ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১০০০ গোলের খোঁজে রোনালদো: ইতিহাস ছুঁতে আর কতটা পথ বাকি?


১০০০ গোলের খোঁজে রোনালদো: ইতিহাস ছুঁতে আর কতটা পথ বাকি?

তিনি ফুটবল মাঠের চিরসবুজ এক জাদুকর। বয়সকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তিনি একের পর এক রেকর্ড নিজের নামে করে নিয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এখন তার নজর এমন এক কীর্তির দিকে, যা ফুটবল ইতিহাসে আগে কখনো কেউ করতে পারেনি। ২০২৪ সালে সাবেক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সতীর্থ রিও ফার্ডিনান্ডের মুখোমুখি হয়ে, পর্তুগিজ এই মহাতারকা প্রথমবার প্রকাশ করেছিলেন তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় স্বপ্নের কথা। তিনি অবসর নেওয়ার আগে প্রথম ফুটবলার হিসেবে পেশাদার ফুটবলে ১০০০ অফিশিয়াল গোল করার এক অবিশ্বাস্য লক্ষ্য স্থির করেছেন।

সে সময় তার নামের পাশে ৯০০ গোলও ছিল না। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে, সেই মাইলফলক তিনি অনায়াসেই পার করে গেছেন। সম্প্রতি শেষ হওয়া ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে, পর্তুগালের হয়ে ৩টি গোল করেছেন ৪১ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি। যদিও শেষ ষোলোর লড়াইয়ে স্পেনের কাছে হেরে পর্তুগালের বিশ্বকাপ মিশন স্তব্ধ হয়ে যায়, তবে নিজের শেষ বিশ্বকাপ মঞ্চে তিনি ব্যক্তিগতভাবে দারুণ এক অর্জন নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন সিআরসেভেন। বিশ্বকাপের এই গোলগুলোর পর তার ক্যারিয়ারের মোট গোল সংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ৯৭৬। অর্থাৎ, ম্যাজিকাল ১০০০ গোলের অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাতে রোনালদোর প্রয়োজন আর মাত্র ২৪টি গোল।

বয়সের ঘড়ি বলছে সময় ফুরিয়ে আসছে, কিন্তু গোল করার সহজাত ক্ষুধা আর অবিশ্বাস্য ফিটনেস প্রমাণ করে যে রোনালদোকে এখনই বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়া মস্ত বড় ভুল হবে। গত মৌসুমেও তিনি আল নাসরের হয়ে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২৮টি গোল করেছেন, যা তার দলকে এনে দিয়েছে কাঙ্ক্ষিত শিরোপা। আগামী দিনগুলোতেও যদি তিনি এই ফর্ম ধরে রাখতে পারেন, তবে খুব জলদিই ১০০০ গোলের মহাকাব্যিক মাইলফলক পেরিয়ে, ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য অমরত্ব লাভ করবেন রোনালদো। ফুটবলপ্রেমীরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন মাঠের এই শেষ অঙ্কটি দেখার জন্য।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মামলার জট কমাতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার : আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


মামলার জট কমাতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার : আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, দেশের আদালতগুলোতে মামলার জট কমানো এবং বিচার কার্যক্রমকে দ্রুততর করতে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

তিনি আজ সংসদে যশোর-৪ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. গোলাম রছুলের এক প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রী জানান, বিচার ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য ইতোমধ্যে ৫৩৬টি বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়াও, নতুন করে ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগ করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে আদালতের সহায়ক কর্মচারী নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরও জানান যে, সরকার সম্প্রতি ৬৫০টি সিভিল জজ ও সিনিয়র সিভিল জজ আদালত, ৪০৬টি যুগ্ম জেলা জজ আদালত এবং ২০৪টি অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত প্রতিষ্ঠা করেছে।

নবপ্রতিষ্ঠিত এসব আদালতের জন্য নতুন বিচারকের পদ সৃষ্টির বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। এটি সম্পন্ন হলে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়ে উঠবে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে বর্তমানে মোট ৫,৬১,৪৪৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে আপিল বিভাগে ৩৮,৭১৩টি এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৫,২২,৩৩১টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। গত ২০২৫ সালে আপিল বিভাগে ৭,৫৫৩টি এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৫৫,৭৫৬টি মামলাসহ মোট ৬৩,৩০৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

তিনি আরো জানান, গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে মোট ৪০,৭৮,৪৩২টি মামলা বিচারাধীন ছিল। এর মধ্যে ১৬,৯০,৪৪৩টি দেওয়ানি এবং ২৩,৮৭,৯৮৯টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তবে গত এক বছরে অধস্তন আদালতে মোট ২,৭৫,৮৪টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৪৯,৭৩টি দেওয়ানি এবং ২,২৬,১১টি ফৌজদারি মামলা অন্তর্ভুক্ত।

আইনমন্ত্রী আরো বলেন, বিচারিক অবকাঠামো সম্প্রসারণ, বিচারক ও জনবল বৃদ্ধি এবং নতুন আদালত প্রতিষ্ঠাসহ সরকারের চলমান উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে মামলার জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং বিচারপ্রার্থীরা আরো দ্রুত ন্যায়বিচার পাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে থাকলেও রংপুরে বাড়ছে বর্ষাকালের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৩ পি.এম


ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে থাকলেও রংপুরে বাড়ছে বর্ষাকালের শঙ্কা

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে সাথে দেশে ডেঙ্গু সংক্রমণ বেড়ে গেছে। তবে রংপুর বিভাগে এখনো বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা না দিলেও ভবিষ্যতে তা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যা এবং এডিস মশার বিস্তার বাড়ছে। এজন্য রংপুরেও সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে এখনই সমন্বিত মশা নিধন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং জনসচেতনতার উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বিভাগের আট জেলায় ডেঙ্গু সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৪৪ জনের শরীরে।

এর মধ্যে রংপুরে ১১ জন, গাইবান্ধায় ১০ জন, লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে আটজন করে, দিনাজপুরে চারজন এবং ঠাকুরগাঁওয়ে তিনজন আক্রান্ত হয়েছেন। এই সময়ে ৩৭ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং মৃত্যুর কোনো ঘটনা ঘটেনি।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, আক্রান্তের সংখ্যা বর্তমানে কম হলেও বর্ষাকালে পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে। বিশেষ করে ঢাকা এবং অন্যান্য আক্রান্ত এলাকা থেকে যাতায়াতের মাধ্যমে ভাইরাস বহনকারী এডিস মশার বিস্তার ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এবার ডেঙ্গু কেবল বড় শহরের রোগ নয়; পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে এটি জেলা ও প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে বছরের বিভিন্ন মাসে ডেঙ্গু আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ সালে রংপুর বিভাগের আট জেলায় মোট ২৬৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। এর মধ্যে দিনাজপুরের এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৪৭ জন এবং রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৫৪ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ছাড়া নীলফামারীতে ৩২ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ১০ জন, পঞ্চগড়ে ৯ জন, লালমনিরহাটে সাতজন, কুড়িগ্রামে চারজন এবং গাইবান্ধায় দুইজন আক্রান্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে বিভাগে ডেঙ্গুর বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। ওই বছর আক্রান্ত হন পাঁচ হাজার ৪৯৪ জন এবং মারা যান ১২ জন। মৃতদের মধ্যে দিনাজপুরে পাঁচজন, রংপুরে চারজন, গাইবান্ধায় দুজন এবং লালমনিরহাটে একজন ছিলেন। একই বছরে রংপুর জেলায় এক হাজার ২৯৫ জন আক্রান্ত হন, যার মধ্যে স্থানীয়ভাবে ৪৬০ জন সংক্রমিত ছিলেন।

২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত হন এক হাজার ৪৭২ জন। এর মধ্যে দিনাজপুরে ৩৪৪ জন, নীলফামারীতে ৩০১ জন, কুড়িগ্রামে ২১৭ জন, রংপুরে ১৯৭ জন, গাইবান্ধায় ১৪৬ জন, পঞ্চগড়ে ১১৮ জন, ঠাকুরগাঁওয়ে ৭৭ জন এবং লালমনিরহাটে ৬৩ জন আক্রান্ত হন। ওই বছর গাইবান্ধা ও নীলফামারীতে একজন করে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।

২০২৫ সালে আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় এক হাজার ১৮৭ জনে এবং ওই বছর ডেঙ্গুতে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রোগীর চাপ বাড়লে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড চালুর প্রস্তুতি রয়েছে। প্রয়োজন হলে চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রস্তুত রাখা হবে।

এদিকে, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাড. মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন বলেন, ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গত ২৫ জুন থেকে মাসব্যাপী বিশেষ মশা নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। নগরীর প্রত্যেক ওয়ার্ডে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস, ওষুধ ছিটানো এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। নাগরিকদের নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।’

চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো, বাড়ির আশপাশে ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার, ফুলের টব, পানির ট্যাংক অথবা কোনো পাত্রে তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেয়া যাবে না। জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা কিংবা চোখের পেছনে ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতন অংশগ্রহণই রংপুরকে ডেঙ্গুর বড় প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা করতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক ডা. ওয়াজেদ আলী বলেন, ‘রংপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত দেড় বছরে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। আক্রান্তের সংখ্যা আগের তুলনায় কমেছে। তবে বর্ষকালে ঝুঁকি একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা, মশারি ব্যবহার এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।’

উপপরিচালক আরো বলেন, ‘ডেঙ্গু রোগী বাড়লে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে। রক্ত পরীক্ষার কিটসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামেরও কোনো ঘাটতি নেই।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ মাতিয়ে আবারও র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে মুনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


বিশ্বকাপ মাতিয়ে আবারও র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে মুনি

নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে, অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞ ওপেনার বেথ মুনি আইসিসির সর্বশেষ টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে আবারও এক নম্বরে উঠে এসেছেন।

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলার জন্য ৩২ বছর বয়সী এই ব্যাটারকে টুর্নামেন্টসেরা নির্বাচিত করা হয়। সেমিফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনি ৩৬ বলে অপরাজিত ৬১ রান করেন, আর ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪৯ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন। তার ব্যাটেই রেকর্ড সপ্তম শিরোপা অস্ট্রেলিয়া জিতে নেয়।

পুরো টুর্নামেন্টে ৪৭.৬০ গড়ে এবং ১৪২.৫১ স্ট্রাইক রেটে ২৩৮ রান সংগ্রহ করে, মুনি সেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের জন্য আবারও আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ফিরেছেন।

এটি বেথ মুনির ক্যারিয়ার অনুযায়ী পঞ্চমবারের মতো টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র‌্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে ওঠার কীর্তি। তার চেয়ে বেশি সময় শীর্ষস্থান ধরে রাখার রেকর্ড শুধুমাত্র আরেক অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি কারেন রোল্টনের, যিনি চার বছরেরও বেশি সময় এক নম্বরে ছিলেন।

মুনির শীর্ষে ফেরার ফলে, তার সতীর্থ ও উদ্বোধনী জুটির সঙ্গী জর্জিয়া ভল দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার লরা উলভার্ট এখন তিন নম্বরে, এক ধাপ পিছিয়ে। অন্যদিকে, তিন ধাপ এগিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার তাজমিন ব্রিটস ১১তম স্থানে উঠে এসেছেন।

বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা একটি ধাপ পিছিয়ে এখন ২০তম স্থানে রয়েছেন।

বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন ভারতের শ্রী চারানি। ইংল্যান্ডের বাঁহাতি স্পিনার সোফি এক্লেস্টোন এক ধাপ এগিয়ে দুই নম্বরে উঠেছেন, আর তার সতীর্থ চার্লি ডিন তিনে নেমে গেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার মারিজান ক্যাপ চার ধাপ এগিয়ে সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছেন।

অলরাউন্ডারদের তালিকায় নিউজিল্যান্ডের অ্যামেলিয়া কার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন। দ্বিতীয় স্থানে আছেন শ্রীলঙ্কার চামারি আতাপাত্তু। এই তালিকায় বাংলাদেশের সেরা রাবেয়া খান ৩০তম স্থানে রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলেদের তথ্যভান্ডার হালনাগাদ করছে সরকার : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৭ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ পি.এম


জেলেদের তথ্যভান্ডার হালনাগাদ করছে সরকার : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, দেশের প্রকৃত জেলেদের জাতীয় তথ্যভান্ডার হালনাগাদের কাজ চলমান রয়েছে। বর্তমানে নিবন্ধিত জেলেদের সংখ্যা ১৮ লাখ ৩ হাজার ৫৬৫ জন। আজ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. আবু তালিব (ঝিনাইদহ-৪)-এর লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য উক্ত করেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে দিনের অধিবেশন শুরু হয়। মন্ত্রী বলেন, ‘জেলে নিবন্ধন ও পরিচয়পত্র নির্দেশিকা, ২০১৯’- এর আওতায় সারাদেশে জেলেদের তালিকা যাচাই-বাছাই এবং হালনাগাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঝিনাইদহ সদর (আংশিক) ও কালীগঞ্জ উপজেলার প্রকৃত জেলে শনাক্তকরণ এবং হালনাগাদ জেলে তালিকা প্রণয়নের কাজও চলমান রয়েছে। মন্ত্রী জানান, অভ্যন্তরীণ জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বাড়াতে সরকার পরিত্যক্ত এবং অকেজো বাওড়সহ অন্যান্য জলাশয় পুনরুদ্ধার করে মাছ চাষের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, পরিত্যক্ত ও অকেজো বাওড় এবং অন্যান্য জলাশয় পুনরুদ্ধার করে সেখানে মাছ চাষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এ লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তর ‘নির্বাচিত বাওড় এলাকায় কমিউনিটিভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক একটি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করেছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় পর্যায়ক্রমে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাগান্না বাওড় এবং কালীগঞ্জ উপজেলার সারজাদ বাওড় ও মারজাদ বাওড় খনন ও পুনঃখনন, তিনটি মাছের অভয়াশ্রম স্থাপন, ৩০টি বিল নার্সারি প্রতিষ্ঠা, উন্নতমানের মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং স্থানীয় উপকারভোগীদের অংশগ্রহণে জলাশয়গুলোর টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হবে। ম minister বলেন, প্রস্তাবিত প্রকল্পটির জনবল কমিটির সভা গত ২২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) বিবেচনার অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি আরও জানান, অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলজ আবাসস্থলের উন্নয়নের লক্ষ্যে জলাশয় পুনরুদ্ধার বিষয়ক আরেকটি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলমান রয়েছে। সমীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে দেশের তিন পার্বত্য জেলা বাদে সব উপজেলার জন্য একটি প্রকল্প প্রণয়ন করা হবে বলেও সংসদকে জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%