০৪:১৯ এম
বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর এক লড়াইয়ে, শেষ মুহূর্তের গোলে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিয়েছে জাপান। দুইবার পিছিয়ে পড়া সত্ত্বেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে, ডাচদের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে এশিয়ান জায়ান্টরা। অন্যদিকে, দেশের হয়ে বড় টুর্নামেন্টে প্রথম গোলের পাশাপাশি, অনন্য এক রেকর্ড গড়েছেন ডাচ অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক।
ম্যাচের শুরুতেই পরিসংখ্যানে একটি চমক ছিল। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের শুরুর একাদশে ডাচ শীর্ষ লিগের কোন খেলোয়াড় ছিলেন না। অথচ, প্রতিপক্ষ জাপানের শুরুর একাদশে ওই লিগে খেলা দুই ফুটবলার আয়াসে উয়েদা ও সুয়োশি ওয়াতানাবে ছিলেন।
প্রথমার্ধে দুই দলই আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের মাধ্যমে গোল আদায়ের চেষ্টা চালিয়েছে। ম্যাচের ৩৪তম মিনিটে কর্নার থেকে ডাচ ফরোয়ার্ড ডনিয়েল মালেনের হেড কোনোমতে ঠেকিয়ে দেন জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি। এই কারণে, প্রথম ৪৫ মিনিটে কোনো দলই জালের দেখা পায়নি এবং প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য (০-০) সমতায়।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে
দ্বিতীয়ার্ধে, জাপান-নেদারল্যান্ডস ম্যাচটি দারুণভাবে জমে ওঠে। ৫১ থেকে ৬৪ মিনিটের মধ্যে আসে তিনটি গোল। ৫১তম মিনিটে ভার্জিল ফন ডাইকের গোলে নেদারল্যান্ডস এগিয়ে যায়। ডান প্রান্ত থেকে আসা ক্রসে হেড করে গোল করেন এই ডাচ তারকা। বক্সে লিভারপুল ডিফেন্ডারের সেই অভিজাত হেডে বল পোস্টে লেগে জালে প্রবেশ করে। এই গোলটি দেশের হয়ে বড় টুর্নামেন্টে ফন ডাইকের প্রথম গোল।
তবে, ডাচদের এই লিড খুব долго স্থায়ী হয়নি। পিছিয়ে পড়ার মাত্র ৬ মিনিটের মাথায়, ম্যাচে সমতা ফেরায় জাপান। ৫৭তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে গড়া দারুণ এক আক্রমণ থেকে, গোলটি করেন মিডফিল্ডার কেইতো নাকামুরা।
সমতা ফেরানোর পর, ৬৪তম মিনিটে ক্রিসেনসিও সামারভিলের গোলে নেদারল্যান্ডস আবারও লিড নেয় (২-১)।
যখন ম্যাচ ডাচদের জয়ের দিকে এগোচ্ছিল, তখনই আঘাত হানে জাপান। ৮৯তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে জাপানের সমতা ফেরান কোকি ওগাওয়া। এতে, জয়ের স্বপ্ন দেখা ডাচরা শেষ মুহূর্তে থমকে যায়। শেষ পর্যন্ত, দুই দলই ২-২ গোলে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট
ম্যাচটি ড্র হলেও, ব্যক্তিগত এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন লিভারপুলের ডাচ ডিফেন্ডার ভার্জিল ফন ডাইক। ২০২৫-২৬ মৌসুমে, ক্লাব (৫৫) ও জাতীয় দল (১১) মিলিয়ে এটি ছিল তার ৬৬তম ম্যাচ। শুধু তাই নয়, ৬৬টি ম্যাচের প্রতিটিতেই তিনি শুরুর একাদশে ছিলেন। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগে খেলা ফুটবলারদের মধ্যে, চলতি মৌসুমে এটিই সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন