০১:৩৩ এম
বিহারের আররিয়া জেলার জোকিহাটের ডিজিটাল সাংবাদিক মোঈদ আলমকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সার নির্ধারিত দাম ২৬৬ টাকার পরিবর্তে ৪০০ টাকায় বিক্রি করার বিষয়টি তুলে ধরার পর এই ঘটনা ঘটে।
তবে ঘটনার মোড় ঘোরে ব্যবসায়ী পীযূষ আগরওয়ালের পাল্টা অভিযোগের মাধ্যমে। আগরওয়ালের দাবি, মোঈদ আলম তাঁর কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা চাঁদাবাজি করেছেন এবং তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছেন।
জানা যায়, জোকিহাট এলাকায় নির্ধারিত মূল্য ২৬৬ টাকার সার ৪০০ টাকায় বিক্রি করে কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে ধরেন সাংবাদিক মোঈদ আলম।
আরও পড়ুন: আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনকে লজ্জাজনক বললেন নেতানিয়াহু
ফোর্বসগঞ্জের 'মেসার্স গণেশ ট্রেডিং'-এর স্বত্বাধিকারী ব্যবসায়ী পীযূষ আগরওয়াল অভিযোগ করেন, গত ১২ অক্টোবর মোঈদ আলম তাঁর দোকানে আসেন এবং সারের পিওএস মেশিন নিয়ে তথ্য চান। সে সময় নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে গালিগালাজ করেন এবং দোকানের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেন।
ব্যবসায়ী আগরওয়ালের দাবি, পরবর্তীতে মোঈদ আলম আবার তাঁর দোকানে গিয়ে ১২ লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে তাঁকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। মিথ্যা মামলায় ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কায় আগরওয়াল পুলিশের কাছে নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানান।
ফোর্বসগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনোজ কুমার জানান, ব্যবসায়ী আগরওয়ালের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
সারের কালোবাজারি ও অতিরিক্ত দামের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় সাংবাদিক মোঈদ আলমকে জেলে পাঠানোর ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নেটিজেনদের অনেকেই সাংবাদিকের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: লুলার বিজয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধাক্কা, ভূরাজনীতির নতুন সমীকরণ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন