ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাটোরের ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বে তুলে ধরতে চাই: পর্যটন মন্ত্রী


নাটোরের ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বে তুলে ধরতে চাই: পর্যটন মন্ত্রী

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি বলেছেন, "নাটোরের ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বে তুলে ধরতে চাই।" এই উদ্দেশ্যে সরকার কাজ শুরু করবে পর্যটন বিভাগের মাধ্যমে।

বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী শনিবার সকালে নাটোরের রাণী ভবানী রাজবাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই কথাগুলো বলেছেন।

তিনি আরো বলেন, "নাটোরের পাশাপাশি দেশের সম্ভাবনাময় প্রতিটি স্থানের পর্যটনকে জনপ্রিয় করতে কাজ শুরু করেছে সরকার।" এই উদ্দেশ্যে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন স্পট। তারা পর্যায়ক্রমে এসব স্পটগুলোকে পর্যটন হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চান।

আরও পড়ুন: হুথিদের হামলার হুমকির মধ্যেই রিয়াদ বিমানবন্দর পুনরায় চালু করল সৌদি আরব

"পৰ্যটন স্পটের উন্নয়নের সাথে সাথে পর্যটকদের আবাসন, চিকিৎসা প্রভৃতি সুবিধা প্রদান করাও হবে হাবের অন্তর্ভুক্ত।"

নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাড. এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, নাটোর জেলা পরিষদের প্রশাসক রহিম নেওয়াজ এবং নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আবুল হায়াত এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আফরোজা খানম নাটোরের পর্যটন সম্ভাবনা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করার জন্য দুই দিনের সফরে গতকাল শুক্রবার নাটোরে আসেন। গতকাল তিনি নাটোরের উত্তরা গণভবন এবং মিনি কক্সবাজার খ্যাত হালতি বিল পরিদর্শন করেন।

আরও পড়ুন: জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র সফর করলেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারের কাজে কোনো গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৫ পি.এম


সরকারের কাজে কোনো গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী : রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সরকার যদি কোনো ক্ষেত্রে গাফিলতি করে, তাহলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠোর নির্দেশনা দিচ্ছেন। আমলাতন্ত্রের যেই ব্যক্তি হোক বা রাজনৈতিক ব্যক্তি—যদি দায়িত্ব পালন করতে অবহেলা করে, তাহলে প্রধানমন্ত্রী শক্ত হাতে ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

আজ শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ক্র্যাব মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি ছিল রোটারিয়ান এম নাজমুল হাসান সম্পাদিত "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাঁচমাসের উন্নয়ন যাত্রা" গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন এবং "আগামীর বাংলাদেশ" শীর্ষক আলোচনা সভা।

রুহুল কবির রিজভী বইয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে মন্তব্য করেন, বই অন্ধকার ঘোচাতে বাতির মতো কাজ করে, এটি একটি বড় প্রদীপের মতো। মানবসভ্যতার অগ্রগতিতে বইয়ের বিকল্প নেই। বর্তমানে আমরা মাইক্রোফোনে কথা বলছি, টেলিভিশন ক্যামেরায় ছবি ধারণ হচ্ছে, অডিও রেকর্ড হচ্ছে এবং সাংবাদিকেরা আমাদের বক্তব্য লিখে রাখছেন—এসবই বিজ্ঞানের অবদান।

তিনি উল্লেখ করেন, বিজ্ঞানীরা যেসব তত্ত্ব ও থিওরি তৈরি করেছেন, সেগুলো বই আকারে প্রকাশিত হওয়ার জন্যই পরবর্তী প্রজন্ম সেগুলো পড়তে পেরেছে, চর্চা করেছে এবং সেখান থেকে প্রতিটি শতাব্দীতে নতুন কিছু আবিষ্কার করেছে। সুতরাং বইয়ের কোনো বিকল্প নেই।

বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে রিজভী বলেন, বই না পড়লে, যদি আমরা জ্ঞান অর্জন না করি এবং ন্যূনতম শিক্ষায় শিক্ষিত না হই, তাহলে আমাদের মনের জগত ও বিশ্বজগত—দুটোই অন্ধকার থাকবে। বই হচ্ছে মনের জগতের পাসপোর্ট।

এই পাসপোর্ট অর্জন করতে পারলে, তাহলে মনের জগতের পাশাপাশি বহির্জগতের অন্ধকারও দূর করা সম্ভব।

সরকারের পাঁচ মাসের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরতে গিয়ে রিজভী বলেন, নির্বাচিত সরকারকে নিয়ে নানা আলোচনা চলছে তারেক রহমানের সরকার সম্পর্কে। কিন্তু, এই পাঁচ মাসে সরকার কী করেছে, তার পরিসংখ্যানসহ বিভিন্ন ঘটনাবলি বইটিতে প্রতিটি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। জাতি এসব জানে এবং দেখেছে। তবে সমস্ত তথ্য একত্র করে সুসংগঠিতভাবে উপস্থাপন করা হলে তা একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হয়ে উঠবে।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরে বিএনপির মুখপাত্র রিজভী জানান, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন এবং সামনে হেলথ কার্ড চালুর প্রতিশ্রুতি রয়েছে। গ্যাস সংকট মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন, সেটির একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র বইটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় আসার পরপরই সেগুলো বাস্তবায়নে তিনি বাংলাদেশের মাঠে-মাঠে, হাটে-ঘাটে ও বন্দরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। দিনের পর দিন তিনি কাজ করছেন এবং তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিজে দেখছেন।

রিজভী পাশাপাশি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে কোনো গাফিলতি করছেন না। যদি কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করে, তাহলে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন। সেটা আমলাতন্ত্রের মানুষ হোক বা বুরোক্রেসির লোক বা রাজনৈতিক ব্যক্তি—গাফিলতির বিরুদ্ধে তিনি শক্ত হাতে পদক্ষেপ নিচ্ছেন। একই সঙ্গে যারা কাজ করছেন তাঁদের অনুপ্রাণিত করছেন এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য উৎসাহিত করছেন।

তিনি আরো বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে ও প্রধানমন্ত্রীত্বে বিএনপি বা জোট সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে এবং যেগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে, সেসবের বিশদ বর্ণনা বইটিতে পাওয়া যাবে।

সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার নিয়ে রিজভী বলেন, বর্তমানে যেসব ব্যক্তি সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে, তারা সরকারের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এই বই তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী-এর কর্মকাণ্ড ও জনগণের প্রতি তাঁর নিবেদনসহ তথ্য-উপাত্ত ও পরিসংখ্যান নিয়ে একটি গ্রন্থ রচিত হলে সেটি সকলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে থাকবে।

তিনি জানান, তখন মানুষ জানতে পারবে, যারা সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি তৈরি করছে এবং মিথ্যাভিত্তিক কথা বলছে, তারা মূলত সরকারের ভালো কাজগুলোকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সংঠনের উপদেষ্টা রোটারিয়ান নাজমুল হাসান, সংগঠনের সভাপতি সাইদুর রহমান, সংসদ সদস্য এডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তৌহিদ আউয়াল প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন সৎকার কেন্দ্রে মিলল ৫৬ পচনধরা মরদেহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:১৯ পি.এম


মার্কিন সৎকার কেন্দ্রে মিলল ৫৬ পচনধরা মরদেহ

যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর একটি সৎকার কেন্দ্রে ৫৬টি মরদেহ সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা হয়েছিল। এর মধ্যে কয়েকটি মরদেহ বিভিন্ন মাত্রায় পচে গিয়েছিল।

পুলিশ এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শিকাগোর সাউথ শিকাগো চ্যাপেলে এসব মরদেহ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর সেখানকার একজন পরিচালকের লাইসেন্স সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

ঘটনাটি আরো গুরুতর হয়ে উঠেছে কারণ, সাউথ শিকাগো চ্যাপেলের সঙ্গে যুক্ত এক দম্পতি আগে একটি মরদেহ দাহ করার প্রতিষ্ঠান চালাতেন। সেখানেও ঠিকভাবে রাখা হয়নি এমন মরদেহ পাওয়া গিয়েছিল। দাহ করার পর পরিবারের কাছে ফেরত না দেওয়া শত শত মানুষের দেহাবশেষও সেখানে পাওয়া যায়।

পরে কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেয়। সর্বশেষ ঘটনা প্রকাশ্যে আসার কয়েক মাস আগে স্থানীয় বাসিন্দারা সাউথ শিকাগো চ্যাপেল থেকে তীব্র দুর্গন্ধ আসার অভিযোগ করেছিলেন। পরে সেখানে পচে যাওয়া মরদেহ পাওয়ার বিষয়টি সামনে আসে।

 

কুক কাউন্টি মেডিকেল পরীক্ষকের কার্যালয় জানিয়েছে, ইলিনয় অঙ্গরাজ্য এবং স্থানীয় কর্মকর্তারা তাদের জানান যে, সাউথ শিকাগো চ্যাপেলে ৫৬টি মরদেহ সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা হয়নি। এরপর বৃহস্পতিবার সেখানে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও মরদেহ পরীক্ষার বিশেষজ্ঞদের পাঠানো হয়।

তারা মরদেহগুলোর অবস্থা পরীক্ষা করছেন। একই সঙ্গে মৃত ব্যক্তিদের পরিচয় শনাক্ত করার নথি এবং মৃত্যুসনদও খোঁজা হচ্ছে। মেডিকেল পরীক্ষকের কার্যালয় জানিয়েছে, মরদেহগুলোর পরিচয় নিশ্চিত করা এবং পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হবে।

পুলিশ শুক্রবার জানায়, এ ঘটনায় আগে দেওয়া একটি বিবৃতিতে ভুল তথ্য ছিল। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, দমকল বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলকে বিপজ্জনক পদার্থের ঘটনা হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। পরে পুলিশ জানায়, এমন কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে শিকাগো পুলিশ জানিয়েছে, গোয়েন্দারা ঘটনাটি তদন্ত করছেন। সৎকার কেন্দ্রটির বক্তব্য জানতে শুক্রবার ফোনে এবং প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়।

 

শুক্রবার সৎকার কেন্দ্রটির বাইরে কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা এবং স্বজনদের বিষয়ে তথ্য জানতে আসা মানুষ জড়ো হন। ৫৫ বছর বয়সী লাতাশা জনসন জানান, বৃহস্পতিবার ওই সৎকার কেন্দ্রে তার মায়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরে কর্তৃপক্ষ সেখানে যাওয়ার পর তিনি জানতে পারেন, সেখানে বেশ কিছু মরদেহ পাওয়া গেছে। জনসন বলেন, কর্মকর্তারা তাকে জানিয়েছেন, তার মায়ের মরদেহের ময়নাতদন্ত করতে হবে। এক বা দুই দিনের মধ্যে তাকে নিজের মায়ের মরদেহ শনাক্ত করতে হতে পারে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে তিনি বলেন, ‘আমি কী করব বুঝতে পারছি না। আমার হৃদয় ভেঙে গেছে।’ নিজেকে এলাকার একজন সমাজকর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়া ব্লেইজ ফন ব্রুখহয়জার বলেন, কয়েক মাস ধরেই ওই সৎকার কেন্দ্র থেকে ভয়াবহ দুর্গন্ধ বের হওয়ার অভিযোগ ছিল। এরপর সেখানে পচে যাওয়া মরদেহ পাওয়ার বিষয়টি খুবই কষ্টদায়ক।

ইলিনয়ের ব্যবসায়িক নথি অনুযায়ী, সৎকার পরিচালক ইয়োহানা মরগান ২০২২ সালে সাউথ শিকাগো চ্যাপেল ইনকরপোরেটেড প্রতিষ্ঠা করেন।

বুধবার তার সৎকার পরিচালকের লাইসেন্স সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। ইলিনয় আর্থিক ও পেশাগত নিয়ন্ত্রণ বিভাগ জানিয়েছে, মরগানকে দায়িত্ব চালিয়ে যেতে দেওয়া হলে তা জননিরাপত্তা, জনস্বার্থ ও মানুষের কল্যাণের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এ কারণেই তার লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। বিভাগটি আরো জানিয়েছে, মরগান একাধিক মৃত ব্যক্তির মরদেহ ফ্রিজ ছাড়া একটি খারাপ অবস্থার জায়গায় রেখেছিলেন। সেখানে ইঁদুরের উপদ্রবও ছিল। ফলে মরদেহগুলো পচে যায় এবং তাতে পোকামাকড়ের লার্ভা জন্ম নেয়। অঙ্গরাজ্যের ব্যবসায়িক নথিতে ক্লার্ক মরগানের নাম সাউথ শিকাগো চ্যাপেলের সভাপতি হিসেবে রয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিনি ইয়োহানা মরগানের স্বামী।

 

ইলিনয়ের নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, ২০২৪ সালে ক্লার্ক মরগানের সৎকার পরিচালকের লাইসেন্স বাতিল করা হয়। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও লাইসেন্স ছাড়া কাজ করা এবং ‘অপেশাদার আচরণের’ অভিযোগে তার লাইসেন্স বাতিল করা হয়। তবে সেই আচরণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

ইলিনয়ের নিয়ন্ত্রক সুসানা মেন্ডোজা শুক্রবার জানান, ইয়োহানা ও ক্লার্ক মরগান এর আগে শিকাগোর দক্ষিণে শিকাগো হাইটস এলাকায় একটি মরদেহ দাহ কেন্দ্র পরিচালনা করতেন। সেই প্রতিষ্ঠানেও কর্তৃপক্ষ ঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা মরদেহ এবং পরিবারের কাছে ফেরত না দেওয়া শত শত দাহ করা দেহাবশেষ পেয়েছিল। এসব ঘটনার পর গত বছর প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স বাতিল করা হয়।

এক বিবৃতিতে মেন্ডোজা বলেন, আবারও একটি ভয়াবহ ঘটনা সামনে এসেছে। তিনি বলেন, সাউথ সাইডের একটি সৎকার কেন্দ্রে দাফনের অপেক্ষায় থাকা পচে যাওয়া মরদেহ পাওয়ার ঘটনা হৃদয়বিদারক এবং অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি আরো বলেন, ‘এরা মানুষ—কারো মা, বাবা, বোন, ভাই, সন্তান বা বন্ধু। তাদের আরো ভালো আচরণ পাওয়ার অধিকার ছিল।’ কুক কাউন্টির আদালতের নথিতে ইয়োহানা ও ক্লার্ক মরগানের নাম হাইটস ক্রিমেটরি-সংক্রান্ত একটি মামলায় আসামি হিসেবে রয়েছে।

 

শুক্রবার মরগান দম্পতির জন্য সরকারি নথিতে দেওয়া ফোন নম্বরগুলোতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তাদের ব্যবসায়িক প্রতিনিধি হিসেবে নথিতে যে আইনজীবীর নাম রয়েছে, তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। সরকারি নথি অনুযায়ী, মরগান দম্পতি শিকাগোর উপশহর এভারগ্রিন পার্কে বসবাস করেন। গত তিন বছরে যুক্তরাষ্ট্রে মানুষের মরদেহ ও দেহাবশেষ ঠিকভাবে সংরক্ষণ বা ব্যবস্থাপনা না করার বেশ কয়েকটি ঘটনা সামনে এসেছে।

গত মাসে কলোরাডোর পুয়েবলোতে পুলিশ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তাদের বিরুদ্ধে একটি সৎকার কেন্দ্রের গোপন দরজার পেছনে পাওয়া অন্তত ২৪টি পচে যাওয়া মরদেহ এবং অন্যান্য দেহাবশেষ ঠিকভাবে না সামলানোর অভিযোগ রয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে জর্জিয়ার একটি সৎকার কেন্দ্রে বিভিন্ন মাত্রায় পচে যাওয়া ১৮টি মরদেহ পাওয়া যায়। ২০২৩ সালে কলোরাডোর একটি ভবনে প্রায় ২০০টি পচে যাওয়া মরদেহ পাওয়া যায়। একই বছর ইন্ডিয়ানার একটি সৎকার কেন্দ্র থেকেও ৩১টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শিকাগোর সাউথ শিকাগো চ্যাপেলে পাওয়া মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত করতে এখন তদন্ত চলছে।

সেইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের স্বজনদের বিষয়ে তথ্য দেওয়ার প্রক্রিয়াও চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি হামলার পর রিয়াদ সফরের আমন্ত্রণ পেলেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৪ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি হামলার পর রিয়াদ সফরের আমন্ত্রণ পেলেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জায়েদিকে সৌদি আরব রিয়াদ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে। শুক্রবার তাঁর কার্যালয় থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

এদিকে গত মাসে ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরবের প্রাণঘাতী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো প্রতিশোধমূলক হামলা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

জুলাই মাসের শেষের দিকে, আল-জায়েদির রিয়াদ সফর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২৯ জুলাই যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি হামলায় পাঁচজন ইরানিসহ প্রায় ২০ জন যোদ্ধা নিহত হওয়ার পর ওই সফর বাতিল হয়ে যায়।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া অফিস জানায়, সৌদি গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান খালিদ বিন আলী আল-হুমাইদান আল-জায়েদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তিনি সৌদি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফরের আমন্ত্রণ পুনর্ব্যক্ত করে একটি বার্তা পেশ করেন।

সৌদি আরব খবর প্রকাশ করেছে যে, তাদের বাহিনী তেল স্থাপনা লক্ষ্য করে আসা বেশ কয়েকটি ড্রোন প্রতিহত করেছে। এসব হামলার জন্য রিয়াদ ইরাকে কার্যত সক্রিয় ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব ইরাকে হামলা চালিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে, ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো বহুবার মার্কিন স্থাপনায় হামলা চালানোর পর বাগদাদের ওপর ওয়াশিংটনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ক্ষমতায় আসা আল-জায়েদি এসব গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র সমর্পণে বাধ্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বেশ কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কাছ থেকে গুরুতর বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছেন।

ইরাক সরকার দীর্ঘদিন ধরে বলছে যে, প্রতিবেশী কোনো দেশের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে ইরাকের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার ইরাকি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের সীমান্ত এবং বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

দুটি নিরাপত্তা সূত্র এএফপিকে জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র-সৌদি হামলার প্রতিক্রিয়ায় সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলা যাতে সফল না হয়, সেই লক্ষ্যে এসব নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর জোট ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল।

কিন্তু শুক্রবার জোটটি জানায়, ‘আজ যে প্রতিক্রিয়া জানানোর কথা ছিল, তা স্থগিত করা হয়েছে।’

ইরানপন্থী রাজনৈতিক নেতা ও বদর সংগঠনের প্রধান হাদি আল-আমেরির আহ্বানের পর তারা এ সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যান্য রাজনৈতিক নেতার ‘সম্মানজনক অবস্থান’ সম্পর্কেও তারা কথা বলেছে।

ইরানের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা আল-আমেরি ভিডিও বার্তায় ওই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে হামলার প্রতিশোধ না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন।

ওয়াশিংটন যেসব গোষ্ঠীকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে, ইরাক সরকার তাদের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিরস্ত্র হওয়ার সময়সীমা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরান—দুই দেশই ইরাকের প্রধান মিত্র। তবে দীর্ঘ সময়ের বৈরিতার কারণে দেশটি কার্যত তাদের পরোক্ষ সংঘাতের ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। ফলে ধারাবাহিকভাবে ইরাকের সরকারগুলো দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মধ্যে কঠিন ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ন্যাটোভুক্ত দেশে হামলা করতে পারে রাশিয়া : মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ন্যাটোভুক্ত দেশে হামলা করতে পারে রাশিয়া : মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট

ন্যাটোর ঐক্য বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জোটভুক্ত যে কোনো দেশে সীমিত পরিসরে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করতে পারেন। এই চাঞ্চল্যকর দাবি আমেরিকান সংবাদপত্র ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’-এর একটি প্রতিবেদনে মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের উদ্ধৃতি দিয়ে করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রাশিয়া সাইবার হামলা ও গোপন অভিযানসহ ছোট আকারের সামরিক অনুপ্রবেশের মতো নানা সম্ভাব্য পদক্ষেপের দিকে নজর দিচ্ছে মার্কিন গোয়েন্দারা।

ওয়াশিংটনের এই মূল্যায়নকে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে ধারণা ছিল, ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যস্ত থাকার কারণে পুতিন ন্যাটোর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে যেতে চান না। তবে সেই অবস্থান থেকে এখন ওয়াশিংটন সরে এসেছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ার সামরিক লক্ষ্যবস্তু এবং জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এবং ভারী ক্ষয়ক্ষতির জন্য যুদ্ধক্ষেত্রে অগ্রগতির গতি ধীর হয়ে আসায় রাশিয়ার ওপর একাধিক দিক থেকে চাপ বাড়ছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা ওই প্রতিবেদনে জানান, ন্যাটোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার যেকোনো পদক্ষেপ মূলত অঞ্চল দখলের উদ্দেশ্যে নয়, বরং জোটের ভেতরে ফাটলকে জনসম্মুখে প্রকাশ করার জন্য হতে পারে।

পুতিনের সম্ভাব্য পদক্ষেপ সম্পর্কে আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের গবেষক হিদার কনলি মন্তব্য করেছেন, ‘এমন ঘটনা ঘটলে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে সেটাই বড় প্রশ্ন। রাশিয়ার অন্যতম লক্ষ্য হলো ন্যাটোর বিশ্বাসযোগ্যতাকে চ্যালেঞ্জ করা এবং বন্ধুদের থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে আলাদা করা।’

মার্কিন ও ইউরোপীয় নেতারা ইতোমধ্যেই ন্যাটোর আকাশসীমায় রাশিয়ার কার্যকলাপকে সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখছেন। তারা পোল্যান্ডে রুশ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পড়া এবং রোমানিয়ার আকাশসীমায় ড্রোন প্রবেশের ঘটনাকে উল্লেখ করছেন।

রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমাগত বাড়তে থাকলে মস্কো বিভিন্ন ধরনের আগ্রাসী পদক্ষেপ নিতে পারে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। এর মধ্যে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোর ওপর বড় সাইবার আক্রমণ চালানো, পরিচয়হীন সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে ন্যাটোর সীমান্ত অঞ্চলের ছোট এলাকা দখল করা, এবং ন্যাটোর পূর্ব সীমান্তে সীমিত সামরিক উপস্থিতি ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, এ ধরনের পদক্ষেপ চলতি বছরের শরৎকাল থেকে ২০২৯ সালের মধ্যে যেকোনো সময় ঘটতে পারে।

স্থানীয় স্থলে আক্রমণের সম্ভাবনা কম কারণ এতে ন্যাটোর ‘আর্টিকেল ৫’ নামের যৌথ প্রতিরক্ষা বিধি কার্যকর হয়ে যাবে। তবে হাইব্রিড বা ছায়াযুদ্ধের ক্ষেত্রে ন্যাটোর প্রতিক্রিয়া কাঠামো কিছুটা ধোঁয়াশাপূর্ণ।

ন্যাটো জানিয়েছে, তারা যেকোনো পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পুরোপুরি প্রস্তুত। ন্যাটোর মুখপাত্র কর্নেল মার্টিন ও’ডনেল বললেন, ‘আমরা সব পরিস্থিতির জন্য পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিয়ে আছি। ন্যাটো কড়া নজর রাখছে এবং যেকোনো হামলা মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত।’

রুশ হুমকির এই নতুন গোয়েন্দা তথ্যের মধ্যে নিজেদের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন ওয়াশিংটন। দীর্ঘদিনের ইউক্রেন সহায়তা এবং সম্প্রতি ইরান সীমান্তে সামরিক অপারেশন চালানোর ফলে লং রেঞ্জ প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল, ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটাকমস), এবং স্টিঙ্গার মিসাইলের মজুত কমে গেছে। এছাড়াও, প্যাট্রিয়ট, এসএম-৩ এবং থাড ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও চাপের মুখে রয়েছে।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) সামরিক বিশেষজ্ঞ টম কারাকো জানান, রাশিয়ান আগ্রাসন মোকাবিলায় স্টিঙ্গার এবং এটাকমসের মতো ক্ষেপণাস্ত্রগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সিএসআইএস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ১,০৬০ থেকে ১,৪৩০টির মতো প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে, যার ফলে তাদের হাতে হয়তো ৮৭০টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট রয়েছে।

পেন্টাগনের জয়েন্ট চিফসের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন হোয়াইট হাউসকে সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ধীরে ধীরে কমছে। যদিও পেন্টাগন এবং হোয়াইট হাউস দাবি করে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যে কোনো কৌশলগত লক্ষ্য পূরণে মার্কিন সামরিক বাহিনীর পর্যাপ্ত অস্ত্র রয়েছে এবং সামরিক ঠিকাদারদের উৎপাদন বৃদ্ধি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%