ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালয়েশিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স এইচপি দল


মালয়েশিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করল বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স এইচপি দল

বাংলাদেশ এইচপি দল মালয়েশিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করল। এর আগে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তারা মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৮৯ রানে জিতেছিল। দ্বিতীয় ম্যাচেও বাংলাদেশ খুবই বড় ব্যবধানে জয় পায়। ৭৪ বল বাকি থাকতেই সাত উইকেটের বড় জয় পেয়ে তারা। এই জয়ে বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স দল দুই ম্যাচের সিরিজে মালয়েশিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ করলো।

মিরপুর শের-এ-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে, মালয়েশিয়া একটি ছোট লক্ষ্য ১০৬ রানের সামনে রেখে ব্যাটিং করতে নামে। দুই ওপেনার জিসান ও জাওয়াদ আবরার ঝড়ো সূচনা করেন। ইনিংসের প্রথম বলেই জিসান ছক্কা মেরে শুরু করেন। আবরারও মালয়েশিয়া বোলারদের ওপর ঝড় চালান। কিন্তু, তিনি ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ৮ বলে ২৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন আবরার। পেসার আরিফউল্লাহ তাকে ফেরান।

একই ওভারে আরিফের দ্বিতীয় শিকার হন তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম। তিনি ৩ বলে ৪ রান করতেই বোল্ড হন। তবে ঝড় থামাননি জিসান। চার নম্বরে সাব্বির রহমানকে নিয়ে তান্ডব চালান। ৫০ রানের জুটিতে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশ এইচপির। সাব্বিরও ইনিংস বড় করতে পারেননি। প্রশান্ত মাধুকারের একটি বলে স্লগ করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। ৮ বলে ১২ রান করে ফেরেন।

আরও পড়ুন: সংঘর্ষের জন্য নেওয়া হচ্ছিল ১৪০ রাউন্ড গুলি, ধরা পড়লেন স্বপ্না আক্তার

এরপর শামীম পাটোয়ারীকে নিয়ে জিসান বাকি কাজটা সম্পন্ন করেন। তিনি ১৮ বলেই ফিফটি তুলে নেন। শেষ পর্যন্ত জিসানের ২১ বলে সাত ছক্কায় ৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে বাংলাদেশ এইচপি সাত উইকেটে জয়ী হয়। ৬ বলেই ৮ রানে অপরাজিত থাকে শামীম। মালয়েশিয়ার হয়ে আরিফ দুইটি এবং প্রশান্ত একটি উইকেট নেন।

এর আগে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামা মালয়েশিয়ার ইনিংসে তৃতীয় ওভারে প্রথম আঘাত হানেন মোহাম্মদ রুবেল। সাইফউল্লাহ মালিককে রানের খাতা খুলতে না দিয়েই বোল্ড করেন তিনি। এরপর আসলাম খান বিন মালিকও বেশি সময় টেকেননি। ২০ বলে ১৮ রান করে বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে যান তিনি।

অধিনায়ক সৈয়দ আজিজ ও আহমেদ আকিল ওয়াহিদ তৃতীয় উইকেটে ৫৮ রানের জুটি গড়েন। কিন্তু, ধীর গতির ব্যাটিংয়ের কারণে বড় স্কোর গড়ার পথে ছিল না ডেভ হোয়াটমোর শিষ্যদের। ২ চারে ৩৩ বলে ৩০ রান করেন ওয়াহিদ। ইনিংসের ১৬ তম ওভারে আবু হায়দার রনি এই জুটি ভাঙেন। রনি মালয়েশিয়ার অধিনায়ক আজিজকে ফেরান। রনির বলেই জিসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৫২ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলে আউট হন আজিজ।

নির্ধারিত ২০ ওভারে মালয়েশিয়া চার উইকেটে ১০৫ রান করে শেষ করে। বাংলাদেশের হাই পারফরম্যান্সের হয়ে রনি দুইটি, রুবেল ও রাকিবুল একটি করে উইকেট লাভ করেন।

আরও পড়ুন: তারেক রহমানের জাপান সফর: নীল অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘নরেন্দ্র নামটাই ঘৃণা করি’, ভারতীয় বক্সারকে পাক প্রতিদ্বন্দ্বী; শুনলেন মোদি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


‘নরেন্দ্র নামটাই ঘৃণা করি’, ভারতীয় বক্সারকে পাক প্রতিদ্বন্দ্বী; শুনলেন মোদি

ক্রিকেট কিংবা অন্য কোনও খেলা, ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ হলেই তা তৈরি করে আলাদা উন্মাদনা। দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ঈর্ষণীয় উত্তেজনা থাকে।

বক্সিংও এর ব্যতিক্রম নয়। গতকাল, রবিবার কমনওয়েলথ গেমসে পদকজয়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেখা করেছিলেন। সেখানেই এমন একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ্যে আসে।

রবিবার ৭ নম্বর লোককল্যাণ মার্গে প্রধানমন্ত্রী মোদি কমনওয়েলথ গেমসে পদকজয়ী ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

সেখানে তিনি বক্সার নরেন্দ্র বেরওয়ালের মুখ থেকে ২০১৫ সালের একটি কাহিনি শোনেন। ওই কাহিনী শুনে সবাই, প্রধানমন্ত্রীর সহিত উপস্থিত সকলে হাসিতে ফেটে পড়ে।

সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৫ সালে‘ওয়ার্ল্ড মিলিটারি গেমসে’ পাকিস্তানের এক বক্সারের বিরুদ্ধে প্রথম রাউন্ডে নামতে হয়েছিল বেরওয়ালকে। সেই ঘটনার কথা স্মরণ করে বেরওয়াল বলেন, ‘আমরা যখন পাকিস্তান নিয়ে কথা বলছি, তখন পুরনো একটা গল্প মনে পড়ে গেল।

২০১৫ সালে ‘ওয়ার্ল্ড মিলিটারি গেমস’ চলছিল। আমি পাকিস্তানের বক্সারের বিরুদ্ধে প্রথম রাউন্ডের জন্য প্রস্তুত ছিলাম। যেহেতু জওয়ানরাও এই খেলায় অংশগ্রহণ করেন, তাই সেনাকর্তারা আমাকে জানিয়ে দিয়ে ছিলেন, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জিততেই হবে।’

বেরওয়াল প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হন। তিনি প্রথম রাউন্ডে ৪-১ এবং দ্বিতীয় রাউন্ডে ৩-২ ব্যবধানে জয়লাভ করেন।

লড়াইটি এতটাই সেয়ানে সেয়ানে ছিল যে, দুই বক্সারের মুখের কিছু অংশে আঘাত লাগে। ফলে ম্যাচের পর একই গাড়িতে দু’জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আর সেখানেই ঘটে একটি amusing ঘটনা।

একটি সময় পাক বক্সার বেরওয়ালকে বলেন, ‘ভাই, একটা কথা বলব?’ বেরওয়াল প্রাথমিকভাবে রাজি হন। ঠিক তখন পাক বক্সার বললেন, ‘২০১৪ সালে আপনি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আমাদের কোচের নাম ছিল নরেন্দ্র রানা। তোমার নাম নরেন্দ্র, তোমার কোচের নাম নরেন্দ্র, তোমার প্রধানমন্ত্রীর নাম নরেন্দ্র। এই নরেন্দ্র নামটার প্রতি আমার ঘেন্না জন্মে গিয়েছে।’

পাক বক্সারের এমন মন্তব্য শুনে প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং পদকজয়ী অ্যাথলিটরা হেসে ওঠেন। রবিবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে উপস্থিত ছিলেন কমনওয়েলথ গেমসে পদকজয়ী ক্রীড়াবিদরা। এছাড়া ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থার প্রধান পিটি ঊষা সহ অন্যান্য কর্তাপর্যায়ের কর্মকর্তারাও সেখানে ছিলেন। এবারের কমনওয়েলথ গেমসে ভারত মোট ৩৯টি পদক জিতেছে, যার মধ্যে ১৩টি সোনা, ১৭টি রুপো এবং ৯টি ব্রোঞ্জ পদক। সবচেয়ে বেশি পদক এসেছে বক্সিং খেলা থেকে।

মীরাবাঈ চানু, অস্মিতা দে, সাক্ষী চৌধুরী, নীরজ চোপড়া, লভলিনা বরগোহাঁইসহ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন। তিনি তাঁদের লড়াইয়ের গল্প শোনেন। আগামী দিনের জন্য শুভেচ্ছা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে ছবি তোলেন। পরে ছবি সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করে মোদি লেখেন, ‘যারা খেলবে, তারাই জীবনে সফল হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে খুশিতে উল্লাসিত ক্রীড়াবিদরা। বক্সিংয়ে সোনাজয়ী সাক্ষী জানান, ‘কমনওয়েলথে পদকজয়ীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা গর্বিত। উনার সঙ্গে দেখা করার অভিজ্ঞতা অসাধারণ। উনি মাটির মানুষ। আমাদের অনেক পরামর্শ দিয়েছেন। উনার সঙ্গে দেখা করতে পেরে খুব খুশি হয়েছি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হানি ট্র্যাপে ফেলে ‘নগ্ন ভিডিও’ ধারণ, নারীসহ গ্রেপ্তার ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


হানি ট্র্যাপে ফেলে ‘নগ্ন ভিডিও’ ধারণ, নারীসহ গ্রেপ্তার ৩

নওগাঁর মান্দায় এলজিইডির এক কার্যসহকারীকে হানি ট্র্যাপে ফেলে ‘নগ্ন ভিডিও’ ধারণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে (৯ আগস্ট) পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মান্দা থানায় মামলা করেছেন। এ মামলায় এক নারীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে, উপজেলার কুসুম্বা গ্রামের বিমল চন্দ্র দাসের ছেলে কনক কুমার (৩০), কুসুম্বা দক্ষিণপাড়া গ্রামের লোকমান হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন (২৮), এবং বড়পই গ্রামের তছির আলীর মেয়ে তানজিমা খাতুন (৪৪)। মামলার অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ আগস্ট সকালে কুসুম্বা মসজিদের কাছে ওই কর্মচারীকে কয়েকজন ব্যক্তি ডেকে নিয়ে যান। তারা চা খাওয়ার কথা বলে তাকে একটি টিনশেডের ঘরে নিয়ে যান। সেখানে চা ও সিগারেট খাওয়ার পর মাথা ঘুরতে শুরু করলে তাকে পাশের একটি কক্ষে নিয়ে যান অভিযুক্তরা। অভিযোগে বলা হয়েছে, ওই কক্ষে নগ্ন এক নারী তাকে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করেন এবং এসব দৃশ্য মুঠোফোনে ধারণ করছিলেন এক ব্যক্তি। এতে আপত্তি জানানোর পর অভিযুক্তরা তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে জোর করে তার পোশাক খুলে ভিডিও ধারণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তার কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। ভুক্তভোগী ব্যক্তি অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তার কাছ থেকে ১১ হাজার ৯০০ টাকা জোরপূর্বক কেড়ে নেয়। পরে আরো ১ লাখ ২০ হাজার টাকার জন্য তার সই করা একটি চেকে ওই পরিমাণ টাকা লিখে নেওয়া হয়। আরেকটি চেকে টাকার অঙ্ক ফাঁকা রেখে সই নেওয়া হয়। এছাড়া তার চেক বইয়ের অবশিষ্ট পাতাগুলো এবং তিনটি ফাঁকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পেও সই নেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন তিনি। পরদিন ৯ আগস্ট ওই চেকটি দিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা উত্তোলনের জন্য মান্দা উপজেলার সতিহাটে অগ্রণী ব্যাংকের শাখায় যান অভিযুক্তরা। এর আগে ভুক্তভোগী ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই হিসাবের লেনদেন সাময়িক বন্ধ রাখার ব্যবস্থা করেন। ফলে ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে পারছিল না অভিযুক্তরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কনক কুমার ও সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় আরো দুজন পালিয়ে যায়। পুলিশ ব্যাংক থেকে ভুক্তভোগীর সই করা চেকটি জব্দ করে। পরে গ্রেপ্তার আসামিদের প্রদান করা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্ত নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মান্দা থানার ওসি খোরশেদ আলম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার আসামি ও তাদের সহযোগীরা গত ৭ আগস্ট ফয়জুল মোল্লা নামের এক ব্যক্তিকে একই কায়দায় ট্র্যাপে ফেলে ৬০ হাজার টাকা এবং একটি অ্যানড্রয়েড ফোন কেড়ে নেয়। এসব ঘটনায় থানায় পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। ওসি আরো জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের সোমবার (১০ আগস্ট) আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীর ৬০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


ফেনীর ৬০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

ফেনী, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার ৬০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া ক্লাবের মধ্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

জেলা সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ উপলক্ষে আজ সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরীন কান্তার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম সোহরাব আল হোসাইন, সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খালেদা পারভীন, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, ফেনী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন বাবুল এবং উপজেলা শিক্ষা সুপারভাইজার কামরুন্নাহার।

প্রধান অতিথি অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি তার বক্তব্যে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্রীড়া ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী সরবরাহের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় আরও উৎসাহিত করা সম্ভব হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা নাসরীন কান্তা বাসস’কে জানান যে, উপজেলার ২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১২টি মাদ্রাসা, ৬টি কলেজ এবং ৫টি ক্লাবের মধ্যে এই সব ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে রাজনৈতিক মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে প্রয়োজনীয়, যে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে সেও জরুরি। এর পাশাপাশি রাজনৈতিক দল ও নেতাকর্মীদের মানসিকতার পরিবর্তনও প্রয়োজন।

সোমবার রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’ আয়োজিত ‘নির্বাচনী সহিংসতা পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন: বাংলাদেশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬’ সম্পর্কে আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যের সময় রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশের মানুষ আশাবাদী যে, অতীতে যা ঘটেছে, তা পেছনে ফেলে নতুন করে গণতন্ত্রের উন্নতির পথচলা শুরু হবে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো উন্নয়নের দিকে যাবে, বিচারবিভাগ সত্যিই স্বাধীনভাবে কাজ করবে, গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে সক্ষম হবে এবং নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্ব স্বতন্ত্রভাবে পালন করবে।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র একেবারেই শুধু রাজনীতি বিজ্ঞান কিংবা ইতিহাসের বিষয় নয়। এটি কোনো যুক্তির বিষয়ও নয়। এটি মূলত মনস্তত্ত্বের বিষয়। যদি আপনার মনস্তত্ত্ব সুস্থ না থাকে, তবে আপনি কিছুই করতে পারবেন না।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, বিরোধী দল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তীব্র, তীক্ষ্ণ ও কঠোর সমালোচনা করবে, যা গণতন্ত্রের প্রাসঙ্গিক চর্চা। তবে সেই সমালোচনা অবশ্যই গঠনমূলক হতে হবে, পারস্পরিক উপকারেও সহায়ক হতে হবে এবং ভবিষ্যৎমুখী হতে হবে। তাহলেই গণতন্ত্রের পথচলা মসৃণ হবে এবং রাষ্ট্রে গণতন্ত্রের একটি উন্নয়ন ঘটবে।

তিনি বলেন, গণতন্ত্রের জন্য প্রত্যেককে তাদের নিজেদের দিকেও তাকাতে হবে। এক হাতে কখনো তালি বাজে না। সরকার ও বিরোধী দল উভয়পক্ষের ভুমিকার সৃষ্টি থাকা জরুরি। একতরফাভাবে শুধু একটি পক্ষের কথা বললে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নির্মাণ করা সম্ভব হবে না। ভাষা, শব্দের প্রয়োগ ও বাক্য বিন্যাসের মধ্যে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ যদি সচেতন থাকে, তাহলে নেতাকর্মীদের মধ্যে সহিংস মনোভাব সৃষ্টি হবেনা।

রিজভী বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যত আইন-কানুনই গঠন করা হোক, মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন ছাড়া সেগুলি কার্যকরিভাবে প্রতিষ্ঠিত হবে না। প্রত্যেকের মধ্যে আইন মানার মানসিকতা গড়ে তোলার প্রয়োজন।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বিচারকরা তাদের মত এবং রায় প্রদানের ক্ষেত্রে সুবিবেচনা অনুযায়ী ভূমিকা পালন করবেন, এটি প্রত্যাশিত। অতীতে বিচারবিভাগের যে পরিস্থিতি দেখা গেছে, সেটির পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে। গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোকেও নিজেদের আচরণ এবং কার্যক্রমের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

আলোচনা সভায় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%