১০:২৪ এম
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস বা ‘আইআরজিসি’ জর্ডানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক বিমান ঘাঁটি ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের ওপর শক্তিশালী ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বিধ্বংসী হামলার দাবি করেছে।
তেহরান জানিয়েছে, তারা বিশেষ এই অভিযানে মোট ১২টি দূরপাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর মাধ্যমে ঘাঁটিতে মোতায়েন মার্কিন বিমান বাহিনীর অত্যাধুনিক এফ-৩৫, এফ-১৫ ও এফ-১৬ মডেলের যুদ্ধবিমান এবং মার্কিন সেনাদের ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে সরাসরি নিশানা করা হয়।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের এলিট ফোর্স জর্ডানের আল-আজরক বিমান ঘাঁটিতে এই বৃহৎ সামরিক অভিযানটি চালায়। সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আমেরিকার সাম্প্রতিক বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সংঘাতের অংশ হিসেবেই ইরান এই পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ নিয়েছে।
আরও পড়ুন: ট্রেনের ধাক্কায় ফরহাদের স্বপ্ন থেমে গেল
এর আগে, তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের প্রধান মজিদ মুসাভি মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন এবং পুরো অঞ্চলে মার্কিনিদের জন্য এক ‘জাহান্নাম’ তৈরি করার হুঁশিয়ারি দেন। তিনি মার্কিন প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আপনারা কি পবিত্র হরমুজ প্রণালিকে অনিরাপদ করে তুলছেন?! আমরা ইরানের সব প্রান্ত থেকে এই অঞ্চলকে আপনাদের জন্য নরক বানিয়ে ছাড়ব।’
ইরানি এই শীর্ষ সামরিক কমান্ডার আরও স্পষ্ট করেছেন যে জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে চালানো রকেট এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মূলত মধ্যপ্রাচ্যের মাটিতে আমেরিকার অতিরিক্ত দুঃসাহস এবং আগ্রাসী আচরণের একটি দাঁতভাঙা জবাব। তিনি আল্লাহর নাম স্মরণ করে এই অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি পুরোপুরি বিপন্ন করে তোলার জন্য তাদের সামরিক বাহিনীর দৃঢ় প্রতিজ্ঞার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
সূত্র: আল জাজিরা
আরও পড়ুন: ডালাসের ডিএফডব্লিউ বিমানবন্দরের টার্মিনালে চারটি নতুন গেট চালু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন