ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ডেলিভারির ফাঁকে কুরআন তিলাওয়াত করে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন উগান্ডার মনসুর


ডেলিভারির ফাঁকে কুরআন তিলাওয়াত করে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন উগান্ডার মনসুর

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ইন্টারনেটে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করছেন উগান্ডার নাগরিক মনসুর কাতাবালওয়া। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, তিনি বাইকের পাশে বসে গভীর মনোযোগের সঙ্গে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করছেন।

এটি তার জন্য শুধুমাত্র নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণের বিষয় নয়, বরং প্রবাসে কাজের মাঝে নিজের ঈমান এবং প্রয়াত স্বজনদের স্মৃতি আঁকড়ে রাখার একটি দৈনন্দিন প্রচেষ্টা। মনসুর গত দুবছর ধরে আরব আমিরাতে বাস করছেন এবং গত পাঁচ মাস ধরে তিনি জনপ্রিয় রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ‘তালাবাত’-এর ডেলিভারি রাইডার হিসেবে কাজ করছেন।

দেশে থাকা স্ত্রী ও দুই সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাদের একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ উপহার দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তিনি প্রবাসে এসেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে দেখা যায়, অর্ডারের ফাঁকে বাইকটি দাঁড় করিয়ে হাতে একটি কুরআন শরীফ নিয়ে পরম তৃপ্তিতে তিলাওয়াত করছেন মনসুর।

আরও পড়ুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে প্রাণ হারালেন চান্দিনার সাগর

তিনি জানান, ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার অনেক আগে থেকেই তিনি এটি নিয়মিতভাবে করে আসছেন। এর পেছনে রয়েছে তার জীবনের একটি বিষাদময় অধ্যায়। তিন বছর আগে মাত্র কিছুদিনের ব্যবধানে তিনি নিজের বাবা-মা এবং ভাইকে হারান। প্রিয়জনদের হারানোর এই গভীর শোক ও বেদনা তাকে ইসলামের অনুশাসনের আরও কাছে নিয়ে আসে এবং তিনি পুরো কোরআন হিফজ (মুখস্থ) করেন।

ডেলিভারির কাজে দিনের বেশিরভাগ সময় তাকে রাস্তায় বাইক চালিয়ে কাটাতে হয়। কুরআন যেন ভুলে না যান, তাই বাইক চালানোর সময় তিনি মোবাইলে তিলাওয়াত শোনেন। আর রাইডের মাঝে যখনই খানিকটা অবসর মেলে, সাথে রাখা কুরআন শরিফ খুলে তিলাওয়াত করতে বসে যান।

মনসুর বলেন, ‘কাজের বিরতিতে কুরআন পড়লে তা আমাকে গভীরভাবে মনোযোগী হতে সাহায্য করে এবং মানসিকভাবে আল্লাহর কাছাকাছি অনুভব করি।’ প্রয়াত মা-বাবার মাগফিরাত কামনা করেই মূলত তার এই তিলাওয়াত। তিনি আরও বলেন, ‘আমি আমার প্রয়াত মা-বাবার আত্মার মাগফিরাত ও জান্নাতুল ফেরদাউস প্রার্থনার নিয়তেই কোরআন পাঠ ও চর্চা করি।’

আরও পড়ুন: সৌদি-হুথি সংঘাত সমাধানে সহযোগিতার জন্য প্রস্তুত ইরান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপপ্রচারে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে এনসিপি যুক্ত হয়েছে: আবু হানিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ পি.এম


অপপ্রচারে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে এনসিপি যুক্ত হয়েছে: আবু হানিফ

গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের একটি ছবির বিষয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত প্রশ্ন তোলার জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদকে সমালোচনা করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া এমন একটি ছবি নিয়ে প্রশ্ন তোলা ‘দায়িত্বশীল আচরণ নয়’ বলে মনে করেন।

আবু হানিফ রোববার (৪ অক্টোবর) সকালে একটি ভেরিফায়ড ফেসবুক পোস্টে এই মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এই অধিবেশনে অংশগ্রহণকারী বিশ্বনেতা ও তাদের সহধর্মিণীদের সম্মানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি রিসেপশনের আয়োজন করেন। ওই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার তাদের রিসেপশনে অংশগ্রহণের একটি ছবি প্রকাশিত হয়। পরে আসিফ মাহমুদ ছবিটি এআই দ্বারা তৈরি কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। আবু হানিফের দাবি, বিভিন্ন মাধ্যমে ছবিটি এআই-নির্মিত নয় বলে নিশ্চিত হওয়ার পর আসিফ মাহমুদ তার পোস্টটি মুছে ফেলেন।

আবু হানিফ আরও বলেন, পোস্টটি মুছে ফেলার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পক্ষ ছবিটিকে এআই-নির্মিত বলে প্রচার শুরু করে। এতে প্রধানমন্ত্রীর ছবির বিষয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

আসিফ মাহমুদের সমালোচনা করে গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র বলেন, কোনো দেশের প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক কোনো অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলে সেটি দেশের জন্য গর্বের বিষয়। এ ধরনের ছবি নিয়ে যাচাই না করে প্রশ্ন তোলা দায়িত্বশীল আচরণ নয়।

একই পোস্টে জামায়াত-শিবির এবং এনসিপির বিরুদ্ধে অভিযোগও করেন আবু হানিফ। তার দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর প্রচারের ক্ষেত্রে জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে এনসিপিও যুক্ত হয়েছে।

তবে আসিফ মাহমুদের পোস্ট মুছে ফেলার কারণ এবং আবু হানিফের অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাহমুদা মিতুর অভিযোগ, এমপি হিসেবে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


মাহমুদা মিতুর অভিযোগ, এমপি হিসেবে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন না

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু অভিযোগ করেছেন যে, সংসদ সদস্য হিসেবে নিজের এলাকার উন্নয়নে যতটা কাজ করার সুযোগ পাওয়ার কথা ছিল, ততটা তিনি পাননি।

রোববার (৪ অক্টোবর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই অভিযোগ তুলে ধরেন।

মাহমুদা মিতু উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে রুমিন ফারহানা একটি ছোট দৈর্ঘ্যের রাস্তার ছবি দিয়েছিলেন। তিনি তখন চিন্তিত হয়েছিলেন যে, সংরক্ষিত সংসদ সদস্যদের মর্যাদা সমান হলেও তাদের কাজের পরিধি কতটা সীমিত। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, "পাঁচ বছরে যদি একটি ইটের রাস্তা করার মতো কাজই থাকে, তাহলে মানুষের জন্য বড় পরিসরে কাজ করবেন কীভাবে?"

সংসদ সদস্যদের মূল দায়িত্ব আইন প্রণয়ন ও রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য যে বরাদ্দ আসে, তার মাধ্যমে মানুষের জন্য সরাসরি কাজ করার সুযোগ থাকে। এসব বিষয় মাথায় রেখেই তিনি সরাসরি নির্বাচনের স্বপ্ন দেখেছিলেন।

মাহমুদা মিতু বলেন, "মাঠে-ঘাটে মানুষের মধ্যে গিয়ে তাদের কথা শোনা এবং পাশে থাকা আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ।" তবে তিনি শেষ পর্যন্ত যা ঘটেছে, তা আল্লাহর পরিকল্পনা হিসেবেই দেখছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের সংরক্ষিত সংসদ সদস্য হিসেবে তার এলাকার জন্য যে পরিমাণ কাজ করার সুযোগ পাওয়ার কথা ছিল, তা তিনি পাননি। সরকার তাকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঞ্চিত করেছে, যার ফলে তার এলাকার মানুষও তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এলাকায় খুব সামান্য কাবিখা ও কাবিটা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই বরাদ্দ দুই উপজেলায় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের পরিমাণ কম হলেও এর এক পয়সাও এদিক-সেদিক হবে না।

এলাকার সবচেয়ে খারাপ রাস্তাগুলো তিনি নিজে গিয়ে দেখেছেন জানিয়ে মাহমুদা মিতু বলেন, সামনে আরও বরাদ্দ এলে ধাপে ধাপে এসব রাস্তার উন্নয়নে কাজ করা হবে।

দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে বরাদ্দের প্রকৃত হকদারকে তার প্রাপ্য দেওয়ার কথাও তিনি বলেন। তার ভাষায়, "আমার এলাকার কোনো বিএনপি কর্মী বা সমর্থক যদি কোনো বরাদ্দের প্রকৃত হকদার হন, তাকেও বঞ্চিত করা হবে না।"

মাহমুদা মিতু বলেন, "রাজনীতির একটি বড় দিক হলো মানুষের হক নিশ্চিত করা।" তিনি জানান, কোনো কিছু বণ্টনের সময় নিজের পছন্দের মানুষকে বেশি দেওয়া, কারও প্রাপ্য আটকে রাখা কিংবা দুর্বল মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার মতো কাজ তিনি করতে চান না এবং এসবকে প্রশ্রয়ও দিতে চান না। তবে তিনি স্বীকার করেন যে, ভুলত্রুটি হতে পারে এবং নিজেকে সংশোধনের জন্য সব সময় প্রস্তুত আছেন।

তিনি চিকিৎসা পেশা ছেড়ে জুলাইয়ের আন্দোলনে রক্তপাতের পর রাজনীতিতে এসেছেন উল্লেখ করে বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার স্বপ্ন নিয়েই তার রাজনীতিতে আসা। তিনি নিজে অন্যায় করবেন না এবং কেউ অন্যায় করলে সহজে ছেড়ে দেবেন না।

নিজের এলাকার উন্নয়ন পরিস্থিতি তুলে ধরে মাহমুদা মিতু বলেন, তার এলাকা দেশের সবচেয়ে অনুন্নত ১০টি এলাকার মধ্যে একটি। সেখানকার রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই খারাপ। তিনি বলেন, "মানুষের দুর্ভোগ না দেখলে তা বিশ্বাস করা কঠিন।"

তিনি আরও বলেন, এলাকার সব সংসদ সদস্য যদি দলমতের বাইরে গিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারলে আরও বেশি উন্নয়ন করা সম্ভব হতো। তবে এর জন্য রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার বাইরে গিয়ে বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করার মানসিকতা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়া ফেরত পাঠালো দেড় হাজার মিয়ানমার অভিবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৮ পি.এম


মালয়েশিয়া ফেরত পাঠালো দেড় হাজার মিয়ানমার অভিবাসী

মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে প্রায় দেড় হাজার মিয়ানমারের অভিবাসী। রোববার (৪ অক্টোবর) তিনটি নৌযানে করে ১ হাজার ৪৭৬ জন মিয়ানমারে পৌঁছান। চলমান গৃহযুদ্ধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রেক্ষাপটে এই প্রত্যাবাসন নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

মিয়ানমারের নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজ স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৭টার আগে থানলিনে নৌঘাঁটিতে পৌঁছায়। এই সময় শত শত স্বজন তাদের পরিবারের সদস্যদের নিতে নৌঘাঁটির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন।

৫৫ বছর বয়সি কিয়াও মিন্ট জানিয়েছেন, দেড় বছর ধরে মালয়েশিয়ায় আটক থাকা তার তিন নাতিকে নিতে তিনি এসেছেন। তিনি বলেন, "ছয় বছর ধরে তাদের সঙ্গে আমার দেখা হয়নি। কারাগারে যাওয়ার পর থেকেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।"

তবে দেশে ফেরার পর তাদের জোরপূর্বক সামরিক বাহিনী কিংবা জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীতে নিয়োগ করা হতে পারে- এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

মিয়ানমার সরকারের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার মালয়েশিয়া থেকে তিনটি নৌযানে করে ১ হাজার ৪৭৬ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এটি প্রায় ৫ হাজার অভিবাসীকে দেশে ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনার প্রথম ধাপ। এই প্রত্যাবাসন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে করা সমঝোতার আওতায় হচ্ছে।

যদিও জাতিসংঘ বলছে, ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে গৃহযুদ্ধে আক্রান্ত মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা কঠিন। আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় নিরাপদ প্রত্যাবাসনের যে শর্ত রয়েছে, তা বর্তমান পরিস্থিতিতে পূরণ হচ্ছে কি-না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ২৭ শিশু ও ৭৯ নারী রয়েছেন বলে মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। বাকি ১ হাজার ৩৭০ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ।

ফেরত পাঠানোদের মধ্যে নিপীড়িত রোহিঙ্গারা রয়েছেন কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে মালয়েশিয়ায় থাকা মিয়ানমারের শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বড় অংশই রোহিঙ্গা।

মালয়েশিয়া বলছে, আটককেন্দ্রে থাকা সব প্রত্যাবাসনকারী স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে সম্মত হয়েছেন। মিয়ানমারের দাবি, তাদের অনেকেই অভিবাসনসংক্রান্ত অপরাধে সাজা শেষ করেছেন। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এসব আটককেন্দ্রের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাও জানিয়েছে, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করে তারা সত্যিই স্বাধীন ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কিনা, তা যাচাই করার সুযোগ তাদের দেওয়া হয়নি।

মালয়েশিয়া ইতোমধ্যে আরও ৩ হাজার ৫০০-এর বেশি মিয়ানমারের অভিবাসীকে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, অভিবাসীরা দেশের ওপর বড় ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি করেছে এবং সামাজিক ও নিরাপত্তাজনিত সংকট সৃষ্টি করছে।

এদিকে মিয়ানমারে সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। গত মাসের শেষ দিকে রাখাইন রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলে একটি বাজারে সামরিক বাহিনীর বিমান হামলায় প্রায় ৫০ জন নিহত হন। পর্যবেক্ষণ সংস্থা এসিএলইডি-এর হিসাবে, দেশটির চলমান গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত এক লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার টুর্ক মালয়েশিয়া থেকে প্রত্যাবাসনের সমালোচনা করে বলেছেন, "গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ও নির্যাতনে জর্জরিত একটি দেশে জোরপূর্বক কাউকে ফেরত পাঠানোর সময় এখন নয়।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাকিমপুরে এক নারীকে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ, দুই গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


হাকিমপুরে এক নারীকে আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ, দুই গ্রেপ্তার

দিনাজপুরের হাকিমপুরে (হিলি) পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে এক নারীকে একটি বাড়িতে কয়েকদিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের করা মামলায় পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। অপর আসামি পলাতক রয়েছে। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে ভুক্তভোগীর মা হাকিমপুর থানায় অভিযোগ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তাঁর মেয়ে পাওনা টাকা চাইতে গেলে গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত হাকিমপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া এলাকায় মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমনের বাড়িতে তাকে আটকে রাখা হয়।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ওই সময়ে রুহুল আমিন ওরফে রিমন, শুকুর আলী (৫৫) ও ফেরদৌস মিয়া (৫০) ওই তরুণীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন। এ সময় আসামিরা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে ওই বাড়িতে গিয়ে দুই আসামিকে আটক করেন। খবর পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে হাকিমপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুইজনকে হেফাজতে নেয়। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী তরুণীকেও উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মায়ের এজাহারের ভিত্তিতে হাকিমপুর থানায় গণধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলার পর মোহাম্মদ রুহুল আমিন ওরফে রিমন এবং মো. শুকুর আলীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। অপর আসামি ফেরদৌস মিয়া পলাতক রয়েছে।

হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%