ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ছায়াপথের কেন্দ্রে বিরল দৃশ্য, নতুন রহস্যের সূত্র পেলেন বিজ্ঞানীরা


ছায়াপথের কেন্দ্রে বিরল দৃশ্য, নতুন রহস্যের সূত্র পেলেন বিজ্ঞানীরা

পৃথিবী থেকে প্রায় ৬ কোটি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত একটি সর্পিল ছায়াপথের কেন্দ্রে বিশাল কৃষ্ণগহ্বরের বিরল দৃশ্য রেকর্ড করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। পর্যবেক্ষণের ফলস্বরূপ দেখা গেছে, কৃষ্ণগহ্বরটি তার চারপাশের গ্যাস ও ধুলিকণাকে টেনে নিচ্ছে এবং ক্রমাগত বড় হয়ে উঠছে। এই আবিষ্কারটি ছায়াপথ এবং কৃষ্ণগহ্বরের উৎপত্তি নিয়ে একটি দীর্ঘদিনের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের নতুন সূত্র সরবরাহ করতে পারে।

নাসা তাদের চন্দ্র এক্স-রশ্মি মানমন্দির ও জেমস ওয়েব মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে যৌথভাবে এই দৃশ্য নিবন্ধন করেছে। যে কৃষ্ণগহ্বরটির পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে, তার ভর আমাদের সূর্যের প্রায় ২০ লাখ গুণের সমান। এটি একটি সর্পিল ছায়াপথের কেন্দ্রে অবস্থিত এবং এখনও ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

প্রকাশিত ছবিতে কৃষ্ণগহ্বরের চারপাশে অত্যন্ত উত্তপ্ত পদার্থ ঘূর্ণায়মান অবস্থায় রয়েছে বলে দেখা গেছে। শক্তিশালী মহাকর্ষের কারণে গ্যাস এবং ধুলিকণাগুলি ধীরে ধীরে কৃষ্ণগহ্বরের দিকে টেনে নেওয়া হচ্ছে। নাসা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত একটি বার্তায় জানিয়েছে, এই কৃষ্ণগহ্বরটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৬ কোটি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত এবং এর ভর ২০ লাখ সূর্যের সমান, যা এখনও বৃহৎ আকার নিচ্ছে।

আরও পড়ুন: পিএইচপির বড় ত্রুটি শনাক্ত, সাইবার হামলার শঙ্কায় বন্ধ বহু ওয়েবসাইট

বিজ্ঞানীদের মতে, এই পর্যবেক্ষণ একটি প্রাচীন প্রশ্নকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। এই প্রশ্নটি হলো—প্রথমে কি ছায়াপথ গঠন হয় এবং পরে কৃষ্ণগহ্বর বড় হয়, নাকি বিশাল কৃষ্ণগহ্বরটি আগে গঠিত হয়ে পরে তার চারপাশে ছায়াপথের সৃষ্টি হয়? জেমস ওয়েবের নতুন তথ্য এখানে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দিতে পারে। বিশেষ করে, তুলনামূলকভাবে ছোট ছায়াপথে কীভাবে এত বড় কৃষ্ণগহ্বর গড়ে ওঠে, সেই রহস্য প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি সাহায্য করতে পারে।

ছবির বর্ণনাতে নাসা জানায়, ছায়াপথের কেন্দ্রের অংশে বেগুনি আভা দেখা যাচ্ছে। এর চারপাশে লাল এবং বেগুনি রঙের ক্ষুদ্র আলোকবিন্দু ছড়িয়ে রয়েছে, এবং ফ্যাকাশে গ্যাস ও ধুলার স্তর কৃষ্ণগহ্বরকে ঘিরে ঘুরপাক খাচ্ছে।

এই যৌথ পর্যবেক্ষণে, চন্দ্র দূরবীক্ষণ যন্ত্র উত্তপ্ত চাকতি থেকে নির্গত উচ্চশক্তির এক্স-রশ্মিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে, জেমস ওয়েব অবলোহিত তরঙ্গের মাধ্যমে আশপাশের গঠন বিশ্লেষণ করে কৃষ্ণগহ্বরের পরিবেশের একটি বিস্তারিত চিত্র বিজ্ঞানীদের সামনে উপস্থাপন করেছে।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ৪র্থ এসকিউএটি সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন আইএসটিকিউবি’র বর্তমান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০১ পি.এম


গাইবান্ধায় গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় আব্দুর রশিদ শেখ (৫২) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার সময় উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের রামপুরা এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত আব্দুর রশিদ শেখ ওই এলাকার মোজল হক শেখের পুত্র। তিনি পাঁচ সন্তানের জনক। জানা গেছে, রশিদ প্রায় দুই বছর ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন।

হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম বিপ্লব এবং স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আব্দুর রশিদ, যিনি পাঁচ সন্তানের জনক, দীর্ঘ দুই বছর ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন। মাঝে মাঝে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়ে যেতেন। এরই ধারাবাহিকতায়, গত সোমবার তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি, ফলে স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে তার খোঁজ করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে প্রতিবেশী ও পরিবারের লোকজন আব্দুর রশিদকে এলাকার ফেডারেশন ক্লাবের পাশে একটি গাছের সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানিয়েছেন, সুরতহাল রিপোর্টে ধারণা করা হচ্ছে, আব্দুর রশিদ আত্মহত্যা করেছেন। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানা গেছে, নিহতের মরদেহ কোন অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিবপুরের চিনাদীবিল ঘিরে প্রকৃতিপ্রেমীদের ভিড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


শিবপুরের চিনাদীবিল ঘিরে প্রকৃতিপ্রেমীদের ভিড়

 

নরসিংদীর শিবপুরের ঐতিহ্যবাহী চিনাদী বিল এখন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়ে উঠেছে প্রকৃতিপ্রেমী মানুষদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। ঈদ পরবর্তী ভ্রমণপিপাসু বিনোদন প্রেমীরা এই বিলের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য ভিড় করছেন। ঈদের পঞ্চম দিনে চিনাদী বিলপাড়ে হাজারো মানুষের সমাগম দেখা যায়।

নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলা সদর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে দুলালপুর ইউনিয়নে এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত চিনাদী বিল অবস্থিত। প্রায় ৫৫০ বিঘা আয়তনের বিশাল এই জলরাশি, যার নাম চিনাদী বিল। এই বিল শুধুমাত্র একটা জলাশয় নয়, বরং প্রকৃতির এক অপার ক্যানভাস, যেখানে নীল আকাশ, সবুজ ধানক্ষেত, এবং স্বচ্ছ জলের মেলবন্ধনে সৃষ্টি হয়েছে এক অপার্থিব সৌন্দর্য।

উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের মানিকদী, শিমুলিয়া, দুলালপুর, ভিটি চিনাদী ও দরগাহবন্দ – এই পাঁচ গ্রামের মিলনস্থলে অবস্থিত এই বিল প্রকৃতি প্রেমীদের জন্য এক অভয়ারণ্য। বিলের তীরে রয়েছে কৃষকদের দ্বারা আবাদ করা নানা রকম শাকসবজির ক্ষেত। বিলজুড়ে রয়েছে হাজার হাজার মৎস্যজীবীর বিচরণ।

মঙ্গলবারের মধ্যে বিল এলাকা সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের নিয়ে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা এসে হাজির হয়েছেন। এ সময়ে পর্যটকদের ভিড়ে বিলের চারপাশে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। কেউ নৌকাভ্রমণে গেছেন, আবার কেউ বিলপাড়ে আড্ডা এবং ছবি তোলার কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। স্থানীয় ছোট ব্যবসায়ী এবং ভ্রাম্যমাণ দোকানিদের মাঝেও রয়েছে বাড়তি প্রাণচাঞ্চল্য।

তবে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে এলাকাটির সরু সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। মোটরসাইকেল এবং বিভিন্ন যানবাহনের চাপ সামাল দিতে আগতদের হিমশিম খেতে হয়।

অনেক দর্শনার্থী অভিযোগ করেছেন, চিনাদী বিলে যাওয়ার রাস্তাগুলো সরু হওয়ায় এখানে আসতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। শিবপুর সদর থেকে এখানে আসতে মাত্র ৮ কিলোমিটার রাস্তা। কিন্তু তবেও যেন দুর্ভোগের শেষ নেই। একদিকে সরু রাস্তা, অন্যদিকে রাস্তা বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দ। ফলে এই রাস্তা দিয়ে চিনাদী বিলে ঘুরতে আসা পর্যটকদের দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

এছাড়া পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে বিলপাড়ে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যানবাহনের পার্কিং এবং দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনের আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, চিনাদী বিলকে একটি সম্ভাবনাময় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হলে দ্রুত সড়ক প্রশস্তকরণ, পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা, নিরাপত্তা জোরদার এবং দর্শনার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর চিনাদি বিলকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করা সম্ভব হলে এটি ভবিষ্যতে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন স্পটে পরিণত হতে পারে, এমনটাই মনে করেন এলাকাবাসী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় পোস্টমর্টেম জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৩ পি.এম


আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় পোস্টমর্টেম জরুরি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় শিশুর মৃত্যুর ঘটনাটি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ছয় শিশু মৃত্যুর ঘটনায় পোস্টমর্টেম নিয়ে আলোচনা করা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার কারণ এখনও তদন্তাধীন। হাসপাতালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (এসি) বন্ধ থাকায়, শ্বাসরোধজনিত পরিস্থিতি বা গ্যাস লিকেজ সহ সকল কিছু তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, কী কারণে শিশুগুলো মারা গেছে, তা নিশ্চিতভাবে বলতে তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এ ঘটনায় মৃত শিশুদের ময়নাতদন্ত না হওয়ায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পোস্টমর্টেম ছাড়া মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা কঠিন এবং এতে ভবিষ্যতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় আসামিপক্ষ সুবিধা পেতে পারে।

অভিভাবকদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা তাদের দায়িত্ব। প্রয়োজনে, দাফনের পরও আদালতের অনুমতি নিয়ে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা সম্ভব হতে পারে।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, যদি সাংবাদিকদের ওপর হামলা হয়ে থাকে, তা অবশ্যই নিন্দনীয়। আমরা তার নিন্দা জানাচ্ছি। তবে এই বিষয়ে মামলা হয়েছে কি না জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমার জানামতে কোনো মামলা হয়নি। যদি মামলার কার্যক্রম শুরু হয়, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা জানান।

অন্যদিকে, রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা মামলার বিচারকাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়া আদালতের বিষয় হলেও সাক্ষ্যগ্রহণসহ প্রসিকিউশনের দায়িত্ব সরকার যথাযথভাবে পালন করছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মামলায় এখন পর্যন্ত অধিকাংশ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বাকি সাক্ষীদের আদালতে হাজির করার বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। তবে বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবার প্রত্যাশা যে দ্রুত বিচার সম্পন্ন হবে, আমরা সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছি। তবে রায় কখন হবে বা কী হবে, তা সম্পূর্ণ আদালতের বিষয়।

মামলার তদন্তে নতুন কোনো ব্যক্তি জড়িত থাকার তথ্য পেলে মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। চিকিৎসক ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সাক্ষ্যগ্রহণের মতো কিছু আনুষ্ঠানিকতা এখনও বাকি রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় গ্রেফতারের তথ্যও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও মেসির রুম ঘিরে কৌতূহল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০৪ পি.এম


কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও মেসির রুম ঘিরে কৌতূহল

বিশ্বকাপ সামনে রেখে আর্জেন্টিনা দল প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। মাঠের বাইরে দলের ক্যাম্পেও চলছে নানা গল্প, ছোট ছোট মুহূর্ত- যা ভক্তদের আগ্রহকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। এরই মাঝে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির রুম নিয়ে একটি মজার বিষয়।

কানসাসে দলের এই ক্যাম্পে মেসি এবারও একাই রুমে থাকছেন। বিষয়টি নতুন নয়, বরং বহুদিন ধরেই এটি তার অভ্যাস। সাবেক সতীর্থ সের্হিও আগুয়েরো জাতীয় দল ছাড়ার পর থেকেই মেসি তার রুমে আর কোনো রুমমেট নেন না। কাতার বিশ্বকাপেও তিনি একই নিয়ম মেনেছিলেন।

দলের অন্যান্য সিনিয়র ফুটবলাররা অবশ্য আগের মতো রুম ভাগাভাগি করে থাকছেন। মেসির ঘনিষ্ঠ বন্ধু রদ্রিগো দে পল নিকোলাস ওতামেন্দির সঙ্গে একই রুমে আছেন। তাদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কারণে এই জুটি বেশ স্বাভাবিক বলেই মনে করছেন অনেকে। তবে একা রুমে থাকলেও মেসি কখনোই বিচ্ছিন্ন নন। সতীর্থদের কাছে তার রুম যেন এক ধরনের আড্ডাখানা। ফাঁকা সময় পেলেই সেখানে জড়ো হন সবাই- কার্ড খেলা কিংবা গল্পে মেতে ওঠেন দীর্ঘ টুর্নামেন্টের চাপ ভুলতে।

মেসির রুম নিয়ে আরেকটি বিষয়ও সামাজিক মাধ্যমে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে, তা হলো তার রুম নম্বর। কাতার বিশ্বকাপে তিনি ছিলেন ২০১ নম্বর কক্ষে। সেই সংখ্যা নিয়ে সমর্থকরা ‘২+১=৩’ মিলিয়ে আর্জেন্টিনার তৃতীয় শিরোপার প্রতীক খুঁজে পেয়েছিলেন। এবার কানসাসে মেসির রুম নম্বর ২০২। সেটিও দ্রুত ভক্তদের আলোচনার কেন্দ্রস্থলে চলে এসেছে। কেউ কেউ মজা করে ‘২+২=৪’ মিলিয়ে সম্ভাব্য চতুর্থ বিশ্বকাপ জয়ের ইঙ্গিত খুঁজছেন।

যদিও এ ধরনের ব্যাখ্যার কোনো আনুষ্ঠানিক ভিত্তি নেই, তবে আর্জেন্টিনা দলের সাম্প্রতিক সাফল্যের পেছনে ছোট ছোট বিশ্বাস, রীতি ও মানসিক দিকগুলো যে ভূমিকা রাখে- তা অস্বীকার করার কিছু নেই। তাই মেসির রুম নম্বর নিয়ে কৌতূহল ও আলোচনা থামে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%