ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী সেমিফাইনাল, ‘ফাইনালের আগের ফাইনাল’


আজ ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী সেমিফাইনাল, ‘ফাইনালের আগের ফাইনাল’

আজ ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি স্পেন ও ফ্রান্স। মাঠের লড়াই শুরু হওয়ার পূর্বে স্প্যানিশ কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে এই ম্যাচটিকে ‘ফাইনালের আগের ফাইনাল’ বলে উল্লেখ করেছেন, এবং এটি কোনো অতিশয়োক্তি নয়। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের হিসাব এবং দুই দলের বর্তমান ফর্ম ধর্তব্য বিবেচনা করলে এটিকে চলতি বিশ্বকাপের সবচেয়ে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ বলা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ সময় ১৫ জুলাই ২০২৬, বুধবার রাত ১:০০ টায় এই মহালড়াইয়ের সূচনা হবে।

কেন এই ম্যাচটিই ‘আসল ফাইনাল’? বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই প্রথমবার সেমিফাইনালের মঞ্চে উঠেছে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল (আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, স্পেন ও ইংল্যান্ড)। এদিকে স্পেন, যাদের রয়েছে উয়েফা ইউরো ২০২৪-এর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব, তারা টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত থেকে নিজেদের দাপটের সঙ্গে খেলছে। অন্যদিকে, ফ্রান্স তাদের শক্তিশালী দল নিয়ে মাঠে নামছে, যেখানে কিলিয়ান এমবাপে ও ওসমানে দেম্বেলের অসাধারণ প্রতিভা রয়েছে, এবং তারা টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলার লক্ষ্য নিয়ে আসছে। দুই দলের এই মাঠের নিয়ন্ত্রণ বনাম গতিশীল আক্রমণের লড়াইকে ফুটবলবোদ্ধারা টুর্নামেন্টের অলিখিত ফাইনাল হিসেবেই মনে করছেন।

আরও পড়ুন: চীনে পাচারের চেষ্টা, ১২ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী উদ্ধার

মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস অনুসারে, যদিও স্পেন কিছুটা এগিয়ে রয়েছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দুই দেশের দ্বন্দ্ব নতুন এক মাত্রা পেয়েছে।

ম্যাচ সংখ্যা স্পেনের জয় ফ্রান্সের জয় ড্র

৩৮ ১৮ ১৩ ৭

দুই দলের শেষ ৫টি লড়াইয়ের ফলাফল: ৫ জুন, ২০২৫ (নেশনস লিগ সেমিফাইনাল): স্পেন ৫-৪ ফ্রান্স (স্পেন জয়ী)। ৯ জুলাই, ২০২৪ (ইউরো সেমিফাইনাল): স্পেন ২-১ ফ্রান্স (স্পেন জয়ী)। ১০ অক্টোবর, ২০২১ (নেশনস লিগ ফাইনাল): ফ্রান্স ২-১ স্পেন (ফ্রান্স জয়ী)। ২৮ মার্চ, ২০১৭ (প্রীতি ম্যাচ): স্পেন ২-০ ফ্রান্স (স্পেন জয়ী)। ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ (প্রীতি ম্যাচ): ফ্রান্স ১-০ স্পেন (ফ্রান্স জয়ী)।

আরও পড়ুন: মুশফিক ছাড়া একাদশে, টসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

বিশ্বকাপে কিভাবে দুই দলের পারফরম্যান্স? ফ্রান্স : গ্রুপ পর্বে নরওয়ে, সেনেগাল ও ইরাককে পরাজিত করে তারা পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে নকআউটে গেছে। এরপর সুইডেন (৩-০), প্যারাগুয়ে (১-০) এবং মরক্কোকে (২-০) পরাজিত করে তারা সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে। পুরো টুর্নামেন্টে ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা দুর্দান্ত করেছে, নকআউট পর্বে এখনও কোনো গোল হজম করেনি। স্পেন : গ্রুপ পর্বে সৌদি আরব ও উরুগুয়েকে পরাজিত করে এবং কেপ ভারডের সঙ্গে ড্র করে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। নকআউট পর্বে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ এবং পর্তুগালকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছে এবং সেমিফাইনালের টিকেট পেয়ে গেছে।

বিশ্বকাপের অতীত ইতিহাসে দেখা গেছে, ১৭ বার বিশ্বকাপে অংশ গ্রহণ করলেও ফ্রান্সের বিপক্ষে স্পেনের দেখা হয়েছে মাত্র একবার! ২০০৬ বিশ্বকাপের শেষ ১৬-এর সেই ম্যাচে জিনেদিন জিদানের অসাধারণ নৈপুণ্যে স্পেনকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিদায় নিয়েছিল ফরাসিরা।

কার কী প্রেডিকশন? ফুটবল পণ্ডিত এবং পরিসংখ্যান বিশ্লেষকদের মতে, আজকের ম্যাচে কোনো একটি দলের উপর পরিষ্কার ফেভারিট বলতে কঠিন।

ফ্রান্সের শক্তির জায়গা হলো কিলিয়ান এমবাপে (যিনি বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে ২০ গোল নিয়ে মেসির রেকর্ডের পিছনে আছেন) এবং চলতি টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ওসমানে দেম্বেলে, যারা ফ্রান্সের আক্রমণের মূল অস্ত্র। তাদের নিখুঁত ও গতিশীল কাউন্টার-অ্যাটাক যেকোনো ডিফেন্স ভাঙতে পারে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের রাশিয়ায় পাচার, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে ভয়ংকর তথ্য!

স্পেনের শক্তির জায়গা হলো রদ্রি, পেদ্রি ও দানি ওলমোর মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ এবং লামিনে ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামসের উইং আক্রমণ। বল দখলে রেখে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করাই স্পেনের অন্যতম শক্তির জায়গা।

চূড়ান্ত অনুমান হলো, কাগজ-কলমে ফ্রান্সের অভিজ্ঞ আক্রমণভাগের কারণে তাদের কিছুটা এগিয়ে রাখলেও, কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের উপস্থিতিতে স্পেনের অপরাজেয় ফর্ম এবং নেশনস লিগ ও ইউরোতে ফ্রান্সকে পরাস্ত করায় তারা দারুণ আত্মবিশ্বাসের অধিকারী হয়ে উঠে। আজকের ম্যাচে অতিরিক্ত সময় বা টাইব্রেকারে রোমাঞ্চকর ফয়সালার সম্ভবনাও প্রবল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১১.৬ সেকেন্ডের লড়াই, স্পেনের অদৃশ্য দেয়াল ভাঙতে পারবেন কি এমবাপে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৫৮ এম


১১.৬ সেকেন্ডের লড়াই, স্পেনের অদৃশ্য দেয়াল ভাঙতে পারবেন কি এমবাপে?

ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে, আজ যখন স্পেন এবং ফ্রান্স মুখোমুখি হবে, ফুটবলপ্রেমীরা হয়তো কিলিয়ান এমবাপে অথবা লামিনে ইয়ামালের পায়ের জাদুর দিকে নজর রাখবেন। কিন্তু আসলে পর্দার আড়ালে ফুটবলের একটি অভূতপূর্ব দাবা খেলা জমে উঠবে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের একটি অবিশ্বাস্য ছকে। ফুটবল বিশেষজ্ঞরা যাকে বলছেন ‘১১.৬ সেকেন্ডের যুদ্ধ’ বলে।

পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা যাচ্ছে, এবারের বিশ্বকাপে বল হারানোর পর তা প্রতিপক্ষের পা থেকে পুনরুদ্ধার করতে স্প্যানিশ ফুটবলারেরা গড়ে মাত্র ১১.৬ সেকেন্ড সময় নিচ্ছেন। এই সময়ে যা অন্য সব দলের তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত। অপরদিকে, ফ্রান্সের এই একই কাজটি করতে সময় নেওয়া হচ্ছে গড়ে ১৪.৬ সেকেন্ড। স্পেনের এই দ্রুত কাউন্টার-প্রেসিংয়ের অদৃশ্য দেয়াল আজ ফরাসিদের পরিকল্পনাগুলোকে রুখে দিতে সক্ষম হতে পারে। কিন্তু সেই উত্তরের উল্টো দিকে ভয়টা কিন্তু সেখানে সঞ্চিত।

যখন স্পেন হাই-লাইন ডিফেন্স নিয়ে প্রতিপক্ষের সীমানায় গিয়ে প্রেসিং শুরু করবে, তখন তাদের রক্ষণভাগে বিশাল একটি ফাঁকা জায়গা তৈরি হবে। আর যদি সেই খালি অংশে কিলিয়ান এমবাপে অথবা ওসমানে দেম্বেলে প্রবেশ করেন, তাহলে তারা তাদের গতির মাধ্যমে স্পেনের রক্ষণের কাছে মুহূর্তে খড়কুটোর如 উড়িয়ে দিতে পারেন।

রদ্রি-পেদ্রিদের মাঝমাঠের নিখুঁত পাসিং এবং ১১.৬ সেকেন্ডের সেই ‘কিলার’ প্রেস কি আজ এমবাপেকে বোতলবন্দী করে রাখতে পারবে? নাকি ফরাসিদের গতিময় কাউন্টার ট্র্যাপে পড়ে স্পেনের টানা ৩৬ ম্যাচের অপরাজেয় যাত্রা ভেঙে যাবে?

বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় এই মাঠের লড়াইয়ের মধ্যে এই রোমাঞ্চকর প্রশ্নের উত্তর মিলবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসডিজি বাস্তবায়নে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০২ এম


এসডিজি বাস্তবায়নে প্রযুক্তি হস্তান্তর ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং শক্তিশালী আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত টেকসই উন্নয়নবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ফোরামের (এইচএলপিএফ) সাধারণ বিতর্কে অংশ নিয়ে তিনি জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা জোরদার এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি সুদৃঢ় করতে রিকভারি, রিস্টোরেশন অ্যান্ড রিকনস্ট্রাকশন (থ্রি-আর) কৌশল বাস্তবায়ন করছে।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ তুলে ধরলেন। তিনি বলেন, শিক্ষার খাতে এবং স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হচ্ছে, পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন করা হবে, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সবুজ শিল্পের সম্প্রসারণে কাজ চলছে।

এছাড়াও, তিনি অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ জোরদার, জীবনচক্রভিত্তিক সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার্স কার্ড’ চালুর মাধ্যমে গ্রামীণ জীবিকা, খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষি উৎপাদনশীলতা আরও শক্তিশালী করার কথা উল্লেখ করেন।

টেকসই উন্নয়নের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন সহযোগীদের প্রতি এসডিজি বাস্তবায়ন এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে অনুদান, সহজ শর্তের ঋণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০০৬-এর জিদান ট্র্যাজেডি: ২০ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রতিশোধের পালা স্পেনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৫ এম


২০০৬-এর জিদান ট্র্যাজেডি: ২০ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রতিশোধের পালা স্পেনের

ফুটবল ইতিহাস অনেক অদ্ভুত এক চিত্রনাট্যকার। কখনো কখনো সে প্রতিশোধের মঞ্চ তৈরি করতে ২০ বছরও অপেক্ষা করে। আজ রাতে ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে স্পেন এবং ফ্রান্স যখন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে, তখন স্প্যানিশ সমর্থকদের মনে নিশ্চয়ই অনুচ্চারে হলেও একটি নাম কাঁটা হয়ে বিঁধবে—জিনেদিন জিদান!

২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপের কথা আজ থেকে ঠিক ২০ বছর আগে। স্পেনের সোনালী প্রজন্মের তখন পথচলার শুরু। তরুণ জাভি, ইনিয়েস্তা, পুয়োল ও তরুণ তুর্কি ডেভিড ভিয়ার নেতৃত্বে স্পেনকে তখন বলা হচ্ছিল টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেভারিট। অপরদিকে, নকআউট পর্বে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে উঠে আসা ফ্রান্সকে অনেকেই বাতিলের খাতায় ফেলে দিয়েছিলেন। খবরের কাগজে লেখা হচ্ছিল—স্পেনই হতে যাচ্ছে জিদানের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে পরবর্তীতে ঘটল ঠিক উল্টোটা। সে ম্যাচের শেষ ষোলোয় জিনেদিন জিদান যেন একাই মাঠের সবুজে ছড়ি ঘোরালেন। স্পেনের মাঝমাঠকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ফ্রান্স তো ৩-১ ব্যবধানে ম্যাচটি জিতে নিল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে যখন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার কার্লোস পুয়োলকে ডজ দিয়ে জিদান বল জালে জড়ালেন, তখন কোটি স্প্যানিশ ভক্তের হৃদয় ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল। এটি ছিল বিশ্বকাপের মঞ্চে এই দুই দলের সর্বশেষ দেখা।

আজ, দীর্ঘ ২০ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের নকআউট মঞ্চে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুটি পরাশক্তি। এবার যদিও পরিস্থিতি ভিন্ন। স্পেন এখন টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত একটি অপ্রতিরোধ্য দল। অন্যদিকে ফ্রান্সের ডাগআউটে কোচ হিসেবে রয়েছেন সেই ২০০৬ ম্যাচের ফরাসি অধিনায়ক দিদিয়ের দেশম নিজেই!

স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রি অথবা তরুণ সেনসেশন লামিনে ইয়ামালদের বয়স ২০ বছর আগে খুব বেশি ছিল না, তবে তারা স্পেনের ফুটবল ইতিহাসের সেই ক্ষতটি খুব ভালো করেই জানেন। আজ কি লুইস দে লা ফুয়েন্তের এই নতুন স্পেন জিদানের সেই ‘বেদনাদায়ক স্মৃতির’ প্রতিশোধ নিতে সক্ষম হবে? নাকি বিশ্বকাপের মঞ্চে ফ্রান্সের সেই পুরনো ভূত আবারও স্পেনকে তাড়া করবে?

ফুটবল রোমান্টিকদের জন্য ২০ বছর আগের ওই ট্র্যাজেডি ও আজকের প্রতিশোধের এই লড়াই ম্যাচটিকে এক মহাকাব্যে রূপ দিয়েছে। উত্তর মিলবে আজ রাতেই!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমবাপের মঞ্চে ১৯ বছরের ইয়ামালের চ্যালেঞ্জ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৩ এম


এমবাপের মঞ্চে ১৯ বছরের ইয়ামালের চ্যালেঞ্জ

ডালাসের আকাশে আজ রাতে যে দ্বৈরথ জমে উঠবে, তা কেবল স্পেন বনাম ফ্রান্সের লড়াই নয়; এটি আসলে বিশ্বের ফুটবলের বর্তমান রাজার সঙ্গে সিংহাসন কাড়তে আসা এক হবু রাজপুত্রের লড়াই।

একদিকে ফুটবল সাম্রাজ্যের মুকুটহীন সম্রাট কিলিয়ান এমবাপে, আর অন্যদিকে তাঁর সাম্রাজ্যে হানা দিতে প্রস্তুত থাকা ১৯ বছরের স্প্যানিশ বিস্ময় বালক লামিনে ইয়ামাল।

বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপের রেকর্ড সত্যিই রূপকথার মতো। মাত্র ২৪ বছর বয়সে ফাইনাল হ্যাটট্রিকসহ বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছিলেন তিনি। আর এবার তো লিওনেল মেসির রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলার খুব কাছে দাঁড়িয়ে আছেন ফরাসি অধিনায়ক।

গতি, ড্রিবলিং এবং গোল করার অবিশ্বাস্য দক্ষতায় এমবাপে একাই যেকোনো প্রতিপক্ষের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে রয়েছেন। তবুও, সেই রাজসিক দাপটকে চ্যালেঞ্জ জানাতে আজ স্পেনের ডান উইংয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এমন একজন, যার বয়স এখনো আঠারোর কোঠাও ছোঁয়নি।

বার্সেলোনার একাডেমি থেকে উঠে আসা লামিনে ইয়ামাল মাত্র ১৯ বছর বয়সেই স্পেনের আক্রমণভাগের সবচেয়ে বড় ভরসা হয়ে উঠেছেন। ইনজুরির ধাক্কা কাটিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামের রক্ষণভাগকে যেভাবে নাচিয়েছেন, তাতে আজ ফরাসি ডিফেন্ডারদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়তে বাধ্য।

ফুটবলপ্রেমীদের মনে থাকার কথা, ২০২৪ সালের উয়েফা ইউরোর সেমিফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। সেদিন ফ্রান্সকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দেওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারিগর ছিলেন এই ইয়ামালই।

তার সেই বাঁ পায়ের জাদুকরী গোলটি এখনো ফরাসিদের মনে কাঁটার মতো বিঁধে আছে।

আজ মঞ্চটা আরও বড়—বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। কিলিয়ান এমবাপে চাইবেন নিজের রাজত্ব ধরে রেখে টানা তৃতীয়বারের মতো ফ্রান্সকে ফাইনালের টিকিট এনে দিতে। আর কিশোর ইয়ামাল চাইবেন এমবাপের সেই রাজপ্রাসাদে আরও একবার হানা দিয়ে নিজেকে বিশ্বমঞ্চের নতুন নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে।

আজকের রাতটি কি এমবাপের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখার নাকি ইয়ামালের রাজ্যাভিষেকের? ফুটবল বিশ্ব রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করছে সেই মাহেন্দ্রক্ষণের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%