ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লালদিয়াচর টার্মিনালের চুক্তি বাতিলের কোনো সিদ্ধান্ত নেই: নৌমন্ত্রী


লালদিয়াচর টার্মিনালের চুক্তি বাতিলের কোনো সিদ্ধান্ত নেই: নৌমন্ত্রী

নৌমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়াচর কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ডেনমার্কভিত্তিক এপিএম টার্মিনালসের (এপিএম টার্মিনালস) সঙ্গে করা কনসেশন চুক্তি বাতিল বা পুনঃ চুক্তির কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। তিনি বলেছেন, ‘সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি (পিপিপি) আইন ও সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করে বাংলাদেশ ও ডেনমার্ক সরকারের সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) কাঠামোর আওতায় স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় চুক্তিটি সম্পাদন করা হয়েছে।’

সোমবার (১৩ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহাদাত হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে নৌমন্ত্রী এই তথ্য প্রকাশ করেন।

তিনি আরো জানান, ‘পরিবেশবান্ধব ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২১ সালের ৩০ জুন বাংলাদেশ ও ডেনমার্ক সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ২১ মে ডেনমার্কভিত্তিক মার্স্ক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস কর্ণফুলী নদীর ডান তীরে লালদিয়াচর এলাকায় কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের প্রস্তাব দেয়।’

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

তিনি আরো জানিয়েছেন, পরে ২০২৩ সালের ২৯ নভেম্বর অর্থনৈতিক বিষয়কসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি প্রকল্পটিকে নীতিগত অনুমোদন দেয়। এরপর ২০২৪ সালের ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ-ডেনমার্ক প্রথম পিপিপি জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম সভায় ডেনমার্ক সরকার এপিএম টার্মিনালসের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সম্মতি জানায়।

ইন্টারন্যাশনাল ফাইনেন্স করপোরেশন (আইএফসি) ট্রানজ্যাকশন অ্যাডভাইজার হিসেবে প্রয়োজনীয় ডিউ ডিলিজেন্স সম্পন্ন করার পর ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিএপিএমটি বিভির মধ্যে কনসেশন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, চুক্তির মেয়াদ ৩৩ বছর, যার মধ্যে তিন বছর নির্মাণকাল এবং ৩০ বছর পরিচালনাকাল। পরবর্তীতে আরো ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ থাকবে। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের খালি জায়গায় নির্মিতব্য এই টার্মিনালে ডেনমার্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। এর ফলে বন্দরের কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরের সুযোগ তৈরি হবে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা কর্মকৌশল প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


রোহিঙ্গা কর্মকৌশল প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের কমিটি

প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১১ সদস্যের ‘রোহিঙ্গা বিষয়ক জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং এ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংস্থাগুলোর কার্যপরিধি নির্ধারণের লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে।

কমিটি গঠন করার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে রোববার (১২ জুলাই) একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবির।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির সভাপতি হিসেবে নেতৃত্ব দেবেন। সদস্য হিসাবে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের উপদেষ্টা।

কমিটির ‘প্রধান সমন্বয়ক’ হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের (এএফডি) প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার। সদস্যসচিব হিসেবে কাজ করবেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক।

অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন পুলিশের আইজিপি, এনএসআইয়ের মহাপরিচালক, বিজিবির মহাপরিচালক এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক।

এছাড়া, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের (আরআরআরসি) কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) সহ পাঁচজন কর্মকর্তাকে কমিটির সহায়তাকারী হিসেবে রাখা হয়েছে।

কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, এটি রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কাজের তদারকিতে যুক্ত থাকবে। এ ছাড়া, এই কমিটি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাজের পরিধি ও ক্ষেত্র সুনির্দিষ্টকরতে কাজ করবে।

এদিকে, প্রধান সমন্বায়ক সরাসরি তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ পর্ষদ গঠন করা হবে। এই পর্ষদ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব নির্ধারণ করবে এবং রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য মূল ‘জাতীয় কর্মকৌশল’ তৈরি করবে। বিশেষ পর্ষদ আগামী ৩ মাস বা ৯০ দিনের মধ্যে এই কৌশল প্রণয়ন করে জাতীয় কমিটির কাছে জমা দেবে।

গঠিত এই কমিটির প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোগত সব ধরনের সাচিবিক সুবিধা প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) দেবে। তবে কমিটির সিদ্ধান্ত ও সভাপতির নির্দেশক্রমে পরবর্তীতে অন্য যেকোনো গোয়েন্দা সংস্থা বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকেও নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য এই দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

অতিরিক্ত, প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটি প্রয়োজনে যেকোনো সামরিক বা বেসামরিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধান বা যেকোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কমিটিতে কো-অপ্ট (অন্তর্ভুক্ত) করতে পারবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারি খাস জমি জাল কাগজে নামজারির চেষ্টা, শিবচরে আটক ১; ভূমি কর্মকর্তাকে ‘এক কোটি টাকা’ ঘুষের প্রস্তাবের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


সরকারি খাস জমি জাল কাগজে নামজারির চেষ্টা, শিবচরে আটক ১; ভূমি কর্মকর্তাকে ‘এক কোটি টাকা’ ঘুষের প্রস্তাবের অভিযোগ

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় সরকারি খাস জমি জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে নিজের নামে নামজারি করার চেষ্টার অভিযোগে পলাশ চন্দ্র দাস নামক এক ব্যক্তিকে আটক করেছে উপজেলা ভূমি প্রশাসন। আটককালে নামজারির কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে এক কোটি টাকা ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। প্রশাসন এটি ঘটনার সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সন্ধান পাওয়ার দাবি করছে।

রোববার (১২ জুলাই) শিবচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুনানির সময় তাকে আটক করা হয়। পরে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়েছে।

ভূমি প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আটক পলাশ চন্দ্র দাস ৭১ নম্বর কেরানিবাট মৌজার সরকারি ১/১ নম্বর খতিয়ানভুক্ত ৪১১ শতাংশ খাস জমির নামজারির আবেদন করেছিলেন। আবেদনটি অনলাইনে আপিলের মাধ্যমে দাখিল করা হয়েছিল।

শিবচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাইখা সুলতানা জানান, একই জমি নিয়ে এর আগে তিনবার আবেদন করা হলেও জালিয়াতির অভিযোগে প্রতিবারই তা নামঞ্জুর হয়ে যায়। সর্বশেষ আবেদনের শুনানির জন্য আবেদনকারীকে মূল কাগজপত্রসহ উপস্থিত হতে বলা হয়।

তিনি বলেন, “শুনানিতে আবেদনকারী যে এসএ খতিয়ান উপস্থাপন করেন, যাচাই-বাছাই করে সেটিকে সম্পূর্ণ জাল বলে প্রতীয়মান হয়। এছাড়া, যে ব্যক্তির ওয়ারিশ দাবি করে জমির মালিকানা চাওয়া হয়েছে, এসএ খতিয়ানে ওই ব্যক্তির কোনো অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি।”

তিনি আরও জানান, আবেদনকারী যে দলিলের ভিত্তিতে মালিকানা দাবি করেছেন, তা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সংগ্রহ করে যাচাই করা হয়। সেখানে মূল দলিলের দাতা ও গ্রহীতার তথ্যের সঙ্গে উপস্থাপিত কাগজপত্রের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্তে উপস্থাপিত দলিল, খতিয়ান, স্বাক্ষর ও সিলমোহর—সবই জাল বলে প্রতীয়মান হয়েছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জাল দলিল ও খতিয়ান তৈরির সঙ্গে জড়িত আরও তিনজনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে তাদেরও আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি জানান, ঘটনাটি ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন-এর ৫ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হওয়ায় অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য শিবচর থানায় লিখিতভাবে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে শিবচর পৌর ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন জানান, পলাশ চন্দ্র দাস দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে নামজারির বিষয়টি তদবির করে আসছিলেন। একপর্যায়ে নামজারির কাজ সম্পন্ন করে দেওয়ার বিনিময়ে তাকে এক কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেন। এই বিষয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করলে তাদের নির্দেশনায় আবেদনকারীকে শুনানিতে ডাকা হয়। পরে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তাকে আটক করা হয়।

উপজেলা ভূমি প্রশাসন জানিয়েছে, এ ঘটনায় জড়িত পুরো জালিয়াত চক্রকে শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদেশি গুপ্তচরবৃত্তি মোকাবিলা করার জন্য আরও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন: জাপান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


বিদেশি গুপ্তচরবৃত্তি মোকাবিলা করার জন্য আরও কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন: জাপান

 বিদেশি গোয়েন্দা তৎপরতা মোকাবিলা করার জন্য আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি সোমবার স্বীকার করেছে জাপান।

এর একদিন আগে নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, জাপানকে ‘গুপ্তচরদের আখড়া’ ও অস্ত্রের যন্ত্রাংশ সংগ্রহের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে রাশিয়া পরিণত করেছে।

টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানায়।

রোববার প্রকাশিত নিউইয়র্ক টাইমসের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘দুর্বল গুপ্তচরবৃত্তি-বিরোধী আইনের’ সুযোগ নিয়ে জাপানকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও ইউক্রেন যুদ্ধে প্রয়োজনীয় দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি সংগ্রহের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রেরূপে ব্যবহার করছে মস্কো।

জাপানের প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মিনোরু কিহারা সোমবার বলেন, ‘দ্রুত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিবেশে আমরা উপলব্ধি করছি, জাপানের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের মতো বিদেশি গোয়েন্দা তৎপরতা আরও কার্যকরভাবে মোকাবিলা করার প্রয়োজনীয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের ওই সংবাদপত্রের প্রতিবেদন সম্পর্কে সরাসরি মন্তব্য করতে অস্বীকার করে কিহারা সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের আরও কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’

ইউক্রেন সরকারের হিসাবের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়ার ব্যবহৃত ৯০ শতাংশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে জাপানি যন্ত্রাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে।

এতে আরও জানানো হয়, জাপানে রাশিয়ার এই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন রুশ গোয়েন্দা কর্মকর্তা মাকসিম দিমিরোভিচ ফিলচেনকভ। তিনি টোকিওতে রাশিয়ার বিমান সংস্থা অ্যারোফ্লটের কার্যালয়ে আড়ালের পরিচয়ে কাজ করছেন।

রাশিয়ায় সরাসরি রপ্তানিতে বিধিনিষেধ থাকায়, বিভিন্ন সংগ্রহ নেটওয়ার্ক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান এবং ভিয়েতনাম, উজবেকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো তৃতীয় দেশ ব্যবহার করে এসব যন্ত্রাংশ রাশিয়ায় পাঠানো হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

কিহারা আরও জানান, চলতি বছর জাপানের পার্লামেন্ট একটি আইন অনুমোদন করেছে। এর মাধ্যমে দেশটির বিচ্ছিন্ন গোয়েন্দা কার্যক্রমসমূহের সমন্বয়ের জন্য নতুন একটি জাতীয় সংস্থা গঠনের প্রক্রিয়া আরও সহজ হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদালত ভবনের জরাজীর্ণ অংশ ধসে আহত ৫ বিচারপ্রার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


আদালত ভবনের জরাজীর্ণ অংশ ধসে আহত ৫ বিচারপ্রার্থী

বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের ভবনের বারান্দার ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার কারণে পাঁচ বিচারপ্রার্থী আহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরের সময় জেলা জজ আদালতের কচুয়া আদালতের এজলাস-সংলগ্ন বারান্দায় এই ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে হাবিবুল্লাহ শেখ, তার বাবা মো. সিরাজ শেখ, সুমন দাস, হৃদয় হাওলাদার ও মোতালেব অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তাঁদের বাড়ি বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থিত। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে বারান্দার ছাদের একটি অংশের পলেস্তারা ভেঙে নিচে দাঁড়িয়ে থাকা বিচারপ্রার্থীদের ওপর পড়ে যায়। এর ফলে পাঁচজন আহত হন। এ সময় ছাদের ভেতরের রডও বেরিয়ে আসে, যা ভবনের ওই অংশে আরো দুর্ঘটনার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আহত সুমন দাস ও হৃদয় হাওলাদার বলেন, তারা আদালতের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেই সময় আচমকাই ছাদের পলেস্তারা তাঁদের ওপর খসে পড়ে। এটি তাদের মাথায় আঘাত করেছে এবং অন্যদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লেগেছে। বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার জানান, আহত পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনের মাথায় সেলাই দিতে হয়েছে এবং অন্যদের ঘাড় ও পায়ে আঘাত লেগেছে। তবে সবাই বর্তমানে শঙ্কামুক্ত। বাগেরহাট জেলা জজ আদালতের নাজির অমিত কুমার জানান, ‘ঘটনার বিষয়টি গণপূর্ত বিভাগকে জানানো হয়েছে। তারা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে ভবনটি ব্যবহার উপযোগী কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদন দেবে।’ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এম এম মাহাবুব মোর্শেদ লালন উল্লেখ করেন, ‘জেলা জজ আদালতের নিচ তলায়, যেখানে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের আদালত পরিচালিত হয়, সেই অংশের কচুয়া আদালতের সামনের বারান্দার ছাদের পলেস্তারা হঠাৎ খসে পড়ে। এতে সেখানে অপেক্ষমাণ কয়েকজন বিচারপ্রার্থী আহত হন। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের তিনতলা ভবনটি অনেক পুরোনো। এই ভবনে বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং একাধিক স্থানে পলেস্তারা খসে পড়েছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ভবনটির সংস্কার প্রয়োজন। এ বিষয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%