ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৬টি গাড়ি


নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত ৬টি গাড়ি

সরকার মন্ত্রিসভার পরিবর্তন আনছে। নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য সরকারি যানবাহন অধিপ্তর ৬টি গাড়ি প্রস্তুত রেখেছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ৬টি গাড়ির আবেদন করা হয়েছে অধিদপ্তরে। তবে কতটি গাড়ি ব্যবহার করা হবে সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে যে, নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য মোট ছয়টি গাড়ি তৈরি রাখা হয়েছে। সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেন, নতুন মন্ত্রীদের জন্য তাদের কাছে ছয়টি গাড়ির আবেদন করা হয়েছিল এবং সেগুলি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে।

এখন প্রশ্ন হল, সেখান থেকে কয়টি গাড়ি কাজে লাগানো হবে, সেটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগই জানাতে পারবে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী তিন বিভাগ রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন

এদিকে কালের কণ্ঠ মন্ত্রিপরিষদে যুক্ত হতে যাওয়া ৪ নতুন সদস্যের নামও জানতে পেরেছে। নতুন সদস্যরা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এমপি, জাতীয় পাটির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি, বান্দরবান থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।

নতুন মন্ত্রীদের সম্ভাব্য দফতর নিয়ে আলোচনা চলছে, তারা কোন মন্ত্রণালয় পেতে পারেন। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন রাষ্ট্রপতির শপথের পরই মন্ত্রিসভা নতুন সদস্যদের শপথ নেবে।

দরবার হলে নতুন সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানাচ্ছে, নতুন মন্ত্রীদের শপথ পড়াবেন নতুন রাষ্ট্রপতি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। প্রায় ১৯ বছর পর গঠিত বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার আকার হয় মোট ৫০ জনের। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

আরও পড়ুন: শেরপুরে মানবপাচার মামলার প্রধান আসামি লাভলু মিয়া গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে মিত্র ও চীনের সহায়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে মিত্র ও চীনের সহায়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকা, ২১ আগস্ট, ২০২৬ : প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন অভিযানে ইরানের অর্থনীতি বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদেশ ও চীনকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। ওয়াশিংটন বলেছে, তারা তেহরানের ‘এই সরকারকে ধ্বংস করবে।’

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিকে ইরান ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেছে, এতে কোনো ফলের আশা না করাই প্রধান।

দেশে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে সমালোচনার মুখে রয়েছেন ট্রাম্প। সামনে গুরুত্বপূর্ণ মধ্যবর্তী নির্বাচন রয়েছে। এর মধ্যে বুধবার তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক’ অর্থনৈতিক অভিযান চালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের সঙ্গে সুর মিলিয়ে বলেছেন যে, ট্রাম্পের অজনপ্রিয় যুদ্ধ ছয় মাসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এদিকে তিনি তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর পক্ষে জোর দিয়েছেন। বেসেন্ট এক্সে বলেন, ‘তেহরানের সঙ্গে যে কোনো ধরণের সম্পর্ক, কোনো দেশের অর্থনৈতিক ধ্বংসকে ত্বরান্বিত করবে। সেই সম্পর্ক কিংবা কৌশল ইচ্ছাকৃতভাবে উদ্ভাবিত হোক বা জেনেশুনে উপেক্ষা করা হোক।’

কিন্তু ট্রাম্প বা তার অর্থমন্ত্রী ইরানের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা বিস্তারিত জানাননি। বেসেন্ট বলেন, সোমবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এক পডকাস্টে বলেন, ‘আমরা এখন এমন একটি নতুন পর্যায়ে রয়েছি, যেখানে আমাদের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার হলো তাদের ওপর প্রয়োগ করা অর্থনৈতিক চাপ।’ তিনি добавил, ‘এটি একটি সূক্ষ্ম ভারসাম্যের বিষয়’, কারণ ইরানও ‘আমাদের ওপর অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের চেষ্টা করবে।’

যুক্তরাষ্ট্র চীনের ওপর চাপ দেবে কি না- এ বিষয়ে জানতে চাইলে বেসেন্ট সিএনবিসিকে বলেন, ‘অনেক আলোচনা ব্যক্তিগতভাবে করাই ভালো।’ তবে তিনি বেইজিংকে ‘এই কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার’ আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ২৪ সেপ্টেম্বর হোয়াইট হাউস সফর করবেন।

বেসেন্টের মন্তব্যের মাধ্যমে ইরানে সরকার পরিবর্তনের কথা একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার মুখে আবার উঠে এসেছে। এর আগে কয়েক মাস ধরে ট্রাম্প বলে আসছিলেন, যুদ্ধের লক্ষ্য হলো ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা। এদিকে বেসেন্ট বলেন, অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ফলে ইরানের বিরুদ্ধে আবার বড় ধরণের সামরিক অভিযান চালানোর প্রয়োজন কমে আসবে।

তিনি বলেন, ‘যদি আমরা সর্বাধিক অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করি, তাহলে বড় আকারের সামরিক অভিযান আবার শুরু করার প্রয়োজন পড়বে বলে মনে হয় না।’

ট্রাম্পের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা যুদ্ধ এখন অচলাবস্থায় রয়েছে। এদিকে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর একটি অংশ বন্ধ রেখেছে।

বুধবার ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ চালানোর প্রতিশ্রুতি দেন। তার নিজস্ব ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ‘যে কোনো দেশের বিরুদ্ধে নেওয়া সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক অর্থনৈতিক অভিযান’ ঘোষণা করছেন তিনি। ‘এটি হবে নজিরবিহীন মাত্রার অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও বিচ্ছিন্নতা।’

কিন্তু একই সময়ে ওই অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতিও বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। দীর্ঘদিন মোতায়েন থাকা একটি বিমানবাহী রণতরীতে গুরুতর পরিস্থিতির খবর প্রকাশের পর দেশে ট্রাম্পের যুদ্ধ নিয়ে নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়। এর মধ্যে বুধবার মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন একটি বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ পৌঁছেছে।

ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে মোতায়েন থাকা আব্রাহাম লিংকনে খাবারের ঘাটতি, নষ্ট পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং আত্মহত্যার একাধিক চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। এদিকে বৃহস্পতিবার ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করা কাতারের কাছে সম্ভাব্য ৪৫০ কোটি ডলারের জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিউবার ওপর চাপ বাড়াতে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


কিউবার ওপর চাপ বাড়াতে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ঢাকা, ২১ আগস্ট, ২০২৬ : নতুন করে কিউবার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও নতুন নিষেধাজ্ঞার এই ঘোষণা দেন। নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে কিউবার নির্মাণ মন্ত্রণালয়ও।

নাগরিকদের জন্য অনলাইন নিউজ এজেন্সি এএফপি’র পক্ষ থেকে খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

কিউবার ধাতু ও খনি খাতের কিছু রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানকেও নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। মার্কো রুবিও বলেন, এই প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাতের নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে কিউবার সরকারের ‘দমনমূলক কর্মকাণ্ডকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করছে’৷

এছাড়া, কিউবান ইনস্টিটিউট অব ফ্রেন্ডশিপ উইথ দ্য পিপলস, আইক্যাপ-এর তিন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন স্থানে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদল ও ব্রিগেডের সদস্যদের আতিথ্য দেয়।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় পড়া আইক্যাপের সভাপতি ফার্নান্দো গনজালেস ইয়োর্তকে যুক্তরাষ্ট্রে কিউবার গুপ্তচর হিসেবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে ১৫ বছর ছিলেন। পরে তিনি কিউবায় ফিরে আইক্যাপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘অস্থিতিশীলতামূলক কর্মকাণ্ড’ চালাতে থাকেন বলে অভিযোগ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

রুবিও বলেন, ‘আজকের নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, কিউবার সরকার দমন-পীড়নে অর্থায়ন করবে অথবা কয়েক দশক ধরে হয়ে আসা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে- ট্রাম্প প্রশাসন তা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।’

তবে কিউবা এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছে। কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে বলেছেন, রুবিও কিউবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে দেশটির অর্থনীতির ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এর উদ্দেশ্য হলো কিউবা সরকারকে জনগণের প্রয়োজনীয় মৌলিক সেবা নিশ্চিত করতে বাধা দেওয়া।

ট্রাম্প প্রশাসন চলতি বছরের জানুয়ারিতে কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করে। এর আগে কিউবার ঘনিষ্ঠ মিত্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন।

কিউবার ওপর আরোপ করা তেল অবরোধ দেশটির সমস্যা সংকটাপন্ন জীবনযাত্রাকে আরো কঠিন করে তুলেছে। একই সঙ্গে সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন বড় ব্যবসায়িক গোষ্ঠী জিএইএসএসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা বিদেশি ব্যবসা ও বিনিয়োগকারীদের কিউবা থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে এবং দেশের অর্থের প্রবাহকে কমিয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ রয়েছে যে, কিউবা রাশিয়া, চীন ও ইরানের মতো যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করে মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে ওয়াশিংটন কিউবার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বামপন্থী বিভিন্ন আন্দোলনের কথিত যোগাযোগকেও গুরুত্ব দিচ্ছে।

রুবিও বলেন, কিউবার সরকার দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে একটি বিস্তৃত ‘গোপন প্রভাব বিস্তারকারী নেটওয়ার্ক’ পরিচালনা করে আসছে। তার বক্তব্য, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মতো কর্মসূচির আড়ালে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলা এবং ধীরে ধীরে উগ্রপন্থী করে তোলার চেষ্টা করা হয়।

রুবিও আরও দাবি করেন, কিছু দিন আগে কিউবার সাবেক নেতা ও কমিউনিস্ট বিপ্লবী ফিদেল কাস্ত্রোর জন্মশতবার্ষিকীকে কাজে লাগিয়ে দেশটি এই নেটওয়ার্ককে আবার সক্রিয় করার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, এর উদ্দেশ্যে আন্তর্জাতিক সমর্থকদের একটি নতুন দলকে কিউবায় নিয়ে এসে সরকারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।

অথচ, ওই ব্যক্তিরা কারা সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি রুবিও।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অন্তর্জালে জায়েদ খানের ‘শিকারি’, নারী দর্শকদের মন্তব্য ‘সো সুইট’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


অন্তর্জালে জায়েদ খানের ‘শিকারি’, নারী দর্শকদের মন্তব্য ‘সো সুইট’

অন্তর্জালে জায়েদ খানের মিউজিক ভিডিও ‘শিকারি’ উন্মুক্ত হয়েছে। টিজারের পর এটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে আগ্রহ ছিল। ভিডিওটি সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে চিত্রায়িত। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভিডিওটি প্রকাশিত হয়েছে এবং এরপর থেকে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

মিউজিক ভিডিওর শুরুতেই স্পোর্টস বাইকে চড়ে নতুন লুকে হাজির হয়েছেন জায়েদ খান। তাঁর সঙ্গী হিসেবে দেখা গেছে ছয় নারী মডেলকে, যারা দেশি ও বিদেশি। ভিডিওটিতে নানা দৃশ্যে জায়েদ খান সমুদ্র সৈকত, জাহাজে এবং সমুদ্র তীর ঘেঁষা রাস্তায় হাজির হয়েছেন।

নাচ ও অভিনয়ের পাশাপাশি ভিডিওতে দৃশ্যায়নেও বৈচিত্র্য রাখা হয়েছে। নিজের ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওটি দেখে সাড়ে ১৩ হাজারেরও বেশি রিয়েক্ট পড়েছে এবং ১৪শ-এরও বেশি মন্তব্য জমা পড়েছে। অনেক দর্শক মজার মন্তব্য করেছেন এবং জায়েদ খানকে শুভকামনা জানিয়েছেন। কেউ কেউ তাঁর প্রশংসাও করেছেন।

একজন মন্তব্য করেছেন, ‘জায়েদ খান রকস’, আরেকজন লিখেছেন, ‘জাস্ট ওয়াও’। অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াও সেই পোস্টে মন্তব্য করেছেন, ‘অভিনন্দন’। চিত্রনায়ক কায়েস আরজু লিখেছেন, ‘জাস্ট ওয়াও’। চিত্রনায়িকা আঁচল মন্তব্য করেছেন, ‘ওয়াও নতুন লুক, নতুন কনসেপ্ট। নতুন এক জায়েদ খান’। ফারহানা সুমি লেখা রয়েছে, ‘সো সুইট’। কিছু দর্শক আবার তাঁর ডিগবাজি কোথায় সেটাও জানতে চেয়েছেন।

জায়েদ খান জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নানা মনোরম লোকেশনে এই মিউজিক ভিডিওটির চিত্রায়ণ হয়েছে।‘শিকারি’ শুধু একটি মিউজিক ভিডিও নয়, এতে একটি ফিল্মি আবেদন রয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক মানের একটি নির্মাণ হয়েছে।

এক ভিডিও বার্তায় জায়েদ খান বলেন, ‘গানটি রিলিজের পর ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আশাকরি, শিকারি গানটির মাধ্যমে আপনাদের দিলে দিলে প্রেম পিরিতি জমে গেছে। আমি নায়ক হবার পর সেরকম মিউজিক ভিডিওতে কাজ করিনি। সুন্দর নিউ ইয়র্কের লোকেশন ব্যবহার করে বাংলা গানকে বিশ্বের বাঙালি মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার চেষ্টা করেছি।’

বাংলাদেশি নির্মাতা বদরুদ্দৌজা সাগরের পরিচালনায় নির্মিত ভিডিওতে জায়েদ খানের সঙ্গে মডেল হয়েছেন ইয়াসমিন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নিনা, মারিয়ানা, জুলিয়া, কারলা, কামিলা ও মিলানাও এতে অংশ নিয়েছেন। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সজীব ও রিমি। বড় বাজেটের এই মিউজিক ভিডিওটির নির্মাণের কাজে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক টেকনিশিয়ানও কাজ করেছেন। স্টেডিক্যাম অপারেটর হিসেবে এনরিক ক্যামাচো ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘের মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন যারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


জাতিসংঘের মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন যারা

ঢাকা, ২১ আগস্ট, ২০২৬ : নজিরবিহীন বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা, যুদ্ধ এবং ভয়াবহ বাজেট সংকটে থাকা জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে অবস্থান করছেন পাঁচ নারী ও তিন পুরুষ।

বিশ্বের প্রধান শক্তিগুলো এ বিষয়ে বিভক্ত থাকায় কে এগিয়ে আছেন, তা বলা কঠিন বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। তবে প্রার্থীদের সমর্থন যাচাইয়ে প্রথম অনানুষ্ঠানিক ভোটে কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান এগিয়ে ছিলেন।

জাতিসংঘ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।

অন্য প্রার্থীরা আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রসি, যিনি বর্তমানে জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থার প্রধান, চিলির মিশেল বাচেলেত, ইকুয়েডরের মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা, গায়ানার ক্যারোলিন রড্রিগেস-বির্কেট, ইকুয়েডরের ইভোনে এ-বাকি, উগান্ডার ওলার ওতুন্নু এবং সেনেগালের ম্যাকি সাল।

জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ মহাসচিব নির্বাচনে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ নির্বাচিত প্রার্থীদের মধ্যে একজনকে বেছে নেবে। পরে সেই নাম সাধারণ পরিষদের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে। তবে কোনো প্রার্থীকে নিরাপত্তা পরিষদের প্রয়োজনীয় নয়টি ভোট পাওয়ার পাশাপাশি ভেটোও এড়াতে হবে।

এজন্য জাতিসংঘের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের ভাগ্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ফ্রান্স ও রাশিয়ার হাতে। প্রার্থীদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় নিচে উপস্থাপন করা হলো:

-রেবেকা গ্রিনস্প্যান-

কোস্টারিকার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট গ্রিনস্প্যান জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থার (আঙ্কটাড) প্রধান। তবে জাতিসংঘের শীর্ষ পদে প্রচারণা চালাতে তিনি দায়িত্ব থেকে ছুটি নিয়েছেন।

২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন দখলের পর মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে শস্য রপ্তানি চালু রাখতে ব্ল্যাক সি গ্রেইন ইনিশিয়েটিভ চুক্তিতে মধ্যস্থতা করে তিনি কূটনৈতিক সাফল্য দেখান।

৭০ বছর বয়সী গ্রিনস্প্যান নিজের পারিবারিক ইতিহাসের কথাও তুলে ধরেন। তিনি ইহুদি বাবা-মায়ের সন্তান। তার ভাষায়, তারা হলোকাস্টে ‘কোনোভাবে বেঁচে গিয়েছিলেন’ এবং পরে কোস্টারিকায় অভিবাসী হন।

-মিশেল বাচেলেত-

চিলির সমাজতন্ত্রী বাচেলেতকে অগাস্তো পিনোশের শাসনামলে নির্মম নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। ২০০৬ সালে তিনি চিলির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হন।

পরে তিনি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এ সংবেদনশীল দায়িত্ব পালনকালে কিছু দেশের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে। দেশটির উইঘুর সংখ্যালঘুদের ওপর বেইজিংয়ের কথিত নির্যাতন নিয়ে তার প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই দূরত্ব আরও বাড়ে।

৭৪ বছর বয়সী বাচেলেত বলেছেন, বড় শক্তিগুলোর চাপের মধ্যেও জাতিসংঘের মহাসচিবের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ‘নৈতিক কণ্ঠস্বর’ থাকা উচিত।

মেক্সিকো ও ব্রাজিল তাকে সমর্থন করছে। তবে কট্টর-ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট হোসে আন্তোনিও কাস্ত দায়িত্ব নেওয়ার পর চিলি তার সমর্থন প্রত্যাহার করেছে। বিশেষ করে গর্ভপাতের অধিকারের প্রতি তার সমর্থনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রও বাচেলেতের সমালোচনা করেছে।

-মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা-

ইকুয়েডরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপিনোসা জাতিসংঘকে মানবজাতির অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার একমাত্র সর্বজনীন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে অভিহিত করেছেন। তবে তিনি জাতিসংঘে আরও ব্যাপক সংস্কার চান।

৬১ বছর বয়সী এসপিনোসা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাবেক সভাপতি। সম্ভাব্য সংঘাতের লক্ষণ শনাক্ত ও সতর্ক করতে তিনি একটি ‘আগাম সতর্কতা’ ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন।

অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা তার প্রার্থিতাকে সমর্থন করেছে। তবে নিজ দেশ ইকুয়েডর তাকে সমর্থন করেনি।

-রাফায়েল গ্রসি-

৬৫ বছর বয়সী গ্রসি আর্জেন্টিনার পেশাদার কূটনীতিক। ২০১৯ সাল থেকে তিনি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রধান। এ দায়িত্ব তাকে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে বিরোধের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

একই সঙ্গে ইউক্রেনের রুশ-অধিকৃত জাপোরিঝিয়া পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র নিয়েও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

মহাসচিব পদে প্রচারণা চালানোর জন্য তিনি বর্তমান দায়িত্ব ছাড়েননি। তার মতে, তা করা হবে ‘দায়িত্বে অবহেলা।’

কিছু পর্যবেক্ষকের মতে, জাতিসংঘে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে গ্রসি আরও জোরালো অবস্থান নিয়েছেন। তারা মনে করেন, জাতিসংঘের মহাসচিবের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

-ক্যারোলিন রড্রিগেস-বির্কেট-

৫২ বছর বয়সী রড্রিগেস-বির্কেট গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বর্তমানে তিনি জাতিসংঘে দেশটির রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক অঙ্গনে জাতিসংঘকে তার ‘বিশ্বাসযোগ্যতা’ ফিরিয়ে আনতে হবে।

তিনি বলেন, ‘শান্তি ও নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে জাতিসংঘকে বিচার করা হয়। কিন্তু জাতিসংঘ এর চেয়ে অনেক বড়। উন্নয়ন, মানবাধিকারসহ অনেক ক্ষেত্রে সংস্থাটি কাজ করছে।’

-ইভোনে এ-বাকি-

৭৫ বছর বয়সী ইভোনে এ-বাকি ইকুয়েডরের কূটনীতিক ও রাজনীতিক। তিনি ওয়াশিংটনে ইকুয়েডরের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। সেখানে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন বলে মনে করা হয়।

টোঙ্গার মনোনীত প্রার্থী এ-বাকির উপসাগরীয় অঞ্চলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তিনি কাতারে ইকুয়েডরের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

লেবানিজ বাবা-মায়ের সন্তান এ-বাকি ১৯৯৫ সালের সংক্ষিপ্ত সীমান্তযুদ্ধের পর ইকুয়েডর ও পেরুর মধ্যে সংলাপের ব্যবস্থা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, ‘আমি যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞের মধ্য দিয়ে বেঁচে এসেছি। জাতিসংঘ সনদের মৌলিক অঙ্গীকার পরবর্তী প্রজন্মকে যুদ্ধের অভিশাপ থেকে রক্ষা করা নতুন করে বাস্তবায়নে সহায়তা করতে আমি প্রস্তুত।’

-ম্যাকি সাল-

৬৪ বছর বয়সী ম্যাকি সাল একমাত্র প্রার্থী, যিনি ল্যাটিন আমেরিকার নন। রীতি অনুযায়ী পরবর্তী জাতিসংঘ মহাসচিব ল্যাটিন আমেরিকা থেকে আসার কথা।

সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাল শান্তি ও উন্নয়নের মধ্যকার সম্পর্কের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

আফ্রিকান ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান বুরুন্ডির প্রস্তাবিত প্রার্থী সাল এ সপ্তাহে শেষ পর্যন্ত নিজ দেশের সমর্থনও পেয়েছেন।

সেনেগালের কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সহিংস রাজনৈতিক বিক্ষোভ দমনে তিনি কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। এসব বিক্ষোভে কয়েক ডজন মানুষ নিহত হন।

-ওলার ওতুন্নু-

৭৫ বছর বয়সী ওতুন্নু ১৯৯৭ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত তৎকালীন জাতিসংঘ মহাসচিব কফি আনানের অধীনে শিশু ও সশস্ত্র সংঘাতবিষয়ক জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল এবং বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি জাতিসংঘে উগান্ডার দূত হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। অল্প সময়ের জন্য দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

২০১১ সালের নির্বাচনে বিরোধী দল উগান্ডা পিপলস কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ছিলেন ওতুন্নু। তবে ১৯৮৬ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা দীর্ঘদিনের নেতা ইয়োওয়েরি মুসেভেনির কাছে তিনি পরাজিত হন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%