ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে কর কমানোর দাবি


বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে কর কমানোর দাবি

সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, যিনি এপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মনে করেন যে, বাংলাদেশের করকাঠামোয় বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।  বেসরকারি খাতের বিকাশ এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণে এই সংস্কার অত্যন্ত জরুরি।  বর্তমান ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ করপোরেট করহার তিনি আঞ্চলিক প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় বেশি বলে উল্লেখ করেন।  এ কারণে, বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও আকর্ষণীয় করার জন্য ভিয়েতনামের মতো করপোরেট কর ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত।  সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর আরও বলেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শুধু করের হার নয়, বরং নীতির অনিশ্চয়তা এবং প্রশাসনিক জটিলতা।  ব্যবসায়ীরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হন, কারণ নীতি ও কর ব্যবস্থায় ঘন ঘন পরিবর্তন ঘটে।  তিনি এখানে অন্তত তিন বছরের জন্য স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য করনীতি নিশ্চিত করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।  দেশের বাণিজ্য ও সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতা উল্লেখ করে সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বিমানবন্দরের গুদাম ব্যবস্থাপনার সমালোচনা করেন।  তিনি বলেন, আধুনিক সংরক্ষণ সুবিধার অভাবে প্রতিদিন কয়েক শ মিলিয়ন ডলারের কাঁচামাল ও পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যা দেশের রপ্তানি ও শিল্প খাতের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ।  কর প্রশাসনের আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রচলিত পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল ও ঝুঁকিভিত্তিক (রিস্ক-বেইস্ড) অডিট ব্যবস্থা চালু করা হলে কর আদায়ের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যবসায়ীদের হয়রানিও কমতে পারে।  স্বাস্থ্য খাত নিয়েও উদ্বেগ পোষণ করেছেন সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, তিনি বলেন, দেশে মোট চিকিৎসা ব্যয়ের প্রায় ৭৪ শতাংশই জনগণকে নিজেদের পকেট থেকে বহন করতে হয়।  এটি একটি উন্নয়নশীল অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক।  স্বাস্থ্যসেবার মান ও সক্ষমতা বাড়াতে এ খাতে আরও বেশি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, তিনি এক্ষেত্রে মতামত দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঔষধ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ এম


ঔষধ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

দেশের বাজার এখন নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধে সয়লাব হয়ে আছে। গ্যাস্ট্রিক, ব্যথানাশক, অ্যান্টিবায়োটিক এবং ডায়াবেটিসের ওষুধ থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাদ্য সম্পূরক ও হারবাল পণ্য কিনে বিপদে পড়ছে মানুষ।

এছাড়া সমাজমাধ্যমে অনুমোদনহীন ওষুধ ও স্বাস্থ্যপণ্য বিক্রির প্রবণতা নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। এসব ভেজাল ওষুধ সেবনের ফলে রোগ সারার পরিবর্তে জটিলতা বাড়ছে এবং তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে রোগীর জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ছে। সবার চোখের সামনে রীতিমতো বিজ্ঞাপন দিয়ে এসব প্রতারণা চললেও ঔষধ প্রশাসন কার্যত নীরব রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, বাজারে নকল ওষুধের বিস্তার রোধে আইন থাকলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই ঔষধ প্রশাসনের।

চিকিৎসকরা স্বীকার করেছেন যে রোগীরা নিয়মিত ওষুধ খাওয়ার পরেও তাদের প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার ঘটনা বাড়ছে। পরে দেখা যাচ্ছে, ব্যবহৃত ওষুধটি নকল বা নিম্নমানের ছিল। বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই প্রবণতা অত্যন্ত বিপজ্জনক। নিম্নমানের অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে জীবাণুর ওষুধ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, যা ভবিষ্যতে চিকিৎসাকে আরও জটিল করে তোলে।

স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অসাধু চক্র নামি কোম্পানির ওষুধের মোড়ক ও ডিজাইন হুবহু নকল করে বাজারজাত করছে। যদিও ওষুধের বাজার ক্রমাগত বড় হচ্ছে তবে সে অনুপাতে পরিদর্শক, পরীক্ষাগার এবং নজরদারি ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়নি। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক ফার্মেসি ও বিক্রয়কেন্দ্র নিয়মিত তদারকির বাইরে থাকে। সমাজমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রতি দিন ২৪ ঘণ্টা অসংখ্য চটকদার ভিডিও বিজ্ঞাপন চলছে। এসব বিজ্ঞাপনে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত ওজন কমানো, যৌনশক্তি বৃদ্ধি, কিডনি ও লিভারের রোগ নিরাময়সহ নানা ধরনের অবাস্তব দাবি করা হয়।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব পণ্যের অধিকাংশই বৈজ্ঞানিক ভিত্তিহীন। অনেক ক্ষেত্রে পণ্যের প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা স্পষ্ট থাকেনা এবং কিছু পণ্যের কোনো সরকারি নিবন্ধন বা অনুমোদন নেই। তবু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহজেই এসব পণ্য বিক্রি করা হচ্ছে।

রাজধানীর কয়েকজন ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, অনলাইনে বিজ্ঞাপন দেখে ওজন কমানোর ওষুধ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের কথিত হারবাল পণ্য কিনে খাওয়ার পর তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। কিন্তু পরে বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। দেশে ওষুধ উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রয়ের নিয়ন্ত্রণে 'ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩' কার্যকর রয়েছে। আইনে নকল, ভেজাল বা অনুমোদনহীন ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ওষুধের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, নিবন্ধন এবং বাজার তদারকির দায়িত্ব পালন করে।

ভোক্তা অধিকার কর্মীরা বলছেন, আইনের কার্যকর প্রয়োগ এবং নিয়মিত নজরদারির অভাবে অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগ পাচ্ছেন। বাজারে অভিযান পরিচালনা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। দেশের বিপুলসংখ্যক ফার্মেসি, অনলাইন বিক্রয় চ্যানেল এবং সরবরাহ ব্যবস্থার তুলনায় তদারকি সক্ষমতা এখনো সীমিত। চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলছেন, নকল বা ভেজাল ওষুধে প্রয়োজনীয় কার্যকর উপাদান না থাকলে রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। আবার কিছু ক্ষেত্রে ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান মেশানো থাকায় কিডনি, লিভার ও হৃদ্যন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ অথবা ক্যানসারের মত দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্তদের জন্য এ ঝুঁকি আরও বেশি। কারণ দীর্ঘদিন নিয়মিত ওষুধ সেবন করার কারণে ওষুধের গুণগত মানের ওপর তাদের চিকিৎসার সাফল্য নির্ভর করে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নকল ও ভেজাল ওষুধের বিস্তার শুধু একটি বাণিজ্যিক অপরাধ নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, ঔষধ প্রশাসন, চিকিৎসক, ফার্মেসি মালিক এবং ভোক্তা সবার সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা করা কঠিন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মূল্য সমন্বয়ের পর নতুন দরে বিক্রি হচ্ছে সোনা, ভরি কত পড়ছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১১ এম


মূল্য সমন্বয়ের পর নতুন দরে বিক্রি হচ্ছে সোনা, ভরি কত পড়ছে?

ঈদের পর দেশে সোনার দাম দ্বিতীয় দফায় কমার পর আজ নতুন প্রাইজে বিক্রি হচ্ছে সোনা। ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

গতকাল শনিবার (৬ জুন) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানায়। নতুন করে দামে পরিবর্তন না আসায় আজ রবিবারও (০৭ জুন) একই দামে বিক্রি হবে সোনা।

বাজুসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা।

এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে, ২ জুন ঈদের পর প্রথমবার দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস।

সেসময় ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা নির্ধারণ করে সংগঠনটি।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ এম


আজ শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং এটি প্রথম বাজেট অধিবেশন আজ বসছে। রবিবার (৭ জুন) বিকেল ৩টায় এই অধিবেশন শুরু হবে। এই অধিবেশনে আগামী ১১ জুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সরকার এবং বিরোধী দলের সদস্যদের আলোচনা শেষে ৩০ জুন বাজেট পাস হওয়ার কথা রয়েছে।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজেট অধিবেশনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে সংসদ সচিবালয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংসদ অধিবেশন আহ্বানের পর থেকেই এই প্রস্তুতি শুরু হয়।

রবিবার বিকেল ৩টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হবে। অধিবেশন শুরুর পূর্বে সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যসূচি চূড়ান্ত হবে। অধিবেশনকে সামনে রেখে সংসদ ভবন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর কিছু এলাকায় শনিবার (৬ জুন) থেকে আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ সব ধরনের শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

সংসদ সচিবালয়ের প্রকাশিত অধিবেশনের কার্যসূচি অনুযায়ী, প্রথম দিনে অধিবেশনের শুরুতে সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন ও শোকপ্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। এরপর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের প্রশ্নোত্তর তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর সাথে ‘জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১)’ এর আওতায় প্রাপ্ত নোটিশগুলো নিষ্পত্তি করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৈশ্বিক অস্থিরতায়ও তৈরি হয়েছে অতিরিক্ত চাপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ এম


বৈশ্বিক অস্থিরতায়ও তৈরি হয়েছে অতিরিক্ত চাপ

মাশরুর আরেফিন, সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), মনে করেন যে ব্যবসায়ীদের আস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য কেবল দেশীয় নয়, বৈশ্বিক বিভিন্ন অনিশ্চয়তার অবসানও প্রয়োজন। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, কভিড-পরবর্তী অর্থনৈতিক অভিঘাত, সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং ইরানকে ঘিরে চলমান অস্থিরতা ব্যবসায়ীদের ওপর ধারাবাহিক চাপ সৃষ্টি করেছে।

লম্বা সময় ধরে ডলার-টাকার বিনিময় হারের অস্থিরতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি এই দুর্বলতা ব্যবসায়ীদের জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান মাশরুর আরেফিন উল্লেখ করেছেন যে মূল্যস্ফীতির সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সুদহারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গিয়ে ঋণের সুদহারও তুলনামূলক বেশি রাখতে হচ্ছে। এই অবস্থার কারণে ব্যবসায়ীরা কম খরচে অর্থায়ন পাওয়ার সুযোগ হারাচ্ছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আশাবাদী।

মাশরুর আরেফিনের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি যে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, তা দেশের অর্থনীতির জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে কাজ করতে পারে। এই তহবিল থেকে যদি ব্যবসায়ীরা নির্ধারিত ও সহনীয় সুদের হার নিয়ে ঋণ পান, তবে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়বে এবং বিনিয়োগে নতুন গতি আসবে।

তিনি আরও বলেছেন যে জ্বালানি খাতের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা জরুরি, যাতে দেশের শিল্প ও বিনিয়োগ পরিবেশকে শক্তিশালী করা সম্ভব হয়। তাঁর বিশ্বাস, সরকার চাইলে এই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব।

মাশরুর আরেফিনের বক্তব্য, বর্তমান পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং হলেও আশাবাদী হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষিত প্রণোদনা কর্মসূচি এবং সামষ্টিক অর্থনীতিতে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফিরে এলে ব্যবসায়ীদের আস্থা পুনরুদ্ধার হবে এবং বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি তৈরি হবে। যদিও ব্যবসায়িক পরিবেশে বিনিয়োগকারীদের আস্থা এখনও পুরোপুরি ফিরে আসেনি, তবে সময়ের সাথে সেই অবস্থা পরিবর্তিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

বর্তমানে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশেরও নিচে রয়েছে, যা গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন। কিন্তু এ পরিসংখ্যানকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখলে বাস্তব চিত্র বোঝা যাবে না। অতীতে যখন ঋণ প্রবৃদ্ধি ১৫ শতাংশ বা তার বেশি ছিল, তখন সেই ঋণের একটি বড় অংশ ছিল বেনামি বা অনিয়মের মাধ্যমে বিতরণ করা ঋণ। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংক খাত থেকে উদঘাটিত অনিয়মিত ঋণের পরিমাণ বিবেচনায় নিলে প্রকৃত ঋণ প্রবৃদ্ধি অতীতে এত বেশি ছিল না, এ বিষয়ে তাঁর মতামত। সত্যিকার অর্থে, ঋণ প্রবৃদ্ধি সম্ভবত ৬ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যেই ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%