ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ফেসবুক লাইভে এসে যুবকের আত্মহত্যা


ফেসবুক লাইভে এসে যুবকের আত্মহত্যা

বাগেরহাটে ২৬ বছর বয়সী যুবক লিমন মোল্লা, যিনি হৃদয় নামেও পরিচিত, ফেসবুক লাইভে এসে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করছেন।

এটি বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে ঘটেছে জেলার মোরেলগঞ্জের নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের উমাজুরি গ্রামে।

নিহত লিমন মোল্লা, যিনি হৃদয় নামেও পরিচিত, মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের উমাজুরি গ্রামের সিরাজ মোল্লার পুত্র। হৃদয় ছিল তার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান এবং ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত ছিলেন এবং এক কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে পরকীয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লিমন মোল্লা রাত ১২টার দিকে নিজের ঘরে ছিলেন। তিনি মোবাইলে ফেসবুক লাইভে এসে ঘরের আড়ার সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ সময় তিনি তার বাড়িতে একাই ছিলেন।

লিমনের বাবা সিরাজ মোল্লা বলেন, আত্মহত্যার আগে লিমনের স্ত্রীর সাথে কথা হয়েছে, যিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। মানসিক চাপ, পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন।

মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহামুদুর রহমান জানান, রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার জন্য একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শিবচরের তিন সেতুর কাজ নানা জটিলতায় থমকে আছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাদি হত্যা মামলায় জাবের বাদী কেন? প্রশ্ন মাসুমা হাদির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


হাদি হত্যা মামলায় জাবের বাদী কেন? প্রশ্ন মাসুমা হাদির

হাদি হত্যা মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের কেন বাদী হয়েছেন, এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার বোন মাসুমা হাদি। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাদি হত্যা মামলার বাদী নিয়ে ‘নোংরামি’ ও ‘মিথ্যাচার’ চলছে।

শুক্রবার (৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি দীর্ঘ পোস্টে সেসময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন মাসুমা। মামলার বাদীর সাক্ষর নেওয়া নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।

মাসুমা হাদি লিখেছেন, "আমি আমার ভাইয়ের মামলার বাদী নিয়ে কিছুই বলতে চাচ্ছিলাম না। কারণ এর চেয়েও অনেক ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চালিয়েছে আমাদের পরিবারের বিরুদ্ধে।"

তিনি আরও জানিয়েছেন, "সেই বিষয়েও এখন অব্দি আমি মুখ খুলিনি। শুধুমাত্র আমার ভাইয়ের জন্য। আমি মুখ খুললে সবার একটাই প্রশ্ন সামনে আসবে যে, আমার ভাইয়ের কাছে যারা থাকে, তার পরিবারকে নিয়ে এই ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে কীভাবে লিপ্ত হতে পারে। কিন্তু দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে যে পরিমাণ নোংরামি হচ্ছে বাধ্য হয়ে আজকে সম্পূর্ণ বিষয়টা পরিষ্কার করলাম।"

ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার দিনের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি লেখেন, "আমার ভাই যেদিন গুলিবিদ্ধ হলো, সেই সংবাদ শোনা মাত্র আমি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিই, এবং সরাসরি এভার কেয়ার হাসপাতালে চলে যাই। হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে আমি এক মিনিটের জন্যও হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় যেতে পারিনি।"

তিনি প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রেখে বলেন, "এখন আমার প্রশ্ন প্রশাসনের লোক এভার কেয়ারে এসে জাবেরের কাছ থেকে সাইন নিল কেন? আর আমি উপস্থিত থাকাকালীন জাবের সাইন দিবে কেন? এ নিয়ে আমি বহুবার প্রশ্ন করেছি।"

মাসুমা বলেন, "মামলার বাদীর ব্যাপারে কার কাছে বলছে, কে বলছে যে, আমরা নিরাপত্তার জন্য বাদী হতে চাই না। এটা পরিষ্কার করতে হবে। জাবের যদি আমার নলছিটির ছেলে না হতো, তা কোন প্রশ্ন ছিল না।"

তিনি জানান, "কারণ আমার ওসমান গণির সাথে যারা দীর্ঘ দিন চলাফেরা করছে, এমন কোন লোক নেই যারা জানে না ওসমান গণির জীবনে তার ছোট আপু কতটা জড়িয়ে। এবং তার ছোট আপু ওসমান গণির জন্য জীবন দিতে এক সেকেন্ড চিন্তা করে না।"

এরপর তিনি চিকিৎসার বিষয় নিয়েও বলেন, "আমার ভাই যখন এভার কেয়ারে ছিল, তখন অনেকেই আমার ভাইয়ের চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন। আমরা পারিবারিকভাবে কেউ সম্মতি জানাইনি।"

মাসুমা শেষ পর্যন্ত জানান, "আমি এগুলো কাউকে জানাতে চাইনি। কারণ আমার জন্য ওসমান গণিকে হারিয়ে বেঁচে থাকা কত কঠিন হয়ে যাচ্ছে সেটা আল্লাহ ছাড়া দুনিয়ার বুকে কারোর বোঝা সহজ নয়। কিন্তু বাধ্য হলাম একজন বিপ্লবীকে সম্মান করতে হলে তার পরিবারকে নিয়ে কীভাবে এত মিথ্যাচার করা যায়। সম্মান করতে না পারলে, কিন্তু কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কোথায় পেলেন।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার পদ্ধতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


নতুন এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করার পদ্ধতি

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) শুধু পরিচয়ের প্রমাণ নয়। এটা ছাড়া পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, বিকাশ-নগদ ব্যবহার করা, এমনকি মোবাইলের সিম কেনার কাজেও বিভিন্ন ঝামেলায় পড়তে হয়।

আপনি যদি নতুন ভোটার হয়ে থাকেন এবং ছবির পাশাপাশি আঙুলের ছাপ দিয়েও থাকেন; কিন্তু এখনো আপনার কার্ড হাতে পাননি, তাহলে চিন্তার কিছু নেই। বর্তমানে আপনি আপনার বাড়ির সান্ত্বনায় বসেই অনলাইনে এনআইডি কার্ডের ডিজিটাল কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।

চলুন ধাপে ধাপে আমরা জেনে নিই কিভাবে আপনি মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে নতুন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করবেন।

কী লাগবে - ভোটার নিবন্ধনের সময় প্রাপ্ত ফরম নম্বর (এর শুরুতে NIDFN লিখতে হবে)

- আপনার জন্মতারিখ

- নিবন্ধনের সময় যা মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছিলো

- স্মার্টফোনে NID Wallet App (ফেস ভেরিফিকেশনের জন্য)

নতুন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করার প্রক্রিয়া:

প্রথমে ব্রাউজারে যান: https://services.nidw.gov.bd/nid-pub/

Register বা ‘নিবন্ধন’ বাটনে ক্লিক করুন।

প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করুন:

- ফরম নম্বর (যেমন: NIDFN123456789)

- জন্মতারিখ

- নিচে থাকা ভেরিফিকেশন কোডটি লিখে Submit করুন।

ঠিকানা দিন:

আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা লিখুন।

মোবাইল নম্বর ভেরিফাই করুন:

- আপনার মোবাইলে একটি OTP (একবার ব্যবহারযোগ্য কোড) যাবে।

- এই কোডটি ব্যবহার করে মোবাইল নম্বর নিশ্চিত করুন।

- প্রয়োজন হলে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন।

ফেস ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করুন:

- এবার আপনাকে ফেস ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করার জন্য বলা হবে।

এজন্য আপনার মোবাইলে NID Wallet App থাকতে হবে, যা ব্যবহার করে নির্দিষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী ফেস স্ক্যান করুন।

কাজ শেষ! এখন ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করুন।

যখন ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হবে, আপনি NID সেবা ড্যাশবোর্ডে প্রবেশ করতে পারবেন। নিচের দিকে Download অপশন থেকে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের PDF কপি ডাউনলোড করতে পারবেন।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:

- ফরম নম্বর না থাকলে, নিবন্ধনের সময় মোবাইলে আসা SMS-এ দেওয়া ID নম্বর ব্যবহার করা যেতে পারে।

- ফেস ভেরিফিকেশন ছাড়া ডাউনলোড করা সম্ভব নয়।

- ডাউনলোড করা কপি সরকারি কাজে প্রাথমিকভাবে ব্যবহার করা যাবে, তবে স্মার্ট কার্ড পেতে কিছু সময় লাগতে পারে।

সমস্যা হলে আপনি কী করবেন?

যদি ওয়েবসাইটে লগইন করতে সমস্যা হয়, তাহলে আবার চেষ্টা করুন অথবা স্থানীয় ইসি অফিসে যোগাযোগ করুন। প্রয়োজনে NID Helpline (১০৫)-এ ফোন করে সহায়তা নিতে পারেন।

জাতীয় পরিচয়পত্রের ডিজিটাল কপি এখন আপনার হাতের মুঠোয়। আর অপেক্ষা করবেন না—আপনার আইডি নিজের মাঝে ডাউনলোড করুন, নিরাপদ থাকুন এবং সচেতন থাকুন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসপাতালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে ধর্ষণ, ওয়ার্ডবয় আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


হাসপাতালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে ধর্ষণ, ওয়ার্ডবয় আটক

লক্ষ্মীপুর জেলায় এক হাসপাতালে কক্ষে ডেকে নিয়ে ১১ বছর বয়সী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরের উপর বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় রিমন হোসেন নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। রিমন জেলার আল মানার হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় হিসেবে কর্মরত আছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ঝলক মোহন্ত এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

ঘটনা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে আল-মানার হাসপাতালে এই ঘটনা ঘটে। পরে রাতে খবর পেয়ে পুলিশ অভিযুক্ত রিমনকে আটক করে।

রিমন লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১০নং ওয়ার্ড মজুপুর এলাকার মো. সেলিমের সন্তান।

ভুক্তভোগী কিশোরের মায়ের বক্তব্য মতে, হাসপাতালের পাশেই তাদের বসবাস। তিনি জানান, তার ছেলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী। ছেলে নামাজ পড়তে বের হন এবং কখনও কখনও আল-মানার হাসপাতালে গিয়ে টেলিভিশন দেখেন। রিমন তাকে একটি কক্ষে ডাকেন এবং সেখানে বলাৎকার করেন। মা বলেন, “আমার ছেলে চিৎকার চেচামেচিও করেছে।” পরবর্তীতে সে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে ঘটনাটি তার বন্ধুদের জানায়।

তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় তিনি মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। "আমি রিমন নামের ওই ছেলেটির বিচার চাই। ভবিষ্যতে কেউ যেন এমন ঘটনা না ঘটাতে পারে, সেজন্য তার বিচার হওয়া অবশ্যই প্রয়োজন।"

পুলিশ পরিদর্শক ঝলক মোহন্ত বলেন, আল-মানার হাসপাতালের ৩য় তলার একটি কক্ষে ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয়কে পুলিশ আটক করেছে এবং এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার বল নিজেই ধরবে অফসাইড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


এবার বল নিজেই ধরবে অফসাইড

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন কোনো বিষয় নয়। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্যবহৃত হতে যাচ্ছি অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রাইওন্ডা’ প্রযুক্তিগত উন্নয়নের এক নতুন মাত্রা যোগের জন্য প্রস্তুত। উন্নত সেন্সর, রিয়েল-টাইম ডেটা আদান-প্রদান এবং আধুনিক নকশার সমন্বয়ে তৈরি এই বলকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আধুনিক ‘স্মার্ট বল’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ক্রীড়াসামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস তৈরি করেছে ২০২৬ বিশ্বকাপের এই অফিসিয়াল বল। ‘ট্রাইওন্ডা’ নামটি এসেছে ইংরেজি শব্দ Tri এবং স্প্যানিশ শব্দ Onda থেকে। Tri নির্দেশ করে বিশ্বকাপের তিন স্বাগতিক দেশ কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রকে। আর Onda অর্থ ‘ঢেউ’। তাই নামটির অর্থ দাঁড়ায় ‘তিন দেশের ঐক্যের ঢেউ’।

বলের নকশাতেও ফুটে উঠেছে তিন আয়োজক দেশের পরিচয়। এতে স্থান পেয়েছে কানাডার ম্যাপল লিফ, মেক্সিকোর ঈগল এবং যুক্তরাষ্ট্রের তারার প্রতীক। লাল, সবুজ ও নীল রঙের সমন্বয়ে তৈরি নকশা যৌথ আয়োজনের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

ট্রাইওন্ডার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর ‘কানেক্টেড বল’ প্রযুক্তি। বলটির ভিতরে সংযুক্ত করা হয়েছে ৫০০ হার্টজের একটি মোশন সেন্সর, যা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। এই সেন্সর বলের গতি, অবস্থান, স্পর্শ এবং গতিপথ সম্পর্কিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) সিস্টেমের কাছে পাঠাবে।

ফলে অফসাইড, হ্যান্ডবল কিংবা বল স্পর্শসংক্রান্ত বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অনেক দ্রুত এবং আরও নির্ভুলভাবে নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অনেকের মতে, এই প্রযুক্তির কারণে ভবিষ্যতে বিতর্কিত সিদ্ধান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, স্মার্ট বল প্রযুক্তি প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল ২০২২ বিশ্বকাপে। তবে ট্রাইওন্ডায় সেই প্রযুক্তির আরেকটি উন্নত সংস্করণ যুক্ত করা হয়েছে, যা ম্যাচ পরিচালনায় রেফারিদের কার্যকর সহায়তা দেবে।

প্রযুক্তিগত দিক ছাড়াও বলটির গঠনেও রয়েছে নতুনত্ব। ট্রাইওন্ডা তৈরি করা হয়েছে মাত্র চারটি প্যানেল দিয়ে, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে কম প্যানেলযুক্ত বল হিসেবে মনে করা হচ্ছে। অ্যাডিডাসের দাবি, এই নকশা বলের উড্ডয়নকে আরও স্থিতিশীল করবে, নিয়ন্ত্রণ বাড়াবে এবং গতিপথকে আরও পূর্বানুমানযোগ্য করে তুলবে। ফলে খেলোয়াড়রা বল নিয়ন্ত্রণ এবং পাসিংয়ে বাড়তি সুবিধা পাবেন।

সেন্সরচালিত প্রযুক্তি সচল রাখতে বলটির ভিতরে থাকা চিপ নিয়মিত চার্জ দিতে হয়। পূর্ণ চার্জে এটি প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে এবং অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ। ১১ জুন মেক্সিকো সিটিতে পর্দা উঠবে টুর্নামেন্টের, আর ১৯ জুলাই নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

ফুটবলের ঐতিহ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরি ট্রাইওন্ডা শুধু একটি ম্যাচ বল নয়, বরং বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রযুক্তিনির্ভর নতুন যুগের প্রতীক বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%