বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৩২ এম
যশোরাঞ্চলে চলতি মৌসুমে পাটের ফলন আশাতীত হলেও বাজারদরের কারণে স্থানীয় কৃষকরা চরম হতাশায় ভুগছেন। বর্তমানে বাজারে পাটের দাম ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা মণ হওয়ায় উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে কৃষকদের হাতে খুব সামান্যই থাকছে। ফলে, বাম্পার ফলন সত্ত্বেও লোকসানের শঙ্কা তাঁদের কাটছে না।
যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলায় ২৫ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে, যেখানে মোট ৬০ হাজার ৪৪৯ মেট্রিক টন পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মৌসুমের শুরুতে ও আষাঢ়-শ্রাবণে অতিবৃষ্টির কারণে কিছু জমির ক্ষতি হলেও পরবর্তীতে অনুকূল আবহাওয়ায় প্রতি হেক্টরে গড়ে ২.৪০ মেট্রিক টন ফলন পাওয়া গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠজুড়ে এখন পাট কাটা, পরিবহন এবং খাল-বিল ও ডোবায় জাগ দেওয়ার ব্যস্ততা চলছে। তবে, ভালো ফলন সত্ত্বেও হাটের বর্তমান দাম কৃষকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না।
যশোরের পাটচাষি পলাশ কুমার সরকার এবং দেবাশীষ পাল জানান, জমি তৈরি, বীজ-সার, নিড়ানি এবং পাট কাটা থেকে শুরু করে আঁশ ছাড়ানোর প্রতিটি ধাপে শ্রম ও অর্থের ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে। সব খরচ শেষে ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৬০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করে লাভের মুখ দেখা কঠিন হয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, পাটের মৌসুমে গ্রামীণ নারী শ্রমিকদের ব্যস্ততা বেড়েছে। আঁশ ছাড়ানো ও ধোয়ার কাজে যুক্ত নারী শ্রমিক রহিমা বেগম এবং সকিনা খাতুন আক্ষেপ করে বলেন, সারাদিন নোংরা পানিতে নেমে কাজ করায় হাত-পায়ে ঘা ও চর্মরোগ সৃষ্টি হলেও তারা পান মাত্র ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা মজুরি।
কৃষকদের অভিযোগ, মৌসুমের শুরুতে দাম কম থাকায় তাঁরা বাধ্য হয়ে কম দামে পাট বিক্রি করেন। পরবর্তীতে বাজার চড়া হলেও তার সুফল চলে যায় মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে। তাই, মৌসুমের শুরুতেই পাটের উপযুক্ত ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপপরিচালক আবুল হাসান জানান, জেলার অধিকাংশ এলাকায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে এবং বর্তমানে কৃষকরা পাট পচানো ও আঁশ ছাড়ানোর প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পারমাণবিক শক্তিচালিত মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন থাইল্যান্ডে নোঙর করেছে, যা টানা ২৫০ দিনের বেশি সময় সমুদ্রে অবস্থানের পর ঘটেছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রণতরিটি থাইল্যান্ডের চনবুরি প্রদেশের লায়েম চাবাং বন্দরে পৌঁছেছে। জাহাজটির প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিন রয়েছে, এবং এই বিরতি তাদের বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৫ সালের নভেম্বরে ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো থেকে যাত্রা শুরু করে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন। প্রথমে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েনের পরিকল্পনা থাকলেও, মার্কিন সামরিক অভিযানের কারণে এটি ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়। পুরো মোতায়েনকালে, রণতরিটি প্রায় ২৮৬ দিন দায়িত্ব পালন করেছে এবং এর মধ্যে ২৫০ দিনের বেশি সময় কোনো বন্দর সফর ছাড়াই সমুদ্রে কাটিয়েছে।
দীর্ঘ সময় সমুদ্রে অবস্থানের ফলে জাহাজটির নাবিকদের মানসিক স্বাস্থ্য, জীবনযাপন এবং খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে, মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছে যে, দীর্ঘ মোতায়েনের সময় প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
থাইল্যান্ডে অবস্থানের সময়, রণতরিটির প্রায় ৫ হাজার সদস্যকে তীরে গিয়ে বিশ্রামের সুযোগ দেওয়া হবে। লায়েম চাবাংয়ের কাছের পর্যটন শহর পাত্তায়ায় তাদের উপস্থিতি স্থানীয় ব্যবসা ও পর্যটন খাতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
তবে, মার্কিন সেনাসদস্যদের নিরাপত্তা ও আচরণ নিয়ে থাই কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। স্থানীয় পুলিশ মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে এবং কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বিনোদনমূলক কার্যক্রম ও নির্দিষ্ট এলাকায় তাদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন এবং এর সঙ্গে থাকা মার্কিন নৌবাহিনীর আরও দুটি জাহাজ ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত থাইল্যান্ডে থাকার কথা রয়েছে। এই সফরে থাই বাহিনীর সঙ্গে কোনো যৌথ সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা নেই; মূল উদ্দেশ্য হল নাবিকদের বিশ্রাম, পুনরুদ্ধার ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এপি, বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলের বসতি সম্প্রসারণ নিয়ে ব্রিটেনের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ই-১ বসতি প্রকল্পের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ইসরাইলের বসতি-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞার সম্ভাবনা সম্পর্কে লন্ডনের অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি প্রদান করেছে ইসরাইল।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখেন, যেখানে তিনি জানান, ইসরাইলের বসতি নীতির বিরুদ্ধে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটি ‘সমন্বিত’ পদক্ষেপের প্যাকেজ ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তিনি উল্লেখ করেন, ই-১ প্রকল্প পশ্চিম তীরের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত হয়ে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে হুমকির মুখে ফেলছে এবং এটি দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানকে দুর্বল করতে পারে।
মিলিব্যান্ড আরও জানান, পশ্চিম তীরে নতুন ইসরাইলি বসতি নির্মাণে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলোর অর্থায়ন, নির্মাণকাজে অংশগ্রহণ বা প্রচার-প্রচারণায় যুক্ত হওয়ার সুযোগগুলো কিভাবে বন্ধ করা যায়, তা সরকার পর্যালোচনা করছে। পাশাপাশি বসতি-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য ও অন্যান্য অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিষয়গুলোও বিবেচনায় রয়েছে।
এদিকে, ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সা'আর সতর্কতা জারি করেছেন যে, ব্রিটেন যদি ইসরাইলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়, তবে তার দেশও পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, ইসরাইলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলে ব্রিটেনকেও এর পরিণতি মোকাবিলা করতে হবে।
ব্রিটিশ সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি জানিয়েছেন, বসতি-সংশ্লিষ্ট পণ্য বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞাসহ আরও কঠোর পদক্ষেপ বিবেচনায় রয়েছে। এর পূর্বে ব্রিটিশ সরকার ই-১ প্রকল্পকে অগ্রহণযোগ্য বলে নিন্দা জানিয়েছিল, উল্লেখ করে যে, এটি পশ্চিম তীরকে বিভক্ত করে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
ইসরাইল সম্প্রতি ই-১ এলাকায় বসতি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে। ব্রিটেনসহ বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ এই পরিকল্পনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। ব্রিটিশ সরকার বলেছে, ই-১ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের মধ্যে ভৌগোলিক সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, দ্য গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইন্টার্ন চিকিৎসক এবং রোগীর স্বজনদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে সংঘটিত এই সংঘর্ষের ফলে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে রাত ১২টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির ঘোষণা করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, ভিত্তিহীন ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে রোগীর স্বজন এবং বহিরাগতরা চিকিৎসকদের ওপর আকস্মিক হামলা চালায়। এই হামলার ফলে ৬ জন চিকিৎসক আহত হন, যাদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা গুরুতর।
অন্যদিকে, মৃত রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, একজন ইন্টার্ন চিকিৎসকের দেওয়া ভুল ইনজেকশনের কারণে রোগীর মৃত্যু ঘটেছে। এ বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে চিকিৎসকরা তাদের ওপর চড়াও হন এবং স্বজনদের মারধর করে কয়েক ঘণ্টা হাসপাতালের ভিতরে আটকে রাখেন।
ঘটনার খবর পেয়ে বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহিম আলীর নেতৃত্বে রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা ৬ স্বজনকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪ জন মহানগর ছাত্রদলের বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটির নেতা। অসুস্থ থাকায় তাদের ক্যাজুয়ালিটি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মঞ্জুর ই মুর্শেদ জানান, বহিরাগতদের হামলায় চিকিৎসকেরা আহত ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হলেও বর্তমানে মিড লেভেল ও জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকদের মাধ্যমে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত নির্মিত দুই লেনের দুটি সার্ভিস সেতু আজ বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে। এটি প্রকল্পের আওতায় সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্য প্রথম অংশ যা উন্মুক্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশাবাদ, এর ফলে উত্তরা-আশুলিয়া পথে যান চলাচল সহজ হবে এবং বিদ্যমান যানজট কিছুটা কমবে।
আজ ধউর সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এই দুটি সেতু তুরাগ নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে। প্রতিটির দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার এবং উভয়টি দুই লেনবিশিষ্ট। প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, মূল উড়ালপথের পাশাপাশি স্থানীয় ও আঞ্চলিক যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পৃথক সার্ভিস সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। তুরাগ নদীর স্বাভাবিক পানি প্রবাহ যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টিও নকশায় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ধউর মোড় থেকে আশুলিয়া বাজার পর্যন্ত প্রায় ৩ দশমিক ৭১ কিলোমিটার অংশের সার্ভিস লেনের নির্মাণকাজ গত আগস্টে শেষ হয়। পরে সড়কে পিচ ঢালাই, সড়কচিহ্নসহ প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। নতুন সেতু দিয়ে উভয়মুখী যান চলাচলের সুযোগ তৈরি হওয়ায় উত্তরা থেকে আশুলিয়াগামী এবং আশুলিয়া থেকে ঢাকামুখী যানবাহনের চলাচল আরও স্বচ্ছন্দ হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চলমান অবকাঠামো প্রকল্প। প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য হলো বিমানবন্দর এলাকা থেকে আবদুল্লাহপুর, আশুলিয়া হয়ে বাইপাইল পর্যন্ত দ্রুত ও নির্বিঘ্ন সড়ক যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং রাজধানীর সঙ্গে সাভার-আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা সহজ করা। প্রকল্পের নির্মাণকাজ ২০২২ সালের অক্টোবরে শুরু হয়।
এদিকে প্রকল্পটির ব্যয় ও বাস্তবায়ন সময় সম্প্রতি সংশোধন করা হয়েছে। দ্বিতীয় সংশোধনীতে প্রকল্প ব্যয় ৯ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা বাড়িয়ে ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকা করা হয়েছে এবং মেয়াদ ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূল এক্সপ্রেসওয়ে ২০২৮ সালের মধ্যে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।
সেতু কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি প্রায় ৬৫ শতাংশ। প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বয় জোরদার ও নির্মাণকাজ ত্বরান্বিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ