বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৩০ পি.এম
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা দক্ষিণ ইউনিয়নের পলমাটি সরকারি প্রাইমারী স্কুলের শিক্ষার্থী ও জনস্বার্থে সরকার " পলমাটি প্রাইমারী স্কুল থেকে সুজাদের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ " প্রকল্পে ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ২৫০০০০ টাকা বরাদ্দ প্রদান করে। স্হানীয় ৯ নং ওয়াডের মেম্বার সুজন মিয়া উক্ত প্রকল্পের সভাপতি হিসেবে সমূদয় টাকা উত্তোলন করেন। পলমাটি গ্রামের বাসিন্দারা জানান প্রাইমারী স্কুল থেকে সুজাদের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তায় এক টাকার মাটিও কাটা হয়নি এমনকি কোন দিন আমাদেরকে জানানোও হয়নি যে সরকার আমাদের গ্রামের প্রাইমারি স্কুলের রাস্তা নির্মাণের জন্য টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এবং প্রকল্পের পুরো অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠলে স্হানীয় ৯নং ওয়াডের সুজন মেম্বার উক্ত প্রকল্পে কোন অর্থ বরাদ্দ হয়নি বলে অস্বীকার করে উল্টো সাংবাদিকদেরকে হলুদ সাংবাদিক বলে কটুক্তি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন এবং সত্য গোপন করে কিছু অসাধু সাংবাদিক দিয়ে প্রতিবাদ সংবাদ প্রকাশ করেন। মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ পি আই ও সাবের আন্তরিকতায় সত্য উদঘাটন করেন যাতে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ আছে " পলমাটি প্রাইমারী স্কুল থেকে সুজাদের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ " প্রকল্পে ২৫০০০০ টাকা বরাদ্দ এবং সাবেক ইউ এন ও, সাবেক পি আই ও,ও সাবেক ডিসির অনুমোদিত স্বাক্ষর রয়েছে।
পলমাটি গ্রামের বাসিন্দা ও মধ্যনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল আউয়াল মিছবাহ বলেন-- আমাদের গ্রামের কোমলমতি শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের চলাচলের রাস্তা নির্মাণের টাকা আত্মসাৎ কারী ও অনুমোদনকারী ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রামবাসী ঐক্য বদ্ধ হয়েছেন।
আমরা প্রত্যাশা করি উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় রাস্হায় গ্রহণ করবেন।
আব্দুল আউয়াল মিছবাহ বলেন - গ্রামবাসী গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে লুটপাট ও প্রকল্পের সমূদয় অর্থ আত্মসাতের প্রতিকার চেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও মাননীয় সংসদ সদস্য বরাবর আবেদন করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন স্কুলের রাস্তা প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী উপকৃত হতেন।তারা ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন ৯নং ওয়াডের মেম্বার একের পর এক লুটপাটে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্কুলের রাস্তার ঘটনাটি আমাদের মর্মাহত করেছে তারা জানান সুজন মেম্বার এক টাকার কাজও করেনি, আমাদেরকে কোন দিন জানাইওনি যে স্কুলের রাস্তায় টাকা বরাদ্দ হয়েছে।
আমরা সরকারের কাছে ও আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব কামরুজ্জামান সাহেবের কাছে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার ও বরাদ্দকৃত অর্থ দ্রুত ফেরত চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুজন মেম্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে ঐ নামে কোন প্রকল্পে টাকা বরাদ্দ হয়নি বলে অস্বীকার করেন। পরে উপজেলা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনুমোদিত স্বাক্ষর সংযুক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের কাগজ প্রদর্শন করিলে তিনি স্হানীয় সাংবাদিকদের দোষারোপ করে বলেন বেশি বাড়াবাড়ির পরিনাম ভালো হবেনা বলে হুমকি প্রদান করে ফোন কেটে দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার সঞ্জয় ঘোষ বলেন বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ও লোক মারফত সুজন মেম্বারের লুটপাট ও দূর্নীতির কথা জানতে পেরে আমি দায়িত্ব নেয়ার পর তার মাধ্যমে উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপ শিরোপা লড়াইয়ে এখন মাত্র আটটি দল টিকে রয়েছে। আজ রাত থেকে ফ্রান্স বনাম মরক্কোর ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে কোয়ার্টার ফাইনালের উত্তেজনাকর লড়াই।
৪৮টি দল নিয়ে শুরু হওয়া ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এখন পৌঁছে গেছে সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়। আসরে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাদে এখন রয়েছে আর মাত্র সাতটি ম্যাচ। এই ম্যাচগুলিই নির্ধারণ করবে, কে হবে বিশ্বের নতুন চ্যাম্পিয়ন।
বিশ্বকাপের মতো সবচেয়ে বড় মঞ্চে সেমিফাইনাল ও ফাইনালে খেলার সুযোগ যেকোনো ফুটবলারের জীবনের অন্যতম সেরা অর্জন। তবে কোয়ার্টার-ফাইনালে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দলের মোট 20 জন ফুটবলার সেই সুযোগ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। কারণ, শেষ আটের ম্যাচে তারা যদি আরও একটি হলুদ কার্ড দেখেন এবং তাদের দল সেমিফাইনালে উঠলে, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী তারা সেমিফাইনাল খেলতে পারবেন না।
প্রথম দুই নকআউট পর্বে ইতোমধ্যে একটি করে হলুদ কার্ড পাওয়া এবং নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে থাকা খেলোয়াড়দের তালিকা দেওয়া হলো-
মরক্কো: ইসা ডিওপ, আশরাফ হাকিমি, রেদুয়ানে হালহাল, বিলাল এল খানুস, আজেদিন উনাহি।
ফ্রান্স: মানু কোনে, মাইকেল ওলিসে, ব্র্যাডলি বারকোলা।
ইংল্যান্ড: ডিক্লান রাইস, জুড বেলিংহাম, নিকো ও’রিলি, মার্ক গুয়েহি।
নরওয়ে: এন্টোনিও নুসা।
আর্জেন্টিনা: গনজালো মনটিয়ের।
সুইজারল্যান্ড: গ্রানিট জাকা, ডেনিস জাকারিয়া, মিরো মুহেইম।
স্পেন: ফেরান তোরেস।
বেলজিয়াম: ব্র্যান্ডন মেশেলে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনো খেলোয়াড় যেকোনো দুই ভিন্ন ম্যাচে দু’টি হলুদ কার্ড পেলে তাকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ থাকতে হবে।
আগের বিশ্বকাপগুলোতে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্ব শেষ হওয়ার পর সব একক হলুদ কার্ডের হিসাব বাদ দেওয়া হতো।
তবে এবার বিশ্বকাপে অতিরিক্ত একটি নকআউট রাউন্ড যুক্ত হওয়ায় নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। একটি করে পাওয়া হলুদ কার্ডের হিসাব প্রথমে গ্রুপ পর্ব শেষে এবং পরে আবার কোয়ার্টার ফাইনাল শেষে বাতিল করা হবে।
এর ফলে যদি কোনো খেলোয়াড় কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত দ্বিতীয় হলুদ কার্ড না দেখেন, তাহলে সেমিফাইনালে ওঠার পর তার আগের একক হলুদ কার্ডের রেকর্ড আর বহাল থাকবে না। অর্থাৎ কোয়ার্টার ফাইনালের পর হলুদ কার্ডের হিসাব নতুন করে শুরু হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নিউজ বন্দর উপজেলায়, ফারাজি কান্দা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের, চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র মাহিনকে, বিদ্যালয়ের ধর্ম শিক্ষক, মোহাম্মদ রাজু, ক্লাসের পড়া দিতে পারেনি বিধায়, ভেদ দিয়ে এলো পাতি ভাবে মারার কারণে, ছাত্রমাহিন অসুস্থ হয়ে পড়ে, নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হসপিটালে ভর্তি করালে, দুই দিন দেখার পর, আজ ৯ই জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দে রোজ বৃহস্পতিবার, ছাত্র মাহিনের শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ায়, ভিক্টোরিয়া হসপিটাল থেকে তাকে ঢাকা মাওতোয়াল হসপিটালে রেফার করেন, ডাক্তারের বক্তব্য তাকে অতিরিক্ত বেত্রাঘাতের কারনে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা অনুভব হচ্ছে, তাই উন্নত চিকিৎসার কারণে তাকে ঢাকা রেফার করা প্রয়োজন, নিউজ লেখা পর্যন্ত স্কুল কর্তৃপক্ষ মাহিনের পরিবারের সাথে কোন যোগাযোগ করেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজকের পদক্ষেপ, আগামীর নিরাপত্তা’ প্রতিপাদ্যে নীলফামারীতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। পরে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নুজহাত তাসনীম আওনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবিএম ফয়জুল ইসলাম। বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের উপ-ব্যবস্থাপক নুরুল হক এবং পরিবেশ সংরক্ষণ ও শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ বাস্তবায়ন কমিটি ও নাসিব নীলফামারী জেলার সভাপতি আব্দুল মোমিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, পরিবেশ রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে শিল্পকারখানাগুলোকে পরিবেশগত বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অনুষ্ঠানের শেষে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১৪ জনের হাতে গাছের চারা ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, পরিবেশকর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রিভেরি ফাউন্ডেশন এবং এইস (ACE)—রিভেরি স্কুলের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ বিষয়ে একটি কৌশলগত অংশীদারত্বের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে স্কুলটি একাডেমিক উৎকর্ষ, উদ্ভাবন এবং টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।
রাজধানী বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সাফওয়ান বসুন্ধরা গ্লোবালের (এসবিজি) সদর দপ্তরে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তির স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিশিষ্ট অতিথি, অংশীজন ও শুভানুধ্যায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।
এইসে’র পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন টি স্পোর্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং এইস ও রংপুর রাইডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইশতিয়াক সাদেক। অন্যদিকে রিভেরি ফাউন্ডেশনের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. আরিফুল হক সোহান।
চুক্তির আওতায় রিভেরি ফাউন্ডেশন ও এইস যৌথভাবে রিভেরি স্কুলের কৌশলগত ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক, ভবিষ্যতমুখী এবং মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ গড়ে তোলার পাশাপাশি একাডেমিক উৎকর্ষ, উদ্ভাবন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে ইশতিয়াক সাদেক বলেন, “শিক্ষাই মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। রিভেরি ফাউন্ডেশনের সঙ্গে এই অংশীদারত্বে যুক্ত হতে পেরে আমরা আনন্দিত।
আমরা বিশ্বাস করি, যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে রিভেরি স্কুলকে আরও সমৃদ্ধ করা, উদ্ভাবনী শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও পুরো স্কুল সম্প্রদায়ের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করা সম্ভব হবে।”
রিভেরি স্কুলের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান মো. আরিফুল হক সোহান বলেন, “এই অংশীদারত্ব রিভেরি স্কুলের অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এইসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজের মাধ্যমে আমরা আমাদের শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও সমৃদ্ধ করতে চাই। মানসম্মত শিক্ষা, উদ্ভাবন এবং প্রতিটি শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।”
রিভেরি স্কুলের অধ্যক্ষ সৈয়দা নওরীন রাজা বলেন, “এই সহযোগিতা রিভেরি স্কুলের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
রিভেরি ফাউন্ডেশন ও এইসের অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শিতার সমন্বয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের শেখার পরিবেশ আরও সমৃদ্ধ করতে, শিক্ষকদের সক্ষমতা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে সক্ষম হব।”
রিভেরি স্কুল হল রিভেরি ফাউন্ডেশন পরিচালিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যা মানসম্মত শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ, উদ্ভাবন এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বর্তমানে পিয়ারসন এডএক্সেল (Pearson Edexcel) কারিকুলামের আওতায় প্লেগ্রুপ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ৭৩০-এর বেশি শিক্ষার্থী এখানে অধ্যয়ন করছে। ধাপে ধাপে প্রতি বছর একটি করে নতুন শ্রেণি চালুর পরিকল্পনার একটি অংশ হিসেবে আগামী শিক্ষাবর্ষে এ লেভেল চালু হবে। প্রতিষ্ঠানটি পিয়ারসন এডএক্সেল অনুমোদিত (Approved Institute), ব্রিটিশ কাউন্সিল পার্টনার স্কুল এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ড স্বীকৃত। এর ইআইআইএন (EIIN) নম্বর ১৯০১৭১।
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ভবিষ্যতে পিয়ারসন এডএক্সেল ও লেভেল ও এ লেভেল প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা গ্রহণের আরও বিস্তৃত সুযোগ পায়।
একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি রিভেরি স্কুলে ইসলামী মূল্যবোধ, চারিত্রিক গঠন, শিষ্টাচার ও নৈতিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ইতোমধ্যে দুইজন শিক্ষার্থী স্কুলে অধ্যয়নরত অবস্থায় সম্পূর্ণ হিফজুল কোরআন সম্পন্ন করেছে এবং আরও অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি হিফজ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছে।
মো. আরিফুল হক সোহানের নেতৃত্ব এবং অধ্যক্ষ সৈয়দা নওরীন রাজার তত্ত্বাবধানে রিভেরি স্কুল একাডেমিক উৎকর্ষ, নৈতিক শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশ নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ঠিকানা: Reverie School, Plot No. 166 & 167, Lane 01, Block L, Bashundhara Residential Area, Dhaka, Bangladesh
এইস হল একটি বহুমুখী ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, যার মূল কার্যক্রম রিয়েল এস্টেট খাতে। পাশাপাশি কৌশলগত বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি ক্রীড়া, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতেও কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। গুণগত উন্নয়ন, উদ্ভাবন, টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং সমাজে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম উদ্যোগে অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগের মাধ্যমে এসিই ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ