০৪:২৩ পি.এম
অন্তর্জালে জায়েদ খানের মিউজিক ভিডিও ‘শিকারি’ উন্মুক্ত হয়েছে। টিজারের পর এটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই নেটিজেনদের মধ্যে আগ্রহ ছিল। ভিডিওটি সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে চিত্রায়িত। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভিডিওটি প্রকাশিত হয়েছে এবং এরপর থেকে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
মিউজিক ভিডিওর শুরুতেই স্পোর্টস বাইকে চড়ে নতুন লুকে হাজির হয়েছেন জায়েদ খান। তাঁর সঙ্গী হিসেবে দেখা গেছে ছয় নারী মডেলকে, যারা দেশি ও বিদেশি। ভিডিওটিতে নানা দৃশ্যে জায়েদ খান সমুদ্র সৈকত, জাহাজে এবং সমুদ্র তীর ঘেঁষা রাস্তায় হাজির হয়েছেন।
নাচ ও অভিনয়ের পাশাপাশি ভিডিওতে দৃশ্যায়নেও বৈচিত্র্য রাখা হয়েছে। নিজের ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওটি দেখে সাড়ে ১৩ হাজারেরও বেশি রিয়েক্ট পড়েছে এবং ১৪শ-এরও বেশি মন্তব্য জমা পড়েছে। অনেক দর্শক মজার মন্তব্য করেছেন এবং জায়েদ খানকে শুভকামনা জানিয়েছেন। কেউ কেউ তাঁর প্রশংসাও করেছেন।
আরও পড়ুন: ভেপিংয়ের নেশায় কণ্ঠস্বর বদলে গেছে: সেলেনা গোমেজ
একজন মন্তব্য করেছেন, ‘জায়েদ খান রকস’, আরেকজন লিখেছেন, ‘জাস্ট ওয়াও’। অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াও সেই পোস্টে মন্তব্য করেছেন, ‘অভিনন্দন’। চিত্রনায়ক কায়েস আরজু লিখেছেন, ‘জাস্ট ওয়াও’। চিত্রনায়িকা আঁচল মন্তব্য করেছেন, ‘ওয়াও নতুন লুক, নতুন কনসেপ্ট। নতুন এক জায়েদ খান’। ফারহানা সুমি লেখা রয়েছে, ‘সো সুইট’। কিছু দর্শক আবার তাঁর ডিগবাজি কোথায় সেটাও জানতে চেয়েছেন।
জায়েদ খান জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নানা মনোরম লোকেশনে এই মিউজিক ভিডিওটির চিত্রায়ণ হয়েছে।‘শিকারি’ শুধু একটি মিউজিক ভিডিও নয়, এতে একটি ফিল্মি আবেদন রয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক মানের একটি নির্মাণ হয়েছে।
এক ভিডিও বার্তায় জায়েদ খান বলেন, ‘গানটি রিলিজের পর ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি। আশাকরি, শিকারি গানটির মাধ্যমে আপনাদের দিলে দিলে প্রেম পিরিতি জমে গেছে। আমি নায়ক হবার পর সেরকম মিউজিক ভিডিওতে কাজ করিনি। সুন্দর নিউ ইয়র্কের লোকেশন ব্যবহার করে বাংলা গানকে বিশ্বের বাঙালি মানুষের কাছে পৌঁছে দেবার চেষ্টা করেছি।’
বাংলাদেশি নির্মাতা বদরুদ্দৌজা সাগরের পরিচালনায় নির্মিত ভিডিওতে জায়েদ খানের সঙ্গে মডেল হয়েছেন ইয়াসমিন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নিনা, মারিয়ানা, জুলিয়া, কারলা, কামিলা ও মিলানাও এতে অংশ নিয়েছেন। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সজীব ও রিমি। বড় বাজেটের এই মিউজিক ভিডিওটির নির্মাণের কাজে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক টেকনিশিয়ানও কাজ করেছেন। স্টেডিক্যাম অপারেটর হিসেবে এনরিক ক্যামাচো ছিলেন।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে ডাকাতির শিকার ৫০-৬০ যানবাহন, লুট ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন