০৩:৪০ পি.এম
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক বাণিজ্যকে আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য আলোচনা প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে স্বাভাবিক বাণিজ্য পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, ভিসা সহজ করা এবং বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে।
আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সচিবালয়ে কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক, বিদ্যমান সমস্যা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। সিআইআই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংস্থাটির ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি।
আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগের পর স্ত্রীর রহস্যময় পোস্ট
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আয়তন, জনসংখ্যা ও অর্থনীতির আকারে পার্থক্য থাকলেও বাংলাদেশ এবং ভারতের ভৌগোলিক বাস্তবতা পারস্পরিক সহযোগিতার বড় সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের অবস্থান ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে ঘিরে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে।’
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত অর্থনীতি বড় হলেও আন্তঃআঞ্চলিক বাণিজ্য তুলনামূলকভাবে কম বলার পর তিনি বলেন, "অর্থনৈতিক সংযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে শিল্পায়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে।"
তিনি বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক বিধিনিষেধের বিষয়ে বলেছেন, দুই দেশের বাণিজ্যকে আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন।
এদিকে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আরও পড়ুন: সরকার ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী: আমানউল্লাহ আমান
বৈঠকে ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের জন্য ভিসা জটিলতা নিয়েও আলোচনা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা, ব্যবসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে নিয়মিত যাতায়াতকারীদের জন্য কয়েক মাস পরপর নতুন করে ভিসার আবেদন করা বাস্তবসম্মত নয়। তাই, দীর্ঘমেয়াদি ভিসা ব্যবস্থার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা প্রয়োজন।
এদিকে, বাংলাদেশের অবকাঠামো ও উচ্চপ্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সিআইআই প্রতিনিধিদল দুটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।
এর মধ্যে একটি অবকাঠামো খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) উন্নয়নে কাজ করবে এবং অন্যটি সেমিকন্ডাক্টর, গ্রিন হাইড্রোজেন, ব্যাটারি স্টোরেজ ও ডাটা সেন্টারের মতো ভবিষ্যৎমুখী শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে কাজ করবে।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী: সংখ্যালঘু বলতে কোনো শব্দ নেই, আমরা সবাই এক
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন