১১:৩২ পি.এম
সরকার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে নিয়োগ দিয়েছে। একই সময়ে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. জাকির হোসেন খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া।
সোমবার (১৭ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের বিষয়টি প্রকাশ করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৮ ধারার উপধারা (১) অনুযায়ী তাদের কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: নওগাঁয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ
এছাড়াও, প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, একই আইনের ৫ ধারার উপধারা (১) অনুযায়ী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের জন্য নির্ধারিত বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারকের সমপর্যায়ের। অন্যদিকে, কমিশনার ড. জাকির হোসেন খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়ার জন্য বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমপর্যায়ের নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে নিয়োগ প্রাপ্তদের পরিচয় উল্লেখ করা হলেও, তাদের বিস্তারিত কর্মপরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
এর আগে, গত ২ জুলাই দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদে নিয়োগের জন্য আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটি রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ পাঠানোর জন্য এসব জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান জানিয়েছিল।
আরও পড়ুন: জাতীয় প্রেস ক্লাবের ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রেখে উন্নয়ন প্রয়োজন
আইনের অধীনে, দুদক সর্বোচ্চ পাঁচজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে এবং রাষ্ট্রপতি থেকে একজনকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। কমিশনার হওয়ার জন্য আইন, বিচার, প্রশাসন, শিক্ষা, হিসাব-নিরীক্ষা, শৃঙ্খলা বাহিনী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে কমপক্ষে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন