ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্র শর্ত না মানা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: গালিবাফ


যুক্তরাষ্ট্র শর্ত না মানা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে: গালিবাফ

ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও শীর্ষ আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতা স্মারকের শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তিনি বলেন, সমঝোতা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করতে হবে, ইরানের জব্দ করা সম্পদ মুক্ত করতে হবে, তেল নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে এবং সব ধরনের হুমকি ও সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে।

গালিবাফ আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলবে না।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-জাপান চুক্তি: ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে পাঁচ বছর মেয়াদি কর্মসংস্থান চুক্তি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনভিডিয়ার অর্থায়নে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন এআই ডেটা সেন্টার লিজ নেবে ওপেনএআই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


এনভিডিয়ার অর্থায়নে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন এআই ডেটা সেন্টার লিজ নেবে ওপেনএআই

চ্যাটজিপিটির নির্মাতা ওপেনএআই যুক্তরাষ্ট্রে একটি নতুন ডেটা সেন্টার ২০ বছরের জন্য ভাড়া বা লিজ নিতে যাবে। এ প্রকল্পে এনভিডিয়া ১০৫ বিলিয়ন ডলারের অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সোমবার প্রকাশিত একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার নথিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি থেকে প্রকাশিত।

এই প্রকল্পটি নির্মিত হবে ওহাইও অঙ্গরাজ্যে, যেখানে শীতল যুদ্ধের সময় ব্যবহৃত একটি সাবেক ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কারখানা রয়েছে। ভবিষ্যতে এ প্রকল্পের সক্ষমতা ৮ গিগাওয়াট পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। যদি তা হয়, তবে এটি হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম একক ডেটা সেন্টার।

ডেটা সেন্টারটিতে শুধু এনভিডিয়ার তৈরি চিপ ব্যবহার করা হবে।

প্রকল্পটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এসবি এনার্জি এবং জাপানের সফটব্যাংক স্থানীয় বিদ্যুৎ অবকাঠামোয় ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করবে। একই সঙ্গে, ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে অন্তত ১০ গিগাওয়াট নতুন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে।

স্থানীয় বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পে সহায়তার জন্য ওপেনএআই ৪ কোটি ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এ ছাড়া, এনভিডিয়া এসবি এনার্জিতে ১.৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে। তবে প্রতিষ্ঠানটি আগেই ‘সার্কুলার ফাইন্যান্সিং’ নামে পরিচিত অর্থায়ন পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যবসা সম্প্রসারণের সমালোচনা খণ্ডন করেছে। এই ধরনের অর্থায়নকে কেন্দ্র করে এআই খাতে অতিরিক্ত বিনিয়োগের ফলে একটি ‘এআই বুদবুদ’ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে এবং এটি ভবিষ্যতে বাজারে বড় ধরনের ধস নামাতে সক্ষম।

সোমবার একটি ব্লগ পোস্টে এনভিডিয়া জানিয়েছে, ‘ওপেনএআই ডেটা সেন্টারের ভাড়া পরিশোধ করবে।’ প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় তারা যে ধরনের কঠোর আর্থিক শৃঙ্খলা অনুসরণ করে, এই চুক্তিতেও একই নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে।

তবে এনভিডিয়ার এই অর্থায়নের নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠানটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড়। এটি দ্বারা এআই খাতে ইতোমধ্যে প্রচলিত একটি আর্থিক ব্যবস্থার পরিধিতে বড় পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। যদিও এআই কোম্পানিগুলোর আয় দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু তাদের নিজেদের সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীলতা এখনো রয়েছে।

‘বিশাল প্রকল্প’

জুলাই মাসে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এবং ব্লুমবার্গ জানায়, এনভিডিয়া এ প্রকল্পের জন্য ২৫০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত অর্থায়নের নিশ্চয়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করেছিল। ওই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর, এনভিডিয়ার শেয়ারের দাম ৫ শতাংশ কমে যায়। তবে চলতি বছর পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ১৯ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।

ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) স্যাম অল্টম্যান মন্তব্য করেছেন, ‘এটি একটি বিশাল প্রকল্প হতে যাচ্ছে। এতে এত বিপুল কম্পিউটিং সক্ষমতা থাকবে যে, লাখ লাখ মানুষ এমনভাবে এআই ব্যবহার করতে পারবেন, যা আমরা আজ কেবল কল্পনা করা শুরু করেছি।’

ওপেনএআই জানিয়েছে, প্রকল্পটির নির্মাণকাজে আগামী ছয় বছরে ৩৫ হাজার অস্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এছাড়া, ডেটা সেন্টারটি চালু হওয়ার পর দীর্ঘমেয়াদে ২ হাজার ৫০০টি স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি হবে, এই আশায় রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রা-ষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৭ পি.এম


রা-ষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ

জাতীয় সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দেয়ার বিষয়টি নিয়ে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ঘোষণা করা তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করার জন্য দায়ের করা রিট খারিজ করেছে হাইকোর্ট।

নিজস্ব প্রতিবেদকের রিপোর্ট অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট), বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায়ের ঘোষণা দেন শুনানির পর।

১৩ আগস্ট, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করেন। শুনানির সময় তিনি নিজেই মামলার পক্ষে দাঁড়িয়ে আসেন। রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মামুন চৌধুরী ও আখতার হোসেন মো. আব্দুল ওয়াহাব।

রিটে ৭০ অনুচ্ছেদকে সংবিধানের মূল কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হিসাবে ঘোষণা করতে এবং আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত করার আবেদন জানানো হয়।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যদি কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে নির্বাচিত সংসদ সদস্য (এমপি) দল থেকে পদত্যাগ করেন বা সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দেন, তবে তার আসন শূন্য হয়ে যায়। নির্বাচন কমিশন গত ৬ আগস্ট এই নিয়মটি বজায় রেখেই দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।

এছাড়া, আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ ২০১৮ সালেও সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট করেছিলেন, যা পরবর্তীতে হাইকোর্টের একক বেঞ্চ খারিজ করে দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর যেসব রুটে চলবে ‘পিংক বাস’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৮ পি.এম


রাজধানীর যেসব রুটে চলবে ‘পিংক বাস’

ঢাকার গণপরিবহনে নারীদের নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) বিশেষ ‘মহিলা পিংক বাস সার্ভিস’ চালু করেছে। গোলাপি রঙের এই বাসগুলোর চালক, কন্ডাক্টর এবং সহকারী হিসেবে নারীরা থাকবেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিআরটিসির ঢাকা ট্রাক ডিপো প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সরকারীভাবে এই বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বিআরটিসি জানায়, প্রাথমিকভাবে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রুটে ১০টি বাস দিয়ে এই সেবা শুরু হয়েছে। সঙ্গে দেশের বাইরের বগুড়ায় দুটি এবং চট্টগ্রামে দুটি বাসসহ মোট চারটি বাসও পিংক বাস সার্ভিসের আওতায় চলবে।

মোট ১৩৪টি স্টপেজে এই বাস সার্ভিস পরিচালিত হবে। এতে ই-টিকিটিং ব্যবস্থার জন্য পিওএস মেশিন ব্যবহার করা হবে। একটি বাসে পরীক্ষামূলকভাবে স্টারলিংকের ওয়াই-ফাই এবং তিনটি বাসে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পরবর্তীতে অন্যান্য বাসেও এসব সুবিধা যুক্ত করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ রবিউল আলম বলেন, নারী যাত্রীদের চাহিদাকে মাথায় রেখে ভবিষ্যতে পিংক বাসের সংখ্যা ও রুট বাড়ানো হবে। পাশাপাশি ধাপে ধাপে সেবার মান উন্নত করা হবে।

তিনি জানান, কেবলবাসের সংখ্যা বাড়ালেই হবে না, নারী যাত্রীরা যেন নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও যাত্রীবান্ধব পরিবেশ পান, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। উদ্বোধনের সময় যে মানের সেবা দেওয়া হচ্ছে, দুই মাস পর সেটি আরও উন্নত করার জন্য বিআরটিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, ঢাকার গণপরিবহনের বিদ্যমান রুট ব্যবস্থাপনাও নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন রয়েছে। অনেক রুট অস্তিত্বহীন হলেও সেসব রুটের পারমিট রয়েছে, আবার কিছু জায়গায় পারমিট না থাকলেও বাস চলাচল করছে।

যাত্রীচাপ ও প্রয়োজন বিবেচনায় রুট পারমিটগুলো রেশনালাইজ করে নতুনভাবে চিহ্নিত করা হবে।

পরিবহন খাতের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে সরকার ২০০টি ইলেকট্রিক বাস কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি। এসব বাসের মধ্যেও নারীদের জন্য বাস রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর পরিবহন থেকে বের হয়ে ঢাকায় পরিবেশবান্ধব এবং মাল্টিমোডাল গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করা হবে।

ঢাকায় মোট নয়টি রুটে 'পিংক বাস' চলাচল করবে। নতুন বাজার (কোকাকোলা)-মতিঝিল: কোকাকোলা, নতুন বাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, মেরুল বাড্ডা, রামপুরা, আবুল হোটেল, মালিবাগ, কাকরাইল, পল্টন ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।

তালতলা-মতিঝিল: তালতলা, খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, বৌদ্ধমন্দির, মুগদা, কমলাপুর রেলস্টেশন, আরামবাগ, শাপলা চত্বর ও সচিবালয় হয়ে মতিঝিল।

ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার-জিপিও: ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার, বাঁশের পুল, কাজলা, যাত্রাবাড়ী, জনপথ মোড়, গুলিস্তান, পল্টন, সচিবালয় ও মৎস্য ভবন হয়ে জিপিও।

মিরপুর-১০-মতিঝিল: মিরপুর-১০, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর, শ্যামলী, আসাদগেট, কলাবাগান, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিল।

মিরপুর-মতিঝিল: মিরপুর-১২, মিরপুর-১০, মিরপুর-১, টেকনিক্যাল, শ্যামলী, ফার্মগেট, শাহবাগ ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।

মিরপুর-১২-মতিঝিল: মিরপুর-১২, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।

মোহাম্মদপুর-মতিঝিল: মোহাম্মদপুর, শংকর, ধানমণ্ডি-১৫, সিটি কলেজ, নিউ মার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ ও পল্টন হয়ে মতিঝিল।

আব্দুল্লাহপুর-মতিঝিল: আব্দুল্লাহপুর, বিমানবন্দর, খিলক্ষেত, বিশ্বরোড, কুড়িল, বনানী, মহাখালী, ফার্মগেট, শাহবাগ, প্রেস ক্লাব ও গুলিস্তান হয়ে মতিঝিল।

গাজীপুর-বিমানবন্দর: গাজীপুর, শিববাড়ী, গাজীপুর চৌরাস্তা, মালেকের বাড়ি, বোর্ডবাজার, গাজীপুরা, কলেজগেট, স্টেশন রোড, আব্দুল্লাহপুর ও আশপুর হয়ে বিমানবন্দর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের তথ্যচিত্র নিয়ে পাকিস্তানের বিস্ফোরক দাবি, ‘যুদ্ধের জয় নাকি বলিউড সিনেমার গল্প?’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫১ পি.এম


ভারতের তথ্যচিত্র নিয়ে পাকিস্তানের বিস্ফোরক দাবি, ‘যুদ্ধের জয় নাকি বলিউড সিনেমার গল্প?’

বাংলাদেশের সামরিক সাফল্য হিসেবে ‘অপারেশন সিঁদুর’কে তুলে ধরে ভারতীয় তৈরি তথ্যচিত্রের বিরুদ্ধে পাকিস্তান তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বলিউড সিনেমার মতো নাটকীয়তার মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত ফলাফলকে বদলে দেওয়া সম্ভব নয়। তাদের বক্তব্য, তথ্যচিত্রটি আসলে সামরিক পরাজয়কে সাফল্য হিসেবে দেখানোর একটি প্রচেষ্টা। একই সঙ্গে পাকিস্তান ভারতকে ভবিষ্যতে হামলা চালানোর পরিস্থিতিতে কঠোর জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।

জিও নিউজের রিপোর্ট অনুযায়ী, সোমবার পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এই বিবৃতি প্রদান করেছে। আইএসপিআর বলেছে, এক বছরও বেশি সময় পরে 'মার্কা-ই-হক' সংঘর্ষের পর ভারত 'কঠিন বাস্তবতার' মুখোমুখি হতে প্রস্তুত নয়। দেশটি ব্যর্থ অভিযানের পরাজয় স্বীকার না করে ইতিহাসকে নিজেদের পছন্দমতো উপস্থাপনের চেষ্টা করছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ভারতের কনটেন্ট নির্মাতাদের তথ্যচিত্রটিকে ‘অতিরিক্ত নাটকীয়, অতিরঞ্জিত এবং তথ্যগতভাবে ভুল’ বলেও আখ্যা দিয়েছে। ওই তথ্যচিত্রে ভারতীয় রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের সাক্ষাৎকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তাই আইএসপিআরের প্রশ্ন, ‘তথ্যচিত্রটি আসলে যুদ্ধের জয়, নাকি বলিউড সিনেমার একটি গল্প?’

আইএসপিআর জানিয়েছে, তথ্যচিত্রটিতে গভীরতা ও ভারসাম্যের অভাব এতটাই উল্লেখযোগ্য যে এটিকে একই সময়ে ‘ট্র্যাজেডি ও কমেডি’ বলা সম্ভব। সাক্ষাৎকারের নির্বাচিত অংশ, আবেগঘন বর্ণনা এবং বলিউডের সিনেমার মতো দৃশ্যায়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত তথ্যকে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

ভারত পরবর্তী সময়ে দাবি করে, পেহেলগাম হামলার তিন অভিযুক্তকে শনাক্ত করে ২০২৫ সালের ২৮ জুলাই হত্যা করা হয়েছে। অর্থাৎ যে কথিত ‘অপারেশন সিঁদুর’ ৮২ দিন পর তাদের হত্যা করা হয়। কিন্তু তথ্যচিত্রে অপারেশন সিঁদুরকে পেহেলগাম হামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান হিসেবে দেখানো হয়েছে।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রশ্ন তুলেছে, ‘যদি কথিত হামলাকারীদের ২৮ জুলাই হত্যা করা হয়ে থাকে, তাহলে ৭ মে ভারত কাদের শাস্তি দেয়ার দাবি করছে?’ পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আরও দাবি করেছে, ‘১০০ শতাংশ মিশন সফল’ হওয়ার দাবির সঙ্গে সামরিক অভিযানের বাস্তব রেকর্ডের কোনো মিল নেই। তাদের দাবি, ‘মার্কা-ই-হক’ সংঘর্ষের সময় পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী ভারতের হামলা প্রতিহত করেছে এবং আটটি সামরিক বিমান ভূপাতিত করেছে।

এরপর পাকিস্তান ‘অপারেশন বুনিয়ানুম মারসুস’ পরিচালনা করে। আইএসপিআরের দাবি, ওই অভিযানে ফাতাহ প্রিসিশন-গাইডেড রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র, পাকিস্তান বিমানবাহিনীর নির্ভুল আঘাত হানার অস্ত্র, দূরপাল্লার লইটারিং মিউনিশন এবং কামান ব্যবহার করা হয়। এসব অস্ত্র দিয়ে পাকিস্তানের নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করা এবং দেশটির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ২৬টি সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়।

আইএসপিআর বলেছে, তথ্যচিত্রের বক্তব্য ভারতের নিরঙ্কুশ আধিপত্যের দাবিকে আরও দুর্বল করে। কারণ, এতে ভারতীয় সামরিক নেতৃত্ব পাকিস্তানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও বিমান হামলা, নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর দীর্ঘ সময়ের সংঘর্ষ এবং ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করার বিষয় স্বীকার করেছে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা বলেছে, এসব স্বীকারোক্তির সঙ্গে পাকিস্তানকে ‘চূড়ান্তভাবে পরাজিত’ করার দাবির কোনও মিল নেই।

যুদ্ধবিরতি কীভাবে ঘটেছিল, সে বিষয়ে ভারতীয় তথ্যচিত্রের বক্তব্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে আইএসপিআর। তাদের দাবি, তথ্যচিত্রে উল্লেখ রয়েছে যে দুই দেশের ডিরেক্টর জেনারেল অব মিলিটারি অপারেশনসের (ডিজিএমও) মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যমে সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল।

আইএসপিআর বলেছে, ‘এটিই প্রমাণ করে যে অপারেশন সিঁদুরকে একতরফা ভারতীয় সামরিক বিজয় হিসেবে দেখানোর চেষ্টা সঠিক নয়। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধ হওয়ার ঘটনাকে পরে নিঃশর্ত বিজয়ের প্রমাণ হিসেবে দেখানো যায় না।’

ভারতীয় তথ্যচিত্রে সংঘাতের বিস্তার নিয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য রয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। ওই তথ্যচিত্রে একদিকে আকস্মিক হামলা, নিখুঁত আঘাত, ভূখণ্ডের গভীরে হামলা এবং সংঘাত বাড়ানোর ক্ষেত্রে আধিপত্যের কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে দাবি করা হয়েছে, ভারত ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘাত সীমিত রেখেছিল এবং পাকিস্তানকে সরে আসার সুযোগ দিয়েছিল।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনী বলেছে, ‘এই পরস্পরবিরোধী দাবিগুলো প্রমাণ করে, ভারতীয় ওই তথ্যচিত্রটি নিরপেক্ষ সামরিক বিবরণ নয়; বরং দেশের মানুষের জন্য পরিকল্পিত একটি বয়ান’। তাদের ভাষ্যে, ভারত সত্য প্রকাশ করেনি। বরং সামরিক ব্যর্থতাকে সফল অভিযান হিসেবে দেখাতে একটি প্রোপাগান্ডামূলক ভিডিও তৈরি করেছে।

সূত্র : জিওনিউজ ও ডন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%