেলার অনন্য কীর্তি গড়েছেন তিনি। এছাড়া ইউরো বাছাইপর্বে রেকর্ড ৪১টি গোল এবং বিশ্বের প্রথম পুরুষ খেলোয়াড় হিসেবে ভিন্ন ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করার অনন্য নজিরও স্থাপন করেছেন সিআরসেভেন। তাই, একটি সোনালি ট্রফি অধরা থাকলেও আন্তর্জাতিক ফুটবলে রোনালদোর রেখে যাওয়া এই লিগ্যাসি চিরকাল ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এবং অমর হয়ে থাকবে।

সূত্র: গালফ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০০০ গোলের খোঁজে রোনালদো: ইতিহাস ছুঁতে আর কতটা পথ বাকি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩২ পি.এম


১০০০ গোলের খোঁজে রোনালদো: ইতিহাস ছুঁতে আর কতটা পথ বাকি?

তিনি ফুটবল মাঠের চিরসবুজ এক জাদুকর। বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তিনি একের পর এক রেকর্ড নিজের নামে করে নিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এখন তার নজর এমন এক কীর্তির দিকে, যা ফুটবল ইতিহাসে আগে কখনো কেউ করতে পারেনি। ২০২৪ সালে সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সতীর্থ রিও ফার্ডিনান্ডের মুখোমুখি হয়ে, পর্তুগিজ এই মহাতারকা প্রথমবার প্রকাশ করেছিলেন তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্নের কথা। তিনি অবসর নেওয়ার আগে প্রথম ফুটবলার হিসেবে পেশাদার ফুটবলে ১০০০ অফিশিয়াল গোল করার এক অবিশ্বাস্য লক্ষ্য স্থির করেছেন।

সে সময় তার নামের পাশে ৯০০ গোলও ছিল না। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে, সেই মাইলফলক তিনি অনায়াসেই পার করে গেছেন। সম্প্রতি শেষ হওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে, পর্তুগালের হয়ে ৩টি গোল করেছেন ৪১ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি। যদিও শেষ ষোলোর লড়াইয়ে স্পেনের কাছে হেরে পর্তুগালের বিশ্বকাপ মিশন স্তব্ধ হয়ে যায়, তবে নিজের শেষ বিশ্বকাপ মঞ্চে তিনি ব্যক্তিগতভাবে দারুণ এক অর্জন নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন সিআরসেভেন। বিশ্বকাপের এই গোলগুলোর পর তার ক্যারিয়ারের মোট গোল সংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ৯৭৬। অর্থাৎ, ম্যাজিকাল ১০০০ গোলের অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাতে রোনালদোর প্রয়োজন আর মাত্র ২৪টি গোল।

বয়সের ঘড়ি বলছে সময় ফুরিয়ে আসছে, কিন্তু গোল করার সহজাত ক্ষুধা আর অবিশ্বাস্য ফিটনেস প্রমাণ করে যে রোনালদোকে এখনই বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়া মস্ত বড় ভুল হবে। গত মৌসুমেও তিনি আল নাসরের হয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২৮টি গোল করেছেন, যা তার দলকে এনে দিয়েছে কাঙ্ক্ষিত শিরোপা। আগামী দিনগুলোতেও যদি তিনি এই ফর্ম ধরে রাখতে পারেন, তবে খুব জলদিই ১০০০ গোলের মহাকাব্যিক মাইলফলক পেরিয়ে, ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য অমরত্ব লাভ করবেন রোনালদো। ফুটবলপ্রেমীরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন মাঠের এই শেষ অঙ্কটি দেখার জন্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%